
(۹۱۹۹) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَائِ ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ؛ أَنَّہُ کَانَ رُبَّمَا دَعَا بِالْغَدَائِ فَلاَ یَجِدُہُ ، فَیَفْرِضُ الصَّوْمَ عَلَیْہِ ذَلِکَ الْیَوْمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9199) হজরত উম্মে দারদাই (রা.) বলেন, হজরত আবু দারদাই যখন সকালে খাবারের অর্ডার দিতেন, অন্যথায় তিনি সেদিন রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۰) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، وَیَزِیدُ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّ أَبَا طَلْحَۃَ کَانَ یَأْتِی أَہْلَہُ فَیَقُولُ : ہَلْ عِنْدَکُمْ مِنْ غَدَائٍ ؟ فَإِنْ قَالُوا لاَ ، قَالَ : فَإِنِّی صَائِمٌ ۔ زَادَ الثَّقَفِیُّ : إِنْ کَانَ عِنْدَہُمْ أَفْطَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২০০) হজরত আনাস (রা) বলেন , হজরত আবু তালহা তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞেস করতেন তাদের কাছে কিছু খাওয়ার আছে কি না । তারা উত্তর দেয় না . তাই আপনি রোজা রেখেছিলেন । সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বেড়েছে যে তাদের কিছু থাকলে তারা রোজা রাখতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۱) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ صَالِحٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ مُعَاذٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَأْتِی أَہْلَہُ بَعْدَ الزَّوَالِ فَیَقُولُ : عِنْدَکُمْ غَدَائٌ ؟ فَیَعْتَذِرُونَ إلَیْہِ ، فَیَقُولُ : إنِّی صَائِمٌ بَقِیَّۃَ یَوْمِی ، فَیُقَالُ لَہُ : تَصُومُ آخِرَ النَّہَارِ! فَیَقُولُ : مَنْ لَمْ یَصُمْ آخِرَہُ ، لَمْ یَصُمْ أَوَّلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9201) হজরত হারিছ বলেন , হজরত মুআয (রা.) তার পতনের পর তার পরিবারের সদস্যদের কাছে আসতেন এবং তাদের কাছে কিছু খাওয়ার আছে কিনা জিজ্ঞেস করতেন । ক্ষমা চাইলে হজরত মুয়াজ বলতেন, বাকি দিনগুলো আমার রোজা । তাদের বলা হয়েছিল দিনের শেষ ভাগে তোমরা রোজা রাখবে । তিনি বলেন , যে ব্যক্তি দিনের শেষ ভাগে রোজা রাখল না সে প্রথম ভাগে রোজা রাখল না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَائِ قَالَتْ : کَانَ أَبُو الدَّرْدَائِ یَغْدُو أَحْیَانًا، فَیَجِیئُ فَیَسْأَلُ الْغَدَائَ ، فَرُبَّمَا لَمْ یُوَافِقْہُ عِنْدَنَا ، فَیَقُولُ : إنِّی إذًا صَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২০২) হজরত উম্মে দারদাই বলেন , কখনো কখনো হজরত আবু দারদাই বিকালে খাবার চাইতেন, আমাদের খাবার না থাকলে রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۳) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ ، عَنْ أَبِی قَحْذَمٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَنْ أَبِی الأَشْعَثِ ، قَالَ : کَانَ مُعَاذٌ یَأْتِی أَہْلَہُ بَعْدَ مَا یُضْحی فَیَسْأَلُہُمْ فَیَقُولُ : عِنْدَکُمْ شَیْئٌ ؟ فَإِذَا قَالُوا لاَ ، صَامَ ذَلِکَ الْیَوْمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9203) হজরত আবু আশআত (রা) বলেন , হজরত মুআয ( রা .) চাশতের পর তার পরিবারের কাছে আসতেন এবং তাদের কাছে খাবার চাইতেন, খাবার না থাকলে তিনি সেদিন রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۴) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ حَازِمٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ أَبِی بَکْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنْ حَفْصَۃَ قَالَتْ ، قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ صِیَامَ لِمَنْ لَمْ یُوَرِّضْہُ بِاللَّیْلِ۔ (ترمذی ۷۳۰۔ ابوداؤد ۲۴۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(9204) হজরত হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি রাত্রিকালে রোজা ফরজ করে না , সে রোজা রাখবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ حَمْزَۃَ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ حَفْصَۃَ ، أَنَّہَا قَالَتْ : لاَ صِیَامَ لِمَنْ لَمْ یُجْمِعِ الصِّیَامَ قَبْلَ الْفَجْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9205) হজরত হাফসা (রা.) বলেন , যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোজা রাখে না তার রোজা থাকবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سُلَیْمٍ الطَّائِفِیُّ ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُقْبَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْکَدِرِ ، قَالَ : بَلَغَنِی أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ تَقْطِیعِ قَضَائِ رَمَضَانَ ؟ فَقَالَ : ذَاکَ إلَیْک ، فَقَالَ : أَرَأَیْت لَوْ کَانَ عَلَی أَحَدِکُمْ دَیْنٌ ، فَقَضَی الدِّرْہَمَ وَالدِّرْہَمَیْنِ ، أَلَمْ یَکُ قَضَی ؟ وَاللَّہُ أَحَقّ أَنْ یَعْفُوَ وَیَغْفِرَ۔ (دارقطنی ۷۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 9206 ) হজরত মুহাম্মদ বিন মানকাদের বলেন , একবার হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে , রমজানের কাযা কেটে ফেলা সম্ভব তুমি বলেছিলে হ্যাঁ তুমি এটা করতে পারো । দেখো , তুমি যদি আমার কাছে কিছু ঘৃণা কর , আর সেটা সে অথবা দুই দিরহাম দ্বারা পরিশোধ করলে কি ঋণ পরিশোধ হবে না ? আল্লাহ তায়ালা পরম ক্ষমাশীল ও ক্ষমাশীল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، وَأَبِی ہُرَیْرَۃَ قَالاَ : لاَ بَأْسَ بِقَضَائِ رَمَضَانَ مُتَفَرِّقًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9207 ) হজরত ইবনে আব্বাস ও হজরত আবু হারি বলেন , রমজানের রোজা আলাদাভাবে কাযা করতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: أَنْبَأَنِی بَکْرٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : إِنْ شِئْتَ فَاقْضِ رَمَضَانَ مُتَتَابِعًا، وَإِنْ شِئْتَ مُتَفَرِّقًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9208) হজরত আনাস (রা.) বলেন , আপনি চাইলে রমজানের রোজা ধারাবাহিকভাবে রাখবেন এবং চাইলে আলাদাভাবে করবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ؛ فِی قَضَائِ رَمَضَانَ ، قَالَ : إِنْ شَائَ فَرَّقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9209) হজরত উবাইদ বিন উমায়ের রমজানের রোযার কাযা সম্পর্কে বলেন , তিনি চাইলে আলাদাভাবে কাযা আদায় করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَنِ ابْنِ مُحَیْرِیزٍ ، أَنَّہُ قَالَ فِی قَضَائِ رَمَضَانَ ، قَالَ : أَحْصِ الْعِدَّۃَ ، وَصُمْ کَیْفَ شِئْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯২১০ ) হজরত ইবনে মুহাইরিজ রমজানের কাযা সম্পর্কে বলেন , যত খুশি রোজা রাখ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۱) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ یَزِیدَ بْنِ مَوْہَبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ یُخَامِرَ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ قَضَائِ رَمَضَانَ ؟ فَقَالَ : أَحْصِ الْعِدَّۃَ ، وَصُمْ کَیْفَ شِئْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9211) হজরত মুআয (রা.) - কে রমজানের কাযা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , গণনা শেষ কর এবং যা খুশি রোজা রাখ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۲) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِیدِ بْنِ رَافِعِ بْنِ خَدِیجٍ ، عَنْ جَدَّتِہِ ، أَنَّ رَافِعًا کَانَ یَقُولُ : أَحْصِ الْعِدَّۃَ وَصُمْ کَیْفَ شِئْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯২১২ ) হজরত রাফী বলতেন , তুমি যা খুশি রোজা রাখ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۳) حَدَّثَنَا مُعَمَّرُ بْنُ سُلَیْمَانَ الرَّقِّیُّ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : جَائَتِ امْرَأَۃٌ إلَی ابْنِ عَبَّاسٍ تسْأَلُہُ عَنْ قَضَائِ صِیَامِ رَمَضَانَ ؟ فَقَالَ : أَحْصِی الْعِدَّۃَ وَفَرِّقِی ، قَالَ : وَکَانَ سَعِیدُ بْنُ جُبَیْرٍ وَعِکْرِمَۃُ یَقُولاَنِ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২১৩) হজরত আতা বলেন , একবার এক মহিলা হজরত ইবনে আব্বাস ( রা.) -কে রমজানের কাযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , রোজা রাখলেও গণনা সম্পূর্ণ করো । হজরত সাঈদ বিন জাবায়ের ও হজরত ইকরামাও এ বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۴) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، وَمُجَاہِدٍ ، وَطَاوُسٍ ، وَسَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ قَالُوا : إِنْ شِئْتَ فَاقْضِ رَمَضَانَ مُتَتَابِعًا ، أَوْ مُتَفَرِّقًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9214) হজরত আত্তাই, হজরত মুজাহিদ, হজরত তাওস ও হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , তুমি যদি চাও তবে রমজানের কাযা ধারাবাহিকভাবে করো এবং চাইলে আলাদাভাবে করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، وَعَطَائٍ ، وَمُجَاہِدٍ ، وَطَاوُسٍ ؛ أَنَّہُمْ کَانُوا لاَ یَرَوْنَ بَأْسًا بِتَفْرِیقِ قَضَائِ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9215 ) হযরত সাঈদ বিন জাবির , হযরত আত্তাই , হযরত মুজাহিদ ও হযরত তাওয়াস রমজান বৈষম্য নিষিদ্ধ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَکُونُ عَلَیْہِ صَوْمٌ مِنْ رَمَضَانَ ، فَیُفَرِّقُ صِیَامَہُ ، أَوْ یَصِلُہُ ، قَالَ : إنَّ اللَّہَ أَرَادَ بِعِبَادِہِ الْیُسْرَ ، فَلْیَنْظُرْ أَیْسَرَ ذَلِکَ عَلَیْہِ ، إِنْ شَائَ وَصَلَہُ ، وَإِنْ شَائَ فَرَّقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9216) হযরত মুজাহিদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, রমজান মাসে রোজা রাখলে সে কি একটানা রোজা রাখবে নাকি আলাদাভাবে রোজা রাখতে পারবে ? বলুন , আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের জন্য সহজ চান । যদি একসাথে রাখা সহজ হয় তবে তা করুন , এবং যদি আলাদা রাখা সহজ হয় তবে তা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۷) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ ، عَنْ زُہَیْرٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ زُہَیْرٍ مِنْ أَصْحَابِ أَبِی مَیْسَرَۃَ ؛ أَنَّ أَبَا مَیْسَرَۃَ کَانَ یُقَطِّعُ قَضَائَ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9217) হযরত আবুম রমজানের রোজা আলাদাভাবে রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مُجَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إِنْ شَقَّ عَلَیْک أَنْ تَقْضِیَ مُتَتَابِعًا ، فَرِّقْ فَإنَّمَا ہِیَ عِدَّۃٌ مِنْ أَیَّامٍ أُخَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9218) হজরত শাবি বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির ক্রমাগত রোজা রাখা কঠিন হয় , তাহলে তাকে আলাদাভাবে রোজা রাখতে হবে । এটা অন্য দিনের হিসাব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۱۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ؛ {فَعِدَّۃٌ مِنْ أَیَّامٍ أُخَرَ} ، قَالَ : إِنْ شَائَ وَصَلَ ، وَإِنْ شَائَ فَرَّقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9219) হজরত ইকরিমা কোরআনের আয়াত { ফাইদ্দাব্বা ٌ مِنْ اَ يَّ عَمٍ اًخَرَ} সম্পর্কে বলেন যে, তিনি চাইলে সেগুলো মিশিয়ে দিতে পারেন এবং চাইলে আলাদা রাখতে পারেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ أَبِی غَنِیَّۃ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : کَانَ لاَ یَرَی بِقَضَائِ رَمَضَانَ مُتَقَطِّعًا بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯২২০ ) হযরত হুকুম দিয়েছেন যে , রমজানের কাযা আলাদাভাবে পালনে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ؛ فِی قَضَائِ رَمَضَانَ ، إِنْ شِئْتَ مُتَتَابِعًا ، وَإِنْ شِئْتَ مُتَفَرِّقًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২২১) হজরত দাহহাক রমজানের রোজা সম্পর্কে বলেন , তিনি চাইলে নিয়মিত রাখতে পারেন এবং চাইলে আলাদাভাবে রাখতে পারেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۲) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مَیْمُونٍ ، قَالَ : قَضَائُ رَمَضَانَ عِدَّۃٌ مِنْ أَیَّامٍ أُخَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২২২) হজরত জাফর ইবনে মায়মুন বলেন , রমজানের ক্বাদা অন্যান্য দিনের মতোই গণনা করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ الْمَکِّیِّ ، عَنْ رَبِیعَۃَ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یُفرّق قَضَاء رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯২২৩ ) হজরত আতা বিন ইয়াসার বলেন , রমজানের কাযা আলাদা করতে কোনো সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ فِی قَضَائِ رَمَضَانَ ، صُمْہُ کَیْفَ شِئْت ، وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ : صُمْہُ کَمَا أَفْطَرْتہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২২৪) হজরত ইবনে আব্বাস রমজানের রোজা সম্পর্কে বলেন , তুমি যা খুশি করতে পার । হজরত ইবনে উমর (রা) বলেন , যেখান দিয়ে তুমি তাদের রেখেছিলে সেখান থেকে তাদের রেখে দাও
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۵) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنِی مُعَاوِیَۃُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا أَزْہَرُ بْنُ سَعِیدٍ، عَنْ أَبِی عَامِرٍ الْہَوْزَنِیِّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عُبَیْدَۃَ بْنَ الْجَرَّاحِ ، وَسُئِلَ عَنْ قَضَائِ رَمَضَانَ مُتَفَرِّقًا ؟ قَالَ : أَحْصِ الْعِدَّۃَ ، وَصُمْ کَیْفَ شِئْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২২৫) হজরত আবু উবাইদাহ ইবনে জাররাহ ( রা.) - কে রমজানের রোজা পূর্ণ হওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , তুমি যত খুশি রোজা রাখতে পার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ فِی قَضَائِ رَمَضَانَ : یُتَابِعُ بَیْنَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9226) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , তিনি রমজানের রোজা ঠিক রাখবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَأْمُرُ بِقَضَائِ رَمَضَانَ مُتَتَابِعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9227) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা .) রমজানের রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۲۸) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ، قَالَ: مَنْ کَانَ عَلَیْہِ صَوْمٌ مِنْ رَمَضَانَ، فَلْیَصُمْہُ مُتَّصِلاً ، وَلاَ یُفَرِّقْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২২৮) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , যার রমজানের রোজা বাকি আছে সে যেন সেগুলি যথাযথভাবে পালন করে এবং আলাদা না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস