(৫৮২) নামাযের সময় [হাদিসের সীমা (), সর্বমোট হাদিসঃ ৩০টি]

পরিচ্ছেদঃ ৫ [মোট হাদিসঃ ৪টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১০টি]


নামাযের সময় সম্পর্কীয় বিবিধ রেওয়ায়ত




34442 OK

(২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ كَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهََََُ.


নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তির আসরের নামায ফাউত হয়েছে তবে যেন তার পরিবার-পরিজন ও সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে (অর্থাৎ পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ হারালে যেমন ক্ষতি হয় তদ্রুপ ক্ষতি হয়েছে)। (বুখারী ৫৫২, মুসলিম ৬২৬) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



34443 OK

(২২)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ انْصَرَفَ مِنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ فَلَقِيَ رَجُلًا لَمْ يَشْهَدْ الْعَصْرَ فَقَالَ عُمَرُ مَا حَبَسَكَ عَنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ فَذَكَرَ لَهُ الرَّجُلُ عُذْرًا فَقَالَ عُمَرُ طَفَّفْتَ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك وَيُقَالُ لِكُلِّ شَيْءٍ وَفَاءٌ وَتَطْفِيفٌََََ


ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আসরের নামায হতে ফেরার পথে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর এমন এক ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ হল যিনি আসরের নামাযে হাজির হন নাই। উমার (রাঃ) বললেন আসরের নামায হতে তোমাকে কোন বস্তু বিরত রাখল? লোকটি তাঁর (উমারের) নিকট কারণ জানালেন। কারণ শুনে উমার (রা) বললেন, (জামা’আতে হাযির না হওয়ায়) তোমার সওয়াব কমেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) বলেন, বলা হয়ে থাকে “প্রত্যেক বস্তুর পূর্ণতা এবং ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে।” [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২২]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



34444 OK

(২৩)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ، إِنَّ الْمُصَلِّيَ لَيُصَلِّي الصَّلَاةَ وَمَا فَاتَهُ وَقْتُهَا وَلَمَا فَاتَهُ مِنْ وَقْتِهَا أَعْظَمُ أَوْ أَفْضَلُ مِنْ أَهْلِهِ وَمَالِهََََِ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك مَنْ أَدْرَكَ الْوَقْتَ وَهُوَ فِي سَفَرٍ فَأَخَّرَ الصَّلَاةَ سَاهِيًا أَوْ نَاسِيًا حَتَّى قَدِمَ عَلَى أَهْلِهِ أَنَّهُ إِنْ كَانَ قَدِمَ عَلَى أَهْلِهِ وَهُوَ فِي الْوَقْتِ فَلْيُصَلِّ صَلَاةَ الْمُقِيمِ وَإِنْ كَانَ قَدْ قَدِمَ وَقَدْ ذَهَبَ الْوَقْتُ فَلْيُصَلِّ صَلَاةَ الْمُسَافِرِ لِأَنَّهُ إِنَّمَا يَقْضِي مِثْلَ الَّذِي كَانَ عَلَيْهِ قَالَ مَالِك وَهَذَا الْأَمْرُ هُوَ الَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ النَّاسَ وَأَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا و قَالَ مَالِك الشَّفَقُ الْحُمْرَةُ الَّتِي فِي الْمَغْرِبِ فَإِذَا ذَهَبَتْ الْحُمْرَةُ فَقَدْ وَجَبَتْ صَلَاةُ الْعِشَاءِ وَخَرَجْتَ مِنْ وَقْتِ الْمَغْرِبِ.


ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্ণিতঃ

মুসল্লি এমন সময়ে নামায আদায় করবে, যখন তাঁর নামাযের ওয়াক্ত ফাউত হয় নি, তাই খুবই উত্তম, কিন্তু মুসল্লির নামাযের যে সময় ফাউত হয়ে গিয়াছে (অর্থাৎ মুস্তাহাব সময় ফাউত হয়ে মাকরূহ ওয়াক্ত উপস্থিত হয়েছে) তবে সেই (ফাউত হওয়া মুস্তাহাব) সময় তাঁর পরিজন ও মাল অপেক্ষাও খুবই উত্তম।
মালিক (র) বলেন, সফরকালে (যেই সফরে নামায কসর আদায় করতে হয় সেইরূপ সফর) যে ব্যক্তির নামাযের সময় উপস্থিত হয়েছে, সে যদি ভুলে অথবা ব্যস্ততাবশত নামায আদায়ে দেরি করে এবং এই অবস্থায় নিজের কাছে ফিরে আসে, তবে সে যদি নামাযের সময় থাকিতে পরিজনের কাছে ফিরে আসে সে মুকীমের নামায আদায় করবে, আর যদি নামাযের সময় চলে যাওয়ার পর ফিরে আসে, সে মুসাফিরের নামায আদায় করবে। কারণ যেরূপ তার উপর ফরয হয়েছিল সেইরূপ সে কাযা আদায় করবে।
মালিক (র) বলেন, আমাদের নগরীর লোকজন ও আহলে ইলমকে আমি এর উপরই পেয়েছি (অর্থাৎ তাঁদের আমল ও অভিমতও ঐরূপই ছিল)।
মালিক (র) বলেন, অস্তাচলে যে লালিমা দৃষ্ট হয় তাই শফক। লালিমা চলে গেলে ইশার নামায ওয়াজিব হল এবং তুমি মাগরিবের সময় হতে বের হলে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৩]


[[১] ইমাম মালিক, শাফিয়ী. আহমাদ, আবূ ইউসুফ, মুহাম্মদ (র)-এর মাযহাব অনুরূপ। ইমাম আবূ হানীফা (র) বলেন, লালিমা অস্ত যাওয়ার পর সাদা বর্ণ দেখা যায়, ওটাই শফক। এটা অদৃশ্য হলে ইশার নামাযের সময় শুরু হয়। ইশার সময় শুরু না হওয়া পর্যন্ত মাগরিবের সময় থাকে।]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়



34445 OK

(২৪)

নির্ণীত নয়

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ أُغْمِيَ عَلَيْهِ فَذَهَبَ عَقْلُهُ فَلَمْ يَقْضِ الصَّلَاةَ قَالَ مَالِك وَذَلِكَ فِيمَا نَرَى وَاللهُ أَعْلَمُ أَنَّ الْوَقْتَ قَدْ ذَهَبَ فَأَمَّا مَنْ أَفَاقَ فِي الْوَقْتِ فَإِنَّهُ يُصَلِّي


নাফি’ (র) থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) একবার জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। (হুঁশ ফিরে আসার পর) তিনি আর নামাযের কাযা আদায় করলেন না।
মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে এটা এইজন্য যে, নামাযের সময় চলে গিয়েছিল। আর নামাযের সময় থাকতে যে জ্ঞান ফিরে পায় সে নামায আদায় করবে (আল্লাহ সর্বজ্ঞ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৪]


হাদিসের মান : নির্ণীত নয়