পরিচ্ছেদঃ ১১ [মোট হাদিসঃ ১টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৪টি]
ফল ও জন্তুর রেহেনের ফয়সালা
যদি কোন বাগান নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত রেহেন (বন্ধক) রাখে তবে এ বাগানের ফল যা রেহেন রাখার পূর্বে হয়েছে তা গাছের সাথে রেহেন ধরা যাবে না। কিন্তু যদি রেহেনের সময় রেহেন রক্ষক শর্ত করে দিয়ে থাকে তবে জায়েয হবে। আর যদি কোন ব্যক্তি একটি গর্ভবতী বাঁদী রেহেন রাখল অথবা রেহেন রাখার পর সে গর্ভবতী হয় তবে বাচ্চাও সাথে রেহেন ধরা যাবে। গাছের ফল আর সন্তানের মধ্যে এই ব্যবধান। কারণ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, যদি খেজুর গাছ এই অবস্থায় বিক্রয় করে যে, সেই খেজুর গাছকে তা’বীর (পরাগয়ন) করেছিল তবে এই খেজুর বিক্রেতারই হবে। কিন্তু যদি শর্ত করে থাকে তবে ভিন্ন কথা। মালিক (র) বলেন যে, আমাদের কাছে এটা একটি মতভেদহীন মাসআলা। তা হল যদি কেউ কোন ক্রীতদাসী অথবা জানোয়ার বিক্রয় করে এবং ঐ দাসী কিংবা জানোয়ার গর্ভবতী হয় তবে ঐ বাচ্চা খরিদ্দারের হবে। খরিদ্দার শর্ত করুক চাই না করুক। সুতরাং জানা গেল যে, খেজুর গাছের হুকুম জানোয়ারের হুকুমের মতো নয় আর ফলের হুকুমও গর্ভাধারের বাচ্চার হুকুমের মতো নয়।
মালিক (র) বলেন, এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট কথা এই যে, মানুষ গাছ ছাড়াও খেজুরকে রেহেন রাখতে পারে। কিন্তু দাসী বা পশুর বাচ্চা যা মাতৃগর্ভে রয়েছে তাকে কোন মানুষ রেহেন রাখতে পারে না।