
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ يَقُولُ، دَخَلْتُ عَلَى مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ فَتَذَاكَرْنَا مَا يَكُونُ مِنْهُ الْوُضُوءُ فَقَالَ مَرْوَانُ وَمِنْ مَسِّ الذَّكَرِ الْوُضُوءُ فَقَالَ عُرْوَةُ مَا عَلِمْتُ هَذَا فَقَالَ مَرْوَانُ بْنُ الْحَكَمِ أَخْبَرَتْنِي بُسْرَةُ بِنْتُ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ.
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাযম (র) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র)-কে বলতে শুনেছেন আমি মারওয়ান ইবনু হাকাম (র)-এর নিকট গেলাম, আমরা দু’জনে ওযূ কিসে ওয়াজিব হয় সে বিষয়ে আলোচনা করলাম। মারওয়ান বললেন, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করতে হবে। উরওয়াহ বললেন, আমি তো এটা জানি না। মারওয়ান বললেন, বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন তোমাদের কোন ব্যক্তি লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৮১, তিরমিযী ৮২, নাসাঈ ১৬৩, ইবনু মাজাহ ৪৭৯, আহমাদ ২৭৩৩৪, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলা সহীহাহ ১২৩৫]) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّهُ قَالَ، كُنْتُ أُمْسِكُ الْمُصْحَفَ عَلَى سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ فَاحْتَكَكْتُ فَقَالَ سَعْدٌ لَعَلَّكَ مَسِسْتَ ذَكَرَكَ قَالَ فَقُلْتُ نَعَمْ فَقَالَ قُمْ فَتَوَضَّأْ فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ ثُمَّ رَجَعْتُ.
মুস’আব ইবনু সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (র) থেকে বর্ণিতঃ
আমি সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর জন্য কুরআন মাজীদ হাত দিয়ে ধরে রেখেছিলাম (যেন তিনি তিলাওয়াত করতে পারেন), আমি নিজের শরীর চুলকালাম। সা’দ বললেন, সম্ভবত তুমি তোমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছ। আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি উঠ এবং ওযূ কর; অতঃপর আমি উঠলাম এবং ওযূ করে আবার ফিরে এলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৯]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ، إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ.
নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, তোমাদের কেউ যদি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, তবে সে ওযূ করবে, কারণ তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯০]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ، مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ.
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্ণিতঃ
যে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছে তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯১]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ أَبِي عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ يَغْتَسِلُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ فَقُلْتُ لَهُ يَا أَبَتِ أَمَا يَجْزِيكَ الْغُسْلُ مِنْ الْوُضُوءِ قَالَ بَلَى وَلَكِنِّي أَحْيَانًا أَمَسُّ ذَكَرِي فَأَتَوَضَّأُ.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্ণিতঃ
আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি গোসল করতেন, তারপর ওযূ করতেন। আমি বললাম আব্বাজান! গোসল আপনার ওযূর জন্য কি যথেষ্ট হয় না? (অর্থাৎ গোসল দ্বারা ওযূর কাজ হয়ে যায় না?) তিনি বললেন, হ্যাঁ, যথেষ্ট হয়। কিন্তু আমি কোন কোন সময় লজ্জাস্থান স্পর্শ করি। তাই আমি ওযূ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯২]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ مَعَ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ فِي سَفَرٍ فَرَأَيْتُهُ بَعْدَ أَنْ طَلَعَتْ الشَّمْسُ تَوَضَّأَ ثُمَّ صَلَّى قَالَ فَقُلْتُ لَهُ إِنَّ هَذِهِ لَصَلَاةٌ مَا كُنْتَ تُصَلِّيهَا قَالَ إِنِّي بَعْدَ أَنْ تَوَضَّأْتُ لِصَلَاةِ الصُّبْحِ مَسِسْتُ فَرْجِي ثُمَّ نَسِيْتُ أَنْ أَتَوَضَّأَ فَتَوَضَّأْتُ وَعُدْتُ لِصَلَاتِي.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্ণিতঃ
আমি এক সফরে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। আমি তাঁকে দেখলাম সূর্য উদয়ের পর ওযূ করলেন, তারপর নামায আদায় করলেন। আমি তাঁকে বললাম (আজকের দিন ব্যতীত) আপনি এই নামায কখনও এই সময়ে আদায় করেন না। তখন তিনি বললেন, আমি ফজরের নামাযের জন্য ওযূ করার পর আমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছি। অতঃপর আমি ওযূ করতে ভুলে গিয়েছি। তাই আমি অযূ করলাম এবং পুনরায় নামায আদায় করলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯৩]
হাদিসের মান : নির্ণীত নয়