(৬১৭) বিচার সম্পর্কিত [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ৬৯টি]

পরিচ্ছেদঃ ১২ [মোট হাদিসঃ ১টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৩টি]


জন্তু রেহেন রাখার ফয়সালা


আমাদের নিকট এটা একটি মতবিরোধহীন মাসআলা। তা এই যদি রেহেন রাখা জিনিস এমন হয় যা ক্ষতি হলে বোঝা যায় যেমন জমি, ঘর ও জন্তু। অতঃপর উহা মুরতাহেন (যার নিকট রক্ষিত)-এর নিকট নষ্ট হয়ে যায়, তবে মুরতাহেনের প্রাপ্য হতে কমবে না, বরং ইহা রাহিনের (রেহেন যে দিয়েছে) ক্ষতি হবে। আর যদি তা এমন জিনিস হয় যা নষ্ট হলে শুধু মুরতাহেনের কথায়ই বোঝা যায় (যেমন কাপড়, স্বর্ণ, রূপা) তবে মুরতাহেনের ক্ষতি ধরা হবে এবং উহার মূল্যের জন্য সেই দায়ী হবে। আর যদি রাহেন ও মুরতাহেনের মধ্যে মূল্য সম্বন্ধে ঝগড়া হয় তবে মুরতাহেনকে বলা হবে যে, কসম করে এ জিনিসের গুণ ও মূল্যের পরিমাণ বর্ণনা কর। যদি সে বর্ণনা করে তবে জ্ঞানী লোকগণ তা চিন্তা করে মুরতাহেনের বর্ণনা অনুযায়ী মূল্য ধার্য করবেন। আর যদি মূল্য রাহেনের মূল্য হতে অধিক হয় তবে রাহেন অধিক মূল্য গ্রহণ করবে। আর যদি উহার মূল্য রাহেনের মূল্য হতে যতদূর বেশি বলেছে তা তার দায়িত্ব হতে নেমে যাবে। আর যদি রাহেন কসম না করে তবে ঐ পরিমাণ মূল্য মুরতাহেনকে আদায় করে দিবে। আর যদি মুরতাহেন বলে যে আমি এ জিনিসের মূল্য জানি না তবে রাহেনকে ঐ জিনিসের গুণাবলির উপর কসম দেয়া হবে, যদি সে কসম করে তবে তার বর্ণনা অনুযায়ী ফয়সালা করা হবে, যদি সে অসঙ্গত কিছু না বলে। মালিক (র) বলেন যে, এটা ঐ সময় হবে যখন জিনিসটি মুরতাহেন নিজ অধিকারে আনয়ন করেছে এবং সে অন্য কারো হাতে উহা রাখেনি।



35851 OK

Continue...