
(۱۰۷۹۵) ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْیَدُ الْعُلْیَا خَیْرٌ مِنَ الْیَدِ السُّفْلَی وَخَیْرُ الصَّدَقَۃِ مَا أَبْقَتْ غِنًی وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10795) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ওপরের হাত নিচের হাতের চেয়ে উত্তম । আর সর্বোত্তম সদকা হল সেই যা সম্পদ সংরক্ষণ করে এবং যারা আপনার সাহায্যকারী তাদের দিয়ে শুরু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۶) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنْ أَسْوَدَ بْنِ ہِلاَلٍ ، عَنْ ثَعْلَبَۃَ بْنِ زَہْدَمٍ ، قَالَ : انْتَہَی قَوْمٌ مِن ثَعْلَبَۃَ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ یَخْطُبُ وَہُوَ یَقُولُ : یَدُ الْمُعْطِی : الْعُلْیَا وَیَدُ السَّائِلِ : السُّفْلَی , وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ : أُمَّک وَأَبَاک وَأُخْتَکَ وَأَخَاک وَأَدْنَاک فَأَدْنَاک۔ (طیالسی ۱۲۵۷۔ مسندہ ۶۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(10796) হজরত থালবা বিন জাহদাম ( রা) থেকে বর্ণিত যে, থালবার লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমতে পৌছাল এবং তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খুতবা দিলেন যে হাত দেয় সে উপরেরটি এবং যে হাতটি কেড়ে নেয় সে নীচেরটি এবং আমি তাদের সাথে শুরু করেছি যারা আপনার অভিভাবক তোমার মা , তোমার বাবা , তোমার বোন , তোমার ভাই , যে তোমার কাছের এবং যে তার কাছের ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ بْنِ النُّعْمَانِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الأَقْنَعِ الْبَاہِلِیِّ، عَنِ الأَحْنَفِ بْنِ قَیْسٍ ، قَالَ : کُنْتُ جَالِسًا فِی مَجْلِسٍ فِی الْمَدِینَۃِ , فَأَقْبَلَ رَجُلٌ لاَ تَرَی حَلْقَۃٌ إِلاَّ فَرُّوا مِنْہُ حَتَّی انْتَہَی إلَی الْحَلْقَۃِ الَّتِی کُنْت فِیہَا , فَثَبَتُّ وَفَرُّوا ، فَقُلْت : مَنْ أَنْتَ ؟ قَالَ : أَبُو ذَرٍّ صَاحِبُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : فَقُلْت : مَا یَفِرُّ النَّاسُ مِنْک ؟ قَالَ : إنِّی أَنْہَاہُمْ ، عَنِ الْکُنُوزِ ، قَالَ : قُلْتُ : إنَّ أَعْطِیَاتِنَا قَدْ بَلَغَتْ وَارْتَفَعَتْ فَتَخَافُ عَلَیْنَا مِنْہَا ، قَالَ : أَمَّا الْیَوْمُ فَلاَ وَلَکِنَّہَا یُوشِکُ أَنْ تَکُونَ أَثْمَانَ دِینِکُمْ فَدَعُوہُمْ وَإِیَّاہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10797 ) হযরত আহনাফ বিন কায়স ( রা ) বলেন , আমি মসজিদে নববীতে বসে ছিলাম , এমন সময় এক ব্যক্তি মসজিদে এলো .যে তাকে দেখল সে তার কাছ থেকে পালিয়ে যাবে । হ্যাঁ , সে শেষ পর্যন্ত পৌঁছে গেল যে আমি যেখানে ছিলাম , লোকে পালিয়ে গেল , কিন্তু আমি সেখানেই রয়ে গেলাম । আমি তাদের জিজ্ঞেস করলাম আপনারা কারা ? তারা বলতে লাগলো যে, আবু যার , আমি রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে , লোকেরা আপনার কাছ থেকে কেন পলায়ন করে ? তিনি বললেন , আমি তাদের ( ধন সংগ্রহ করতে ) বাধা দিচ্ছি বলে জিজ্ঞেস করলাম , আপনি কি আমাদের ধন - সম্পদ বৃদ্ধির ব্যাপারে চিন্তিত ? তিনি বলেন , এখন নয় , তবে সম্ভব এই সম্পদ ও সম্পদ একদিন আপনার ধর্ম থেকে দূরত্বের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۸) ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، قَالَ مَرَرْنَا عَلَی أَبِی ذَرٍّ بِالرَّبَذَۃِ فَسَأَلْنَاہ عَنْ مَنْزِلِہِ ، قَالَ: کُنْتُ بِالشَّامِ فَقَرَأَتْ ہَذِہِ الآیَۃَ (وَالَّذِینَ یَکْنِزُونَ الذَّہَبَ وَالْفِضَّۃَ ، وَلاَ یُنْفِقُونَہَا فِی سَبِیلِ اللہِ فَبَشِّرْہُمْ بِعَذَابٍ أَلِیمٍ) ، فَقَالَ : مُعَاوِیَۃُ إنَّمَا ہِیَ فِی أَہْلِ الْکِتَابِ فَقُلْنَا : إِنَّہَا لَفِینَا وَفِیہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(98 107) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহব বলেন , আমরা রবজা নামক স্থানে হজরত আবু যারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম । আমরা তাদের গন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি . তারা বললো আমি সন্ধ্যায় এই আয়াতটি পড়ি !{ এবং সর্বশক্তিমান ইয়া নিযুন আল-জাহাব ওয়া আল-ফিজাহ ওয়া লা ইউ নাফিকুনহা হযরত মুয়াবিয়া ( রাঃ ) বললেনঃ নিশ্চয় আহলে কিতাবই এর প্রমাণ । আমরা সন্দেহ ছাড়াই জমা দিয়েছি এই আমরা এবং তারাও .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۹) ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : وَالَّذِی لاَ إلَہَ غَیْرُہُ لاَ یُعَذِّبُ اللَّہُ رَجُلاً یَکْنِزُ فَیَمَسُّ دِرْہَمٌ دِرْہَمًا ، وَلاَ دِینَارٌ دِینَارًا , وَلَکِنْ یُوَسِّعُ جِلْدَہُ حَتَّی یُوضَعَ کُلُّ دِرْہَمٍ وَدِینَارٍ عَلَی حِدَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10799) হজরত মাসরূক (রা.) থেকে বর্ণিত যে, হজরত আবদুল্লাহ বলেছেন : সেই সত্তার কসম, যাঁর আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই , যে ব্যক্তি ধন-সম্পদ সঞ্চয় করে , তিনি তাকে শাস্তি দেবেন না , বরং তার চামড়া প্রসারিত করা হবে এবং প্রতিটি দিরহাম ও দিনার রাখা হবে তার ত্বকে যাতে কোন দিরহাম একটি দিরহাম স্পর্শ না করে এবং কোন দিনার একটি দিনার স্পর্শ না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۰) أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ اللہِ یَقُولُ فِی قولہ تعالی : {سَیُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ} قَالَ {یُطَوَّقُونَ} ثُعْبَانًا بِفِیہِ زَبِیبَتَانِ یَنْہَشُہُ یَقُولُ أَنَا مَالُکَ الَّذِی بَخِلْتَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10800 ) হজরত আবু ওয়াইল বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ( রা . ) থেকে শুনেছি যে , তিনি মহান আল্লাহর বাণীর ব্যাখ্যা করছেন । কিয়ামতের দিন এই অজগরকে কলার তৈরি করে তাদের গলায় পরানো হবে , তার মিম্বরে দুজন কালোরা বসানো হবে । নিদর্শন থাকবে , সে ঠাট্টা করে বলবে, আমি যেমন কৃপণ ছিলাম , আমারও সেই সম্পদ আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۲) یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِکِ بْنُ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ صَاحِبِ إبِلٍ ، وَلاَ بَقَرٍ ، وَلاَ غَنَمٍ لاَ یُؤَدِّی حَقَّہَا إِلاَّ قَعَدَ لَہَا یَوْمَ الْقِیَامَۃِ بِقَاعٍ قَرْقَرٍ , تَطَؤُہُ ذَاتُ الظِّلْفِ بِظِلْفِہَا , وَتَنْطَحُہُ ذَاتُ الْقَرْنِ بِقَرْنِہَا , وَلَیْسَ فِیہَا یَوْمَئِذٍ جَمَّائُ ، وَلاَ مَکْسُورَۃُ الْقَرْنِ قَالُوا : یَا رَسُولَ اللہِ ، وَمَا حَقُّہَا ؟ قَالَ إطْرَاقُ فَحْلِہَا , وَإِعَارَۃُ دَلْوِہَا , وَمَنِیحَتُہَا وَحَلْبُہَا عَلَی الْمَاء وَحَمْلٌ عَلَیْہَا فِی سَبِیلِ اللہِ۔ (مسلم ۲۷۔ احمد ۳/۳۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10802 ) হজরত জাবির ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : এমন কোনো ব্যক্তি নেই যার উট , গরু ও ছাগল আছে , যে তাদের পাওনা পরিশোধ করেনি সমতল এবং মসৃণ মাঠ , যেখানে প্রতিটি খুরওয়ালা প্রাণী তার খুর দিয়ে তাকে মাড়াবে এবং সেই দিন এমন কোনও প্রাণী থাকবে না যার শিং নেই বা শিং নেই । সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! তাদের অধিকার কি ? তিনি ( রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ) বললেন , “ আমি কাউকে এক দম্পতির জন্য একটি উট ধার দিই না এবং এর দোয়েলও ধার দিই না । আর কারো প্রয়োজন মেটানোর জন্য ধার দিবেন না এবং উটের দুধ পানির গর্তের কাছে টেনে দিবেন ( যাতে গরীবরা পান করতে পারে ) তা থেকে দূরে রেখে আল্লাহর পথে চড়ে.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۳) زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی مُوسَی بْنُ عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عِمْرَانُ بْنُ أَبِی أُنَیْسٍ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَوْ حَبِیبِی یَقُولُ : فِی الإِبِلِ صَدَقَتُہَا مَنْ جَمَعَ دِینَارًا ، أَوْ دِرْہَمًا ، أَوْ تِبْرًا ، أَوْ فِضَّۃً ، لاَ یُعِدُّہُ لِغَرِیمٍ ، وَلاَ یُنْفِقُہُ فِی سَبِیلِ اللہِ فَہُوَ کَیٌّ یُکْوَی بِہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔ (دارقطنی ۲۷۔ بیہقی ۱۴۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10803) হজরত আবু যার ( রা . ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) থেকে শুনেছি অথবা তিনি বলেন , আমি আমার প্রিয়তমের কাছ থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন : উটের হক হল যে দান করেছে তাকে দান করা । এক দিরহাম সংগ্রহ করা হয় সে রৌপ্য সংগ্রহ করেছে কিনা তা প্রমাণিত , এবং সে ঋণগ্রহীতাকে তা পরিশোধ করেনি এবং আল্লাহর পথে ব্যয় করেনি । এটা বিচারের দিন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۴) جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی قولہ تعالی : {سَیُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ} قَالَ : طَوْقٌ مِنْ نَارٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10804) হজরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামের উক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে { বলো ইয়ু তাওকুন মা বাখিলওয়া বিহি ইয়া ওয়াম আল -কিয়া মাম্মা } বলেন , তিনি হবে আগুনের আংটি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۵) خَلَفُ بْنُ خَلِیفَۃَ ، عَنْ أَبِی ہَاشِمٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ فِی قولہ تعالی : (سَیُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِہِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ) قَالَ : ہُوَ الرَّجُلُ یَرْزُقُہُ اللَّہُ الْمَالَ فَیَمْنَعُ قَرَابَتَہُ الْحَقَّ الَّذِی فِیہِ فَیُجْعَلُ حَیَّۃً فَیُطَوَّقُہَا فَیَقُولُ : مَا لِی وَمَا لَکَ ؟ فَیَقُولُ الْحَیَّۃُ : أَنَا مَالُک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10805 ) হজরত মাসরূক রাদিয়াল্লাহু আনহু মহানবী ( সা . ) এর বাণীর তাফসীরে বলেন , এর অর্থ হচ্ছে সেই ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ দান করেছেন । যদি সে আত্মীয়কে তার প্রাপ্য পরিশোধ না করে তবে সেই সম্পদ তার জন্য । একটি সাপ তৈরি করা হবে যা দিয়ে তাকে কলিজা করা হবে , তারপর সে বলবে , আমার এবং আপনার মধ্যে সম্পর্ক কী ? ( মানে , আমাকে আঁকড়ে আছে কেন ? ) সাপ তাকে বলবে , আমি তোমার সম্পদ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِیَادٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أُتِیَ بِتَمْرٍ مِنْ تَمْرِ الصَّدَقَۃِ فَتَنَاوَلَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِیٍّ تَمْرَۃً فَلاَکَہَا فِی فِیہِ ، فَقَالَ لَہُ : رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : کَخٍْ کَخٍْ إنَّا لاَ تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَۃُ۔ (بخاری ۱۴۹۱۔ مسلم ۱۶۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10806) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর কাছে যাকাতের খেজুর আসে , তখন হজরত হাসান বিন আলী ( রা . ) তাদেরকে দান করেন । আল্লাহ তায়ালা তাদের ভর্ৎসনা করে বললেন , আমাদের জন্য দান করা বৈধ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ وَأَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُمَارَۃَ ، عَنْ شَیْخٍ یُقَالُ لَہُ رَبِیعَۃُ بْنُ شَیْبَانَ ، قَالَ : قُلْتُ لِلْحَسَنِ بْنِ عَلِیٍّ رضی اللَّہُ عَنْہُما مَا تَذْکُرُ ، عَنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَمَا تَعْقِلُ عَنْہُ ، قَالَ أَخَذْت تَمْرَۃً مِنْ تَمْرِ الصَّدَقَۃِ فَلُکْتہَا ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّا لاَ تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَۃُ۔ (احمد ۱/۲۰۰۔ طبرانی ۲۷۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮০৭) হজরত রাবিয়াহ ইবনে শাহবান বলেন , আমি হজরত হাসান ইবনে আলী ( রা . ) থেকে জানতে পেরেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বর্ণনা করেছেন যে আপনি টুপি ( সতর্কবাণী ) বলেছেন এবং কিসে বাধা দিল ? হজরত হাসান ( রা . ) বলেন , আমি যখন সদকার খেজুর থেকে একটি খেজুর নিয়ে মুখে রাখলাম , তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন , সাদাকাহ ( খাদ্য ) আমাদের জন্য হালাল নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۸) وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ طَلْحَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَجَدَ تَمْرَۃً ، فَقَالَ : لَوْلاَ أَنْ تَکُونَ مِنَ الصَّدَقَۃِ لأَکَلْتہَا۔ (بخاری ۲۰۵۵۔ مسلم ۱۶۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(10808) হজরত আনাস ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন একটি খেজুর পেলেন , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , এটা যদি সদকা না হয় , তবে আমি অবশ্যই তা থেকে খেয়ে নিতাম । তাকে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۰۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : لاَ تَحِلُّ الصَّدَقَۃُ لِبَنِی ہَاشِمٍ ، وَلاَ لِمَوَالِیہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10809) হজরত ইকরামা বলেন, বনু হাশিম ও ক্রীতদাসদের জন্য দান করা জায়েয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۰) غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی رَافِعٍ ، عَنْ أَبِی رَافِعٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَعَثَ رَجُلاً مِنْ بَنِی مَخْزُومٍ عَلَی الصَّدَقَۃِ ، فَقَالَ لأَبِی رَافِعٍ تَصْحَبُنِی کَیْمَا تُصِیبَ مِنْہَا ، فَقَالَ : لاَ حَتَّی آتِیَ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَانْطَلَقَ إلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَسَأَلَہُ فَقَالَ لَہُ : إنَّ الصَّدَقَۃَ لاَ تَحِلُّ لَنَا , وَمَوْلَی الْقَوْمِ مِنْ أَنْفُسِہِمْ۔ (ترمذی ۶۵۷۔ ابوداؤد ۱۶۴۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10810) হজরত আবু রাফি (রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) এক ব্যক্তিকে বনু মাখজুমে ভিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করেছিলেন । এই ব্যক্তি হজরত আবু রাফি (রা.)-কে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে যাও, যাতে তুমিও আমার কাছ থেকে কিছু অংশ পাও । তুমি বললে না . অতঃপর তিনি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং তাঁর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কাছে জিজ্ঞাসা করলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ দান করা আমাদের জন্য বৈধ নয় এবং উম্মতের পরহেজগার লোকেরাও তাদের অন্তর্ভুক্ত । (তাদেরও একই আদেশ আছে )।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ شَرِیکٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، أَنَّ خَالِدَ بْنَ سَعِیدٍ بَعَثَ إلَی عَائِشَۃَ بِبَقَرَۃٍ مِنَ الصَّدَقَۃِ فَرَدَّتْہَا وَقَالَتْ إنَّا آلَ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَ تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10811) হজরত ইবনে আবু মালি থেকে বর্ণিত যে, হজরত খালিদ ইবনে সাঈদ হজরত আয়েশা ( রা . ) - এর কাছে যাকাতের জন্য একটি গরু পাঠিয়েছিলেন এবং তিনি তা ফেরত দিয়েছিলেন যেহেতু আমরা মুহাম্মাদ ( সা . ) এর বংশধর । , দাতব্য আমাদের জন্য বৈধ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۲) عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی قُرَّۃَ الْکِنْدِیِّ ، عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ احْتَطَبْت حَطَبًا فَبِعْتُہُ ، فَأَتَیْت بِہِ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَوَضَعْتُہُ بَیْنَ یَدَیْہِ ، فَقَالَ : مَا ہَذَا قُلْتُ صَدَقَۃٌ، فَقَالَ لأَصْحَابِہِ کُلُوا ، وَلَمْ یَأْکُلْ۔ (احمد ۵/۴۳۸۔ حاکم ۱۰۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10812) হযরত সালমান (রাঃ) বলেন যে , আমি কিছু কাঠ সংগ্রহ করে সেগুলো বিক্রি করে ( তাদের লাভ) নিয়ে মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর খেদমতে এখানে এসে আপনার ( সালাম ও বরকত ) পেশ করলাম আল্লাহর উপর হতে ) । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জানতে পারলেন এটা কি ? আমি সদকা চেয়েছিলাম , আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আপনার সাহাবীদের খেতে বলেছিলেন , কিন্তু আপনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে বললেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۳) وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، قَالَ : أَتَیْتُ أُمَّ کُلْثُومٍ ابْنَۃَ عَلِیٍّ بِشَیْئٍ مِنَ الصَّدَقَۃِ فَرَدَّتْہَا وَقَالَتْ حَدَّثَنِی مَوْلًی لِلنَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُقَالُ لَہُ مِہْرَانُ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إنَّا آلَ مُحَمَّدٍ لاَ تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَۃُ وَمَوْلَی الْقَوْمِ مِنْہُمْ۔ (احمد ۳/۴۴۸۔ عبدالرزاق ۶۹۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮১৩) হজরত আতা বিন আল-সায়েব বলেন , আমি হজরত উম্মে কুলসুম বিনতে আলী ( রা . )- এর খেদমতে দান -খয়রাতের জন্য কিছু নিয়ে হাজির হলাম , তিনি তা ফেরত দিয়ে বললেন , হজরত মেহরান, যিনি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর দাস ছিলেন তিনি আমাকে বলেন যে , মহানবী ( সাঃ ) বলেছেনঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবারের জন্য সাদাকা হালাল নয় এবং জাতির দাসগণও তাদের কাছ থেকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۴) الْحَسَنُ بْنُ مُوسَی ، عَنْ زُہَیْرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عِیسَی ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی بَیْتِ الصَّدَقَۃِ ، قَالَ : فَجَائَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِیٍّ فَأَخَذَ تَمْرَۃً فَأَخَذَہَا مِنْہُ فَاسْتَخْرَجَہَا ، وَقَالَ : إنَّا لاَ تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَۃُ۔ (احمد ۴/۳۴۸۔ دارمی ۱۶۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮১৪ ) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আবিল লায়লা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সাদাকাহ গৃহে গিয়েছিলেন ( যেখানে হযরত হাসান ইবনে আলী তিশরীফ এসেছিলেন এবং একটি খেজুর নিয়েছিলেন , অতঃপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছ থেকে তা ফিরিয়ে নিলেন এবং বললেনঃ উঃ আমাদের জন্য দান করা জায়েয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۵) ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی حَیَّانَ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ حَیَّانَ ، قَالَ : انْطَلَقْت أَنَا وَحُصَیْنُ بْنُ عُقْبَۃَ إلَی زَیْدِ بْنِ أَرْقَمَ ، فَقَالَ لَہُ یَزِیدُ وَحُصَیْنٌ مَنْ أَہْلُ بَیْتِہِ , أَلَیْسَ نِسَاؤُہُ مِنْ أَہْلِ بَیْتِہِ ؟ قَالَ : نِسَاؤُہُ مِنْ أَہْلِ بَیْتِہِ , وَلَکِنْ أَہْلُ بَیْتِہِ مَنْ حُرِمَ الصَّدَقَۃَ بعدہ، فَقَالَ لَہُ حُصَیْنٌ : وَمَنْ ہُمْ ؟ قَالَ : ہُمْ آلُ عَبَّاسٍ ، وَآلُ عَلِیٍّ ، وَآلُ جَعْفَرٍ ، وَآلُ عَقِیلٍ، فَقَالَ لَہُ حُصَیْنٌ عَلَی ہَؤُلاَئِ تَحْرُمُ الصَّدَقَۃُ ، قَالَ نَعَمْ۔ (مسلم ۳۶۔ احمد ۴/۳۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮১৫ ) হজরত ইয়াজিদ বিন হাইন বলেন , আমি ও হজরত হুসাইন বিন উকবা হযরত যায়েদ বিন আরকামের খেদমতে উপস্থিত হয়েছিলাম । আমরা উভয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করলামঃ আহলে বাইতের লোক কারা ? তাদের নারীরাও কি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ?আপনি বলেছেন যে তার স্ত্রীরাও আহলে বায়তমীর কিন্তু আহলে বাইত তারাই যাদের উপর পরে দান করা হারাম করা হয়েছিল । হযরত হোসাইন (রা) জিজ্ঞেস করলেন এরা কারা ? তিনি বললেনঃ তাদের মধ্যে আল আব্বাস , আল আলী , আল জাফর , আল আকিল প্রমুখ । হযরত হুসাইন তখন জিজ্ঞেস করলেন , তাদের জন্য দান করা হারাম কি না ? আপনি বলেছেন : হ্যাঁ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۶) کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : حدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ الْحَجَّاجِ ، قَالَ بَلَغَنِی ، أَنَّ رَجُلَیْنِ مِنْ بَنِی عَبْدِ الْمُطَّلِبِ أَتَیَا النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَسْأَلاَنِہِ مِنَ الصَّدَقَۃِ ، فَقَالَ : لاَ وَلَکِنْ إذَا رَأَیْتُمَا عِنْدِی شَیْئًا مِنَ الْخُمُسِ فَأْتِیَانِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10816) হজরত সাবিত বিন আল-হাজ্জাজ থেকে বর্ণিত যে, বনু আবদুল মুত্তালিবের দুজন ব্যক্তি মহানবী ( সা . )- এর কাছে এসে দান -খয়রাত চাইলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদের অস্বীকার করলেন এবং বললেন , “ যখন তোমরা জান যে আমি খুমসের ধন - সম্পদ পেয়েছি , তখন তোমরা আমার কাছে আসবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۷) وَکِیعٌ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ خُصَیْفٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کَانَ آلُ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَ تَحِلُّ لَہُمُ الصَّدَقَۃُ فَجَعَلَ لَہُمْ خُمُسَ الْخُمْسِ۔ (نسائی ۴۴۴۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(10817) হযরত মুজাহিদ বলেন, মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর পরিবারের জন্য দান করা বৈধ নয় । তাদের জন্য খুমসই খুমস।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۸) الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُعَرِّفُ بْنُ وَاصِلٍ ، قَالَ حَدَّثَتْنِی حَفْصَۃُ بِنْتُ طَلْقٍ قَالَتْ حَدَّثَنِی جَدِّی رُشَیْدُ بْنُ مَالِکٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إنَّا لاَ تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَۃُ۔ (بخاری ۱۱۳۱۔ احمد ۳/۴۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10818) হজরত রাশেদ বিন মালিক (রা.) বর্ণনা করেন যে, নবী করিম ( সা . ) বলেছেন , দান করা আমাদের জন্য বৈধ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۱۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِیدٍ ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِیجٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : الْعَامِلُ عَلَی الصَّدَقَۃِ بِالْحَقِّ کَالْغَازِی فِی سَبِیلِ اللہِ حَتَّی یَرْجِعَ إلَی بَیْتِہِ۔ (ترمذی ۶۴۵۔ ابوداؤد ۲۹۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(10819) হজরত রাফে ইবনে খাদিজ (রা. ) থেকে বর্ণিত আছে যে , তিনি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছি : সাদাকাহ আমার জন্য হক , যেমন একজন গাজীর পথে । যতক্ষণ না সে বাড়ি ফিরে আসে আল্লাহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۰) أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ بُرِیدِ بْنِ عبد اللہِ بْنِ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ جَدِّہِ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ الْخَازِنَ الأَمِینَ الَّذِی یُعْطِی مَا أُمِرَ بِہِ کَامِلاً مُوَفَّرًا طَیِّبَۃً بِہِ نَفْسُہُ حِینَ یَدْفَعُہُ إلَی الَّذِی أُمِرَ لہ بِہِ أَحَدُ الْمُتَصَدِّقَیْنِ۔ (بخاری ۱۴۳۸۔ ابوداؤد ۱۶۸۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10820) হজরত আবু মূসা ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন : নিশ্চয়ই বিশ্বস্ত কোষাধ্যক্ষ সে, যে যাকে ইচ্ছা তাকে দান করে এই জিনিসটি সম্পূর্ণরূপে প্রচুর পরিমাণে এবং সঙ্গত কারণে যে ব্যক্তিকে এটি দেওয়ার আদেশ পেয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۱) غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ الْمَکِّیِّ ، قَالَ بَعَثَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَجُلاً مِنْ ثَقِیفٍ عَلَی الصَّدَقَۃِ فَرَآہُ بَعْدَ ذَلِکَ الْیَوْمِ ، فَقَالَ : أَلاَ أَرَاک وَلَکَ کَأَجْرِ الْغَازِی فِی سَبِیلِ اللہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10821) হজরত হাসান বিন মুসলিম আল-মক্কী বলেন , হজরত ওমর ফারুক ( রা . ) বনু থাকিফিম থেকে এক ব্যক্তিকে ( সাদকা গ্রহণের জন্য ) পাঠালেন , অতঃপর তিনি তাকে বললেন : তুমি কি দেখতে পাওনি যে , তোমার জন্য এমন সওয়াব রয়েছে ? একজন গাজী যে আল্লাহর অনুসারী ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۲) أَبُو أُسَامَۃَ وَوَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ مَنْ دُفِعَتْ إلَیْہِ الصَّدَقَۃُ فَوَضَعَہَا مَوَاضِعَہَا فَلَہُ أَجْرُ صَاحِبِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮২২) হজরত হাসান বলেন , যে ব্যক্তিকে দান করা হয়েছিল , অতঃপর সে তা তার জায়গায় রাখবে , তাহলে সে তার মালিকের সমান সওয়াব পাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ ، أن عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ جَعَلَ عَلَی أَہْلِ السَّوَادِ عَلَی کُلِّ جَرِیبٍ قَفِیزًا وَدِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10823) হজরত আমর ইবনে মায়মুন (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, হজরত উমর ইবনে খাত্তাব ইরাকবাসীদের জন্য প্রতি জিরিবের ( জমি ) জন্য একটি কাফিজ এবং একটি দিরহাম নির্ধারণ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۴) حَفْصٌ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ، عَنْ قَتَادَۃَ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ، أَنَّ عُمَرَ جَعَلَ عَلَی جَرِیبِ النَّخْلِ ثَمَانیَۃَ دَرَاہِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10824) হজরত আবু মাজাল থেকে বর্ণিত আছে যে, হজরত উমর বিন আল - খাত্তাব খেজুর বাগানের একর জমির ওপর আট দিরহাম নির্ধারণ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲۵) عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ أَبِی عَوْنٍ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ الثَّقَفِیِّ ، قَالَ وَضَعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ عَلَی أَہْلِ السَّوَادِ عَلَی کُلِّ جَرِیبِ أَرضٍ یَبْلُغُہُ الْمَائُ عَامِرًا وَغَامِرًا دِرْہَمًا وَقَفِیزًا مِنْ طَعَامٍ , وَعَلَی الْبَسَاتِینِ عَلَی کُلِّ جَرِیبِ أَرضٍ عَشَرَۃَ دَرَاہِمَ وَعَشَرَۃَ أَقْفِزَۃً من طَعَامٍ وَعَلَی الْکُرُومِ عَلَی کُلِّ جَرِیبِ أَرْضٍ عَشَرَۃَ دَرَاہِمَ وَعَشَرَۃَ أَقْفِزَۃً طَعَامٍ , وَعَلَی الرِّطَابِ عَلَی کُلِّ جَرِیبِ أَرْضٍ خَمْسَۃَ دَرَاہِمَ , وَخَمْسَۃَ أَقْفِزَۃَ طَعَامٍ ، وَلَمْ یَضَعْ عَلَی النَّخْلِ شَیْئًا , وَجَعَلَہُ تَبَعًا لِلأَرْضِ , وَعَلَی رُؤُوسِ الرِّجَالِ عَلَی الْغَنِیِّ ثَمَانِیَۃً وَأَرْبَعِینَ دِرْہَمًا , وَعَلَی الْوَسَطِ أَرْبَعَۃً وَعِشْرِینَ دِرْہَمًا , وَعَلَی الْفَقِیرِ اثْنَیْ عَشَرَ دِرْہَمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮২৫ ) হজরত আবু আউন মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দ আল্লাহ আল -থাক্কী বর্ণনা করেন যে , হজরত উমর ইবনে খাত্তাব ইরাকবাসীকে যে জমিতে পানি পৌঁছায় সেখানে অবতরণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন , যদিও সেই জমিতে ইয়ারাবাদে এক দিরহাম ও এক কাফিজ নির্ধারিত হয় , এবং উদ্যানপালকদের প্রতি একর জমির জন্য দশ দিরহাম এবং দশ কাফিজ খাদ্য , এবং আঙ্গুর চাষীদের প্রতি একর জমির জন্য দশ দিরহাম এবং একটি কাফিজ এবং প্রতি একর পাম গাছের জন্য পাঁচ দিরহাম এবং পাঁচ কাফিজ । তিনি বললেন আর যে বৃক্ষের উপর কিছুই ছিল না তাকে পৃথিবীর অধীন করা হয় এবং মৃত ও ধনীর উপর 88 দিরহাম , মধ্যবিত্তদের উপর চব্বিশ দিরহাম এবং গরীবদের উপর বারো দিরহাম খাজনা দেওয়া হয় । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস