(৬০০) ই’তিকাফ [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ১৭টি]

পরিচ্ছেদঃ ৫ [মোট হাদিসঃ ১টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৯টি]


ই’তিকাফ অবস্থায় বিবাহ করা


মালিক (র) বলেন, ই’তিকাফকারীর পক্ষে নিকাহ (অর্থাৎ) আক্দ করাতে কোন ক্ষতি নেই যাতে সহবাস করা না হয়। ই’তিকাফকারী মহিলাকেও বিবাহ করা যায় সহবাস ব্যতীত কেবল খিতবার (প্রস্তাবের) মাধ্যমে। মালিক (র) বলেন, ই’তিকাফকারীর জন্য তার স্ত্রীদের সহিত দিনে যা হারাম রাতেও তা হারাম। মালিক (র) বলেন, কোন ব্যক্তির জন্য ই’তিকাফে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রীকে স্পর্শ (সহবাস) করা হালাল নয় এবং চুমু খাওয়া ইত্যাদি দ্বারা স্ত্রীকে উপভোগ করবে না। মালিক (র) বলেন, ই’তিকাফকারী পুরুষ ও স্ত্রীলোক দু’জনের জন্য ই’তিকাফ অবস্থায় নিকাহ্ করা মাকরূহ বলতে আমি কাউকেও শুনিনি যতক্ষণ সহবাস না হয়। আর রোযাদারের জন্য রোযা অবস্থায় বিবাহ করা মাকরূহ নয়। ই’তিকাফকারীর বিবাহ করা এবং মুহরিম-এর (যিনি হজ্জ উমরার উদ্দেশ্যে ইহরাম করেছেন) বিবাহ করার মধ্যে পার্থক্য এই যে, মুহরিম পানাহার করতে পারবে না। আর ই’তিকাফকারীর পুরুষ ও স্ত্রীলোক তারা দু’জনে তৈল ব্যবহার করতে পারবে, খোশবু ব্যবহার করতে পারবে। তারা প্রত্যেকে চুল কাটতে পারবে কিন্তু জানাযায় শরীক হতে পারবে না। জানাযা নামায পড়িতে পারবে না। আর তাঁরা রোগী দেখতে যেতে পারবে না। তাই বিবাহের ব্যাপারে দু’জনের (মুহরিম ও ই’তিকাফকারী) হুকুম ভিন্ন ভিন্ন। মালিক (র) বলেন, মুহরিম, ই’তিকাফকারী এবং রোযাদারের বিবাহের ব্যাপারে এটা পূর্ববর্তীদের নীতি ছিল।



35106 OK

Continue...