
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ: قَدِمَ رَجُلَانِ مِنَ الْمَشْرِقِ خَطِيبَانِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَامَا فَتَكَلَّمَا ثُمَّ قَعَدَا، وَقَامَ ثَابِتُ بْنُ قَيْسٍ، خَطِيبُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتَكَلَّمَ، فَعَجِبَ النَّاسُ مِنْ كَلَامِهِمَا، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ، قُولُوا قَوْلَكُمْ، فَإِنَّمَا تَشْقِيقُ الْكَلَامِ مِنَ الشَّيْطَانِ» ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ مِنَ الْبَيَانِ سِحْرًا»
ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগে প্রাচ্য থেকে দুই বাগ্মী পুরুষ (মদীনায়) আসে। তারা দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করলো, অতঃপর বসলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বক্তা সাবিত ইবনে কায়েস (রাঃ) দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। কিন্তু লোকজন পূর্বের দুই বক্তার বক্তৃতায়ই অভিভূত হলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে বলেনঃ হে জনগণ! নিজেদের কথা বলো। কেননা মারপ্যাচের কথা বলা শয়তানের অভ্যাস। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ কোন কোন বক্তৃতায় যাদুকরী প্রভাব থাকে। -(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান) [আদাবুল মুফরাদ : ৮৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي حُمَيْدٌ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسًا يَقُولُ: خَطَبَ رَجُلٌ عِنْدَ عُمَرَ فَأَكْثَرَ الْكَلَامَ، فَقَالَ عُمَرُ: إِنَّ كَثْرَةَ الْكَلَامِ فِي الْخُطَبِ مِنْ شَقَاشِقِ الشَّيْطَانِ
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি উমার (রাঃ)-র সামনে দীর্ঘ বক্তৃতা করলো। উমার (রাঃ)
বলেন, বক্তৃতায় লম্বা-চওড়া কথা বলা শয়তানের কাজ। [আদাবুল মুফরাদ : ৮৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ قَالَ: حَدَّثَنِي سُهَيْلُ بْنُ ذِرَاعٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا يَزِيدَ أَوْ مَعْنَ بْنَ يَزِيدَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «اجْتَمِعُوا فِي مَسَاجِدِكُمْ، وَكُلَّمَا اجْتَمَعَ قَوْمٌ فَلْيُؤْذِنُونِي» ، فَأَتَانَا أَوَّلَ مَنْ أَتَى، فَجَلَسَ، فَتَكَلَّمَ مُتَكَلِّمٌ مِنَّا، ثُمَّ قَالَ: إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ الَّذِي لَيْسَ لِلْحَمْدِ دُونَهُ مَقْصَدٌ، وَلَا وَرَاءَهُ مَنْفَذٌ. فَغَضِبَ فَقَامَ، فَتَلَاوَمْنَا بَيْنَنَا، فَقُلْنَا: أَتَانَا أَوَّلَ مَنْ أَتَى، فَذَهَبَ إِلَى مَسْجِدٍ آخَرَ فَجَلَسَ فِيهِ، فَأَتَيْنَاهُ فَكَلَّمْنَاهُ، فَجَاءَ مَعَنَا فَقَعَدَ فِي مَجْلِسِهِ أَوْ قَرِيبًا مِنْ مَجْلِسِهِ، ثُمَّ قَالَ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي مَا شَاءَ جَعَلَ بَيْنَ يَدَيْهِ، وَمَا شَاءَ جَعَلَ خَلْفَهُ، وَإِنَّ مِنَ الْبَيَانِ سِحْرًا» ، ثُمَّ أَمَرَنَا وَعَلَّمَنَا
আবু ইয়াযীদ অথবা মান ইবনে ইয়াযীদ (র) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাঃ) বলে পাঠানঃ তোমরা তোমাদের মসজিসমূহে একত্র হও। লোকজন একত্র হলে তারা যেন আমাকে খবর দেয়। অতঃপর আগমনকারী প্রথমে আমাদের মসজিদে আসেন এবং বসেন। তখন আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে কিছু কথা বলেন। তিনি বলেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যাঁর প্রশংসা দ্বারা একমাত্র তাঁর সত্তা ছাড়া আর কিছুই কাম্য নয়। আর তিনি ছাড়া পালিয়ে যাবার অন্য কোন ঠাই নাই। এতে নবী (সাঃ) অসন্তুষ্ট হন এবং উঠে চলে যান। আমরা এজন্য পরস্পরকে দোষারোপ করে বললাম, আগন্তুক তো প্রথমেই আমাদের মসজিদে আসেন (আর আমরা তাঁকে অসন্তুষ্ট করলাম)। অতঃপর তিনি অন্য এক মসজিদে গিয়ে সেখানে বসেন। আমরা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট (ক্ষমা চাইলাম)। অতএব তিনি আমাদের সাথে ফিরে এলেন এবং তাঁর আগের জায়গায় বা তার সন্নিকটে বসেন, অতঃপর বলেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি যা ইচ্ছা তাঁর সম্মুখে করেন এবং যা ইচ্ছা তাঁর পশ্চাতে করেন। আর কোন কোন বক্তৃতায় যাদুকরী প্রভাব থাকে। অতঃপর তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসীহত করেন এবং জ্ঞান দান করেন। (আহমাদ হা/১৫৯৫৫) [আদাবুল মুফরাদ : ৮৮৫]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস