
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَبَّرَ فِي صَلَاةٍ مِنْ الصَّلَوَاتِ ثُمَّ أَشَارَ إِلَيْهِمْ بِيَدِهِ أَنْ امْكُثُوا فَذَهَبَ ثُمَّ رَجَعَ وَعَلَى جِلْدِهِ أَثَرُ الْمَاءِ.
ইসমাঈল ইবনু আবি হাকীম (র) থেকে বর্ণিতঃ
‘আতা ইবনু ইয়াসার (র) তাঁকে বলেছেন, কোন এক নামাযে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বললেন। অতঃপর হাত দিয়ে তাঁদের (নামাযে শরীক উপস্থিত সাহাবীদের) দিকে ইশারা করলেন, তোমরা নিজ নিজ স্থানে অবস্থান কর। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। অতঃপর ফিরে এলেন (এমন অবস্থায় যে), তাঁর (পবিত্র) দেহের উপর পানির আলামত বিদ্যমান ছিল। (বুখারী ২৭৫, মুসলিম ৬০৫, আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেন, আর ইমাম মালিক (রঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৯]
হাদিসের মান : অন্যান্য

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ زُيَيْدِ بْنِ الصَّلْتِ أَنَّهُ قَالَ خَرَجْتُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ إِلَى الْجُرُفِ فَنَظَرَ فَإِذَا هُوَ قَدْ احْتَلَمَ وَصَلَّى وَلَمْ يَغْتَسِلْ فَقَالَ وَاللهِ مَا أَرَانِي إِلَّا احْتَلَمْتُ وَمَا شَعَرْتُ وَصَلَّيْتُ وَمَا اغْتَسَلْتُ قَالَ فَاغْتَسَلَ وَغَسَلَ مَا رَأَى فِي ثَوْبِهِ وَنَضَحَ مَا لَمْ يَرَ وَأَذَّنَ أَوْ أَقَامَ ثُمَّ صَلَّى بَعْدَ ارْتِفَاعِ الضُّحَى مُتَمَكِّنًا.
যায়ায়দ ইবনু সালত (র) থেকে বর্ণিতঃ
আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে বের হলাম জুরুফ-এর (মদীনা হতে তিন মাইল দূরের একটি পল্লী) দিকে। তাঁর স্বপ্নদোষ হল এবং তিনি গোসল না করে (ভুলে) নামায আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, কসম আল্লাহর! আমার মনে হয়, আমার অবশ্য ইহতিলাম (স্বপ্নদোষ) হয়েছে অথচ আমি খবর রাখি না এবং আমি গোসল না করে নামায আদায় করেছি। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং কাপড়ে যা চিহ্ন দেখলেন তা ধুলেন, যেখানে চিহ্ন নেই সেখানে পানি ছিটা দিলেন। তারপর আযান ও ইকামত বললেন। অতঃপর দিনের প্রথম অংশের সূর্য উচ্চতায় পৌঁছার পর নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১০]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ غَدَا إِلَى أَرْضِهِ بِالْجُرُفِ فَوَجَدَ فِي ثَوْبِهِ احْتِلَامًا فَقَالَ لَقَدْ ابْتُلِيتُ بِالْاحْتِلَامِ مُنْذُ وُلِّيتُ أَمْرَ النَّاسِ فَاغْتَسَلَ وَغَسَلَ مَا رَأَى فِي ثَوْبِهِ مِنْ الْاحْتِلَامِ ثُمَّ صَلَّى بَعْدَ أَنْ طَلَعَتْ الشَّمْسُ.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্ণিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) দিনের প্রথমাংশে জুরুফ নামক স্থানে অবস্থিত তাঁর জমির দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর কাপড়ে স্বপ্নদোষের আলামত দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, যখন হতে লোকের দায়িত্ব আমার উপর ন্যস্ত করা হয়েছে, তখন হতে আমি ইহতিলামে লিপ্ত হয়েছি। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং তাঁর কাপড়ে স্বপ্নদোষের যা আলামত দেখলেন তা ধুলেন। তারপর সূর্য উঠার পর তিনি নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১১]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ صَلَّى بِالنَّاسِ الصُّبْحَ ثُمَّ غَدَا إِلَى أَرْضِهِ بِالْجُرُفِ فَوَجَدَ فِي ثَوْبِهِ احْتِلَامًا فَقَالَ إِنَّا لَمَّا أَصَبْنَا الْوَدَكَ لَانَتْ الْعُرُوقُ فَاغْتَسَلَ وَغَسَلَ الْاحْتِلَامَ مِنْ ثَوْبِهِ وَعَادَ لِصَلَاتِهِ.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্ণিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) লোকের সাথে (জামাতে) ফজরের নামায আদায় করলেন, অতঃপর সকালবেলা ‘জুরুফ’-এ অবস্থিত তাঁর জমির দিকে গমন করলেন। তারপর তাঁর কাপড়ে ইহতিলামের চিহ্ন দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, আমরা চর্বি (চর্বিযুক্ত খাদ্যদ্রব্য) যখন হতে আহার করতেছি তখন হতে আমাদের শিরাসমূহ কোমল হয়েছে। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং কাপড় হতে ইহতিলাম (এর চিহ্ন) ধুয়ে ফেললেন এবং নামায নতুন করে আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১২]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ أَنَّهُ اعْتَمَرَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فِي رَكْبٍ فِيهِمْ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ وَأَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَرَّسَ بِبَعْضِ الطَّرِيقِ قَرِيبًا مِنْ بَعْضِ الْمِيَاهِ فَاحْتَلَمَ عُمَرُ وَقَدْ كَادَ أَنْ يُصْبِحَ فَلَمْ يَجِدْ مَعَ الرَّكْبِ مَاءً فَرَكِبَ حَتَّى جَاءَ الْمَاءَ فَجَعَلَ يَغْسِلُ مَا رَأَى مِنْ ذَلِكَ الْاحْتِلَامِ حَتَّى أَسْفَرَ فَقَالَ لَهُ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ أَصْبَحْتَ وَمَعَنَا ثِيَابٌ فَدَعْ ثَوْبَكَ يُغْسَلُ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَاعَجَبًا لَكَ يَا عَمْرُو بْنَ الْعَاصِ لَئِنْ كُنْتَ تَجِدُ ثِيَابًا أَفَكُلُّ النَّاسِ يَجِدُ ثِيَابًا وَاللهِ لَوْ فَعَلْتُهَا لَكَانَتْ سُنَّةً بَلْ أَغْسِلُ مَا رَأَيْتُ وَأَنْضِحُ مَا لَمْ أَرَ ১৫৮-قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ وَجَدَ فِي ثَوْبِهِ أَثَرَ احْتِلَامٍ وَلَا يَدْرِي مَتَى كَانَ وَلَا يَذْكُرُ شَيْئًا رَأَى فِي مَنَامِهِ قَالَ لِيَغْتَسِلْ مِنْ أَحْدَثِ نَوْمٍ نَامَهُ فَإِنْ كَانَ صَلَّى بَعْدَ ذَلِكَ النَّوْمِ فَلْيُعِدْ مَا كَانَ صَلَّى بَعْدَ ذَلِكَ النَّوْمِ مِنْ أَجْلِ أَنَّ الرَّجُلَ رُبَّمَا احْتَلَمَ وَلَا يَرَى شَيْئًا وَيَرَى وَلَا يَحْتَلِمُ فَإِذَا وَجَدَ فِي ثَوْبِهِ مَاءً فَعَلَيْهِ الْغُسْلُ وَذَلِكَ أَنَّ عُمَرَ أَعَادَ مَا كَانَ صَلَّى لِآخِرِ نَوْمٍ نَامَهُ وَلَمْ يُعِدْ مَا كَانَ قَبْلَهُ.
ইয়াহইয়া ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘উমরাহ’ করলেন একই কাফেলায় ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ)-ও ছিলেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কোন পানির (কূপের) নিকটবর্তী এক রাস্তার পাশে রাত্রের শেষাংশে অবতরণ করলেন। উমার (রাঃ)-এর ইহতিলাম হল। (এইদিকে) ফজর হতে লাগল কিন্তু কাফেলার সাথে পানি পাওয়া গেল না। তিনি সওয়ার হয়ে পানির কাছে এলেন। অতঃপর তিনি ইহতিলামের যা চিহ্ন দেখলেন তা ধুতে লাগলেন, তখন ফরসা হয়ে গিয়েছে। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনি ভোর করলেন অথচ আমাদের সাথে কাপড় রয়েছে। আপনি আপনার কাপড় রেখে দিন, (পরে) ধোয়া হবে। উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, ইবনুল ‘আস! আশ্চর্য তোমার প্রতি! তোমার যদিও অনেক বস্ত্র আছে, কিন্তু প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট কি তদ্রুপ আছে? আল্লাহর কসম, আমি যদি এটা করি তবে এটা সুন্নাতে পরিণত হবে। আমি বরং যা আলামত দেখব তাই ধুব, আর যা দেখা না যায় তাতে পানি ছিটিয়ে দেব।
মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি তার কাপড়ে ইহতিলামের আলামত দেখতে পায়, কোন সময় ইহতিলাম হয়েছে সে তা জানে না, স্বপ্নে যা দেখেছে তার স্মরণ নাই, তবে সে সদ্য যে নিদ্রা হতে জেগেছে তাতে (ইহতিলাম হয়েছে বলে গণ্য করে) গোসল করবে। যদি সে এই নিদ্রার পর নামায আদায় করে থাকে তবে সে নামায নতুন করে আদায় করবে। কারণ লোকের (অনেক সময়) ইহ্তিলাম হয় কিন্তু কোন কিছু (স্বপ্নে) দেখ না, আবার কোন সময় স্বপ্ন দেখে কিন্তু ইহতিলাম হয় না। তাই কাপড়ে যদি পানি দেখে (ইহতিলাম স্মরণ না থাকলেও) তবে তার উপর গোসল ওয়াজিব হবে। কারণ উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ঘটনায় শেষ বারের নিদ্রা হতে জাগ্রত হবার পর যে নামায আদায় করেছিলেন তিনি সেই নামায নতুন করে আদায় করেছেন, এর পূর্ববর্তী নামায অর্থাৎ ঐ নিদ্রার পূর্বের নামায তিনি কাযা করেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৩]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়