(৬) হযরত তালহা বিন উবাইদালা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৩০৯-১৩৩০), সর্বমোট হাদিসঃ ২২টি]

[মোট হাদিসঃ ২২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২২টি]



1309 OK

(১৩০৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ وَعَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ وَرْدٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ قَالَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ نِعْمَ أَهْلُ الْبَيْتِ عَبْدُ اللَّهِ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَأُمُّ عَبْدِ اللَّهِ


হজরত তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে, আবদুল্লাহ, আবদুল্লাহর পিতা ও আবদুল্লাহর মাতা শ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩০৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1310 OK

(১৩১০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ وَعَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْوَرْدِ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ قَالَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ لَا أُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا إِلَّا أَنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ إِنَّ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مِنْ صَالِحِي قُرَيْشٍ قَالَ وَزَادَ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ وَرْدٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ طَلْحَةَ قَالَ نِعْمَ أَهْلُ الْبَيْتِ عَبْدُ اللَّهِ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَأُمُّ عَبْدِ اللَّهِ


হজরত তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে হাদীস বর্ণনা করা আমার অভ্যাস নয়, তবে আমি অবশ্যই তাকে বলতে শুনেছি যে, আমর ইবনে আল-আস কুরাইশদের একজন নেককার লোক এবং আবদুল্লাহ, আবদুল্লাহর পিতা ও আবদুল্লাহর মাতা শ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1311 OK

(১৩১১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ عَنْ مُعَاذِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ قَالَ كُنَّا مَعَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَنَحْنُ حُرُمٌ فَأُهْدِيَ لَهُ طَيْرٌ وَطَلْحَةُ رَاقِدٌ فَمِنَّا مَنْ أَكَلَ وَمِنَّا مَنْ تَوَرَّعَ فَلَمْ يَأْكُلْ فَلَمَّا اسْتَيْقَظَ طَلْحَةُ وَفَّقَ مَنْ أَكَلَهُ وَقَالَ أَكَلْنَاهُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আবদ আল-রহমান বিন উসমান থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমরা হজরত তালহা বিন উবায়দুল্লাহ (রা.) এর সাথে ছিলাম, আমরা ইহরাম পরিহিত ছিলাম, কিছুক্ষণ পর কেউ একজন তার খেদমতে একটি পাখির গোশ্ত উপহার হিসেবে নিয়ে এলো, হজরত তালহা (রা.) ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তা খেয়েছিল এবং কেউ কেউ তা এড়িয়ে গিয়েছিল। যখন হজরত তালহা (রা. ) ঘুম থেকে জেগে উঠলেন, তখন তিনি সেইসব লোকের অনুকূলে মত প্রকাশ করলেন যারা তা খেয়েছিল এবং বললেন, আমরাও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে ইহরাম অবস্থায় অন্যের শিকারকৃত প্রাণীর গোশ্ত খেয়েছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1312 OK

(১৩১২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ عَنْ مُجَالِدٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ لِطَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ مَا لِي أَرَاكَ قَدْ شَعِثْتَ وَاغْبَرَرْتَ مُنْذُ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعَلَّكَ سَاءَكَ يَا طَلْحَةُ إِمَارَةُ ابْنِ عَمِّكَ قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ إِنِّي لَأَجْدَرُكُمْ أَنْ لَا أَفْعَلَ ذَلِكَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَةً لَا يَقُولُهَا أَحَدٌ عِنْدَ حَضْرَةِ الْمَوْتِ إِلَّا وَجَدَ رُوحَهُ لَهَا رَوْحًا حِينَ تَخْرُجُ مِنْ جَسَدِهِ وَكَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَلَمْ أَسْأَلْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهَا وَلَمْ يُخْبِرْنِي بِهَا فَذَلِكَ الَّذِي دَخَلَنِي قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَأَنَا أَعْلَمُهَا قَالَ فَلِلَّهِ الْحَمْدُ فَمَا هِيَ قَالَ هِيَ الْكَلِمَةُ الَّتِي قَالَهَا لِعَمِّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَالَ طَلْحَةُ صَدَقْتَ


উমার ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণিতঃ

উমার ইবনুল খাত্তাব তালহা বিন উবাইদুল্লাহকে বললেন, কী ব্যাপার? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর থেকে দেখছি, তোমার এলোমেলো চুল ও ধুলি ধুসরিত মুখ। বোধ হয় তোমার চাচাতো ভাই আমীর নিযুক্ত হওয়ায় তোমার মন খারাপ। তালহা বললেন, আল্লাহর পানাহ চাই! আমি আপনাদের সবার চেয়ে এ ব্যাপারে অধিক উপযুক্ত যে, এমন মনোভাব পোষণ না করি। আসল ব্যাপার হলো, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আমি এমন একটি বাণী জানি, যা কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে পাঠ করলে তার আত্মা বহির্গত হবার সময় একটা প্রবল সুঘ্রাণ ছড়াবে এবং কিয়ামতের দিন তাঁর আত্মা তাঁর জন্য একটা জ্যোতিতে পরিণত হবে। সেই বাণীটি কি, তা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করিনি, আর তিনিও আমাকে জানাননি। ঐ জিনিসটাই আমার (মনের) মধ্যে ঢুকে আছে। (অর্থ্যাৎ ঐ বাণীটি কী সেই কথা ভাবতে ভাবতেই আমি এত বিহ্বল হয়ে পড়েছি।) উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আরে ওটা তো আমি জানি। তালহা বলে উঠলেন, তাহলে তো আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা! সেটি কী? উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, সেটি হলো সেই কালেমা, যা তিনি তাঁর চাচা (আবু তালিব) কে বলেছিলেনঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ! তালহা বললেন, আপনি সত্যই বলেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1313 OK

(১৩১৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ إِسْمَاعِيلَ قَالَ قَالَ قَيْسٌ رَأَيْتُ طَلْحَةَ يَدُهُ شَلَّاءُ وَقَى بِهَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ أُحُدٍ


কায়েস থেকে বর্ণিতঃ

হযরত তালহা (রা.)-এর যে হাতটি অবশ হয়ে গিয়েছিল আমি ঐ হাতটি দেখেছি, এটি সেই বরকতময় হাত যা দিয়ে তিনি উহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিরাপত্তায় মুশরিকদের বিরূদ্ধে তীর নিক্ষেপ করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১৩]


[[সহিহ বুখারী : ৪০৬৩]]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1314 OK

(১৩১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ عَنْ مُجَالِدٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ لِطَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ مَا لِي أَرَاكَ قَدْ شَعِثْتَ وَاغْبَرَرْتَ مُنْذُ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعَلَّكَ سَاءَكَ يَا طَلْحَةُ إِمَارَةُ ابْنِ عَمِّكَ قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ إِنِّي لَأَجْدَرُكُمْ أَنْ لَا أَفْعَلَ ذَلِكَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَةً لَا يَقُولُهَا أَحَدٌ عِنْدَ حَضْرَةِ الْمَوْتِ إِلَّا وَجَدَ رُوحَهُ لَهَا رَوْحًا حِينَ تَخْرُجُ مِنْ جَسَدِهِ وَكَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَلَمْ أَسْأَلْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهَا وَلَمْ يُخْبِرْنِي بِهَا فَذَلِكَ الَّذِي دَخَلَنِي قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَأَنَا أَعْلَمُهَا قَالَ فَلِلَّهِ الْحَمْدُ فَمَا هِيَ قَالَ هِيَ الْكَلِمَةُ الَّتِي قَالَهَا لِعَمِّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَالَ طَلْحَةُ صَدَقْتَ


উমার ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণিতঃ

উমার ইবনুল খাত্তাব তালহা বিন উবাইদুল্লাহকে বললেন, কী ব্যাপার? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর থেকে দেখছি, তোমার এলোমেলো চুল ও ধুলি ধুসরিত মুখ। বোধ হয় তোমার চাচাতো ভাই আমীর নিযুক্ত হওয়ায় তোমার মন খারাপ। তালহা বললেন, আল্লাহর পানাহ চাই! আমি আপনাদের সবার চেয়ে এ ব্যাপারে অধিক উপযুক্ত যে, এমন মনোভাব পোষণ না করি। আসল ব্যাপার হলো, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আমি এমন একটি বাণী জানি, যা কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে পাঠ করলে তার আত্মা বহির্গত হবার সময় একটা প্রবল সুঘ্রাণ ছড়াবে এবং কিয়ামতের দিন তাঁর আত্মা তাঁর জন্য একটা জ্যোতিতে পরিণত হবে। সেই বাণীটি কি, তা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করিনি, আর তিনিও আমাকে জানাননি। ঐ জিনিসটাই আমার (মনের) মধ্যে ঢুকে আছে। (অর্থ্যাৎ ঐ বাণীটি কী সেই কথা ভাবতে ভাবতেই আমি এত বিহ্বল হয়ে পড়েছি।) উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আরে ওটা তো আমি জানি। তালহা বলে উঠলেন, তাহলে তো আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা! সেটি কী? উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, সেটি হলো সেই কালেমা, যা তিনি তাঁর চাচা (আবু তালিব) কে বলেছিলেনঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ! তালহা বললেন, আপনি সত্যই বলেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1315 OK

(১৩১৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مَعْنٍ الْغِفَارِيُّ أَخْبَرَنِي دَاوُدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ دِينَارٍ أَنَّهُ مَرَّ هُوَ وَرَجُلٌ يُقَالُ لَهُ أَبُو يُوسُفَ مِنْ بَنِي تَيْمٍ عَلَى رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ لَهُ أَبُو يُوسُفَ إِنَّا لَنَجِدُ عِنْدَ غَيْرِكَ مِنْ الْحَدِيثِ مَا لَا نَجِدُهُ عِنْدَكَ فَقَالَ أَمَا إِنَّ عِنْدِي حَدِيثًا كَثِيرًا وَلَكِنَّ رَبِيعَةَ بْنَ الْهُدَيْرِ قَالَ وَكَانَ يَلْزَمُ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ إِنَّهُ لَمْ يَسْمَعْ طَلْحَةَ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا قَطُّ غَيْرَ حَدِيثٍ وَاحِدٍ قَالَ رَبِيعَةُ بْنُ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ قُلْتُ لَهُ وَمَا هُوَ قَالَ قَالَ لِي طَلْحَةُ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أَشْرَفْنَا عَلَى حَرَّةِ وَاقِمٍ قَالَ فَدَنَوْنَا مِنْهَا فَإِذَا قُبُورٌ بِمَحْنِيَّةٍ فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قُبُورُ إِخْوَانِنَا هَذِهِ قَالَ قُبُورُ أَصْحَابِنَا ثُمَّ خَرَجْنَا حَتَّى إِذَا جِئْنَا قُبُورَ الشُّهَدَاءِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذِهِ قُبُورُ إِخْوَانِنَا


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে বের হলাম, যখন আমরা হীরা ও আরকাম নামক স্থানে পৌঁছলাম (যেটি মদীনা মুনাওয়ারার একটি ঢিবি) এবং এর কাছাকাছি পৌঁছলাম। আমরা কিছু কবর দেখলাম। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! এগুলো কি আমাদের ভাইদের কবর? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এগুলো আমাদের সাহাবীদের কবর, অতঃপর যখন আমরা সেখান থেকে বের হয়ে শহীদদের কবরের কাছে পৌঁছলাম, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এগুলো আমাদের ভাইদের কবর। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1316 OK

(১৩১৬)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عُبَيْدٍ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي وَالدَّوَابُّ تَمُرُّ بَيْنَ أَيْدِينَا فَذَكَرْنَا ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مِثْلُ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ تَكُونُ بَيْنَ يَدَيْ أَحَدِكُمْ ثُمَّ لَا يَضُرُّهُ مَا مَرَّ عَلَيْهِ وَقَالَ عُمَرُ مَرَّةً بَيْنَ يَدَيْهِ


মূসা বিন তালহা তার পিতা থেকে বর্ণিতঃ

আমরা যখন নামায পড়তাম, তখন পশু আমাদের সামনে দিয়ে চলে যেত। এই বিষয়টি যখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উল্লেখ করলাম, তখন তিনি বললেন, যদি তোমার সামনে উটের পিঠের মত কিছু থাকে (যা সতরার মতো পরিমাপ করা হয়েছে ) তবে যাই ঘটুক না কেন, তোমার নামায পূর্ণ হবে। কোন ক্ষতি হবে না । [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1317 OK

(১৩১৭)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ نَزَلَ رَجُلَانِ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ عَلَى طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ فَقُتِلَ أَحَدُهُمَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ مَكَثَ الْآخَرُ بَعْدَهُ سَنَةً ثُمَّ مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ فَأُرِيَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنَّ الَّذِي مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ دَخَلَ الْجَنَّةَ قَبْلَ الْآخَرِ بِحِينٍ فَذَكَرَ ذَلِكَ طَلْحَةُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمْ مَكَثَ فِي الْأَرْضِ بَعْدَهُ قَالَ حَوْلًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى أَلْفًا وَثَمَانِ مِائَةِ صَلَاةٍ وَصَامَ رَمَضَانَ


আবু সালামা থেকে বর্ণিতঃ

একবার ইয়েমেনের দুজন ব্যক্তি হজরত তালহা (রা.)-এর মেহমান হলেন, তাদের একজন মহানবী (সা.)-এর সাথে জিহাদ করতে গিয়ে শহীদ হন এবং অন্যজন তাঁর পরে আরও এক বছর বেঁচে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন। হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার স্বপ্নে দেখলেন যে, দ্বিতীয় ব্যক্তি তার প্রথম সঙ্গীর অনেক আগেই জান্নাতে প্রবেশ করেছে। হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু এই স্বপ্নের কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উল্লেখ করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এই দ্বিতীয় ব্যক্তি, তার প্রথম সঙ্গীর পর কত দিন পর্যন্ত পৃথিবীতে বেঁচে ছিলো? হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, এক বছর পর্যন্ত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে, সে এক হাজার আটশত (১,৮০০) রাকাত সালাত আদায় করেছে এবং রমজান মাসে পৃথক রোজা রেখেছে। (সুতরাং তার পুরস্কারও তো থাকবে)।
[মুসনাদে আহমাদ : ১৩১৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1318 OK

(১৩১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ عَمِّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ سَمِعَ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ يَقُولُ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْإِسْلَامُ قَالَ خَمْسُ صَلَوَاتٍ فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ قَالَ هَلْ عَلَيَّ غَيْرُهُنَّ قَالَ لَا وَسَأَلَهُ عَنْ الصَّوْمِ فَقَالَ صِيَامُ رَمَضَانَ قَالَ هَلْ عَلَيَّ غَيْرُهُ قَالَ لَا قَالَ وَذَكَرَ الزَّكَاةَ قَالَ هَلْ عَلَيَّ غَيْرُهَا قَالَ لَا قَالَ وَاللَّهِ لَا أَزِيدُ عَلَيْهِنَّ وَلَا أَنْقُصُ مِنْهُنَّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَفْلَحَ إِنْ صَدَقَ


জরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক গ্রামবাসী রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমতে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! ইসলাম কি? তিনি বললেন, দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া। সে বললো, এ ছাড়া আর কোনো নামাজ আমার উপর ফরজ কিনা? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, না। তারপর সে রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে, রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ। সে বললো, এ ছাড়া আর কোনো রোজা আমার উপর ফরজ কিনা? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, না। তারপর সে যাকাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো এবং সে বললো, এ ছাড়া আর কোনো দান আমার উপর ফরজ কিনা? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, না। এতে সে বললো, আল্লাহর কসম! আমি এর চেয়ে অধিকও করব না এবং কমও করব না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, সে যদি সত্য বলে থাকে এবং সে তা সত্য বলে প্রমাণ করে তবে সে সফল হলো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1319 OK

(১৩১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسٍ سَمِعْتُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ وَطَلْحَةَ وَالزُّبَيْرِ وَسَعْدٍ نَشَدْتُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي تَقُومُ بِهِ السَّمَاءُ وَالْأَرْضُ وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ أَعَلِمْتُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّا لَا نُورَثُ مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ قَالُوا اللَّهُمَّ نَعَمْ


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত ফারুক আযম (রা.) হজরত আবদুল রহমান ইবনে আউফ, হজরত তালহা, হজরত যুবায়ের ও হজরত সাদ (রা.) কে বললেন, আমি আপনাদেরকে সেই আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, যাঁর নির্দেশে আসমান ও জমিন প্রতিষ্ঠিত, আপনারা কি জানেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, “আমাদের সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তান্তরিত হয়না, আমরা যা রেখে যাই তা হল সাদকা?” সকলেই বললো, “হে আল্লাহ, হ্যাঁ।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৩১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1320 OK

(১৩২০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩১১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ عَنْ مُعَاذِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ قَالَ كُنَّا مَعَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَنَحْنُ حُرُمٌ فَأُهْدِيَ لَهُ طَيْرٌ وَطَلْحَةُ رَاقِدٌ فَمِنَّا مَنْ أَكَلَ وَمِنَّا مَنْ تَوَرَّعَ فَلَمْ يَأْكُلْ فَلَمَّا اسْتَيْقَظَ طَلْحَةُ وَفَّقَ مَنْ أَكَلَهُ وَقَالَ أَكَلْنَاهُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আবদ আল-রহমান বিন উসমান থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমরা হজরত তালহা বিন উবায়দুল্লাহ (রা.) এর সাথে ছিলাম, আমরা ইহরাম পরিহিত ছিলাম, কিছুক্ষণ পর কেউ একজন তার খেদমতে একটি পাখির গোশ্ত উপহার হিসেবে নিয়ে এলো, হজরত তালহা (রা.) ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তা খেয়েছিল এবং কেউ কেউ তা এড়িয়ে গিয়েছিল। যখন হজরত তালহা (রা. ) ঘুম থেকে জেগে উঠলেন, তখন তিনি সেইসব লোকের অনুকূলে মত প্রকাশ করলেন যারা তা খেয়েছিল এবং বললেন, আমরাও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে ইহরাম অবস্থায় অন্যের শিকারকৃত প্রাণীর গোশ্ত খেয়েছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1321 OK

(১৩২১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يَسْتُرُ الْمُصَلِّيَ قَالَ مِثْلُ آخِرَةِ الرَّحْلِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে প্রশ্ন করা হলো, নামাযরত ব্যক্তি কোন জিনিসটি দিয়ে সতরা তৈরি করবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটের পিঠের মত উচু কোন কিছু দিয়ে সতরা তৈরি করো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1322 OK

(১৩২২)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى قَوْمٍ فِي رُءُوسِ النَّخْلِ فَقَالَ مَا يَصْنَعُ هَؤُلَاءِ قَالُوا يُلَقِّحُونَهُ يَجْعَلُونَ الذَّكَرَ فِي الْأُنْثَى قَالَ مَا أَظُنُّ ذَلِكَ يُغْنِي شَيْئًا فَأُخْبِرُوا بِذَلِكَ فَتَرَكُوهُ فَأُخْبِرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنْ كَانَ يَنْفَعُهُمْ فَلْيَصْنَعُوهُ فَإِنِّي إِنَّمَا ظَنَنْتُ ظَنًّا فَلَا تُؤَاخِذُونِي بِالظَّنِّ وَلَكِنْ إِذَا أَخْبَرْتُكُمْ عَنْ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بِشَيْءٍ فَخُذُوهُ فَإِنِّي لَنْ أَكْذِبَ عَلَى اللَّهِ شَيْئًا


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) কিছু লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যারা খেজুরের বাগানে ছিল। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন এরা কি করছে? লোকেরা বললো যে, পুরুষ খেজুর স্ত্রীর খেজুরের সাথে মেশানো হচ্ছে, নবী (সাঃ) বললেন, “আমি মনে করি না এতে কোন লাভ আছে।” যখন ঐ লোকেরা এটি সম্পর্কে জানতে পারলো, তখন তারা এ বছর তা করেনি। ফলে ঐ বছর ভালো ফলন হয়নি। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এ খবর জানতে পেরে বললেন, “যদি তারা ঐ কাজে কোন উপকার পায়, তাহলে তারা যেন তা করে, আমি শুধু একটি মতামত ও চিন্তা প্রকাশ করেছি মাত্র। তাই আমার মতামত অনুসরণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। যাইহোক, আমি যখন তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে কিছু বলি, তখন তোমরা তা অনুসরণ করো, কারণ আমি কোনো অবস্থাতেই আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারি না।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1323 OK

(১৩২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ يَحْيَى الْأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مَوْهَبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ الصَّلَاةُ عَلَيْكَ قَالَ قُلْ اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পাঠ করব? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এভাবে পড়বে, হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর, তাঁর স্ত্রীগণের উপর এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত নাযিল করুন, যেরূপ আপনি রহমত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের উপর। আর আপনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর, তাঁর স্ত্রীগণের উপর এবং তাঁর বংশধরদের উপর এমনিভাবে বরকত নাযিল করুন যেমনি আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয় আপনি অতি প্রশংসিত এবং অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1324 OK

(১৩২৪)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ سُفْيَانَ الْمَدَايِنِيُّ حَدَّثَنِي بِلَالُ بْنُ يَحْيَى بْنِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا رَأَى الْهِلَالَ قَالَ اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) যখনই নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন এই দোয়া করতেন,

اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ

হে আল্লাহ! এই চাঁদ আমাদের উপর বরকত ও ঈমান, শান্তি ও ইসলাম নিয়ে উদিত হোক, হে চাঁদ! আল্লাহ আমার ও তোমার রব। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1325 OK

(১৩২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩২১] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يَسْتُرُ الْمُصَلِّيَ قَالَ مِثْلُ آخِرَةِ الرَّحْلِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে প্রশ্ন করা হলো, নামাযরত ব্যক্তি কোন জিনিসটি দিয়ে সতরা তৈরি করবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটের পিঠের মত উচু কোন কিছু দিয়ে সতরা তৈরি করো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1326 OK

(১৩২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩২২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى قَوْمٍ فِي رُءُوسِ النَّخْلِ فَقَالَ مَا يَصْنَعُ هَؤُلَاءِ قَالُوا يُلَقِّحُونَهُ يَجْعَلُونَ الذَّكَرَ فِي الْأُنْثَى قَالَ مَا أَظُنُّ ذَلِكَ يُغْنِي شَيْئًا فَأُخْبِرُوا بِذَلِكَ فَتَرَكُوهُ فَأُخْبِرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنْ كَانَ يَنْفَعُهُمْ فَلْيَصْنَعُوهُ فَإِنِّي إِنَّمَا ظَنَنْتُ ظَنًّا فَلَا تُؤَاخِذُونِي بِالظَّنِّ وَلَكِنْ إِذَا أَخْبَرْتُكُمْ عَنْ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بِشَيْءٍ فَخُذُوهُ فَإِنِّي لَنْ أَكْذِبَ عَلَى اللَّهِ شَيْئًا


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) কিছু লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যারা খেজুরের বাগানে ছিল। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন এরা কি করছে? লোকেরা বললো যে, পুরুষ খেজুর স্ত্রীর খেজুরের সাথে মেশানো হচ্ছে, নবী (সাঃ) বললেন, “আমি মনে করি না এতে কোন লাভ আছে।” যখন ঐ লোকেরা এটি সম্পর্কে জানতে পারলো, তখন তারা এ বছর তা করেনি। ফলে ঐ বছর ভালো ফলন হয়নি। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এ খবর জানতে পেরে বললেন, “যদি তারা ঐ কাজে কোন উপকার পায়, তাহলে তারা যেন তা করে, আমি শুধু একটি মতামত ও চিন্তা প্রকাশ করেছি মাত্র। তাই আমার মতামত অনুসরণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। যাইহোক, আমি যখন তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে কিছু বলি, তখন তোমরা তা অনুসরণ করো, কারণ আমি কোনো অবস্থাতেই আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারি না।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1327 OK

(১৩২৭)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنِي طَلْحَةُ بْنُ يَحْيَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ أَنَّ نَفَرًا مِنْ بَنِي عُذْرَةَ ثَلَاثَةً أَتَوْا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَسْلَمُوا قَالَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ يَكْفِنِيهِمْ قَالَ طَلْحَةُ أَنَا قَالَ فَكَانُوا عِنْدَ طَلْحَةَ فَبَعَثَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْثًا فَخَرَجَ أَحَدُهُمْ فَاسْتُشْهِدَ قَالَ ثُمَّ بَعَثَ بَعْثًا فَخَرَجَ فِيهِمْ آخَرُ فَاسْتُشْهِدَ قَالَ ثُمَّ مَاتَ الثَّالِثُ عَلَى فِرَاشِهِ قَالَ طَلْحَةُ فَرَأَيْتُ هَؤُلَاءِ الثَّلَاثَةَ الَّذِينَ كَانُوا عِنْدِي فِي الْجَنَّةِ فَرَأَيْتُ الْمَيِّتَ عَلَى فِرَاشِهِ أَمَامَهُمْ وَرَأَيْتُ الَّذِي اسْتُشْهِدَ أَخِيرًا يَلِيهِ وَرَأَيْتُ الَّذِي اسْتُشْهِدَ أَوَّلَهُمْ آخِرَهُمْ قَالَ فَدَخَلَنِي مِنْ ذَلِكَ قَالَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا أَنْكَرْتَ مِنْ ذَلِكَ لَيْسَ أَحَدٌ أَفْضَلَ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ مُؤْمِنٍ يُعَمَّرُ فِي الْإِسْلَامِ لِتَسْبِيحِهِ وَتَكْبِيرِهِ وَتَهْلِيلِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বনু ইজরার তিনজনের একটি দল রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমতে এসে ইসলাম গ্রহণ করে। হজরত তালহা (রা.) নিজেকে নিবেদন করেন, তাই এই লোকেরা হজরত তালহা (রা.)-এর কাছে থেকে যায়, এদিকে রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি সৈন্যদল পাঠান, ফলে তাদের একজন এতে অংশ নেন এবং তিনি শহীদ হলেন। কিছুক্ষণ পর, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরেকটি বাহিনী পাঠালেন, ফলে দ্বিতীয় ব্যক্তিটিও অংশগ্রহণ করলেন এবং এই সময়ে তিনিও শহীদ হলেন এবং তৃতীয় ব্যক্তিটি প্রাকৃতিক কারণে মারা গেলেন, হযরত তালহা ( রা.) বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, যিনি শারীরিক ভাবে মারা গেছেন জান্নাতে তাদের উভয়ের আগে তিনি অগ্রগামী হয়েছেন। এরপর যিনি দ্বিতীয় শহীদ হলেন তিনি এবং যিনি প্রথম শহীদ হলেন তিনি ছিলেন সবার শেষে। আমি খুবই আশ্চর্য হলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিঙ্গেস করলাম এটা কিভাবে সম্ভব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি এতে অবাক হচ্ছো? আল্লাহর কাছে সেই মুমিনের চেয়ে উত্তম আর কেউ নেই যাকে ইসলামের রাষ্ট্রে তার তাসবীহ, তাকবীর ও তাহলিলের কারণে দীর্ঘ জীবন দান করা হয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1328 OK

(১৩২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ أَوْسٍ الْأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنِي أَبُو عُبَادَةَ الزُّرَقِيُّ الْأَنْصَارِيُّ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ شَهِدْتُ عُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَوْمَ حُوصِرَ فِي مَوْضِعِ الْجَنَائِزِ وَلَوْ أُلْقِيَ حَجَرٌ لَمْ يَقَعْ إِلَّا عَلَى رَأْسِ رَجُلٍ فَرَأَيْتُ عُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَشْرَفَ مِنْ الْخَوْخَةِ الَّتِي تَلِي مَقَامَ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَام فَقَالَ أَيُّهَا النَّاسُ أَفِيكُمْ طَلْحَةُ فَسَكَتُوا ثُمَّ قَالَ أَيُّهَا النَّاسُ أَفِيكُمْ طَلْحَةُ فَسَكَتُوا ثُمَّ قَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ أَفِيكُمْ طَلْحَةُ فَقَامَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَلَا أَرَاكَ هَاهُنَا مَا كُنْتُ أَرَى أَنَّكَ تَكُونُ فِي جَمَاعَةٍ تَسْمَعُ نِدَائِي آخِرَ ثَلَاثِ مَرَّاتٍ ثُمَّ لَا تُجِيبُنِي أَنْشُدُكَ اللَّهَ يَا طَلْحَةُ تَذْكُرُ يَوْمَ كُنْتُ أَنَا وَأَنْتَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَوْضِعِ كَذَا وَكَذَا لَيْسَ مَعَهُ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِهِ غَيْرِي وَغَيْرُكَ قَالَ نَعَمْ فَقَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا طَلْحَةُ إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ نَبِيٍّ إِلَّا وَمَعَهُ مِنْ أَصْحَابِهِ رَفِيقٌ مِنْ أُمَّتِهِ مَعَهُ فِي الْجَنَّةِ وَإِنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ هَذَا يَعْنِينِي رَفِيقِي مَعِي فِي الْجَنَّةِ قَالَ طَلْحَةُ اللَّهُمَّ نَعَمْ ثُمَّ انْصَرَفَ


যায়িদ বিন আসলামের পিতা থেকে বর্ণিতঃ

উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু যেদিন অবরুদ্ধ হলেন, সেদিন আমি জানাযার স্থানে বসে তাঁকে দেখেছিলাম। যদি একটি পাথরও নিক্ষিপ্ত হতো, তবে তা কোন না কোন মানুষের মাথার ওপর পড়তো। (অর্থাৎ বিপুল জনসমাগম হয়েছিল) দেখলাম, উসমান জিবরীলের দাঁড়ানোর জায়গার পার্শ্বে অবস্থিত একটি ছোট দরজায় দাঁড়িয়ে বলছেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? সবাই নীরবতা অবলম্বন করলো। তিনি আবার বললেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? এবারও কেউ জবাব দিল না। (পুনরায় তিনি বললেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? এবারও কেউ জবাব দিলনা।) পুনরায় তিনি বললেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? তখন তালহা বিন উবায়দুল্লাহ উঠে দাঁড়ালেন। তখন উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেনঃ আমি তোমাকে এখানে দেখছি না কেন?

আমি কখনো ভাবিনি যে, তুমি একটি দলের মধ্যে আমার ডাক শুনবে এবং তিনবার শুনেও জবাব দেবেনা। হে তালহা, তোমাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, তোমার কি মনে পড়ে অমুক জায়গায় একদিন আমি আর তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম? আমাদের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে আমি আর তুমি ব্যতীত আর কেউ ছিল না? তালহা বললেনঃ হ্যাঁ। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে বললেনঃ হে তালহা, আল্লাহর নবী মাত্রেরই সাহাবীদের মধ্য থেকে এমন একজন লোক জান্নাতে তাঁর সঙ্গী হয়, যে তাঁর উম্মাতের মধ্য থেকে একজন বিশিষ্ট বন্ধু। আর উসমান বিন আফফান জান্নাতে আমার সঙ্গী। তিনি আমার কথাই বলেছিলেন। তালহা বললেনঃ আল্লাহর কসম, হ্যাঁ। অতঃপর তালহা চলে গেলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1329 OK

(১৩২৯)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنِ ابْنِ الْهَادِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنَّ رَجُلَيْنِ قَدِمَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ إِسْلَامُهُمَا جَمِيعًا وَكَانَ أَحَدُهُمَا أَشَدَّ اجْتِهَادًا مِنْ صَاحِبِهِ فَغَزَا الْمُجْتَهِدُ مِنْهُمَا فَاسْتُشْهِدَ ثُمَّ مَكَثَ الْآخَرُ بَعْدَهُ سَنَةً ثُمَّ تُوُفِّيَ قَالَ طَلْحَةُ فَرَأَيْتُ فِيمَا يَرَى النَّائِمُ كَأَنِّي عِنْدَ بَابِ الْجَنَّةِ إِذَا أَنَا بِهِمَا وَقَدْ خَرَجَ خَارِجٌ مِنْ الْجَنَّةِ فَأَذِنَ لِلَّذِي تُوُفِّيَ الْآخِرَ مِنْهُمَا ثُمَّ خَرَجَ فَأَذِنَ لِلَّذِي اسْتُشْهِدَ ثُمَّ رَجَعَا إِلَيَّ فَقَالَا لِي ارْجِعْ فَإِنَّهُ لَمْ يَأْنِ لَكَ بَعْدُ فَأَصْبَحَ طَلْحَةُ يُحَدِّثُ بِهِ النَّاسَ فَعَجِبُوا لِذَلِكَ فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مِنْ أَيِّ ذَلِكَ تَعْجَبُونَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا كَانَ أَشَدَّ اجْتِهَادًا ثُمَّ اسْتُشْهِدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدَخَلَ هَذَا الْجَنَّةَ قَبْلَهُ فَقَالَ أَلَيْسَ قَدْ مَكَثَ هَذَا بَعْدَهُ سَنَةً قَالُوا بَلَى وَأَدْرَكَ رَمَضَانَ فَصَامَهُ قَالُوا بَلَى وَصَلَّى كَذَا وَكَذَا سَجْدَةً فِي السَّنَةِ قَالُوا بَلَى قَالَ رَسُولُ اللَّهِ فَلَمَا بَيْنَهُمَا أَبْعَدُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার দুজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমতে এসেছিলেন, তারা উভয়ে একসঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাদের একজন শহীদ হন, যিনি তাঁর অন্য সঙ্গীর চেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছিলেন এবং অন্যজন এক বছর বেঁচে ছিলেন, তারপর প্রাকৃতিক কারণে মারা যান। হজরত তালহা (রা.) বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি জান্নাতের দরজার কাছে আছি, হঠাৎ তারা দুজনেই আমার সামনে উপস্থিত হলো, জান্নাত থেকে একজন লোক বের হলো এবং যিনি প্রাকৃতিক কারণে মারা যান তাকে প্রথমে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলো, এর কিছুক্ষণ পর যিনি প্রথমে শহীদ হয়েছিলেন তাকে প্রথমে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলো, তারপর তারা উভয়েই আমার কাছে আসেন এবং আমাকে বলেন, আপনি এখন ফিরে যান, আপনার সময় এখনও আসেনি। যখন সকাল হল এবং হজরত তালহা (রা.) লোকদের সামনে এই স্বপ্নের কথা উল্লেখ করলেন, তখন লোকেরা খুব অবাক হল। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! এই ব্যক্তি কঠোর পরিশ্রম করত, অতঃপর সে আল্লাহর পথে শাহাদত বরণ করল, এতদসত্ত্বেও অন্য লোকটি প্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করল। তখন তিনি বললেন, সে কি এক বছর বেঁচে ছিলো না? লোকেরা বলল কেন নয়, তখন তিনি বললেন, সে কি রমজান মাস খুঁজে পায়নি এবং এর রোজা রাখেনি? লোকেরা বলল কেন নয়, তখন তিনি বললেন, সে কি বছরে এত সিজদা করেনি? লোকে বলল কেন নয়, তখন তিনি বললেন, এ কারণে তাদের দুজনের মধ্যে আসমান-জমিনের দূরত্ব হয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩২৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1330 OK

(১৩৩০)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ أَبِي أُمَيَّةَ أَبُو النَّضْرِ قَالَ جَلَسَ إِلَيَّ شَيْخٌ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ فِي مَسْجِدِ الْبَصْرَةِ وَمَعَهُ صَحِيفَةٌ لَهُ فِي يَدِهِ قَالَ وَفِي زَمَانِ الْحَجَّاجِ فَقَالَ لِي يَا عَبْدَ اللَّهِ أَتَرَى هَذَا الْكِتَابَ مُغْنِيًا عَنِّي شَيْئًا عِنْدَ هَذَا السُّلْطَانِ قَالَ فَقُلْتُ وَمَا هَذَا الْكِتَابُ قَالَ هَذَا كِتَابٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَهُ لَنَا أَنْ لَا يُتَعَدَّى عَلَيْنَا فِي صَدَقَاتِنَا قَالَ فَقُلْتُ لَا وَاللَّهِ مَا أَظُنُّ أَنْ يُغْنِيَ عَنْكَ شَيْئًا وَكَيْفَ كَانَ شَأْنُ هَذَا الْكِتَابِ قَالَ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ مَعَ أَبِي وَأَنَا غُلَامٌ شَابٌّ بِإِبِلٍ لَنَا نَبِيعُهَا وَكَانَ أَبِي صَدِيقًا لِطَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ التَّيْمِيِّ فَنَزَلْنَا عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ أَبِي اخْرُجْ مَعِي فَبِعْ لِي إِبِلِي هَذِهِ قَالَ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ نَهَى أَنْ يَبِيعَ حَاضِرٌ لِبَادٍ وَلَكِنْ سَأَخْرُجُ مَعَكَ فَأَجْلِسُ وَتَعْرِضُ إِبِلَكَ فَإِذَا رَضِيتُ مِنْ رَجُلٍ وَفَاءً وَصِدْقًا مِمَّنْ سَاوَمَكَ أَمَرْتُكَ بِبَيْعِهِ قَالَ فَخَرَجْنَا إِلَى السُّوقِ فَوَقَفْنَا ظُهْرَنَا وَجَلَسَ طَلْحَةُ قَرِيبًا فَسَاوَمَنَا الرِّجَالُ حَتَّى إِذَا أَعْطَانَا رَجُلٌ مَا نَرْضَى قَالَ لَهُ أَبِي أُبَايِعُهُ قَالَ نَعَمْ رَضِيتُ لَكُمْ وَفَاءَهُ فَبَايِعُوهُ فَبَايَعْنَاهُ فَلَمَّا قَبَضْنَا مَا لَنَا وَفَرَغْنَا مِنْ حَاجَتِنَا قَالَ أَبِي لِطَلْحَةَ خُذْ لَنَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كِتَابًا أَنْ لَا يُتَعَدَّى عَلَيْنَا فِي صَدَقَاتِنَا قَالَ فَقَالَ هَذَا لَكُمْ وَلِكُلِّ مُسْلِمٍ قَالَ عَلَى ذَلِكَ إِنِّي أُحِبُّ أَنْ يَكُونَ عِنْدِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كِتَابٌ فَخَرَجَ حَتَّى جَاءَ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَا الرَّجُلَ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ صَدِيقٌ لَنَا وَقَدْ أَحَبَّ أَنْ تَكْتُبَ لَهُ كِتَابًا لَا يُتَعَدَّى عَلَيْهِ فِي صَدَقَتِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذَا لَهُ وَلِكُلِّ مُسْلِمٍ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ أُحِبُّ أَنْ يَكُونَ عِنْدِي مِنْكَ كِتَابٌ عَلَى ذَلِكَ قَالَ فَكَتَبَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذَا الْكِتَابَ آخِرُ حَدِيثِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আবু আল-নাযর থেকে বর্ণিতঃ

হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সময় বসরার একটি মসজিদে বনু তামিমের এক বৃদ্ধ ব্যক্তি এসে আমার কাছে বসলেন, তার হাতে একটি চিঠি ছিল এবং তিনি আমাকে বললেন: হে আল্লাহর বান্দা! তোমার কি মনে হয়, এই চিঠি কি এই রাজার সামনে আমাকে সাহায্য করতে পারে? আমি জিজ্ঞেস করলাম এই চিঠিটা কেমন? তিনি বলেন, এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফরমান যা তিনি আমাদের জন্য লিখেছিলেন, যেনো যাকাত গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করি। আমি বললাম, আল্লাহর কসম! আমি মনে করি না যে, এই চিঠি আপনার কোন উপকারে আসবে (কারণ হাজ্জাজ খুবই নিষ্ঠুর), আমাকে বলুন এই চিঠির কাহিনী কী? তিনি বলেন, আমি একবার আমার বাবার সাথে মদীনায় এসেছিলাম, আমি তখন ছোট ছিলাম, আমরা আমাদের একটি উট বিক্রি করতে চেয়েছিলাম, আমার পিতা হযরত তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রা:)-এর বন্ধু ছিলেন, তাই আমরা সেখানেই থেকে গেলাম। আমার বাবা তাকে আমার সাথে যেতে এবং এই উটটি বিক্রি করতে সাহায্য করতে বলেছিলেন। হযরত তালহা বললেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, কোনো শহরের লোক জোনো কোনো গ্রাম্য লোকের পক্ষ হয়ে বাজারে কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রয় না করে, তবে আমি আপনার উট মানুষের কাছে নিয়ে যাবো, যার সম্পর্কে আমি সন্তুষ্ট হবো যে সে এটির সঠিক মূল্য পরিশোধ করবে, আমি আপনাকে তার হাতে বিক্রি করতে বলবো। তাই আমরা বের হয়ে বাজারে পৌছালাম এবং এক জায়গায় থামলাম, হযরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু কাছে বসেছিলেন, অনেক লোক এসে উল্লাস করছিল, এমন কি একজন লোক এসেছিলো, সে আমরা যে দাম চেয়েছিলাম তা দিতে প্রস্তুত ছিল, আমার পিতা হযরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন তার হাতে বিক্রি করবো? তিনি সম্মতি দিলেন এবং বললেন যে, আমি সন্তুষ্ট যে, সে আপনার মূল্য পুরোপুরি পরিশোধ করবে। সুতরাং আপনি এই উটটি তার কাছে বিক্রি করে দিন, আমরা তার কাছে উটটি বিক্রি করলাম। যখন অর্থ আমাদের দখলে আসে এবং আমাদের প্রয়োজন পূরণ হয়, তখন আমার পিতা হযরত তালহা (রা.)-কে এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছ থেকে একটি চিঠি লিখে আমাদেরকে দিতে বলেন, যাতে আমরা যাকাত আদায়ে বাড়াবাড়ি না করি। হজরত তালহা (রা.) আমাদের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমতে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এই ভদ্রলোক যে গ্রামের আমার একজন বন্ধু, তিনি চান আপনি তাকে এমন একটি নিবন্ধ লিখুন যাতে তিনি যাকাত আদায়ে বাড়াবাড়ি না করেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, এই চিঠি তার জন্যও এবং প্রত্যেক মুসলমানের জন্যও। আমার পিতা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি যাকাত সম্বলিত আপনার কাছ থেকে একটি চিঠি পেতাম, তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এই চিঠিটি লিখে দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস