
وَعَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «إِذَا خَرَصْتُمْ فَخُذُوا، وَدَعُوا الثُّلُثَ، فَإِنْ لَمْ تَدَعُوا الثُّلُثَ، فَدَعُوا الرُّبُعَ» رَوَاهُ الْخَمْسَةُ إِلَّا ابْنَ مَاجَهْ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ وَالْحَاكِمُ
সাহল বিন আবু হাসমা থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ করেছেন, যখন তোমরা হিসাব করবে (খেজুর জাতীয় ফলের যাকাত) তখন তা হতে এক তৃতীয়াংশ বাদ দিয়ে হিসেব করবে। যদি এক তৃতীয়াংশ ছাড়তে না পার তাহলে এক চতুর্থাংশ ছাড়বে। -ইবনু হিব্বান ও হাকিম একে সহীহ বলেছেন।” [বুলুগুল মারাম : ৬১৮]
[[৬৬৩] আবু দাউদ ১৬০৫, তিরমিয়ী ৬৪৩, নাসায়ী ২৪৯১. আবু দাউদ ১৫২৮৬, ১৫৬৬২ বিন বায বুলুগুল মারামের শারাহ (৩৮১) গ্রন্থে এর সানাদকে হাসান বলেছেন। শাইখ আলবানী সিলসিলা যঈফা (২৫৫৬), যঈফুল জামে (৪৭৬), আবূ দাউদ (১৬০৫), তিরমিয়ী (৬৪৩) গ্রন্থসমূহে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম বাযযার আল বাহরুষ যিখার (৬/২৭৯) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের রাবী আবদুর রহমান বিন নাইয়্যার পরিচিত। ইবনুল কাইয়্যিম আলামুল মুআক্কিয়ীন (২/২৬৬) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইবনু হাজার আত-তালখীসুল হাবীর (২/৭৫৫) গ্রন্থে বলেন, যদিও এর সনদে আবদুর রহমান বিন মাসউদ রয়েছে তার পরও এর শাহেদ হাদীস রয়েছে। সানআনী সুবুলুস সালাম (২/২২১) গ্রন্থে বলেন, এর সনদ হচ্ছে মাজহুল হাল। ইমাম শওকানী নাইলুল আওত্বার (৪/২০৫) গ্রন্থে বলেন, আব্দুর রহমান বিন মাসউদ বিন নাইয়্যার সম্পর্কে ইবনুল কাত্তান বলেন, তার অবস্থা জানা যায় না। এর শাহেদ রয়েছে আর তাতে রয়েছে ইবনু লাহীআহ]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

وَعَنْ عَتَّابِ بنِ أُسَيْدٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يُخْرَصَ الْعِنَبُ كَمَا يُخْرَصُ النَّخْلُ، وَتُؤْخَذَ زَكَاتُهُ زَبِيبًا. رَوَاهُ الْخَمْسَةُ، وَفِيهِ انْقِطَاعٌ
আত্তাব বিন আসীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন, যেভাবে খেজুরের হিসাব করা হয় সেভাবেই আঙ্গুরেরও হিসাব করতে হবে। আঙ্গুরের যাকাতে কিশমিশ নিতে হবে। -এর সানাদে রাবীদের মধ্যে যোগসূত্রে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। [৬৬৪] [বুলুগুল মারাম : ৬১৯]
[[৬৬৪] আবু দাউদ ১৬০৩, তিরমিয়ী ৬৪৪, নাসায়ী ২৩১৮, ইবনু মাজাহ ১৮১৯। - ইবনু হাজার আত-তালখীসুল হাবীর (২/৭৫৩) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটির উৎস হচ্ছে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিৰ থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইমাম আবূ দাউদ বলেন, ইবনুল মুসাইয়্যিবন তার (আত্তাব) থেকে শুনেন নি। ইবনু কানে বলেন, তিনি তার যুগ পাননি। আলবানী আবূ দাউদ (১৬০৩) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম সানআনী সুবুলুস সালাম (২/২১) গ্রন্থে ও ইমাম শওকানী নাইলুল আওত্বার (৪/২০৫) গ্রন্থে ইবনু হাজারের অনুরূপ উদ্ধৃতিই পেশ করেছেন।]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস