বাদীর খোরপোশের বর্ণনা যখন উহাকে অন্তঃসত্ত্বাবস্থায় তালাক দেয়া হয়
قَالَ مَالِك لَيْسَ عَلَى حُرٍّ وَلَا عَبْدٍ طَلَّقَا مَمْلُوكَةً وَلَا عَلَى عَبْدٍ طَلَّقَ حُرَّةً طَلَاقًا بَائِنًا نَفَقَةٌ وَإِنْ كَانَتْ حَامِلًا إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ عَلَيْهَا رَجْعَةٌ ২১৩২-قَالَ مَالِك وَلَيْسَ عَلَى حُرٍّ أَنْ يَسْتَرْضِعَ لِابْنِهِ وَهُوَ عَبْدُ قَوْمٍ آخَرِينَ وَلَا عَلَى عَبْدٍ أَنْ يُنْفِقَ مِنْ مَالِهِ عَلَى مَا يَمْلِكُ سَيِّدُهُ إِلَّا بِإِذْنِ سَيِّدِهِ.
মালিক (র) বলেন : যে আযাদ পুরুষ ক্রীতদাসীকে বায়েন তালাক দিয়েছে এবং যে ক্রীতদাস ক্রীতদাসী (স্ত্রী)-কে অথবা আযাদ স্ত্রীকে বায়েন তালাক দিয়েছে, তাদের কারো উপর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর খোরপেশ প্রদান জরুরী হবে না, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হলেও যদি স্বামীর রুজূ’ করার অধিকার না থাকে (রুজূ’ করার অধকার থাকিলে স্ত্রী খোরপোশের হকদার হবে)।
মালিক (র) বলেন : কোন আযাদ ব্যক্তির জন্য তার ছেলের দুগ্ধপানের খরচ বহন করা জরুরী নয়, যদি সেই ছেলে অন্য সম্প্রদায়ের ক্রীতদাস হয়। কোন ক্রীতদাসের অধিকার নেই তার মনিবের মাল হতে এমন লোকের জন্য ব্যয় করার যার মালিক তার মনিব নয়, তবে মনিবের অনুমতি নিয়ে খরচ করতে পারবে।