(৬১৭) বিচার সম্পর্কিত [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ৬৯টি]

পরিচ্ছেদঃ ৩৩ [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৯টি]


যে হেবা (দান) নাজায়েয




35885 OK

(১৪৩৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ أَبَاهُ بَشِيرًا أَتَى بِهِ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنِّي نَحَلْتُ ابْنِي هَذَا غُلَامًا كَانَ لِي فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكُلَّ وَلَدِكَ نَحَلْتَهُ مِثْلَ هَذَا فَقَالَ لَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَارْتَجِعْهُ.


নু‘মান ইব্নু বশীর (রা) থেকে বর্ণিতঃ

তার পিতা বশীর (রা) তাকে একবার রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে নিয়ে গেলেন এবং বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমি আমার এই ছেলেকে আমার একটি গোলাম হেবা করেছি। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি তোমার প্রত্যেকটি ছেলেকেই এইরূপ হেবা করেছ? তিনি বললেন, না। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তা হলে হেবা (দান) ফিরিয়ে নাও। (বুখারী ২৫৮৬, মুসলিম ১৬২৩) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



35886 OK

(১৪৩৬)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ إِنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيْقَ كَانَ نَحَلَهَا جَادَّ عِشْرِينَ وَسْقًا مِنْ مَالِهِ بِالْغَابَةِ فَلَمَّا حَضَرَتْهُ الْوَفَاةُ قَالَ وَاللهِ يَا بُنَيَّةُ مَا مِنْ النَّاسِ أَحَدٌ أَحَبُّ إِلَيَّ غِنًى بَعْدِي مِنْكِ وَلَا أَعَزُّ عَلَيَّ فَقْرًا بَعْدِي مِنْكِ وَإِنِّي كُنْتُ نَحَلْتُكِ جَادَّ عِشْرِينَ وَسْقًا فَلَوْ كُنْتِ جَدَدْتِيهِ وَاحْتَزْتِيهِ كَانَ لَكِ وَإِنَّمَا هُوَ الْيَوْمَ مَالُ وَارِثٍ وَإِنَّمَا هُمَا أَخَوَاكِ وَأُخْتَاكِ فَاقْتَسِمُوهُ عَلَى كِتَابِ اللهِ قَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ يَا أَبَتِ وَاللهِ لَوْ كَانَ كَذَا وَكَذَا لَتَرَكْتُهُ إِنَّمَا هِيَ أَسْمَاءُ فَمَنْ الْأُخْرَى فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ ذُو بَطْنِ بِنْتِ خَارِجَةَ أُرَاهَا جَارِيَةً.


নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিতঃ

আবূ বাকর (রা) গাবা নামক স্থানে বাগানের কিছু খেজুর গাছ আমাকে দান করলেন। যার মধ্যে বিশ ওসক খেজুর উৎপন্ন হত। অতঃপর ইন্তিকালের সময় বলতে লাগলেন, হে কন্যা! আল্লাহর কসম, আমার পরে তোমার চাইতে অধিক সচ্ছল কেউ থাকুক আমি তা পছন্দ করি না, আর তুমি দরিদ্র থাক তাও আমার সবচাইতে বেশি অপছন্দ। আমি তোমাকে এমন খেজুর গাছ দিয়েছিলাম যার মধ্যে বিশ ওসক খেজুর জন্মে। তুমি যদি তা দখলে রাখতে এবং ফল সংগ্রহ করতে থাকতে তবে তা তোমার সম্পদ হয়ে যেত। এখন তো তা ওয়ারিসদের সম্পত্তি। ওয়ারিস তোমার দুই ভাই ও দুই বোন, সুতরাং উহাকে আল্লাহর কিতাব অনুসারে বন্টন করো। আয়িশা (রা) বললেন, হে আব্বাজান! যত বড় সম্পদই হোক না কেন, আমি তা ছেড়ে দিতাম, কিন্তু আমার তো বোন শুধু একজন আসমা (রা), অন্য জন কে? তিনি উত্তরে বললেন, (আমার স্ত্রী) বিন্ত খারেজা গর্ভবতী, তার গর্ভে যে সন্তান আছে আমার ধারণা তা মেয়েই হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৩৬]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



35887 OK

(১৪৩৭)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ: مَا بَالُ رِجَالٍ يَنْحَلُونَ أَبْنَاءَهُمْ نُحْلًا ثُمَّ يُمْسِكُونَهَا فَإِنْ مَاتَ ابْنُ أَحَدِهِمْ قَالَ مَا لِي بِيَدِي لَمْ أُعْطِهِ أَحَدًا وَإِنْ مَاتَ هُوَ قَالَ هُوَ لِابْنِي قَدْ كُنْتُ أَعْطَيْتُهُ إِيَّاهُ مَنْ نَحَلَ نِحْلَةً فَلَمْ يَحُزْهَا الَّذِي نُحِلَهَا حَتَّى يَكُونَ إِنْ مَاتَ لِوَرَثَتِهِ فَهِيَ بَاطِلٌ.


আবদুর রহমান ইব্নু আবদুল কারী (র) থেকে বর্ণিতঃ

উমার (রা) বলেছেন, মানুষের হল কি? তারা নিজ পুত্র-সন্তানদের জন্য হেবা (দান) করে। অতঃপর তা নিজেই নিজ দখলে রাখতে চায়, যদি ছেলে মারা যায় তবে বলে যে, আমার সম্পদ আমারই দখলে আছে, আমি কাউকেও দান করিনি, আর যদি নিজে মারা যায় তবে বলে যায় যে, ইহা আমার ছেলেরই, আমি তাকে দান করেছি। যদি কোন হেবা করার পরে তা চালু না করে এবং ছেলে ওয়ারিসসূত্রে মালিক হয় তবে ঐ হেবা বাতিল হয়ে যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৩৭]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়