
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ الْمِسْوَرِ بْنِ رِفَاعَةَ الْقُرَظِيِّ عَنْ الزُّبَيْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الزَّبِيرِ أَنَّ رِفَاعَةَ بْنَ سِمْوَالٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَمِيمَةَ بِنْتَ وَهْبٍ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثًا فَنَكَحَتْ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الزَّبِير فَاعْتَرَضَ عَنْهَا فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَمَسَّهَا فَفَارَقَهَا فَأَرَادَ رِفَاعَةُ أَنْ يَنْكِحَهَا وَهُوَ زَوْجُهَا الْأَوَّلُ الَّذِي كَانَ طَلَّقَهَا فَذَكَرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَهَاهُ عَنْ تَزْوِيجِهَا وَقَالَ لَا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ.
যুবাইর ইব্নু আবদুর রহমান ইব্নু যুবাইর (র) থেকে বর্ণিতঃ
রিফা’আ ইবনু সিমওয়াল (র) তাঁর স্ত্রী তামীমা বিন্তে ওয়াহ্ব-কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তামীমা আবদুর রহমান ইব্ন যুবাইরকে বিবাহ করলেন। কিন্তু তাঁর সাথে মিলিত হতে বিপত্তি [২] ঘটল যদ্দরুন আবদুর রহমান তাঁকে স্পর্শ করতে পারল না। তাই তিনি তামীমাকে ত্যাগ করলেন। অতঃপর রিফা’আ তাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করলেন। এই রিফা’আ তার প্রথম স্বামী যিনি তাঁকে তালাক দিয়েছিলেন। রিফা’আ এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উত্থাপন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামীমাকে বিবাহ করতে তাঁকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, لَا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ ‘(অন্য স্বামী) সহবাস না করা পর্যন্ত তামীমা তোমার জন্য হালাল হবে না।” (বুখারী ৫৭৯২, মুসলিম ৪১৩৩) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৯৯]
[[১] তিন তালাকপ্রাপ্তা মহিলাকে তার তালাকদাতা পূর্ব স্বামীর সাথে বিবাহ হালাল করার জন্য যে ব্যক্তি বিবাহ করে এবং পরে তালাক দেয় এইরূপ ব্যক্তিকে মুহাল্লিল বলা হয়। [২] বিপত্তি: রোগ উন্মাদনা বা অন্য কোন বাধা।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا سُئِلَتْ عَنْ رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْبَتَّة فَتَزَوَّجَهَا بَعْدَهُ رَجُلٌ آخَرُ فَطَلَّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا هَلْ يَصْلُحُ لِزَوْجِهَا الْأَوَّلِ أَنْ يَتَزَوَّجَهَا فَقَالَتْ عَائِشَةُ لَا حَتَّى يَذُوقَ عُسَيْلَتَهَاِِِِ.
আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করেছে। কিন্তু সে তাকে স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বেই তালাক দিয়েছে। এই অবস্থাতে প্রথম স্বামীর জন্য তাকে পুনরায় বিবাহ করা বৈধ হবে কি? আয়িশা (রা) বললেন : না, তাকে স্পর্শ (সহবাস) না করা পর্যন্ত বৈধ হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১০০]
হাদিসের মান : অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْبَتَّةَ ثُمَّ تَزَوَّجَهَا بَعْدَهُ رَجُلٌ آخَرُ فَمَاتَ عَنْهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا هَلْ يَحِلُّ لِزَوْجِهَا الْأَوَّلِ أَنْ يُرَاجِعَهَا فَقَالَ الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ لَا يَحِلُّ لِزَوْجِهَا الْأَوَّلِ أَنْ يُرَاجِعَهَا. ১৯৪৫-قَالَ مَالِك فِي الْمُحَلِّلِ إِنَّهُ لَا يُقِيمُ عَلَى نِكَاحِهِ ذَلِكَ حَتَّى يَسْتَقْبِلَ نِكَاحًا جَدِيدًا فَإِنْ أَصَابَهَا فِي ذَلِكَ فَلَهَا مَهْرُهَاََََ
মালিক (র) থেকে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল, এর পর অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করল। স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বেই সে ব্যক্তির মৃত্যু হল। এইরূপ অবস্থাতে তার প্রথম স্বামীর পক্ষে তাকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে কি? কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ বললেন : প্রথম স্বামীর পক্ষে সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) বলেন : পূর্ব স্বামী যে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে সেই স্বামীর জন্য স্ত্রীকে হালাল করার উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি বিবাহ করবে তার সেই বিবাহ ভেঙ্গে দেয়া হবে। এবং (হালাল করার নিয়ত ছাড়া) নূতনভাবে দ্বিতীয়বার বিবাহ করবে। কিন্তু (উপরিউক্ত অবৈধ বিবাহে) যদি সে স্ত্রীর সহিত সহবাস করে থাকে তবে স্ত্রী মহর পাবে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১০১]
হাদিসের মান : অন্যান্য