
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ أَنَّهُ سَأَلَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَةً إِنْ هُوَ تَزَوَّجَهَا فَقَالَ الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ إِنَّ رَجُلًا جَعَلَ امْرَأَةً عَلَيْهِ كَظَهْرِ أُمِّهِ إِنْ هُوَ تَزَوَّجَهَا فَأَمَرَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِنْ هُوَ تَزَوَّجَهَا أَنْ لَا يَقْرَبَهَا حَتَّى يُكَفِّرَ كَفَّارَةَ الْمُتَظَاهِرِ.
সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সুলায়মান যুরাক্কী (র) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে লোক স্ত্রীকে বলল : আমি তোমাকে বিবাহ করলে তুমি তালাক। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন : এক ব্যক্তি জনৈকা মহিলার সাথে এই বলে যিহার [১] করল, তার জন্য সে তার মাতার পিঠের তুল্য, যদি সে তাকে বিবাহ করে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) সেই ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন যে, যদি সে তাকে বিবাহ করে তবে যিহারকারীর মতো কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত সে যেন ঐ স্ত্রীর নিকট না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৫৯]
[[১] তুমি আমার কাছে আমার মায়ের পিঠের তুল্য, তুমি আমার মায়ের সমান, এইরূপ বলার নাম যিহার।]
হাদিসের মান : অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ عَنْ رَجُلٍ تَظَاهَرَ مِنْ امْرَأَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَنْكِحَهَا فَقَالَا إِنْ نَكَحَهَا فَلَا يَمَسَّهَا حَتَّى يُكَفِّرَ كَفَّارَةَ الْمُتَظَاهِرِ.
মালিক (র) থেকে বর্ণিতঃ
তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-এর নিকট প্রশ্ন করল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি এক স্ত্রীলোকের সাথে যিহার করেছে তাকে বিবাহ করার পূর্বে। তারা উভয়ে বললেন : যদি সেই স্ত্রীলোককে বিবাহ করে তাবে সে যিহারের কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত স্ত্রীকে স্পর্শও করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৬০]
হাদিসের মান : অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيْهِ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ تَظَاهَرَ مِنْ أَرْبَعَةِ نِسْوَةٍ لَهُ بِكَلِمَةٍ وَاحِدَةٍ إِنَّهُ لَيْسَ عَلَيْهِ إِلَّا كَفَّارَةٌ وَاحِدَةٌ.
উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্ণিতঃ
সেই ব্যক্তিকে একটি মাত্র কাফ্ফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) রবি’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ।
মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা‘আলা তার কিতাবে যিহারের কাফ্ফারা সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন যে, স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে সে একটি ক্রীতদাস আযাদ করবে। যে ইহার সামর্থ্য রাখে না, সে স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে একাধারে দুই মাস রোযা পালন করবে। আর যে ব্যক্তি ইহারও ক্ষমতা রাখে না সে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৬১]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّهُ سَمِعَ رَجُلًا يَسْأَلُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ عَنْ رَجُلٍ قَالَ لِامْرَأَتِهِ كُلُّ امْرَأَةٍ أَنْكِحُهَا عَلَيْكِ مَا عِشْتِ فَهِيَ عَلَيَّ كَظَهْرِ أُمِّي فَقَالَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ يُجْزِيهِ عَنْ ذَلِكَ عِتْقُ رَقَبَةٍ.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি জনৈক লোককে উরওয়া ইবনু যুবায়র (র)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে নিজের স্ত্রীকে বলেছে “তুমি বেঁচে থাকা পর্যন্ত তোমার উপর যে কোন স্ত্রীলোককে আমি বিবাহ করি, সে আমার জন্য আমার জননীর পিঠের তুল্য।” উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) বললেন : এই উক্তির জন্য একটি ক্রীতদাসকে আযাদ করলেই যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৬২]
হাদিসের মান : অন্যান্য