(৬১২) ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ১০৩টি]

পরিচ্ছেদ ২৪ : [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৪৬টি]


মজুতকরা এবং মুনাফার অপেক্ষায় থাকা




35761 OK

(১৩২৩)

নির্ণীত নয়

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ لَا حُكْرَةَ فِي سُوقِنَا لَا يَعْمِدُ رِجَالٌ بِأَيْدِيهِمْ فُضُولٌ مِنْ أَذْهَابٍ إِلَى رِزْقٍ مِنْ رِزْقِ اللهِ نَزَلَ بِسَاحَتِنَا فَيَحْتَكِرُونَهُ عَلَيْنَا وَلَكِنْ أَيُّمَا جَالِبٍ جَلَبَ عَلَى عَمُودِ كَبِدِهِ فِي الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ فَذَلِكَ ضَيْفُ عُمَرَ فَلْيَبِعْ كَيْفَ شَاءَ اللهُ وَلْيُمْسِكْ كَيْفَ شَاءَ اللهُ.


মালিক (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, আমাদের বাজারে কেউ ইহতিকার [১] করবে না। যেইসকল লোকের হাতে অতিরিক্ত মুদ্রা রয়েছে সেই সব লোক যেন আল্লাহ প্রদত্ত জীবিকাসমূহ; হতে কোন জীবিকা [খাদ্যশস্য] ক্রয় করে আমাদের উপর মজুতদারী করার ইচ্ছা না করে। আর যে ব্যক্তি শীত মৌসুমে ও গ্রীষ্মকালে নিজের পিঠে বোঝা বহন করে (খাদ্যশস্য) আনবে সে উমারের মেহমান, সে যেরূপ ইচছা বিক্রয় করুক, যেরূপ ইচ্ছা মজুত করুক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩২৩]


[[১] মজুতদারী ইসলামের দৃষ্টিতে একটি সামাজিক অপরাধ, চড়া মূল্যে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মাল মজুদ করে রাখার নাম ইহতিকার। ইহতিকার নিষিদ্ধ ও হারাম। হাদীসের দৃষ্টিতে ইহতিকারকারী অপরাধী ও অভিশপ্ত। মূল্য বৃদ্ধির অপেক্ষায় চল্লিশ দিন পর্যন্ত মাল মজুত রাখলে, সাধারণ্যে সেই মালের তীব্র প্রয়োজন থাকলে ইহতিকার নিষিদ্ধ হবে। রেওয়ায়তে বর্ণিত হয়েছে যে, যে ব্যক্তি ইহতিকার করবে সে ব্যক্তি হতে আল্লাহ তা‘আলা সম্পর্কমুক্ত, সেও আল্লাহ হতে সম্পর্ক মুক্ত (অর্থাৎ সে আল্লাহর বান্দা নয়) এবং তার কোন কিছুই গ্রহণযোগ্য হবে না। হালুয়া, মধু, তৈল, ব্যঞ্জন ইত্যাদিতে ইহতিকার নিষিদ্ধ নয়, ইহতিকার নিষিদ্ধ খাদ্যদ্রব্য। সম্পদশালী শহরে যাতে মজুতদারীতে কোন ক্ষতি হয় না এমন ইহতিকার নিষিদ্ধ নয়। -আওজাযুল মাসালিক]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



35762 OK

(১৩২৪)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يُونُسَ بْنِ يُوسُفَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ مَرَّ بِحَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ وَهُوَ يَبِيعُ زَبِيبًا لَهُ بِالسُّوقِ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِمَّا أَنْ تَزِيدَ فِي السِّعْرِ وَإِمَّا أَنْ تُرْفَعَ مِنْ سُوقِنَا.


সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) [একবার বাজারে] হাতিব ইবনু আমি বালতায়া (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে পথ অতিক্রম করিতেছিলেন। তিনি [হাতিব (রাঃ)] বাজারে তাঁর কিশমিশ বিক্রয় করিতেছিলেন। [বাজারদর হতে সস্তা মূল্যে] উমার (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ হয়তো মূল্য বাড়িয়ে বিক্রয় করুন, নচেৎ আমাদের বাজার হতে পণ্য গুটিয়ে নিন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩২৪]


[[১] এটাই এক সম্প্রদায়ের অভিমত। তাঁরা বলেনঃ বাজারদরের কম মূল্যে বিক্রয় নিষিদ্ধ, এতে অপরের ক্ষতি জড়িত আছে। ইবনু রুশদ বলেন, এটা ঠিক নয়। কম দামে বিক্রয় মন্দ কাজ নয়। উহা নিষিদ্ধ হওয়ার কোন যুক্তি নাই। উমার (রা) কর্তৃক হাতিব ইবনু আবি বালতায়া সাহাবীকে বাজারে অল্পদামে বিক্রয় করা হতে বারণ রাখার নির্দেশ ছিল পরামর্শ স্বরূপ। জরুরী কোন নির্দেশ নয়। এটাও বর্ণিত আছে যে, উমার (রা) পরে হাতিবের গৃহে গিয়ে তাঁকে গৃহে বা বাজারে যেখানে ইচ্ছা বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেনঃ আমি শহরবাসীদের মঙ্গলার্থে এটা বলেছি। এটা জরুরী কোন হুকুম নয়। আপনি যেরূপ ইচ্ছা বিক্রয় করুন। -আওজাযুল মাসালিক]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



35763 OK

(১৩২৫)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ كَانَ يَنْهَى عَنْ الْحُكْرَةِ.


বর্ণণাকারী থেকে বর্ণিতঃ

মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ইহতিকারকে নিষেধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩২৫]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়