(৫৩৫) ফাযায়িলে সলাত [হাদিসের সীমা (৭৩ - ১৫১), সর্বমোট হাদিসঃ ৮০টি]

পরিচ্ছেদঃ [মোট হাদিসঃ ১০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৪টি]


ফাযায়িলে আযান - আযান ও ইক্বামাতের ফাযীলাত




49135 OK

(৯৮)

সহিহ হাদিস


জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে বলতে শুনেছি : শয়তান সলাতের আযানের শব্দ শুনে পলায়ন করতে করতে রাওহা পর্যন্ত ভেগে যায়। আ’মাশ বলেন, আমি আবূ সুফিয়ানকে রাওহা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ স্থানটি মাদীনাহ্ হতে ছত্রিশ মাইল দূরে অবস্থিত। [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৯৮]


[৬৫ হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৮৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49136 OK

(৯৯)

সহিহ হাদিস


জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে বলতে শুনেছি : শয়তান সলাতের আযানের শব্দ শুনে পলায়ন করতে করতে রাওহা পর্যন্ত ভেগে যায়। আ’মাশ বলেন, আমি আবূ সুফিয়ানকে রাওহা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ স্থানটি মাদীনাহ্ হতে ছত্রিশ মাইল দূরে অবস্থিত।৬৬ [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৯৯]


[৬৬ হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৮৮০শির্‌ক]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49137 OK

(১০০)

সহিহ হাদিস


আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে বলতে শুনেছি : যেকোন মানুষ, জ্বিন অথবা যে কোন বস্তুই যতদূর পর্যন্ত মুয়াজ্জিনের আওয়ায শুনবে, সে ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য সাক্ষ্য দিবে।৬৭ [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০০]


[৬৭ হাদীস সহীহ ; সহীহুল বুখারী হা/৩০৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49138 OK

(১০১)

সহিহ হাদিস


আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : যখন সলাতের আযান দেয়া হল, তখন শয়তান পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে বাতকর্ম করতে করতে (দ্রুত) পলায়ন করে, যেন সে আযানের শব্দ শুনতে না পায়। আযান শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে। আবার যখন ইক্বামাত দেয়া হয় তখন সে পলায়ন করে। ইক্বামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে এবং মুসল্লীর মনে সংশয় সৃষ্টি করতে থাকে। সে তাকে বলে, এটা স্মরণ করো, ওটা স্মরণ করো। অথচ এ কথাগুলো সলাতের পূর্বে তার স্মরণও ছিলো না। শেষ পর্যন্ত মুসল্লী এমন এক বিভ্রাটে পড়ে যে, সে বলতেও পারে না, সে কত রাক’আত সলাত আদায় করেছে।৬৮ [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০১]


[৬৮ হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/৫৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49139 OK

(১০২)

সহিহ হাদিস


বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ

“মুয়াজ্জিনের আযানের আওয়ায যেকোন জ্বিন, ইনসান, গাছ এমনকি পাথরও শুনবে সে ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য সাক্ষ্য দিবে।” [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০২]


[ইবনু মাজাহ্, সহীহ আত-তারগীব হা/২২৫। শায়খ আলবানী বলেন : হাদীসটি সহীহ]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49140 OK

(১০৩)

সহিহ হাদিস


ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি বার বছর আযান দেয় তার জন্য জান্নাতে নির্ধারিত হয়ে যায় এবং তার জন্য তার প্রত্যেক আযানের বিনিময়ে লিখা হয় ষাট নেকী এবং প্রত্যেক ইক্বামাতের বিনিময়ে লিখা হয় ত্রিশ নেকী। [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০৩]


[হাদীস সহীহ : ইবনু মাজাহ্ হা/৭২৮- শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49141 OK

(১০৪)

সহিহ হাদিস


আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃ) বলেছেন ; মুয়াজ্জিনের কণ্ঠস্বর যতদূর পর্যন্ত যায় তাকে ততদূর ক্ষমা করে দেয়া হয় তাজা ও শুষ্ক প্রতিটি জিনিসই (ক্বিয়ামাতের দিন) তার জন্য সাক্ষী হয়ে যাবে। আর কেউ জামাআতে হাজির হলে তার জন্য পঁচিশ ওয়াক্ত সলাতের সাওয়াব লিখা হয় এবং এক সলাত থেকে আরেক সলাতের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হয়। [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০৪]


[হাদীস সহীহ ; আবূ দাউদ হা/৫১৫, শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49142 OK

(১০৫)

সহিহ হাদিস


বারাআ ইবনু ‘আযিব্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নাবী (রাঃ) বলেছেন : মুয়াজ্জিন ঐ ব্যক্তির সমপরিমাণ সাওয়াব পায় যে তার সাথে সলাত আদায় করে। [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০৫]


[হাদীস সহীহ : নাসায়ী হা/৬৪৬, তাহক্বীক্ব আলবানী : সহীহ।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49143 OK

(১০৬)

সহিহ হাদিস


আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : ইমাম হচ্ছে যিম্মাদার এবং মুয়াজ্জিন (ওয়াক্তের) আমানতদার। ‘হে আল্লাহ্! ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করে দিন। [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০৬]


[হাদীস সহীহ : আবূ দাঊদ হা/৫১৭, তিরমিযী হা/২০৭, শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



49144 OK

(১০৭)

হাসান সহিহ


ইবনু ‘উমার থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : “তাজা ও শুষ্ক প্রতিটি জিনিসই মুয়াজ্জিনদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে।” (আহমাদ হা/৬২০২, ইবনু মাজাহ্ হা/৭২৪, সহীহ আত-তারগীব হা/২৩৪। তাহক্বীক্ব আলবানী : হাসান সহীহ [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ১০৭]


হাদিসের মান : হাসান সহিহ