
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি ইখলাসের সাথে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৩৯]
[[১] হাদীস সহীহ : ইবনু হিব্বান হা/২০১, সিলসিলাহ্ সহীহাহ হা/২৩৫৫- শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

মু’আয (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : “যে ব্যক্তি খালেস অন্তরে ইখলাসের সাথে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ এর সাক্ষ্য দিবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (ইবনু হিব্বান, আবূ নু’আইম, আহমাদ। এর সানাদ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ। সিলসিলাহ্ সহীহাহ্ হা/২৩৫৫) [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

‘ইতবান বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহ কে সন্তুষ্ট করার জন্য ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলবে, ক্বিয়ামাতের দিন সে এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার উপর জাহান্নাম হারাম হয়ে গেছে।” (আহমাদ হা/১৬৪৮২, সহীহুল বুখারী, সহীহ্ মুসলিম, বায়হাক্বীর ‘আসমা ওয়াস সিফাত’ ও দূররে মানসুর) [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নাবী (সাঃ) তাকে বললেন। লোকদের মাঝে ঘোষণা দাও : “যে ব্যক্তি ইখলাসের সাথে এ সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই”- সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বাযযার, সহীহ্ জামিউল সাগীর হা/৮৫১- তাহক্বীক্ব আলবানী : সহীহ) [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : ঈমানের সত্তর বা ষাটের অধিক শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোত্তম শাখা হলো এ কথা বলা যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই। আর সর্বনিম্ন শাখা হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি বিশেষ শাখা। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪৩]
[[১] হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/৮, সহীহ মুসলিম হা/১৬২-০, কোন বর্ণনায় রয়েছে : ‘সবচেয়ে উঁচু শাখা হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এবং কোন বর্ণনায় রয়েছে : ‘সবচেয়ে বড় শাখা হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অতঃপর হাদীসের বাকী অংশ অনুরূপ। যেমন ত্বাবারানীতে বর্ণিত হয়েছে।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নাবী (সাঃ) বলেন : সর্বোত্তম যিকির হচ্ছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ এবং সর্বোত্তম দু’আ হলো ‘আল-হামদুলিল্লাহ্’। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪৪]
[[১] হাদীস সহীহ : তিরমিযী হা/৩৩৮৩, ইবনু মাজাহ হা/৩৮০০, ইবনু হিব্বান, নাসায়ী, মুস্তাদরাক হাকিম হা/১৮৩৪ যাহাবীর তা’লীক্বসহ। শায়ব আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : নূহ (আঃ) স্বীয় ইন্তিকালের সময় তাঁর দুই ছেলেকে ডেকে বলেছেন : আমি তো অক্ষম হয়ে পড়েছি। তাই আমি তোমাদেরকে অসিয়ত করে যাচ্ছি। আমি তোমাদেরকে দু’টি বিষয়ে আদেশ করছি এবং দু’টি বিষয় থেকে নিষেধ করছি। আমি তোমাদেরকে শির্ক এবং অহংকার থেকে নিষেধ করছি। আর যে দুটি বিষয়ে আদেশ করছি তার একটি হলো : “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্”। কেননা সমস্ত আসমান ও যমীন এবং এর মাছে যা কিছু আছে সব কিছু যদি এক পাল্লায় রাখা হয় আর অপর পাল্লায় “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” রাখা হয়, তাহলে কালেমার পাল্লাই ঝুলে যাবে (ভারি হবে)। আর যদি সমস্ত আসমান-যমীন (সাত আকাশ ও সাত যমীন) এবং এর মধ্যকার যা কিছু আছে, একটি হালকা বা গোলাকার করে তার উপর এ কালেমাকে রাখা হয় তাহলে ওজনের কারণে তা ভেঙ্গে যাবে। আর আমি তোমাদেরকে আদেশ করছি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামাদিহি’ (পাঠ করার জন্য), কেননা এটা প্রত্যেক বস্তুর তাসবীহ, এর দ্বারাই প্রত্যেক বস্তুকে রিযিক্ব দেয়া হয়। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪৫]
[[১] হাদীস সহীহ : আহমাদ হা/৬৫৮৩, ৭১০১- শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন : একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! ক্বিয়ামাতের দিন আপনার শাফা’আত দ্বারা কোন ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেন : হাদীসের প্রতি তোমার আগ্রহ দেখেই আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, তোমার আগে এ বিষয়ে কেউ জিজ্ঞেস করবে না। (অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেন: আমার শাফায়া’আত দ্বারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে ঐ ভাগ্যবান ব্যক্তি যে অন্তরের ইখলাসের সাথে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলবে।’ [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪৬]
[হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/৯৭- হাদীসের শব্দাবলী তার, অনুরূপ আহমাদ হা/৮৮৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলবে একদিন না একদিন এই কালেমা অবশ্যই তার উপকারে আসবে। যদিও ইতিপূর্বে তাকে কিছুটা শাস্তি ভোগ করতে হবে। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪৭]
[[১] হাদীস সহীহ : বাযযার হা/৮২৯২- হাদীসের শব্দাবলী তার, ত্বাবারানীর কাবীর হা/১৪০, ৭৩৩, ১১১১, সহীহ আত-তারগীব হা/১৫২৫। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। আল্লামা হায়সামী ‘মাজমাউয যাওয়ায়িদ’ গ্রন্থে (হা/১৩) বলেন : এর রিজাল সহীহ্ রিজাল।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি এই কালেমা গ্রহণ করবে যা আমি আমার চাচার (আবূ ত্বালিবের) কাছে পেশ করেছিলাম এবং তিনি তা প্রত্যাখান করেছিলেন, সেই কালেমা এই ব্যক্তির নাজাতের উপায় হবে। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪৮]
[[১] হাদীস সহীহ : আহমাদ হা/২০শির্ক শু’আইব আরনাঊত্ব বলেন : বর্ণনাটি সহীহ এর শাওয়াহিদ দ্বারা।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলতে এই কালেমা তাকে ঐ সময়ে মুক্তি দিবে যখন তার উপর মুসিবত আসবে।” (সিলসিলাহ সহীহাহ্ হা/ ১৯৩২) [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন : এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলেছে এবং তার অন্তরে যবের দানার ওজন পরিমাণও কল্যাণ (ঈমান) থাকবে। এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলেছে এবং তার অন্তরে গমের দানার ওজন পরিমাণও কল্যাণ থাকবে। অতঃপর এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলেছে এবং তার অন্তরে অণু পরিমাণও কল্যাণ থাকবে। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৫০]
[[১] হাদীস সহীহ : সহীহুল বুখারী হা/৬৮৬১- হাদীসের শব্দাবলী তার, অনুরূপ সহীহ মুসলিম হা/৪৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন: মহান আল্লাহ ক্বিয়ামাতের দিন আমার উম্মাতের মধ্য থেকে এক ব্যক্তিকে সমস্ত হাশরবাসীর সামনে আলাদা করে এনে উপস্থিত করবেন। তিনি তার সামনে ৯৯টি ‘আমলনামার খাতা খুলে ধরবেন। প্রতিটি খাতা দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। অতঃপর তাকে প্রশ্ন করা হবে, তুমি কি এসব ‘আমলনামার কোন কিছুকে অস্বীকার করো। ‘আমলনামা লিখার কাজে নিয়োজিত আমার ফিরিশতারা কি তোমার উপর কোন জুলুম করেছে? সে বলবে, না। অতঃপর প্রশ্ন করা হবে, এ সমস্ত গুনাহের পক্ষে তোমার একটি নেকী আমার কাছে রয়েছে। আজ তোমার উপর কোন জুলুম করা হবে না। অতঃপর একটি কাগজের টুকরা বের করা হবে, যাতে লিখা থাকবে : ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।’ বলা হবে, যাও এটাকে ওজন করে নাও। সে আরজ করবে, এতোগুলো দফতরের মোকাবেলায় এই সামান্য কাগজের টুকরা কি কাজে আসবে। বলা হবে, আজ তোমার উপর কোন জুলুম করা হবে না। অতঃপর ঐ দফতরগুলোকে এক পাল্লায় রাখা হবে এবং অপর পাল্লায় কাগজের ঐ টুকরাটি রাখা হবে। তখন দফতরওয়ালা পাল্লাটির মোকাবেলায় ঐ কাগজের টুকরার পাল্লাটি ওজনে ভারি হয়ে যাবে। আসল কথা হলো, আল্লাহর নামের বিপরীতে কোন কিছুই ভারি হতে পারে না। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৫১]
[[১] হাদীস সহীহ : তিরমিযী হা/২৬৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : কোন বান্দা এমন নেই যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে আর তার জন্য আকাশসমূহের দরজাগুলো খূলে যায় না। এমনকি এ কালেমা সোজা আরশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তবে শর্ত হচ্ছে, এর পাঠকারী কবীরাহ গুনাহ্ থেকে বেঁচে থাকবে। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৫২]
[[১] হাদীস হাসান : তিরমিযী হ/৩৫৯০- হাদীসের শব্দাবলী তার, সহীহ জামিঊস সাগীর হা/৫৬৪৮। ইমাম তিরমিযী বলেন। এ সূত্রে হাদীসটি হাসান ও গরীব। শায়খ আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস

হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : কাপড়ের কারুকার্য যেমন মুছে যায় তেমনি ইসলামও এক সময় অস্পষ্ট হয়ে যাবে। এমনকি লোকেরা এটাও জানবে না যে, সিয়াম কি, সলাত কি, কুরবানী কি এবং সদাক্বাহ কি জিনিস। একটি রাত আসবে যখন অন্তরসমূহ থেকে কুরআন উঠিয়ে নেয়া হবে এবং যমীনের উপর কুরআনের একটি আয়াতও অবশিষ্ট থাকবে না। তখন মানুষদের মধ্যে একদল বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা অবশিষ্ট থাকবে। তারা বলবে, আমরা আমাদের বাপ-দাদার (পূর্ব পুরুষের) কাছ থেকে এই কালেমা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” শুনেছিলাম, সেজন্য আমরাও এই কালেমা পাঠ করি। তখন সিলাহ্ বিন যুফার হুযাইফাহ (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলো, তারা যেহেতু ঐ সময় সলাত, সিয়াম, কুরবানী এবং সদাক্বাহ সম্পর্খে অবহিত থাকবে না, তাহলে এই কালেমা তাদের কী উপকারে আসবে? হুযাইফাহ (রাঃ) কোন জবাব দিলেন না। তিনি একই প্রশ্ন করলেন। প্রতিবারেই (রাঃ) কোন জবাব দিলেন না। অতঃপর তৃতীয়বারের পর (অনুরোধ) করলে তিনি বলেন, হে সিলাহ্! এই কালেমা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে নাজাত দিবে। এই কালেমা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে নাজাত দিবে। এই কালেমা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে নাজাত দিবে। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৫৩]
[[১] হাদীস সহীহ : ইবনু মাজাহ হা/৪০৪৯, হাকিম হা/৮৬৩৬, ৮৪৬০- হাদীসের শব্দাবলী উভয়ের, শায়খ আলবানী বলেন : হাদীস সহীহ।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

মিক্বদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে বলতে শুনেছি : যমীনের উপর এমন কোন মাটির ঘর বা তাঁবু অবশিষ্ট থাকবে না যেখানে মহান আল্লাহ্ ইসলামের কালেমা (হুকুমাত) প্রবেশ না করাবেন। যারা মানবে তাদেরকে কালেমার অধিকারী (অনুসারী) হিসেবে সম্মানিত করবেন এবং যারা মানবে না তাদেরকে অপদস্থ করবেন। অতঃপর তারা (জিযিয়া দিয়ে) মুসলিমদের অধীনস্থ হয়ে থাকবে। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৫৪]
[[১] সানাদ সহীহ : আহমাদ হা/২৩৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : ইসলামের স্তুম্ভ পাঁচটি। এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল, সলাত ক্বায়িম করা, যাকাত দেয়া, হাজ্জ্ব করা এবং রমাযানের সওম পালন করা। [১] [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৫৫]
[[১] হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/১২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
একদা জিবরীল (আ) রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) -এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলেন, ইসলাম কী ? রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : “ইসলাম হল, তুমি এক আল্লাহর ‘ইবাদাত করবে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না। আর সলাত ক্বায়িম করবে ও ফরয যাকাত প্রদান করবে এবং রামাযানের সিয়াম পালন করবে।” (সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, আহমাদ) [সহিহ ফাযায়েলে আমল : ৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস