
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন : মিসওয়াক হচ্ছে মুখের পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম এবং প্রতিপালকের সন্তুষ্টি লাভের উপায়।৬২ [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৯৫]
[হাদীস সহীহ : আহমাদ হা/২৪২০৩, ইমাম ইবনু হিব্বান, শু’আইব আরনাউত্ব ও শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি মিসওয়াক করার আদেশ দিয়ে বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন : বান্দা যখন মিসওয়াক করে, অতঃপর দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে, তখন তার পিছনে একজন ফিরিশতা দাঁড়ায় এবং মনোযোগ দিয়ে তার ক্বিরাআত শুনে। অতঃপর ফিরিশতা তার অতি নিকটবর্তী হয় এমনকি ফিরিশতার নিজের মুখ তার মুখের উপর রাখেন। তখন তার মুখ থেকে কুরআনের যা কিছুই তিলাওয়াত বের হয় তা ফিরিশতার উদরে প্রবেশ করে। কাজেই তোমরা তোমাদের মুখকে পবিত্র রাখো কুরআনের জন্য।৬৩ [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৯৬]
[৬৩ হাদীস সহীহ : বাযযার হা/৬০৩- শায়খ আলবানী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : “আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর হবার সম্ভাবনা না থাকলে আমি প্রত্যেক সলাতের জন্য মিসওয়াক করার আদেশ দিতাম।” [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৯৭]
[৬৪ হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/৮৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস