
(۱۰۸۲۶) أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ وَضَعَ عُمَرُ عَلَی السَّوَادِ فَذَکَرَ مِثْلَ حَدِیثِ ابْنِ مُسْہِرٍ۔ (ابو عبید ۱۷۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(10826) হজরত মুহাম্মাদ বিন উবায়দ আল্লাহ থেকে বর্ণিত যে, হজরত ওমর ফারুক ইরাকের লোকদের নিযুক্ত করেন এবং তারপর ইবনে মাশারের হাদিসের উদাহরণ উল্লেখ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۷) أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ بَعَثَ عُمَرُ عُثْمَانَ بْنَ حُنَیْفٍ عَلَی مِسَاحَۃِ الأَرْضِ فَوَضَعَ عُثْمَانُ عَلَی الْجَرِیبِ مِنَ الْکَرْمِ عَشَرَۃَ دَرَاہِمَ وَعَلَی جَرِیبِ النَّخْلِ ثَمَانیَۃَ دَرَاہِمَ وَعَلَی جَرِیبِ الشَّعِیرِ دِرْہَمَیْنِ، وَجَعَلَ عَلَی کُلِّ رَأْسٍ فِی السَّنَۃِ أَرْبَعَۃً وَعِشْرِینَ دِرْہَمًا، وَعَطَّلَ النِّسَائَ وَالصِّبْیَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮২৭) হজরত আবু মাজাল থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত উমর (রা . ) হজরত উসমান ইবনে হানিফকে জমি জরিপ করতে পাঠান । হজরত উসমান বিন হানিফ আঙ্গুরসহ প্রতি একর জমির জন্য দশ দিরহাম এবং খেজুরসহ প্রতি একর জমির জন্য আট দিরহাম নির্ধারণ করেন এবং যারা কিন্তু দুই দিরহাম নির্ধারণ করেন এবং প্রত্যেক ব্যক্তির উপর বছরে চব্বিশ দিরহাম হার নির্ধারণ করেন এবং নারীদের কাছ থেকে খাজনা স্থগিত করেন । এবং শিশুরা .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۸) وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عُمَرَ ، أَنَّہُ بَعَثَ عُثْمَانَ بْنَ حُنَیْفٍ عَلَی السَّوَادِ فَوَضَعَ عَلَی کُلِّ جَرِیبٍ عَامِرًا وَغَامِرًا یَنَالُہُ الْمَائُ دِرْہَمًا وَقَفِیزًا , یَعْنِی الْحِنْطَۃَ وَالشَّعِیرَ , وَعَلَی کُلِّ جَرِیبِ الْکَرْمِ عَشَرَۃَ دَرَاہِمَ , وَعَلَی کُلِّ جَرِیبِ الرَّطْبِ خَمْسَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10828) হজরত হাকাম থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত উমর ( রা .) হজরত উসমান ইবনে হানিফকে ইরাকে পাঠান এবং তিনি প্রতিটি জমিতে যান , যেখানে পানি পৌঁছায়, তা বসতি হোক বা অনাবাদি এবং তার কাছে যা ছিল তার প্রতি একর জন্য এক দিরহাম এবং দশটি এক একর আঙ্গুরের জন্য দিরহাম এবং এক একর খেজুরের জন্য পাঁচ দিরহাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۹) وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ أَبَانَ بْنِ تَغْلِبَ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ عُمَرَ ، أَنَّہُ وَضَع عَلَی النَّخْلِ عَلَی الرَّقْلَتَیْنِ دِرہَمًا وَعَلَی الْفَارِسِیَّۃِ دِرْہَمًا۔ وَقَالَ وَکِیعٌ مَرَّۃً : عَنْ أَبَانَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10829) হজরত আবান ইবনে তাগলিব থেকে বর্ণিত যে, হজরত উমর ( রা .) খেজুর নির্ধারণ করতেন : বড় খেজুরের ওপর এক দিরহাম এবং ফার্সি খেজুরে দুই দিরহাম ( ছোট খেজুর ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ ؛ فِی الرَّجُلِ إذَا أُعْطِیَ مِنْ صَدَقَۃِ الْفِطْرِ ، قَالَ : إذَا اجْتَمَعَتْ عِنْدَہُ الآصع أَعْطَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10830) সাদাকাহ ফিতর দেওয়া ব্যক্তি সম্পর্কে হজরত হাসান আ. - এর বর্ণনায় তিনি বলেন , যখন তার প্রচুর সম্পদ থাকবে তখন তাকে সাদাকাহ ফিতর দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۱) حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ وَالشَّعْبِیِّ ، وَابْنِ سِیرِینَ قَالُوا : صَدَقَۃُ الْفِطْرِ عَلَی الْغَنِیِّ وَالْفَقِیرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10831) হজরত আবুল আলিয়া , হজরত শাবি ও হজরত ইবনে সিরীন বলেন , সাদাকাহ আল - ফিতর ধনী - গরিব সবাইকে দেওয়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۲) وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُثَنًّی ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ یَأْخُذُ وَیُعْطِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10832) হযরত আতা বলেন, তিনি নেবেন এবং দেবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۳) مَالِکُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ مِنْدَلٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ تُعْطِی صَدَقَۃَ الْفِطْرِ مَنْ تَحِلُّ لَہُ الصَّدَقَۃُ ، قَالَ : وَقَالَ الزُّہْرِیُّ یُؤَدِّی حَقَّ اللہِ وَیَأْخُذُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10833) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যে ব্যক্তির ওপর সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব , তাকে যাকাত দেওয়া জায়েজ নয় । হযরত ইমাম জাহরি বলেন , আল্লাহ হক আদায় করবেন এবং তিনি তা নেবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۴) عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو عَوَانَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ یُعْطِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৩১৩৪) হযরত কাতাদা বলেন , তিনি দেবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۵) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ لَمْ یَبْلُغْنَا أن أَحَدا مِنْ وُلاَۃِ ہَذِہِ الأُمَّۃِ الَّذِینَ کَانُوا بِالْمَدِینَۃِ , أَبُو بَکْرٍ ، وَعُمَرُ , وَعُثْمَانَ , أَنَّہُمْ کَانُوا یَثْنُونَ الصَّدَقَۃَ لَکِنْ یَبْعَثُونَ عَلَیْہَا کُلَّ عَامٍ فِی الْخِصْبِ وَالْجَدْبِ لأَنَّ أَخْذَہَا سُنَّۃٌ مِنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10835) ইমাম আল-যুহরি বলেন যে, আমরা এই উম্মতের এমন কোনো সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি সম্পর্কে জানি না যারা মাদিস, হযরত আবু বকর , উমর ও উসমান ছিলেন না । তিনি বছরে দুবার যাকাত পেতেন বলে খবর পৌঁছায়নি কিন্তু প্রতি বছর তারা (লোকদের) সবুজ ও শুষ্ক স্থানে পাঠাতেন যাতে তাদের কাছ থেকে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সুন্নাহ অনুযায়ী গ্রহণ করা যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۶) مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی سُلَیْمَانُ الأَحْوَلُ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، أَنَّہُ قَالَ إذْ تَدَارَکَتِ الصَّدَقَتَانِ فَلاَ یُؤْخَذُ الأُولَی کَالْجِزْیَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮৩৬ ) হজরত তাউস বলেন , যখন তুমি দুটি সদকা দাও, প্রথমটি জিযিয়ার মতো গ্রহণ করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۷) سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ کَثِیرٍ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ حَسَنٍ ، عَنْ أُمِّہِ فَاطِمَۃَ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : لاَ ثِنَا فِی الصَّدَقَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10837) হজরত ফাতিমা ( রা .) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন : বছরে দুবার যাকাত দিতে হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ رَہْطٍ ثَلاَثَۃٍ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ، قَالَ: لاَ بَأْسَ بِالصَّدَقَۃِ مِنْ بَنِی ہَاشِمٍ بَعْضِہِمْ عَلَی بَعْضٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮৩৮ ) হজরত আবু জাফর বলেন , বনু হাশেমের কয়েকজনকে যাকাত দিলে আমার কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إبْرَاہِیمَ قَالَ: کَانَ یُقَالُ إنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَائِ وَالْمُہَاجِرِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮৩৯ ) হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলেন , যাকাত গরীব ও হিজরতকারীদের জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۰) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن حُمَیْدٍ ، عَن بَکر : أَنَّ عُثْمَانَ کَانَ یُعْطِی صَدَقَۃَ الْفِطْرِ ، عَنِ الْحَبَلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10840) হজরত বকর বলেন , হজরত উসমান (রা.) হামালের পক্ষ থেকে সাদাকাতুল ফিতর দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۱) عَبْدُالْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ، عَنْ أَیُّوبَ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ، قَالَ: کَانُوا یُعْطُونَ صَدَقَۃَ الْفِطْرِ حَتَّی یُعْطُونَ، عَنِ الْحَبَلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10841) হজরত আবু কালাবা ( রা) থেকে বর্ণিত যে, সাহাবায়ে কেরাম সাদাকা দিতেন এবং হামালের পক্ষ থেকেও সাদাকাহুল ফিতর দিতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا أَخَذَ الْمُصَدِّقُ سِنًّا فَوْقَ سِنٍّ رَدَّ عَلَیْہِمْ شَاتَیْنِ ، أَوْ عِشْرِینَ دِرْہَمًا ، وَإِذَا أَخَذَ سِنًّا دُونَ سِنٍّ رَدُّوا عَلَیْہِ شَاتَیْنِ ، أَوْ عِشْرِینَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮৪২) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যাকাত গ্রহীতা নির্ধারিত পশুর চেয়ে বড় কোনো পশু নিলে দুটি ছাগল । ইয়াবি দিরহাম ফেরত দেবে । আর যদি সে নির্ধারিত বয়সের চেয়ে কম বয়সী পশু পায়, তাহলে যাকাত দিতে হবে এমন দুটি ছাগল । YAB আরো Dh2s প্রদান করবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۳) مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی خَلاَّدٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، أَنَّہُ قَالَ لَہُ ، فَإِنْ لَمْ تَجِدِ السِّنَّ الَّذِی دُونَہَا أَخَذْت السِّنَّ الَّذِی فَوْقَہَا وَرَدَدْت إلَی صَاحِبِ الْمَاشِیَۃِ شَاتَیْنِ ، أَوْ عِشْرِینَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10843) হজরত আমর বিন শোয়াইব বলেন , নির্ধারিত বয়সের চেয়ে কম বয়সী পশু পাওয়া না গেলে বয়স্ক পশুটিকে গ্রহণ করতে হবে এবং পশুর মালিককে দুটি ছাগল দিতে হবে । দয়া করে দুই দিরহাম ফেরত দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۴) مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِیِّ ، أَنَّ عُمَرَ کَتَبَ إلَی بَعْضِ عُمَّالِہِ أَنْ لاَ تَأْخُذُوا مِنْ رَجُلٍ لَمْ تَجِدُوا فِی إبِلِہِ السِّنَّ الَّتِی عَلَیْہِ إِلاَّ تِلْکَ السِّنَّ خُذُوا شَروی إبِلِہِ ، أَوْ قِیمَۃَ عَدْلٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10844) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবদ আল-রহমান আনসারী বলেন , উমর ইবনে আবদুল আজিজ তাঁর গভর্নরদের কাছে এই চিঠি লিখেছিলেন যে , যদি কারো কাছে এমন একটি পশু থাকে যা তার কাছে জাকাত প্রদানের জন্য ওয়াজিব , তবে তা করা উচিত নয় প্রাপ্ত হবে , কিন্তু এর সাদৃশ্য বা তার মান গ্রহণ করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۵) غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ فِی رَجُلٍ وَجَبَتْ عَلَیْہِ فَرِیضَۃٌ فِی إبِلِہِ لَمْ تَکُنْ عِنْدَہُ ، قَالَ : فَقَالَ : یَتَرَادَّانِ الْفَضْلَ فِیمَا بَیْنَہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10845 ) হজরত হাম্মাদ সেই ব্যক্তির সম্পর্কে বলেন , যার সম্পদের যাকাত তার কাছে নেই , তখন তারা উভয়েই অতিরিক্ত ওসিয়ত ফেরত দেয় ( অর্থাৎ , যে অতিরিক্ত নিবে সে বিনিময়ে কিছু ফিরিয়ে দেবে ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۶) الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ إِنْ أَخَذَ سِنًّا دُونَ سِنٍّ رَدَّ شَاتَیْنِ ، أَوْ عَشَرَۃَ دَرَاہِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10846) হযরত আলী বলেন , যাকাত গ্রহীতা যদি নির্ধারিত পশুর চেয়ে বড় একটি পশু নেয়, তাহলে দুটি ছাগল । ইয়াবি দিরহাম ফেরত দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ الْمُسْتَوْرِدِ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا قِلاَبَۃَ یُحَدِّثُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ ، قَالَ : بَعَثَ أَبُو بَکْرٍ الْمُصَدِّقِینَ فَأَمَرَہُمْ أَنْ یَبِیعُوا الْجَذَعَۃَ بِأَرْبَعِینَ وَالْحِقَّۃَ بِثَلاَثِینَ ، وَابْنَ لَبُونٍ بِعِشْرِینَ , وَبِنْتَ مَخَاضٍ بِعَشَرَۃٍ , فَانْطَلَقُوا فَبَاعُوا مَا بَاعُوا بِقِیمَۃِ أَبِی بَکْرٍ ، ثُمَّ رَجَعُوا حَتَّی إذَا کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ بَعَثَہُمْ فَقَالُوا : لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا ، فَقَالَ : زِیدُوا فِی کُلِّ سِنٍّ عَشَرَۃً ، فَلَمَّا أن کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ بَعَثَہُمْ فَقَالُوا : لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا شَیْئًا ، فَلَمَّا وَلِیَ عُمَرُ بَعَثَ عُمَّالَہُ بِقِیمَۃِ أَبِی بَکْرٍ الآخِرَۃِ حَتَّی إذَا کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ ، قَالَ الْعُمَّالُ لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا ، فَقَالَ : زِیدُوا فِی کُلِّ سِنٍّ عَشْرَۃً حَتَّی إذَا کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ بَعَثَہُمْ بِالْقِیمَۃِ الآخِرَۃِ فَقَالُوا : لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا ، قَالَ : لاَ حَتَّی إذَا وَلِیَ عُثْمَانُ بَعَثَ بِقِیمَۃِ عُمَرَ الآخِرَۃِ حَتَّی إذَا کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ قَالُوا : لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا ، قَالَ : زِیدُوا فِی کُلِّ سِنٍّ عَشَرَۃً حَتَّی إذَا کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ قَالُوا : لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا ، قَالَ : لاَ , فَلَمَّا وَلِیَ مُعَاوِیَۃُ بَعَثَ بِقِیمَۃِ عُثْمَانَ الآخِرَۃِ ، فَلَمَّا کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ قَالُوا : لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا ، قَالَ : زِیدُوا فِی کُلِّ سِنٍّ عَشَرَۃً , حَتَّی إذَا کَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ قَالُوا : لَوْ شِئْنَا أَنْ نَزْدَادَ ازْدَدْنَا ، قَالَ : خُذُوا الْفَرَائِضَ بِأَسْنَانِہَا ، ثُمَّ سَمُّوہَا وَأَعْلِنُوہَا ، ثُمَّ خالِسُوہُمْ لِلْبَیْعِ فَمَا اسْتَطَاعُوا أن ینتقصوا وَمَا اسْتَطَعْتُمْ أَنْ تَزْدَادُوا فَازْدَادُوا ، قَالَ عَبْدُ اللہِ : فَرَأَیْت عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ کَأَنَّہُ لَمْ یَرَ بِذَلِکَ بَأْسًا ، فَقَالَ لأَبِی قِلاَبَۃَ : فَکَیْفَ کَانَتْ صَدَقَۃُ الْغَنَمِ ؟ قَالَ : کَانَتِ الصَّدَقَۃُ تُؤْخَذُ فَتُقْسَمُ فِی فُقَرَائِ أَہْلِ الْبَادِیَۃِ حَتَّی إذْ کَانَ عَبْدُ الْمَلِکِ بْنُ مَرْوَانَ أَمَرَ بِہَا فَقُسِمَتْ أَخْمَاسًا فَجَعَلَ لِلْمِسْکِینَۃِ خُمُسًا مِنْہَا ، ثُمَّ لَمْ یَزَلْ ذَلِکَ إلَی الْیَوْمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10847) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আল মুসতুর্দ বলেন , আমি হজরত আবু কালাবাকে হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজের সামনে এ কথা বলতে শুনেছি যে : হজরত সাদিক আকবর সাদাকাহ পেয়েছেন এবং জাযা বিক্রি করতে বলেছেন । চল্লিশের জন্য হাক্কা , বিশের জন্য ইবনে লুবুন এবং দশমাংশের জন্য বিনতে আল-মুখাজ । তাই ভিক্ষা গ্রহীতারা গিয়ে হযরত আবু বকর ( রাঃ ) যে মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন , আমরা চাইলে এই মূল্যে কিছু যোগ করতে পারি , আপনি বললেন , আমরা বছরে দশ টাকা যোগ করতে পারি । তারপর পরের বছর ওরা যখন পাঠাতে শুরু করলো , তখন বললো : আমরা চাইলে এটা বাড়াতে পারি । অতঃপর হজরত ওমর ফারুক খলিফা হলে তিনি হজরত সাদিক আকবর কর্তৃক নির্ধারিত চূড়ান্ত মূল্যে প্রতিনিধিদের ( বিভিন্ন শহরে ) পাঠান । এরপর পরের বছর এলো , কর্মকর্তারা বললেন : আমরা যদি কিছু বাড়াতে চাই তাহলে বাড়াবো । আপনি বলেছেন , প্রতি বছর দশ যোগ করুন । এরপর পরের বছর যখন এই এজেন্টদের পাঠানো হয়, তখন তারা আবার বলে যে , আমরা যদি কিছু বাড়াতে চাই , তাহলে বাড়াও , আপনি তা করেননি , এখন বাড়াবেন না । অতঃপর হজরত উসমান গনি যখন খলিফা হন , তখন তিনি তাঁর কর্মচারীদেরকে হজরত উমর (রা.) কর্তৃক নির্ধারিত চূড়ান্ত মূল্যে পাঠান , তারপর যখন পরের বছর এলো , তখন কর্মকর্তারা বললেন , আমরা যদি কিছু বাড়াতে চাই , আপনি বললেন , প্রতি বছর দশ করে বাড়ান । . অতঃপর পরের বছর এলে তিনি ( আবার) অনুরোধ করলেন যে , আমরা যদি কিছু বাড়াতে চাই , তবে বাড়াও , কিন্তু আপনি বললেন না । অতঃপর হযরত আমীরে মুয়াবিয়া আমীর নিযুক্ত হলে তিনি তাকে হযরত উসমান গনী কর্তৃক নিযুক্ত শেষ মূল্যে পাঠান ।এরপর যখন পরের বছর এল, তখন এজেন্টরা বলতে শুরু করে , আমরা যদি কিছু যোগ করতে চাই , তাহলে করতে পারি । আপনি বলেছেন প্রতি বছর দশ যোগ করুন । তারপর পরের বছর বললেন আমরা যদি কিছু বাড়াতে চাই তাহলে বাড়াই । তাদের বয়স অনুযায়ী আপনার উল্লেখ করা দায়িত্ব নিন , তারপর তাদের নাম দিন এবং তাদের পরিচিত করুন। তারপর অবিলম্বে তাদের বিক্রি . আপনার যদি কমানোর ক্ষমতা থাকে (তাহলে হ্রাস করুন) এবং যদি আপনার মান বাড়ানোর ক্ষমতা থাকে তবে বাড়িয়ে দিন । বর্ণনাকারী হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আমি হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজকে দেখেছি যে , তিনি তার মধ্যে কোনো ভুল দেখতে পাননি । তিনি হজরত আবু কালাবাকে বললেন , তারা কার কাছ থেকে ছাগলের যাকাত নেবে ? আপনি বলেছেন, ভিক্ষা গ্রহণ করুন এবং গ্রামে ( এবং বনে ) গরীবদের মধ্যে বিতরণ করুন । অতঃপর হজরত আবদুল মালিক বিন মারওয়ান তা আদেশ করেন এবং খুমস খুমস করে ভাগ করেন । এবং তিনি (প্রত্যেক) দরিদ্র ব্যক্তির জন্য খুমস রেখেছিলেন , যা আজ অবধি চলছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۸) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أنَّہُ کَانَ یقول : الجوامیس بمنزلۃ البقر۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10848 ) হজরত হাসান বলেন , মহিষ গরুর স্তরে রয়েছে । ( যাকাত প্রদানের নির্দেশ ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴۹) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ فِی رَجُلٍ فَرَّطَ فِی زَکَاتِہِ حَتَّی ذَہَبَ مَالُہُ ، قَالَ ہُوَ دَیْنٌ عَلَیْہِ حَتَّی یَقْضِیَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10849 ) আপনি কি হযরত হাসান ( রা .) থেকে জানতে পেরেছেন যে, একজন ব্যক্তি অবহেলার কারণে যাকাত দিতে বিলম্ব করলে তার সম্পদ নষ্ট হয়ে যায় ? তুমি বলেছিলে এই যাকাত একটি ঋণ যার জন্য তিনি দায়ী এবং তাকে তা পরিশোধ করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۵۰) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ : إذَا کَانَ فِی الأَرْضِ بُرٌّ وَشَعِیرٌ کُلُّ وَاحِدٍ مِنْہَا أَقَلُّ مِنْ خَمْسَۃِ أَوْسَاقٍ فَإِذَا جَمَعَہُمَا کَانَ فیہِمَا خَمْسَۃُ أَوْسَاقٍ ، أَوْ أَکْثَرُ کَانَ فِیہِمَا الصَّدَقَۃُ لأَنَّ کُلَّہُ زَرْعٌ فَإِذَا کَانَ بُرٌّ وَزَبِیبٌ وَہُوَ لاَ یَبْلُغُ خَمْسَۃَ أَوْسَاقٍ فَلَیْسَ فِیہِ شَیْئٌ حَتَّی یَبْلُغَ مِنْ کُلِّ صِنْفٍ خَمْسَۃَ أَوْسَاقٍ فَإِذَا بَلَغَ فَفِیہِ الْعُشْرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮৫০) হজরত হাসান বলেন , যখন গম বা যব মাটি থেকে বের হয় এবং প্রতিটি দানা পাঁচ ওয়াসক ( একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ) থেকে কম হয় এবং যখন সেগুলো একত্র করা হয় তখন তার চেয়ে বেশি হয় , তাহলে তাদের উভয়ের উপর যাকাত ওয়াজিব কারণ তাদের প্রত্যেকটি গণনা করা হয় । আর যদি গম ও কিসমিস থাকে এবং সেগুলোর পরিমাণ পাঁচ ওয়াসাক না হয়, তাহলে তাদের প্রত্যেকের পরিমাণ পাঁচ ওয়াসাক না হওয়া পর্যন্ত তাদের ওপর কিছুই নেই । পাঁচ ওয়াসক হয়ে গেলে আবার উশর হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۵۱) عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، قَالَ : فِی کُلِّ عَشَرَۃٍ مِنَ الْبَقَرِ شَاۃٌ , وَفِی کُلِّ عِشْرِینَ شَاتَانِ وَفِی کُلِّ ثَلاَثِینَ تَبِیعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮৫১ ) হজরত শাহর ইবনে হাউসাব বলেন , দশটি গরুর ওপর একটি ছাগল , বিশটির ওপর দুটি ছাগল এবং ত্রিশটির ওপর একটি ছাগলের যাকাত । ( এক বছর বয়সী গরুর বাচ্চা )।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۵۲) عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ بْنِ خَالِدٍ ، قَالَ : اسْتُعْمِلْت عَلَی صَدَقَاتِ عَکٍّ , فَلَقِیت أَشْیَاخًا مِمَّنْ صَدَّقَ عَلَی عَہْدِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ البقر , وَسَأَلْتُہُمْ فَاخْتَلَفُوا عَلَیَّ , فَمِنْہُمْ مَنْ قَالَ اجْعَلْہَا مِثْلَ صَدَقَۃِ الإِبِلِ , وَمِنْہُمْ مَنْ قَالَ فِی ثَلاَثِینَ تَبِیعٌ , وَمِنْہُمْ مَنْ قَالَ فِی أَرْبَعِینَ بَقَرَۃً بَقَرَۃٌ مُسِنَّۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮৫২) হজরত ইকরামা ইবনে খালিদ বলেন , মিরি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর আমলে গান গেয়ে যাকাত আদায় করতেন এমন সব বুজুর্গদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তারা সবাই আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করেছিল ( তারা প্রত্যেকে অন্যের থেকে আলাদাভাবে কথা বলেছিল ) । এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ বললেন : তিনটি গরুর উপর এই তাবিয়া গ্রহণ করুন , এবং কিছু ভদ্রলোক বললেন : চল্লিশটি গরুর উপর এই মিশনা গ্রহণ করুন । হো ) গ্রহণ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۵۳) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَشْعَثُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ قَالَ فِی رَجُلٍ اشْتَرَی مِنْ زَکَاتِہِ نَسَمَۃً فَأَعْتَقَہَا فَمَاتَتِ النَّسَمَۃُ وَتَرَکَتْ مِیرَاثًا ، قَالَ یُوَجِّہُہَا فِی مَوَاضِعِ الزَّکَاۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮৫৩ ) হজরত হাসান (রা.) থেকে বর্ণিত যে , কোনো ব্যক্তি যদি জাকাতের সম্পদ থেকে একটি ক্রীতদাস ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে , তাহলে সে গোলাম মারা যায় এবং যদি সে কিছু ওয়ারিশ রেখে যায় , তাহলে তার উত্তরাধিকারের হুকুম কি ? আপনি বলেছেন এটা যাকাত খরচে ব্যয় হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۵۴) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عِمْرَانَ الْقَطَّانِ ، قَالَ : سُئِلَ الْحَسَن ہَلْ عَلَی الْمَرْأَۃِ زَکَاۃٌ فِی مَالِہَا عَلَی ظَہْرِ زَوْجِہَا ، قَالَ إِنْ کَانَ مَلِیًّا فَعَلَیْہَا زَکَاتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮৫৪) হজরত ইমরান বিন আল-কাত্তান (রা.) থেকে বর্ণিত যে, হজরত হাসান ( রা .) থেকে জানা গেল যে, নারীর মোহরানা পুরুষের দায়িত্ব, তাহলে নারীর ওপর যাকাত আছে কি ? তিনি বললেনঃ যদি দীর্ঘকাল থেকে থাকে তাহলে নারীর উপর যাকাত ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۵۵) إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، أَنَّہُ قَالَ : عَلَی الْمَرْأَۃِ أَنْ تُزْکِیَ مَہْرَہَا إذَا کَانَ عَلَی زَوْجِہَا إِنْ کَانَ مُوسِرًا ، وَإِنْ کَانَ فَقِیرًا فَلَیْسَ عَلَیْہَا شَیْئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮৫৫) হযরত আলী ( রাঃ ) বলেন , নারী ধনী হলে তার যৌতুকের যাকাত দিবে , আর গরীব হলে তার উপর কিছুই নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস