(৬) ( 10903 ) সুফিয়া আন , হামাদ, ইবরাহীম (রহঃ) এর সূত্রে , তিনি বলেন : আশির আল খামরা ওয়া ইয়াআফ [হাদিসের সীমা (৯৮৯৫-১০৯০২), সর্বমোট হাদিসঃ ১০০৮টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৫৮টি]



10345 OK

(১০৩৪৫)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ جَابِرٍ الْحَذَّائِ ، قَالَ : قُلْتُ لِاِبْنِ عُمَرَ : فِی مَالِ الْعَبْدِ زَکَاۃٌ ؟ قَالَ : مُسْلِمٌ ہُوَ ؟ قُلْتُ : نَعَمْ ، قَالَ : فِی مِئَتَیْ دِرْہَمٍ خَمْسَۃُ دَرَاہِمَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10345) হজরত জাবির আল-হুজায়ী বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম , ক্রীতদাসের সম্পত্তির যাকাত আছে কি না ? আপনি জানতে পেরেছেন : সে কি মুসলিম ? আমি বললামঃ হ্যাঁ , আপনি বলেছেনঃ দুইশ দিরহামের উপর পাঁচ দিরহাম যাকাত ফরয ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10346 OK

(১০৩৪৬)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۴۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : سُئِلَ عَلِیٌّ عَنِ الرَّجُلِ یَکُونُ لَہُ الدَّیْنُ عَلَی الرَّجُلِ ؟ قَالَ : یُزَکِّیہ صَاحِبُ الْمَالِ ، فَإِنْ تَوَی مَا عَلَیْہِ وَخَشِیَ أَنْ لاَ یَقْضِیَ ، فَإِنَّہُ یُمْہِلُ ، فَإِذَا خَرَجَ أَدَّی زَکَاۃَ مَا مَضَیِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10346) হজরত হাকাম বলেন , হজরত আলী ( রা.) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, একজন ব্যক্তির কাছে অন্য ব্যক্তির ঋণ রয়েছে (তাহলে যাকাতের হুকুম কি ? ) তিনি যাকাত দেবেন । যদি সে সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যায় এবং সে তা পরিশোধ না করার আশঙ্কা করে, তাহলে তাকে অবকাশ দিন এবং যখন সে তা তুলে নেবে এবং পরিশোধ করবে, তখন যে সময় অতিবাহিত হয়েছে সে অনুযায়ী তার যাকাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10347 OK

(১০৩৪৭)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۴۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : نُبِّئْت أَنَّ عَلِیًّا قَالَ : إِنْ کَانَ صَادِقًا ، فَلْیُزَکِّ إذَا قَبَضَ، یَعْنِی الدَّیْنَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10347) হজরত মুহাম্মদ বলেন , আমাকে জানানো হয়েছিল যে, হযরত আলী রা তিনি আরও বলেন যে, ঋণগ্রহীতা যদি সৎ হয় , তাহলে যখন সে ঋণ জব্দ করবে তখন তাকে যাকাত দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10348 OK

(১০৩৪৮)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۴۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ لَکَ دَیْنٌ فَزَکِّہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10348) হজরত তাউস বলেন , যদি তুমি ( কাউকে ) ঋণী করে তাহলে তার যাকাত দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10349 OK

(১০৩৪৯)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۴۹) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لِیَنْظُرْ مَا کَانَ عَلَیْہِ مِنْ دَیْنٍ فَلْیَعْزِلْہُ ، وَمَا کَانَ لَہُ مِنْ دَیْنٍ ثِقَۃٍ فَلْیُزَکِّہِ ، وَمَا کَانَ لاَ یَسْتَقِرّ یُعْطِیہ الْیَوْمَ وَیَأْخُذْہُ إِلَی یَوْمَینِ فَلْیُزَکِّہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১০৩৪৯) হজরত ইব্রাহিম বলেন , কোনো ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত হলে তার যাকাত থেকে ঋণ কেটে নেওয়া উচিত । আর যদি কোনো বিশ্বস্ত ব্যক্তি তাকে ঋণ না দেয় , তাহলে সে ঋণের পরিমাণ যোগ করে যাকাত দিতে হবে। যদি কোন বিলম্বিত ব্যক্তি ঋণ না দিয়ে থাকে তবে তাকে যাকাত দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10350 OK

(১০৩৫০)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : یُزَکِّیہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10350) হজরত জাবির বলেন , তিনি যাকাত দেবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10351 OK

(১০৩৫১)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : زَکَاۃُ أَمْوَالِکُمْ حَوْلٌ إلَی حَوْلٍ ، فَمَا کَانَ مِنْ دَیْنٍ ثِقَۃٍ فَزَکُّوہ ، وَمَا کَانَ مِنْ دَیْنِ ظُنُون فَلاَ زَکَاۃَ فِیہِ ، حَتَّی یَقْضِیَہُ صَاحِبُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10351) হজরত নাফি (রা.) থেকে বর্ণিত যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন , বছর পূর্ণ হওয়ার পর তোমাদের সম্পদের যাকাত ফরজ । অতএব, যদি ঋণ এমন হয় যে তা পূরণ হবে , তবে তার উপর যাকাত দিতে হবে এবং ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত তার উপর যাকাত দেওয়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10352 OK

(১০৩৫২)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : یُزَکِّیہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10352) হজরত জাবির বলেন, তাকে যাকাত দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10353 OK

(১০৩৫৩)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ یَزِیدَ بْنِ جَابِرٍ ؛ أَنَّ عَبْدَ الْمَلِکِ بْنَ أَبِی بَکْرٍ أَخْبَرَہُ ، أَنَّ عُمَرَ قَالَ لِرَجُلٍ : إذَا حَلَّتْ فَاحْسُبْ دَیْنَک ، وَمَا عِنْدَک ، فَاجْمَعْ ذَلِکَ جَمِیعًا ، ثُمَّ زَکِّہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10353) হজরত আবদুল মুলক ইবনে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত যে , হজরত উমর (রা .) এক ব্যক্তিকে বললেন , যখন বছর শেষ হবে , তখন তোমার সম্পদ এবং তোমার লোকদের পাওনা হিসাব কর এবং উভয়কে একত্রে যোগ করে তাদের যাকাত দাও সংগ্রহ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10354 OK

(১০৩৫৪)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۴) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ مَیْمُونٍ ، قَالَ : مَا کَانَ مِنْ دَیْنٍ فِیمَا لاَ تَرْجُوہُ فَاحْسُبْہُ ، ثُمَّ أَخْرِجْ مَا عَلَیْک ، ثُمَّ زَکِّ مَا بَقِیَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10354) হজরত মেমন বলেন , ঋণ যদি এমন হয় যে, তার কোনো আশা নেই, তাহলে হিসাব করে দেখুন , তারপর আপনার কাছে যে ঋণ আছে এবং যা অবশিষ্ট আছে তা যাকাত দিয়ে আলাদা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10355 OK

(১০৩৫৫)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَد ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إذَا کُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّہُ خَارِجٌ فَزَکِّہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10355) হজরত মুজাহিদ বলেন , যদি আপনি জানেন যে কেউ ঋণ নিয়ে আপনাকে দিতে যাচ্ছে, তাহলে তার উপর যাকাত দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10356 OK

(১০৩৫৬)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ہِشَامٌ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : سُئِلَ عَلِیٌّ عَنِ الرَّجُلِ یَکُونُ لَہُ الدَّیْنُ الظَّنُونُ أَیُزَکِّیہِ ؟ فَقَالَ : إِنْ کَانَ صَادِقًا فَلْیُزَکِّہِ لِمَا مَضَی إذَا قَبَضَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10356) হজরত উবাইদা (রা) বলেন , হযরত আলী (রা.) -কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, কোনো ব্যক্তি কারো কাছে ঋণী আছে কি না এবং তাকে তা ফেরত দিতে হবে । যদি সে নিশ্চিত না হয় , সে কি তার যাকাত দেবে ? তিনি বলেন , যদি ঋণগ্রহীতা সত্য হয় , তাহলে দখলের পর যে সময় অতিবাহিত হয়েছে তার যাকাত দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10357 OK

(১০৩৫৭)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۷) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : قُلْتُ لِلْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ : إنَّ لَنَا قَرْضًا وَقَرْضًا وَدَیْنًا ، فَنُزَکِّیہِ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، کَانَتْ عَائِشَۃُ تَأْمُرُنَا نُزَکِّیَ مَا فِی الْبَحْرِ ۔ وَسَأَلْتُ سَالِمًا؟ فَقَالَ : مِثْلَ ذَلِکَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10357) হজরত উসমান ইবনে আবু উসমান বলেন , আমি হজরত কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ থেকে জানতে পারলাম , আমার কাছ থেকে কিছু ঋণ একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নেওয়া হয়েছে এবং কিছু অনির্দিষ্টকালের জন্য নেওয়া হয়েছে , তাহলে কি তার ওপর যাকাত দিতে হবে ? তিনি বললেন , হ্যাঁ , হজরত আয়েশা ( রা . ) আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে , সমুদ্রের সব কিছুর যাকাত ওয়াজিব । বর্ণনাকারী বলেন , আমি হযরত সেলিম (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম একই প্রশ্ন করা হলে আপনি একই উত্তর দিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10358 OK

(১০৩৫৮)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی الزِّنَادِ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : لَیْسَ فِی الدَّیْنِ زَکَاۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১০৩৫৮) হযরত ইকরামা বলেন , ঋণের যাকাত নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10359 OK

(১০৩৫৯)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵۹) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْمُؤَمِّلِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ،قَالَتْ : لَیْسَ فِیہِ زَکَاۃٌ حَتَّی یَقْبِضَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10359) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ঋণের কোনো যাকাত নেই যতক্ষণ না তা ফেরত নেওয়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10360 OK

(১০৩৬০)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَد ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لاَ یُزَکِّیہِ حَتَّی یَقْبِضَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10360) হজরত আতা বলেন, ঋণের ওপর যাকাত নেই যতক্ষণ না তা ফেরত নেওয়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10361 OK

(১০৩৬১)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَی صَاحِبِ الدَّیْنِ الَّذِی ہُوَ لَہُ ، وَلاَ الَّذِی ہُوَ عَلَیْہِ زَکَاۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10361) হজরত আতা বলেন , ঋণী ও ঋণী উভয়ের ওপর যাকাত ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10362 OK

(১০৩৬২)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : لَیْسَ فِیہِ زَکَاۃٌ حَتَّی یَقْبِضَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10362) হজরত আবু জাফর (রহ.) বলেন, ঋণের কোনো যাকাত নেই যতক্ষণ না তা ফেরত নেওয়া হয় এবং দখল করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10363 OK

(১০৩৬৩)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنِ الْحَکَمِ، قَالَ: خَالَفَنِی إبْرَاہِیمُ فِیہِ، فَقُلْتُ: لاَ یُزَکِّی، ثُمَّ رَجَعَ إلَی قَوْلِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 10363 ) হজরত হাকাম বলেন , হজরত ইবরাহীম ইতিপূর্বে মরিয়মের বিরুদ্ধে বলেছিলেন যে , যাকাত দেওয়া ওয়াজিব নয় । তারপর তিনি আমার কথার দিকে ফিরে গেলেন যে , যাকাত ফরয নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10364 OK

(১০৩৬৪)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۴) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنِ الْعُمَرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : لَیْسَ فِی الدَّیْنِ زَکَاۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১০৩৬৪) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , ঋণের যাকাত নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10365 OK

(১০৩৬৫)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۵) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یُکَافِیَٔ الْعَبْدُ أَصْحَابَہُ ، وَأَنْ یَتَصَدَّقَ مِنَ الْفَضْلِ کَذَلِکَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10365) হজরত ইব্রাহীম বলেন , একজন ক্রীতদাস তার সঙ্গীদের (প্রভু) পুরস্কৃত করবে এবং উদ্বৃত্ত সন্তান থেকে সদকা করবে এতে তার কোন দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10366 OK

(১০৩৬৬)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۶) حَدَّثَنَا فُضَیْلُ بْنُ عِیَاضٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یَتَصَدَّقُ الْعَبْدُ مِنْ قُوتِہِ بِالشَّیْئِ لاَ یُضَرُّ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10366) হজরত হাসান বলেন , একজন বান্দা তার সম্পদ থেকে যতটুকু দান ( যাকাত ) করবে ততটুকু তার ক্ষতি করবে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10367 OK

(১০৩৬৭)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۷) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ أَنَّہُ سَأَلَہُ رَجُلٌ ، فَقَالَ : أَنَا رَجُلٌ مَمْلُوکٌ وَمَعِی مَالٌ ، فَأَتَصَدَّقُ مِنْہُ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، بِثَلاَثَۃِ دَرَاہِمَ ، أَرْبَعَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 10367 ) এক ব্যক্তি হযরত সাঈদ বিন জাবিরের নিকট জানতে পারলেন যে , আমি একজন ক্রীতদাস তবে আমার সম্পদ আছে এবং আমি কি দান করতে পারব ? তিনি বললেন হ্যাঁ , তিন দিরহাম নাকি চার দিরহাম . ( এর বেশি নয় ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10368 OK

(১০৩৬৮)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا بْنِ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ دَاوُدَ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ : مَا یَتَصَدَّقُ بِہِ الْعَبْدُ مِنْ مَالِہِ ؟ قَالَ : الصَّاعُ وَشَبَہُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১০৩৬৮) হজরত দাউদ বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন আল -মুসাইব থেকে জানতে পেরেছি যে, একজন বান্দা তার সম্পদ থেকে কতটুকু দান করবে । আপনি বলেছেন যে এর অনুরূপ একটি রশ্মি আছে ( এর চেয়ে বেশি নয় ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10369 OK

(১০৩৬৯)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَتَصَدَّقُ الْعَبْدُ بِمَا دُونَ الدِّرْہَمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10369) হজরত ইব্রাহিম বলেন , একজন ক্রীতদাস এক দিরহামের কম দান করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10370 OK

(১০৩৭০)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۷۰) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ نَافِعٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، وَکَانَ مَمْلُوکًا لِبَنِی ہَاشِمٍ ؛ أَنَّہُ سَأَلَ عُمَرَ أَیَتَصَدَّقُ ؟ قَالَ : بِالدِّرْہَمِ وَالرَّغِیفِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10370) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে নাফির পিতা ছিলেন বনু হাশিমের গোলাম। তিনি হজরত উমর বিন খাত্তাব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন , তিনি দান করতে পারবেন কি না ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ , এক দিরহামের এক টুকরো রুটি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10371 OK

(১০৩৭১)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۷۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، قَالَ : یَتَقَرَّبُ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ خَیْرٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(10371) হজরত সেলিম বলেন, একজন বান্দা (খয়রাত করে) যতটুকু সম্পদ তার সামর্থ্য অনুযায়ী (আল্লাহর) নৈকট্য লাভ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10372 OK

(১০৩৭২)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۷۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، وَخَیْثَمَۃَ ؛ فِی الْعَبْدِ یَتَصَدَّقُ ؟ قَالاَ : لاَ یَتَصَدَّقُ بِمَا فَوْقَ الدِّرْہَمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১০৩৭২ ) হজরত আমীর ও হযরত খাইসামাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , একজন ক্রীতদাসও দান করতে পারে কি না ? দুজনেই বলেছিল যে তারা এক দিরহামের বেশি দান করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10373 OK

(১০৩৭৩)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۷۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : یَتَصَدَّقُ بِالشَّیْئِ لَیْسَ بِذِی بَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 10373) হযরত ইমাম জাহরি বলেন , একজন ক্রীতদাস এমন কিছুর জন্য দান করবে যার মূল্য বেশি নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



10374 OK

(১০৩৭৪)

সহিহ হাদিস

(۱۰۳۷۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ عُمَیْرٍ مَوْلَی آبِی اللَّحْمِ ، قَالَ : کُنْتُ عَبْدًا مَمْلُوکًا ، وَکُنْت أَتَصَدَّقُ ، فَسَأَلْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَکَانَ مَوْلاَیَ یَنْہَانِی ، أَوْ سَأَلَہُ ، فَقَالَ : الأَجْرُ بَیْنَکُمَا۔ (مسلم ۷۱۱۔ ابن ماجہ ۲۲۹۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( 10374 ) হযরত উমাইর , যিনি আবিল - লাহমের একজন দাস ছিলেন , বলেন যে আমি একজন ক্রীতদাস ছিলাম এবং আমি দান করতাম ) যে আমি দান করতে পারি যখন আমার প্রভু আমাকে বাধা দেন ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ তোমরা যা দান কর তার সওয়াব তোমাদের উভয়ের জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস