
حَدَّثَنَا بَيَانُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ: حَدَّثَنَا النَّضْرُ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ الْمُزَنِيُّ هُوَ صَالِحُ بْنُ رُسْتُمَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: لَمَّا طُعِنَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كُنْتُ فِيمَنْ حَمَلَهُ حَتَّى أَدْخَلْنَاهُ الدَّارَ، فَقَالَ لِي: يَا ابْنَ أَخِي، اذْهَبْ فَانْظُرْ مَنْ أَصَابَنِي، وَمَنْ أَصَابَ مَعِي، فَذَهَبْتُ فَجِئْتُ لِأُخْبِرُهُ، فَإِذَا الْبَيْتُ مَلْآنُ، فَكَرِهْتُ أَنْ أَتَخَطَّى رِقَابَهُمْ، وَكُنْتُ حَدِيثَ السِّنِّ، فَجَلَسْتُ، وَكَانَ يَأْمُرُ إِذَا أَرْسَلَ أَحَدًا بِالْحَاجَةِ أَنْ يُخْبِرَهُ بِهَا، وَإِذَا هُوَ مُسَجًّى، وَجَاءَ كَعْبٌ فَقَالَ: وَاللَّهِ لَئِنْ دَعَا أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ لَيُبْقِيَنَّهُ اللَّهُ وَلَيَرْفَعَنَّهُ لِهَذِهِ الْأُمَّةِ حَتَّى يَفْعَلَ فِيهَا كَذَا وَكَذَا، حَتَّى ذَكَرَ الْمُنَافِقِينَ فَسَمَّى وَكَنَّى، قُلْتُ: أُبَلِّغُهُ مَا تَقُولُ؟ قَالَ: مَا قُلْتُ إِلَّا وَأَنَا أُرِيدُ أَنْ تُبَلِّغَهُ، فَتَشَجَّعْتُ فَقُمْتُ، فَتَخَطَّيْتُ رِقَابَهُمْ حَتَّى جَلَسْتُ عِنْدَ رَأْسِهِ، قُلْتُ: إِنَّكَ أَرْسَلَتْنِي بِكَذَا، وَأَصَابَ مَعَكَ كَذَا - ثَلَاثَةَ عَشَرَ - وَأَصَابَ كُلَيْبًا الْجَزَّارَ وَهُوَ يَتَوَضَّأُ عِنْدَ الْمِهْرَاسِ، وَإنّ َ كَعْبًا يَحْلِفُ بِاللَّهِ بِكَذَا، فَقَالَ: ادْعُوا كَعْبًا، فَدُعِيَ، فَقَالَ: مَا تَقُولُ؟ قَالَ: أَقُولُ كَذَا وَكَذَا، قَالَ: لَا وَاللَّهِ لَا أَدْعُو، وَلَكِنْ شَقِيٌّ عُمَرُ إِنْ لَمْ يَغْفِرِ اللَّهُ لَهُ --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
উমার (রাঃ) সন্ত্রাসী কর্তৃক আহত হলে যারা তাকে ধরে তার ঘরে নিয়ে আসেন, আমিও তাদের সাথে ছিলাম। তিনি আমাকে বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! বাইরে গিয়ে দেখো, কে আমাকে হামলা করেছে এবং আমার সাথে আর কে আহত হয়েছে? আমি বাইরে গিয়ে তাকে খবর দেয়ার জন্য ফিরে এলাম। দেখি যে, ঘর লোকে লোকারণ্য। তাই আমি তাদের ঘার ডিঙ্গিয়ে সামনে যেতে পছন্দ করলাম না। আমি ছিলাম উঠতি বয়সের যুবক। অতএব আমি বসে পড়লাম। আর তিনি কাউকে কোন কাজে পাঠালে নির্দেশ দিতেন, সে যেন ফিরে এসে তাকে তা অবহিত করে। তখন তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। ইত্যবসরে কাব (রাঃ) এসে বলেন, আল্লাহর শপথ! আমীরুল মুমিনীনের দোয়া করা উচিৎ যাতে আল্লাহ তাকে এই উম্মাতের জন্য জীবিত রাখেন। অন্যথায় তিনি তাকে তুলে নিলে এই এই (অনিষ্ট) ঘটতে পারে। এমনকি কাব (রাঃ) মোনাফিকদের নাম-উপনাম ও তাদের সংখ্যা পর্যন্ত উল্লেখ করেন। আমি বললাম, আপনি যা বললেন তা আমি তার নিকট পৌছাবো। কাব (রাঃ) বলেন, তুমি তার কাছে পৌছাবে এই উদ্দেশেই তো আমি বলেছি। এবার আমি (ইবনে আব্বাস) সাহস সঞ্চার করে উঠে দাঁড়ালাম এবং লোকজনের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে অগ্রসর হয়ে তার শিয়রে গিয়ে বসলাম। আমি বললাম, আপনি আমাকে এজন্য পাঠিয়েছিলেন। আপনার সাথে আরো তেরোজন আহত হয়েছেন। কুলাইব আল-জাযযারও আহত হয়েছেন, তখন তিনি উখলির (পানির চৌবাচ্চা) নিকট উযু করছিলেন। আর কাব (রাঃ) আল্লাহর শপথ করে এই এই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, কাবকে ডাকো। তিনি কাব (রাঃ)-কে ডাকলেন। উমার (রাঃ) জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি বলেছেন? তিনি বলেন, আমি এই এই কথা বলেছি। উমার (রাঃ) বলেন, না, আল্লাহর শপথ আমি দোয়া করবো না। আল্লাহ যদি উমারকে ক্ষমা না করেন তবে সে তো হতভাগ্য। [আদাবুল মুফরাদ : ১১৫৩]
হাদিসের মান : দুর্বল মাওকুফ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ، عَنِ ابْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَعِنْدَهُ الْقَوْمُ جُلُوسٌ، يَتَخَطَّى إِلَيْهِ، فَمَنَعُوهُ، فَقَالَ: اتْرُكُوا الرَّجُلَ، فَجَاءَ حَتَّى جَلَسَ إِلَيْهِ، فَقَالَ: أَخْبِرْنِي بِشَيْءٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «الْمُسْلِمُ مِنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ، وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ مَا نَهَى اللَّهُ عَنْهُ»
শাবী (র) থেকে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-র নিকট এলো। তার নিকট একদল লোক বসা ছিল। সে তাদের ডিঙ্গিয়ে তার নিকট যেতে থাকলে তারা তাকে বাধা দেয়। তিনি বলেন, তোমরা তাকে বাধা দিও না। সে এসে তার নিকট বসার পর বলে, আপনি আমাকে এমন কিছু অবহিত করুন যা আপনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট শুনেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ “যার হাত ও মুখের অনিষ্ট থেকে মুসলমানরা নিরাপদ থাকে সে-ই হলো প্রকৃত মুসলমান। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ পরিহার করে সে-ই হলো প্রকৃত মুহাজির”। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, দারিমী, ইবনে হিব্বান, আহমাদ) [আদাবুল মুফরাদ : ১১৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস