(৫২১) গান-বাজনা ও অলসতা [হাদিসের সীমা (৭৮৮ - ৮২০), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৩টি]

৩৪৯. [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১২টি]


অনুচ্ছেদঃ কারো কথা, আমার জান আপনার জন্য উৎসর্গিত।




47569 OK

(৮০৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ جُدْعَانَ قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: كَانَ أَبُو طَلْحَةَ يَجْثُو بَيْنَ يَدَيْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَنْثُرُ كِنَانَتَهُ وَيَقُولُ: وَجْهِي لِوَجْهِكَ الْوِقَاءُ، وَنَفْسِي لِنَفْسِكَ الْفِدَاءُ


আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আবু তালহা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সামনে হাঁটু গেড়ে বসতেন এবং তার তীরগুলো ছড়িয়ে দিয়ে বলতেন, হে প্রিয় নবী! আমার মুখমণ্ডল আপনার মুখমণ্ডলের ঢালস্বরূপ। আমার জান আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। (ইবনুস সুন্নী) [আদাবুল মুফরাদ : ৮০৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



47570 OK

(৮১০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ: فَانْطَلَقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَ الْبَقِيعِ، وَانْطَلَقْتُ أَتْلُوهُ، فَالْتَفَتَ فَرَآنِي فَقَالَ: «يَا أَبَا ذَرٍّ» ، فَقُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَسَعْدَيْكَ، وَأَنَا فِدَاؤُكَ، فَقَالَ: «إِنَّ الْمُكْثِرِينَ هُمُ الْمُقِلُّونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، إِلَّا مَنْ قَالَ هَكَذَا وَهَكَذَا فِي حَقٍّ» ، قُلْتُ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، فَقَالَ: «هَكَذَا» ثَلَاثًاثُمَّ عَرَضَ لَنَا أُحُدٌ فَقَالَ: «يَا أَبَا ذَرٍّ» ، فَقُلْتُ: لَبَّيْكَ رَسُولَ اللَّهِ وَسَعْدَيْكَ، وَأَنَا فِدَاؤُكَ، قَالَ: ` مَا يَسُرُّنِي أَنَّ أُحُدًا لِآلِ مُحَمَّدٍ ذَهَبًا، فَيُمْسِي عِنْدَهُمْ دِينَارٌ - أَوْ قَالَ: مِثْقَالٌ `ثُمَّ عَرَضَ لَنَا وَادٍ، فَاسْتَنْتَلَ فَظَنَنْتُ أَنَّ لَهُ حَاجَةً، فَجَلَسْتُ عَلَى شَفِيرٍ، وَأَبْطَأَ عَلَيَّ. قَالَ: فَخَشِيتُ عَلَيْهِ، ثُمَّ سَمِعْتُهُ كَأَنَّهُ يُنَاجِي رَجُلًا، ثُمَّ خَرَجَ إِلَيَّ وَحْدَهُ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنِ الرَّجُلُ الَّذِي كُنْتَ تُنَاجِي؟ فَقَالَ: «أَوَ سَمِعْتَهُ؟» قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «فَإِنَّهُ جِبْرِيلُ أَتَانِي، فَبَشَّرَنِي أَنَّهُ مَنْ مَاتَ مِنْ أُمَّتِي لَا يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ» ، قُلْتُ: وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ؟ قَالَ: «نَعَمْ»


আবু যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাঃ) ‘আল-বাকী’ নামক কবরস্থানের দিকে গেলেন। আমিও তাঁর অনুগামী হলাম। তিনি পিছনে ফিরে আমাকে দেখতে পেয়ে বলেনঃ হে আবু যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সৌভাগ্যময় দরবারে হাযির। আপনার জন্য আমি উৎসর্গিত। তিনি বলেনঃ সম্পদশালীরাই হবে কিয়ামতের দিন দরিদ্র, তবে যারা এরূপ এরূপ (দান-খয়রাত) করবে তারা ব্যতীত। আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই সমধিক জ্ঞাত। তিনি এরূপ তিনবার বলেন। অতঃপর উহুদ পাহাড় আমাদের সামনে পড়লো। তিনি বলেনঃ হে আবু যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সৌভাগ্যময় দরবারে হাযির। আপনার জন্য আমি উৎসর্গিত। তিনি বলেনঃ “এই উহুদ পাহাড় যদি মুহাম্মাদের পরিবারের জন্য সোনায় পরিণত হয়, তবে রাত আসা অবধি তাদের নিকট এক দীনার বা এক মিসকাল পরিমাণ সোনা অবশিষ্ট থাকলেও তাতে আমি খুশি হবো না”। অতঃপর আমরা একটি উন্মুক্ত মাঠে উপনীত হলাম। তিনি মাঠের এক প্রান্তে চলে গেলেন। আমি ভাবলাম, তিনি হয়তো প্রাকৃতিক প্রয়োজন সাড়তে গেছেন। তাই আমি একপাশে বসে থাকলাম। আমার কাছে ফিরে আসতে তাঁর বিলম্ব হলে তাঁর সম্পর্কে আমার (বিপদের) আশংকা হলো। অতঃপর আমি এক ব্যক্তির সাথে ফিস ফিস করে তাঁর কথা বলার আওয়াজ শুনতে পেলাম। অতঃপর তিনি একাকী আমার নিকট ফিরে এলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কার সাথে গোপনে কথা বললেন? তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি তা শুনতে পেয়েছো? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ তিনি জিবরাঈল (আঃ)। তিনি আমার নিকট এসে আমাকে এই সুসংবাদ দিলেন যে, আমার উম্মাতের যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছু শরীক না করে মারা যাবে সে বেহেশতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে যেন করে থাকে, যদি সে চুরি করে থাকে তবুও? তিনি বলেনঃ হাঁ তবুও। (বুখারী, মুসলিম) [আদাবুল মুফরাদ : ৮১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস