
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ نُفَيْعًا مُكَاتَبًا كَانَ لِأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ عَبْدًا لَهَا كَانَتْ تَحْتَهُ امْرَأَةٌ حُرَّةٌ فَطَلَّقَهَا اثْنَتَيْنِ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يُرَاجِعَهَا فَأَمَرَهُ أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَأْتِيَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ فَيَسْأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَلَقِيَهُ عِنْدَ الدَّرَجِ آخِذًا بِيَدِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ فَسَأَلَهُمَا فَابْتَدَرَاهُ جَمِيعًا فَقَالَا حَرُمَتْ عَلَيْكَ حَرُمَتْ عَلَيْكَ.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্ণিতঃ
নুফা“ঈ নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব [১] অথবা ক্রীতদাস ছিল; তাঁর স্ত্রী ছিল আযাদ। সে তাকে দুই তালাক দিয়ে পুনরায় রুজূ করার ইচ্ছা করল। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী (রা) তাকে উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট যাওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং এই বিষয়ে তার নিকট প্রশ্ন করতে বললেন। যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর হাত ধরাবস্থায় মসজিদের সিঁড়ির নিকটে তার সাক্ষাত পেল। সে (এই মাস’আলার ব্যাপারে) উভয়ের কাছে প্রশ্ন করলে তাঁরা উভয়ে সাথে সাথে উত্তর দিলেন। তোমার উপর হারাম হয়েছে, তোমার উপর হারাম হয়েছে (তার স্ত্রী তাহার উপর হারাম)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮৬]
[[১] মুকাতব: টাকা অথবা অন্য কিছুর বিনিময়ে যে ক্রীতদাসের মুক্তি ধার্য করা হয়েছে।]
হাদিসের মান : অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ نُفَيْعًا مُكَاتَبًا كَانَ لِأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَلَّقَ امْرَأَةً حُرَّةً تَطْلِيقَتَيْنِ فَاسْتَفْتَى عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ فَقَالَ حَرُمَتْ عَلَيْكَ.
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্ণিতঃ
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ঈ তার আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিলেন, অতঃপর উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট ফতোয়া জিজ্ঞেস করলেন। ‘উসমান (রা) উত্তরে বললেন, তোমার জন্য হারাম হয়েছে । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮৭]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ أَنَّ نُفَيْعًا مُكَاتَبًا كَانَ لِأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَفْتَى زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ فَقَالَ إِنِّي طَلَّقْتُ امْرَأَةً حُرَّةً تَطْلِيقَتَيْنِ فَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ حَرُمَتْ عَلَيْكَ.
মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু হারিস তায়মী (র) থেকে বর্ণিতঃ
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মি সালামা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ই যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট ফতোয়া চাইলেন এই বলে আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়েছি। এখন ফতোয়া কি? যায়দ ইবনু সাবিত বললেন : (তোমার জন্য) এই স্ত্রী হারাম হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮৮]
হাদিসের মান : অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ: إِذَا طَلَّقَ الْعَبْدُ امْرَأَتَهُ تَطْلِيقَتَيْنِ فَقَدْ حَرُمَتْ عَلَيْهِ حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ حُرَّةً كَانَتْ أَوْ أَمَةً وَعِدَّةُ الْحُرَّةِ ثَلَاثُ حِيَضٍ وَعِدَّةُ الْأَمَةِ حَيْضَتَانِ.
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) থেকে বর্ণিতঃ
কোন ক্রীতদাস স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করলে সে স্ত্রী তার জন্য হারাম হবে যাবৎ দ্বিতীয় স্বামীর পাণি গ্রহণ না করবে; (স্ত্রী) আযাদ হোক বা ক্রীতদাসী হোক। আর আযাদ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে তিন হায়য (মাসিক ঋতু), ক্রীতদাসীর ইদ্দত হচ্ছে দুই হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮৯]
হাদিসের মান : অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ: مَنْ أَذِنَ لِعَبْدِهِ أَنْ يَنْكِحَ فَالطَّلَاقُ بِيَدِ الْعَبْدِ لَيْسَ بِيَدِ غَيْرِهِ مِنْ طَلَاقِهِ شَيْءٌ فَأَمَّا أَنْ يَأْخُذَ الرَّجُلُ أَمَةَ غُلَامِهِ أَوْ أَمَةَ وَلِيدَتِهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্ণিতঃ
যে নিজের ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছে তার ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা থাকবে, অন্যের হাতে তালাকের কোন ক্ষমতা থাকবে না। তবে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখতে কোন দোষ নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৯০]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়