(৬০৬) শিকার সম্পর্কীত অধ্যায় [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ১৯টি]

পরিচ্ছেদ ২ [মোট হাদিসঃ ৪টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৫টি]


প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রাণী দ্বারা শিকার




35471 OK

(১০৪৫)

অন্যান্য

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي الْكَلْبِ الْمُعَلَّمِ كُلْ مَا أَمْسَكَ عَلَيْكَ إِنْ قَتَلَ وَإِنْ لَمْ يَقْتُلْ.


নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন : প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর যদি কোন প্রাণী শিকার করে তবে উহা মেরে ফেলুক বা জীবিত ধরুক সকল অবস্থায়ই উহা খাওয়া জায়েয। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৪৫]


[[১] প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোন হিংস্র প্রাণী যেমন কুকুর, বাজপাখী ইত্যাদি যদি বিসমিল্লাহ বলে শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়া হয় এবং উহা কোন প্রাণী মেরে আনে তবে উহা খাওয়া জায়েয। (ক) হামলা করতে ইশারা করলে হামলা করে। (খ) থেমে যেতে ইশারা করলে থেমে যায় এবং (গ) শিকারকৃত প্রাণী হতে কিছু ভক্ষণ করে নাÑ এই তিনটি শর্ত পাওয়া গেলে উহাকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে গণ্য করা হয়।]


হাদিসের মান : অন্যান্য



35472 OK

(১০৪৬)

অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ نَافِعًا يَقُولُ قَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ وَإِنْ أَكَلَ وَإِنْ لَمْ يَأْكُلْ.


নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন : প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারকৃত প্রাণীর কিছু ভক্ষণ করুক কিংবা না করুক তবুও উহার শিকার খাওয়া জায়েয হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৪৬]


হাদিসের মান : অন্যান্য



35473 OK

(১০৪৭)

অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ الْكَلْبِ الْمُعَلَّمِ إِذَا قَتَلَ الصَّيْدَ فَقَالَ سَعْدٌ كُلْ وَإِنْ لَمْ تَبْقَ إِلَّا بَضْعَةٌ وَاحِدَةٌ.


মালিক (র) থেকে বর্ণিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর যদি কোন প্রাণী শিকার করে কিছু ভক্ষণ করে ফেলে তবে কি হবে ? তিনি বললেন : একটি টুকরাও যদি রাখে তবুও তা খেয়ে নিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৪৭]


হাদিসের মান : অন্যান্য



35474 OK

(১০৪৮)

অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَقُولُونَ فِي الْبَازِي وَالْعُقَابِ وَالصَّقْرِ وَمَا أَشْبَهَ ذَلِكَ أَنَّهُ إِذَا كَانَ يَفْقَهُ كَمَا تَفْقَهُ الْكِلَابُ الْمُعَلَّمَةُ فَلَا بَأْسَ بِأَكْلِ مَا قَتَلَتْ مِمَّا صَادَتْ إِذَا ذُكِرَ اسْمُ اللهِ عَلَى إِرْسَالِهَا ১৮قَالَ مَالِك وَأَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ فِي الَّذِي يَتَخَلَّصُ الصَّيْدَ مِنْ مَخَالِبِ الْبَازِي أَوْ مِنْ الْكَلْبِ ثُمَّ يَتَرَبَّصُ بِهِ فَيَمُوتُ أَنَّهُ لَا يَحِلُّ أَكْلُهُ ১৮১قَالَ مَالِك وَكَذَلِكَ كُلُّ مَا قُدِرَ عَلَى ذَبْحِهِ وَهُوَ فِي مَخَالِبِ الْبَازِي أَوْ فِي فِي الْكَلْبِ فَيَتْرُكُهُ صَاحِبُهُ وَهُوَ قَادِرٌ عَلَى ذَبْحِهِ حَتَّى يَقْتُلَهُ الْبَازِي أَوْ الْكَلْبُ فَإِنَّهُ لَا يَحِلُّ أَكْلُهُ.


মালিক (র) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি কোন কোন আহলে ইল্মকে বলতে শুনেছেন, বাজ, গৃধ্র, ঈগল ইত্যাদি। শিকারী পাখী যদি প্রশিক্ষণ পায় এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের মত বুঝতে পারে তবে বিসমিল্লাহ বলে ছেড়ে থাকলে ঐগুলির শিকার জায়েয বলে গণ্য হবে।
মালিক (র) বলেন : আমি এই বিষয়ে উত্তম যা শুনেছি তা হল, বাজপাখির পাঞ্জা বা কুকুরের মুখ হতে যদি শিকার ছুটে যায় এবং পরে মারা যায় তবে উহা খাওয়া হালাল হবে না।
মালিক (র) বলেন : অনুরূপ বাজপাখীর পাঞ্জায় বা কুকুরের মুখে যদি শিকারকৃত প্রাণীটি জীবিত পাওয়া যায় এবং শিকারী উহাকে যবেহ করবার পূর্বে উহা মারা যায় তবে উহা খাওয়া হালাল হবে না।
মালিক (র) বলেন : তদ্ররূপ শিকারী যদি কোন প্রাণী শিকার করে, উহাকে জীবিত অবস্থায় পেয়েও যবেহ করতে বিলম্ব করে এবং শিকারটি মারা গেলে উহা খাওয়া হালাল হবে না।
মালিক (র) বলেন : কোন মুসলমান ব্যক্তি যদি মজূসী (অমুসলিম) দ্বারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়ে এবং উহা শিকার করে অথবা শিকারকৃত প্রাণীটিকে মেরে ফেলে তবুও উহা খাওয়া হালাল হবে। এতে কোন দোষ নেই, যদিও মুসলমান উহাকে যবেহ না করে থাকে। এর উদাহরণ হল- কোন মুসলিম ব্যক্তি কোন মজূসীর নিকট হতে ছুরি নিয়ে কোন প্রাণী যবেহ করল, কিংবা তীর-ধনুক নিয়ে কোন প্রাণী শিকার করল। ইহা খাওয়া যেমন হালাল উহাও তেমন হালাল হবে। ইহা আমাদের নিকট সর্বসম্মত।
মালিক (র) বলেন : কোন মজূসী (অমুসলিম) যদি কোন মুসলমান কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়ে এবং শিকার করে তবে উহা খাওয়া হালাল হবে না। কিন্তু যদি মুসলমান উহাকে জীবিত অবস্থায় পায় এবং নিজে যবেহ করে তবে হালাল হবে। এর উদাহরণ হল- কোন মজূসী ব্যক্তি কোন মুসলমান হতে বর্শা ও তীর নিয়ে কোন প্রাণী শিকার করল এবং প্রাণীটি মারা গেল কিংবা মুসলমানের নিকট হতে ছুরি নিয়ে কোন মজূসী প্রাণীটি যবেহ করল, উভয় অবস্থায় কোনটিই হালাল হবে না। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৪৮]


হাদিসের মান : অন্যান্য