
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: لَقَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ تَحْرِيمَ الْخَمْرِ، وَمَا بِالْمَدِينَةِ شَرَابٌ يُشْرَبُ إِلَّا مِنْ تَمْرٍ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহ মদ হারাম করার আয়াত নাযিল করেছেন আর মাদীনায় (তখন) খেজুরের মদ ছাড়া অন্য কোন মদ পান করা হত না। [১৩৫২] [বুলুগুল মারাম : ১২৪৬]
[[১৩৫২] বুখারী ২৪৬৪,৭২৫৩, মুসলিম ১৯৮০, নাসায়ী ৫৫৪১, ৫৫৪৩, আহমাদ ৩৬৭২, ১২৪৫৮, ১২৪৭৭, ১২৫৬১, ১২৮৬১, মালেক ১৫৯৯।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: نَزَلَ تَحْرِيمُ الْخَمْرِ، وَهِيَ مِنْ خَمْسَةٍ: مِنَ الْعِنَبِ، وَالتَّمْرِ، وَالْعَسَلِ، وَالْحِنْطَةِ، وَالشَّعِيرِ. وَالْخَمْرُ: مَا خَامَرَ الْعَقْلَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, মদ হারাম করে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। আর তা তৈরী হয় পাঁচ রকম জিনিস থেকেঃ আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও যব। আর মদ হল, যা বুদ্ধিকে বিলোপ করে। (অর্থাৎ চেতনার মধ্যে ব্যতিক্রম ঘটায়, সঠিকভাবে কোন বস্তুকে উপলব্ধি করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।) [১৩৫৩] [বুলুগুল মারাম : ১২৪৭]
[[১৩৫৩] বুখারী ৪৬১৬, ৪৬১৯, ৫৫৮১, ৫৫৮৮, মুসলিম ৩০৩২, তিরমিযী ১৮৭২, নাসায়ী ৫৫৭৮, ৫৫৭৯, আবূ দাউদ ৩৬৬৯।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ، وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ» أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রত্যেক নেশা আনয়নকারী বস্তু খামর (মাদক) আর প্রত্যেক নেশা আনয়নকারী বস্তু হারাম। [১৩৫৪] [বুলুগুল মারাম : ১২৪৮]
[[১৩৫৪] বুখারী ৫৫৭৫, মুসলিম ২০০৩, তিরমিযী ১৮৬৯, নাসায়ী ৫৬৭১, ৫৬৭৩, ৫৬৭৪, আবূ দাঊদ ৩৬৭৯, ইবনু মাজাহ ৩৩৭৩, ৩৩৯০, আহমাদ ৪৬৩০, ৪৬৭৬, ৪৭১৫, মালেক ১৫৯৭, দারেমী ২০৯০।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ، فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ» أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ وَالْأَرْبَعَةُ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে বস্তুর অধিক পরিমাণ ব্যবহারে নেশা আনে ঐ বস্তুর অল্প ব্যবহারও হারাম। [১৩৫৫] [বুলুগুল মারাম : ১২৪৯]
[[১৩৫৫] তিরমিযী ১৮৬৫, আহমাদ ১৪২৯৩, আবূ দাঊদ ৩৬৮১, ইবনু মাজাহ ৩৩৯৩।]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস