(৫৮৩) পবিত্রতা অর্জন [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ১১৫টি]

পরিচ্ছেদঃ ২২ [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩০টি]


জানাবত গোসলের বিবিধ হুকুম




34537 OK

(১১৬)

নির্ণীত নয়

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ، لَا بَأْسَ أَنْ يُغْتَسَلَ بِفَضْلِ الْمَرْأَةِ مَا لَمْ تَكُنْ حَائِضًا أَوْ جُنُبًا.


নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, স্ত্রীলোকের গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করাতে কোন সমস্যা নাই (অর্থাৎ এটা জায়েয) যদি স্ত্রীলোক ঋতুমতী অথবা জুনুবী না হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৬]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



34538 OK

(১১৭)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَعْرَقُ فِي الثَّوْبِ وَهُوَ جُنُبٌ ثُمَّ يُصَلِّي فِيهِ.


নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পরিধানের কাপড়ে ঘর্মাক্ত হতেন অথচ তখন তিনি জুনুবী। অতঃপর সেই কাপড়েই গোসলের পর তিনি নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৭]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



34539 OK

(১১৮)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَغْسِلُ جَوَارِيهِ رِجْلَيْهِ وَيُعْطِينَهُ الْخُمْرَةَ وَهُنَّ حُيَّضٌ ১৬৬و سُئِلَ مَالِك عَنْ رَجُلٍ لَهُ نِسْوَةٌ وَجَوَارِي هَلْ يَطَؤُهُنَّ جَمِيعًا قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ فَقَالَ لَا بَأْسَ بِأَنْ يُصِيبَ الرَّجُلُ جَارِيَتَيْهِ قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ فَأَمَّا النِّسَاءُ الْحَرَائِرُ فَيُكْرَهُ أَنْ يُصِيبَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ الْحُرَّةَ فِي يَوْمِ الْأُخْرَى فَأَمَّا أَنْ يُصِيبَ الْجَارِيَةَ ثُمَّ يُصِيبَ الْأُخْرَى وَهُوَ جُنُبٌ فَلَا بَأْسَ بِذَلِكَ و سُئِلَ مَالِك عَنْ رَجُلٍ جُنُبٍ وُضِعَ لَهُ مَاءٌ يَغْتَسِلُ بِهِ فَسَهَا فَأَدْخَلَ أُصْبُعَهُ فِيهِ لِيَعْرِفَ حَرَّ الْمَاءِ مِنْ بَرْدِهِ قَالَ مَالِك إِنْ لَمْ يَكُنْ أَصَابَ أُصْبُعَهُ أَذًى فَلَا أَرَى ذَلِكَ يُنَجِّسُ عَلَيْهِ الْمَاءَ.


নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর বাঁদিগণ তাঁর পা দুটো ধুয়ে দিত এবং তাঁকে খুমরা ছোট মুসল্লা বা জায়নামায প্রদান করত, অথচ তারা তখন ঋতুমতী।
মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী ও বাঁদী রয়েছে, সে ব্যক্তি গোসলের পূর্বে সকলের (স্ত্রী ও বাঁদীগণের) সাথে সহবাস করতে পারবে কি? (উত্তরে) তিনি বললেন, জানাবতের গোসলের পূর্বে বাঁদীর সাথে সহবাস করা দোষের বিষয় নয় (অর্থাৎ এটা জায়েয)। কিন্তু স্বাধীন স্ত্রীগণের ব্যাপারে মাস’আলা এই কোন ব্যক্তির পক্ষে নিজের স্ত্রীর (অধিকারের) দিনে (নিজের) আর এক স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া মাকরূহ। তবে কোন লোকের জন্য (তাঁর) এক বাঁদীর সাথে সহবাস করে অতঃপর আর এক বাঁদীর সাথে জুনুব থাকা অবস্থায় মিলিত হওয়া দোষের ব্যাপার নয়।
মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির জন্য পানি রাখা হয়েছে যা হতে সে ব্যক্তি ফরয গোসল করবে, তারপর সে ভুলবশত সেই পানিতে তার আঙ্গুল দাখিল করেছে যাতে ঠাণ্ডা ও গরমের (মাত্রা) নির্ণয় করতে পারে। (উত্তরে) মালিক (র) বলেন, তার আঙুলসমূহে কোন নাপাকী না পৌঁছে থাকেলে তবে তার এই কাজে পানি নাপাক হবে বলে আমি মনে করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়