
(۱۰۷۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن رَیْحَانَ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَحِلُّ الصَّدَقَۃُ لِغَنِیٍّ ، وَلاَ لِذِی مِرَّۃٍ سَوِیٍّ۔ (ترمذی ۶۵۲۔ ابوداؤد ۱۶۳۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10765) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ধনী ও ক্ষমতাবানদের জন্য যাকাত জায়েজ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۶۶) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَحِلُّ الصَّدَقَۃُ لِغَنِیٍّ ، وَلاَ لِذِی مِرَّۃٍ سَوِیٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 10766) আবু হুরায়রা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ধনী ও শক্তিশালীদের জন্য দান করা জায়েয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۶۷) عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ مُجَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ حُبْشِیِّ بْنِ جُنَادَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : الْمَسْأَلَۃُ لاَ تَحِلُّ لِغَنِیٍّ ، وَلاَ لِذِی مِرَّۃٍ سَوِیٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৭৬৭ ) হজরত হাবশী ইবনে জুনদা ( রা . ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে , শক্তিশালীদের জন্য প্রশ্ন করা জায়েজ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۶۸) عَبْدُ الرَّحِیمِ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عَدِیِّ بْنِ الْخِیَارِ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی رَجُلاَنِ أَنَّہُمَا أَتَیَا النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَسْأَلاَنِہِ الصَّدَقَۃَ ، قَالَ فَرَفَّعَ فِیہِم الْبَصَرَ وَصَوَّبَہُ ، وَقَالَ : إنَّکُمَا لَجَلْدَانِ ، فَقَالَ : أَمَا إِنْ شِئْتُمَا أَعْطَیْتُکُمَا وَلاَ حَظَّ فِیہَا لِغَنِیٍّ ، وَلاَ لِقَوِیٍّ مُکْتَسِبٍ۔ (ابوداؤد ۱۶۳۰۔ احمد ۵/۳۶۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(10768) হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে উদয় ইবনে খায়ের বলেন যে , দুজন ব্যক্তি আমাকে খবর দিল যে , তারা উভয়েই নবী করীম ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে সদকা ( যাকাত) দিয়েছিলেন । বর্ণনাকারী বলেছেন যে আপনি দ্রুত তাদের জন্য আপনার চোখ তুলেছিলেন এবং তাদের সংশোধন করেছিলেন এবং বলেছিলেন , তোমরা উভয়েই শক্তিশালী এবং সুস্থ থাকো । অতঃপর তিনি বললেন , যদি তুমি চাও, আমি তোমাদের উভয়কে তা দিয়ে দেব, ( কিন্তু ) ধনী ও শক্তিশালী উপার্জনকারীর জন্য ( দান ও যাকাত ) কোন অংশ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۶۹) ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُلَیٍّ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : لاَ تَنْبَغِی الصَّدَقَۃُ لِغَنِیٍّ ، وَلاَ لِذِی مِرَّۃٍ سَوِیٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10769) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা ) বলেন , ধনী ও ক্ষমতাবানদের জন্য দান ( যাকাত ) উপযুক্ত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی بْنُ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُسْلِمٍ أَخِی الزُّہْرِیِّ ، عَنْ حَمْزَۃَ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : لاَ تَزَالُ الْمَسْأَلَۃُ بِأَحَدِکُمْ حَتَّی یَلْقَی اللَّہَ وَلَیْسَ فِی وَجْہِہِ مُزْعَۃُ لَحْمٍ۔ (بخاری ۱۴۷۴۔ مسلم ۱۰۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10770 ) হজরত হামজা ইবনে আবদুল্লাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যদি কেউ আমাকে একই প্রশ্ন করে তবে সে এমন অবস্থায় বেঁচে থাকে যে পর্যন্ত না সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তার মুখে মাংস থাকবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۱) جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ قَابُوسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ لَوْ یَعْلَمُ صَاحِبُ الْمَسْأَلَۃِ مَا فِیہَا مَا سَأَلَ۔ (طبرانی ۱۲۶۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(10771) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, প্রশ্নকারী যদি জানে যে তাকে কী ওয়াদা করা হয়েছে , তাহলে সে যেন জিজ্ঞাসা না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۲) أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : مَنْ سَأَلَ النَّاسَ مِنْ غَیْرِ فَاقَۃٍ جَائَ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ وَفِی وَجْہِہِ خُدُوشٌ ، أَوْ خُمُوشٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৭৭২) হজরত মাসরূক বলেন , যারা বিনা কারণে প্রশ্ন করে , কিয়ামতের দিন তাদের এমন অবস্থা হবে যে , তাদের মুখমণ্ডল কাঠ দিয়ে ঢাকা থাকবে । আমি আমার নখ দিয়ে খোসা ছাড়ব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۳) ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ ، قَالَ : قَالَتْ أُمُّ الدَّرْدَائِ لأَبِی الدَّرْدَائِ : إِنِ احْتَجْتُ بَعْدَکَ آکُلُ الصَّدَقَۃَ؟ قَالَ: لاَ ، اعْمَلِی وَکُلِی قَالَتْ: إِنْ ضَعُفْت عَنِ الْعَمَلِ ، قَالَ: الْتَقِطِی السُّنْبُلَ، وَلاَ تَأْکُلِی الصَّدَقَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10773) হজরত আমর ইবনে মায়মুন থেকে বর্ণিত যে, হজরত উম্মুল দারদাই হজরত আবু আল দারদাই (রা. ) - কে বললেন , আমি যদি আপনার পরে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ি , তাহলে আমি কি সদকা ও যাকাত দিতে পারব ? আপনি বলেননি , কাজ করে খাচ্ছেন , তিনি আবার বললেন , আমি যদি রোগের কারণে কাজ করতে না পারি ? আপনি বলেছেন যে আমি আনন্দের জন্য কোন দান বা যাকাত ( না চেয়ে ) খাব না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۴) جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکَ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ عُقْبَۃَ ، أَوْ فُلاَنِ بْنِ عُقْبَۃَ ، عَنِ ابْنِ جُنْدُبٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : کُلُّ الْمَسْأَلَۃِ کَدٌّ فِی وَجْہِ الرَّجُلِ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ إِلاَّ أَنْ یَسْأَلَ سُلْطَانًا، أَوْ فِی أَمْرٍ لاَ بُدَّ مِنْہُ۔ (ترمذی ۶۸۱۔ ابوداؤد ۱۶۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(10774) একজন মানুষের প্রতিটি প্রশ্নই বিচারের দিন তার মুখে একটি চিহ্ন হয়ে থাকবে , যদি না সে রাজাকে জিজ্ঞাসা করে বা কোনো জরুরি প্রয়োজনে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۵) ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ الْقَعْقَاعِ ، عَنْ أَبِی زُرْعَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ سَأَلَ النَّاسَ أَمْوَالَہُمْ تَکَثُّرًا فَإِنَّمَا یَسْأَلُ جَمْرَۃً فَلْیَسْتَقِلَّ مِنْہُ ، أَوْ لِیَسْتَکْثِرْ۔ (مسلم ۱۰۵۔ احمد ۲/۲۳۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(10775 ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন : যে ব্যক্তি সম্পদের জন্য লোকদের কাছে জিজ্ঞেস করে , সে অবশ্যই অঙ্গার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে , তাই তিনি চাইলে এই অঙ্গারগুলো কমাতে পারেন বা চাইলে বাড়াতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۶) ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مُجَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ حُبْشِیِّ السَّلُولِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَنْ سَأَلَ النَّاسَ لِیُثْرِیَ بِہِ مَالَہُ ، فَإِنَّہُ خُمُوشٌ فِی وَجْہِہِ وَرَضْفٌ مِنْ جَہَنَّمَ یَأْکُلُہُ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ , وَذَلِکَ فِی حَجَّۃِ الْوَدَاعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10776) হজরত হাবশী আল - সালুল্লী বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছি যে , যে ব্যক্তি লোকদের কাছে তার সম্পদ বৃদ্ধির জন্য বলে , তবে এই প্রশ্নটি তার মুখে আঁচড় এবং গরম পাথর। জাহান্নাম, যা ধার্মিক জাতি খেয়ে ফেলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۷) أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ مَنْ سَأَلَ النَّاسَ لِیَثْرَی بِہِ مَالَہُ فَإِنَّمَا ہُوَ رُضَفٌ مِنْ جَہَنَّمَ , فَمَنْ شَائَ فَلْیُقِلَّ وَمَنْ شَائَ فَلْیُکْثِرْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10777) হজরত ওমর (রা.) বলেন , যে ব্যক্তি লোকদের কাছে তাদের ধন-সম্পদ থেকে ধনী হওয়ার জন্য অনুরোধ করবে, তার জন্য অবশ্যই জাহান্নামের উত্তপ্ত পাথর রয়েছে , সুতরাং যে পাথর কমাতে চায় এবং যে তা দিতে চায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۸) ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لأَنْ یَأْخُذَ أَحَدُکُمْ أَحْبُلاً فَیَأْتِیَ الْجَبَلَ , فَیَحْتَطِبَ مِنْہُ فَیَبِیعَہُ , وَیَأْکُلَ وَیَتَصَدَّقَ , خَیْرٌ مِنْ أَنْ یَسْأَلَ النَّاسَ۔ (بخاری ۱۴۸۰۔ مسلم ۱۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(10778) হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ দড়ি নিয়ে পাহাড়ে এসে কাঠ সংগ্রহ করল এবং সেগুলো বিক্রি করা তার জন্য উত্তম তাদের থেকে আহার করা এবং দান করা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা থেকে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۷۹) ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الزُّبَیْرِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لأَنْ یَأْخُذَ أَحَدُکُمْ أَحْبُلاً فَیَذْہَبَ فَیَأْتِیَ بِحُزْمَۃٍ مِنْ حَطَبٍ عَلَی ظَہْرِہِ فَیَبِیعَہَا فَیَکُفَّ اللَّہُ بِہَا وَجْہَہُ , خَیْرٌ لَہُ مِنْ أَنْ یَسْأَلَ النَّاسَ شَیْئًا , أَعْطَوْہُ ، أَوْ مَنَعُوہُ۔ (بخاری ۳۰۷۵۔ احمد ۱/۱۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(10779) হযরত যুবাইর ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন একটি রশি বহন করে এবং তার পিঠে একটি লাঠি বহন করে , যদি সে সেগুলোর একটি গুচ্ছ নিয়ে আসে এবং সেগুলো বিক্রি করে তাহলে আল্লাহ তার দ্বারা তার মুখ লুকিয়ে রাখবেন এটা করো না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ وَالْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ الْحَسَنِ ، عَنِ ابْنِ مَعْقِلٍ ، قَالَ مَنْ سَأَلَ تَکَثُّرًا جَائَ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ وَفِی وَجْہِہِ خُمُوشٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10780) হজরত ইবনে মুয়াকাল বলেন , যে ব্যক্তি মানুষের কাছে প্রাচুর্য চাইবে, তাকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় আনা হবে যে সে তার মুখমণ্ডল আঁচড়াবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۱) حَفْصٌ وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : جَائَ سَائِلٌ فَسَأَلَ فَأَعْطَاہُ شَیْئًا ، فَقِیلَ لَہُ : تُعْطِیہ وَہُوَ مُوسِرٌ ؟ فَقَالَ : إِنَّہُ سَائِلٌ وَلِلسَّائِلِ حَقٌّ وَلَیَتَمَنَّیَنَّ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ ، أَنَّہَا کَانَتْ رَضْفَۃً فِی یَدِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10781) হজরত ইবনে আবি লায়লা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, একজন প্রশ্নকারী হজরত আবু যার (রা. ) - এর কাছে আসলেন এবং তিনি খুশি হওয়া সত্ত্বেও তাকে কিছু দিলেন ? তিনি বললেন , তিনি একজন প্রশ্নকারী, এবং প্রত্যেক প্রশ্নকারীর একটি অধিকার আছে, এবং কিয়ামতের দিন তারা অবশ্যই চাইবে ( যে তারা জিজ্ঞাসা করবে না ) নিশ্চয় তাদের হাত আমার । পাথর
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۲) ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ یَبْلُغُ بِہِ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ سَأَلَ وَلَہُ أُوقِیَّۃٌ ، أَوْ عَدْلُہَا فَہُوَ یَسْأَلُ النَّاسَ إلْحَافًا۔ (ابوداؤد ۱۶۲۴۔ مالک ۱۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(10782) হজরত আতা ইবনে ইয়াসার ( রা . ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর আদেশ পেয়েছি যে , তিনি বলেছেন : যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় প্রশ্ন করে যে তার কাছে চল্লিশ দিরহাম বা সমপরিমাণ সম্পদ, তাহলে তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি মানুষকে আঁকড়ে ধরেন এবং পেছনে প্রশ্ন করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطِیَّۃَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَحِلُّ الصَّدَقَۃُ لِغَنِیٍّ إِلاَّ لِثَلاَثَۃٍ : فِی سَبِیلِ اللہِ ، أَوِ ابْنِ السَّبِیلِ ، أَوْ رَجُلٍ کَانَ لَہُ جَارٌ فَتُصُدِّقَ عَلَیْہِ فَأَہْدَی لَہُ۔ (ابوداؤد ۱۶۳۴۔ بیہقی ۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 10783 ) হজরত আবু সাঈদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন , তিনটি অবস্থা ছাড়া কোনো ধনী ব্যক্তির জন্য যাকাত জায়েজ নয় , হয় সে আল্লাহর পথে একজন মুসাফির , বা তার প্রতিবেশীদের মধ্যে একজনকে যাকাত দেওয়া হয়েছে এবং তাকে তা দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۴) وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَحِلُّ الصَّدَقَۃُ إِلاَّ لِخَمْسَۃٍ : رَجُلٍ اشْتَرَاہَا بِمَالِہِ ، أَوْ رَجُلٍ عَمِلَ عَلَیْہَا ، أَوِ ابْنِ السَّبِیلِ ، أَوْ فِی سَبِیلِ اللہِ ، أَوْ رَجُلٍ کَانَ لَہُ جَارٌ فَتُصُدِّقَ عَلَیْہِ فَأَہْدَی لَہُ۔ (مالک ۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(10784) হজরত আতা ইবনে ইয়াসার ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি তার ধন - সম্পদ থেকে তা ক্রয় করে তার জন্য পাঁচ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো জন্য দান করা জায়েয নয় এটিতে কাজ করে বা ভ্রমণকারীর জন্য , অথবা যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে আছে বা তার প্রতিবেশীদের মধ্যে একজনকে যাকাত দেয়া হয়েছে এবং তাকে তা উপহার হিসেবে দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۵) ابْنُ نُمَیْرٍ، عَنِ الْمُجَالِدِ، عَنِ الشَّعْبِیِّ، عَنْ حُبْشِیِّ بْنِ جُنَادَۃَ السَّلُولِیِّ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ وَأَتَاہُ أَعْرَابِیٌّ فَسَأَلَہُ ، فَقَالَ : إنَّ الْمَسْأَلَۃَ لاَ تَحِلُّ إِلاَّ لِفَقْرٍ مُدْقِعٍ ، أَوْ غُرْمٍ مُفْظِعٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10785) হজরত হাবশী বিন জুনদা আল-সালুল্লি থেকে বর্ণিত যে, আমি তাঁকে ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) একথা বলতে শুনেছি, যখন তিনি তাঁর সাথে ছিলেন , তখন এক আরব লোক এসে প্রশ্ন করল ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ এই বাক্যটি ব্যতীত কোন প্রশ্ন করা জায়েয নয় । যা গুরুতর এবং গুরুতর এবং এই ঋণের মধ্যে যা গভীর এবং গুরুতর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۶) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، أَنَّ سَائِلاً سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ وَالْحَسَنَ وَالْحُسَیْنَ ، وَعَبْدَ اللہِ بْنَ جَعْفَرٍ فَقَالُوا : إِنْ کُنْت تَسْأَلُ لِدَیْنٍ مُفْظِعٍ ، أَوْ فَقْرٍ مُدْقِعٍ ، أَوَ قَالَ دَمٍ مُوجِعٍ فَإِنَّ الصَّدَقَۃَ تَحِلُّ لَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10786) হজরত আবু ইসহাক বলেন , একজন প্রশ্নকারী হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর, হজরত হাসান, হজরত হোসাইন ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.)কে জিজ্ঞেস করলেন , তারা সবাই তাকে বললেন , তিনি যদি জিজ্ঞেস করেন , তোমার ঋণ আছে নাকি প্রচণ্ড দারিদ্র আছে ? রক্তপাত দিয়ে টাকা দিতে হবে , নইলে তোমাকে হত্যা করা হবে , তারপর তোমার জন্য চাওয়া জায়েজ ( অন্যথায় নয় ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۷) الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ رِئَابٍ ، عَنْ کِنَانَۃَ بْنِ نُعَیْمٍ ، عَنْ قَبِیصَۃَ بْنِ الْمُخَارِقِ الْہِلاَلِیِّ ، قَالَ تَحَمَّلْت حَمَالَۃً فَأَتَیْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَسْأَلُہُ فِیہَا ، فَقَالَ : أَقِمْ یَا قَبِیصَۃُ ، حَتَّی تَأْتِیَنَا الصَّدَقَۃُ نَأْمُرْ لَکَ بِہَا ، قَالَ : قَالَ لِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَا قَبِیصَۃُ ، إنَّ الْمَسْأَلَۃَ لاَ تَحِلُّ إِلاَّ لأَحَدِ ثَلاَثَۃٍ : رَجُلٍ تَحَمَّلَ حَمَالَۃً فَحَلَّتْ لَہُ الْمَسْأَلَۃُ حَتَّی یُصِیبَہَا ، ثُمَّ یُمْسِکُ , وَرَجُلٍ أَصَابَتْہُ جَائِحَۃٌ فَاجْتَاحَتْ مَالَہُ فَحَلَّتْ لَہُ الْمَسْأَلَۃُ حَتَّی یُصِیبَ قِوَامًا مِنْ عَیْشٍ ، ثُمَّ یُمْسِکُ , وَرَجُلٍ أَصَابَتْہُ فَاقَۃٌ حَتَّی یَقُولَ ثَلاَثَۃٌ مِنْ ذَوِی الْحِجَا مِنْ قَوْمِہِ قَدْ أَصَابَتْ فُلاَنًا فَاقَۃٌ , فَحَلَّتْ لَہُ الْمَسْأَلَۃُ حَتَّی یُصِیبَ قِوَامًا مِنْ عَیْشٍ ، ثُمَّ یُمْسِکُ ، یَا قَبِیصَۃُ ، مَا سِوَاہُنَّ مِنَ الْمَسْأَلَۃِ سُحْتٌ یَأْکُلُہَا صَاحِبُہَا۔ (مسلم ۱۰۹۔ ابوداؤد ۱۶۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৭৮৭ ) হযরত কুবাইসা বিন আল - মুখারাক আল - হিলালী বলেন , যদি আমি ঋণগ্রস্ত হতাম , তাহলে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর খেদমত করতাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ হে কুবিসা , আমাদের কাছে দান ( সম্পদ ) না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর , অতঃপর আমি তোমাকে আমার কাছ থেকে তা গ্রহণ করার নির্দেশ দিই । তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তিন ব্যক্তি ছাড়া কারো জন্য প্রশ্ন করা জায়েয নয় । যে ব্যক্তির কাছে ঋণ রয়েছে তার জন্য তা চাওয়া জায়েয , যতক্ষণ না সে তা পরিশোধ করে এবং তারপর (চাওয়া থেকে ) বিরত হয় , অন্যটি এমন ব্যক্তির জন্য যে বিপদে পড়ে এবং যদি সে তার সম্পদ নষ্ট করে তবে তার জন্য চাওয়া জায়েজ। প্রশ্ন, হ্যাঁ , যতক্ষণ না তার জীবন ব্যবস্থা সুদৃঢ় হয় এবং সে ( প্রশ্ন করা থেকে) বিরত না হয় , এবং যে ব্যক্তি ফকাতে পৌঁছেছে, যদিও সে তার গোত্রেরই হয় , তবে তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা জায়েয , যদিও তার ধার্মিক ব্যক্তি যদি তাকওয়া পায়, তবে সে যেন (প্রশ্ন করা বন্ধ করে) হে নবী, তাকে ছাড়া যে প্রশ্ন করে সে হারাম খায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ فِی رَجُلٍ سَافَرَ وَہُوَ غَنِیٌّ فَنَفِدَ مَا مَعَہُ فِی سَفَرِہِ وَاحْتَاجَ ؟ قَالَ : یُعْطَی مِنَ الصَّدَقَۃِ فِی سَفَرِہِ لأَنَّہُ ابْنُ السَّبِیلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৭৮৮) হজরত জাহাক থেকে নাযিল হয়েছে যে, যদি কোনো ধনী ব্যক্তি সফরে থাকে এবং সফরে তার সমস্ত ধন-সম্পদ নষ্ট হয়ে যায় এবং সে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ে , তাহলে তার কাছে চাওয়া কি ? আপনি বলেছেন তাকে সফর অবস্থায় দান করা হবে কারণ সে একজন মুসাফির ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۸۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ حِزَامٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ یَسْتَغْنِ یُغْنِہِ اللَّہُ , وَمَنْ یَسْتَعْفِفْ یُعِفَّہُ اللَّہُ , وَالْیَدُ الْعُلْیَا خَیْرٌ مِنَ الْیَدِ السُّفْلَی۔ (بخاری ۱۴۲۷۔ مسلم ۹۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(10789) হজরত হাকিম ইবনে হিজাম ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, মহানবী ( সা . ) বলেছেন : যে ব্যক্তি দরিদ্র , আল্লাহ তাকে ধনী বানাবেন এবং যে ব্যক্তি পবিত্রতা পছন্দ করে , আল্লাহ তাকে পবিত্র করে দেন উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে ভাল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۰) ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدٍ وَعُرْوَۃَ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ حِزَامٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : الْیَدُ الْعُلْیَا خَیْرٌ مِنَ الْیَدِ السُّفْلَی۔ (بخاری ۲۷۵۰۔ ترمذی ۲۴۶۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(10790) হজরত হাকিম ইবনে হিজাম ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা . ) বলেছেন : নিচের হাতের চেয়ে ওপরের হাত উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا حَمْزَۃَ یُحَدِّثُ عَنْ ہِلاَلِ بْنِ حِصْنٍ ، قَالَ : نَزَلْتُ دَارَ أَبِی سَعِیدٍ فَضَمَّنِی وَإِیَّاہُ الْمَجْلِسُ فَحَدَّثَنِی ، أَنَّہُ أَصْبَحَ ذَاتَ یَوْمٍ وَقَدْ عَصَبَ عَلَی بَطْنِہِ مِنَ الْجُوعِ ، قَالَ : فَأَتَیْت النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَدْرَکْتُ مِنْ قَوْلِہِ وَہُوَ یَقُولُ : مَنْ یَسْتَعْفِفْ یُعِفُّہُ اللَّہُ وَمَنْ یَسْتَغْنِ یُغْنِہِ اللَّہُ وَمَنْ سَأَلَنَا إمَّا أَنْ نَبْذُلَ لَہُ , وَإِمَّا أَنْ نُوَاسِیَہُ وَمَنْ یَسْتَغْنِ ، أَو یَسْتَعْفِفْ عَنَّا خَیْرٌ لَہُ مِنْ أَنْ یَسْأَلَنَا ، قَالَ : فَرَجَعْت فَمَا سَأَلْتُہُ شَیْئًا۔ (نسائی ۲۳۶۹۔ احمد ۳/۴۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(10791) হজরত আবু সাঈদ (রা. ) বলেন , একদিন আমি ক্ষুধার কারণে পেটের চারপাশে একটি ব্যান্ডেজ বেঁধে রাখলাম , তারপর আমি হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর কাছে এসেছি ? এবং আমি তাঁকে ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলতে শুনেছি যে , যে ব্যক্তি বিশুদ্ধ পছন্দ করতে চায় , মহান আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখেন এবং যে ব্যক্তি ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন এবং যে ব্যক্তি আমাদের কাছে প্রার্থনা করবে হয় আমরা তাকে খরচ দেব অথবা তাকে সাহায্য করব আমাদের চেয়ে সে উত্তম যে নীরব ও পবিত্র ( প্রশ্ন করা থেকে) । বর্ণনাকারী বলেন যে আমি ফিরে এসেছি এবং কিছু জিজ্ঞাসা করিনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۲) عَلِیُّ بْنُ ہَاشِمٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اسْتَغْنِ عَنِ النَّاسِ وَلَوْ بِقِصْمَۃِ سِوَاکٍ۔ (بزار ۹۱۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(10792) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আবিল লায়লা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : লোকেদেরকে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাক , যদিও তারা টুথব্রাশ ব্যবহার করে না আপনার দাঁতে টুথপিক আটকে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۳) أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الْحَکَمِ، عَنْ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی، بِمِثْلِہِ، وَلَمْ یَرْفَعْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৭৯৩ ) হজরত আবদুল রহমান ইবনে লায়লা ( রা . ) থেকে বর্ণিত , তবে তিনি উল্লেখিত রেওয়ায়েতটি করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۷۹۴) وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ دِینَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: کُنَّا نَتَحَدَّثُ أَنَّ الْیَدَ الْعُلْیَا ہِیَ الْمُتَعَفِّفَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(10794) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, উপরের হাতের অর্থ সেই হাত যা প্রশ্ন করা এড়িয়ে যায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৭৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস