
(۹۱۶۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ ثَابِتٍ ، قَالَ : اخْتَلَفْنَا فِی الْفَجْرِ فَأَتَیْنَا إبْرَاہِیمَ ، فَقَالَ : الْفَجْرُ فَجْرَانِ ؛ فَأَمَّا أَحَدُہُمَا فَالْفَجْرُ السَّاطِعُ فَلاَ یُحِلُّ الصَّلاَۃَ وَلاَ یُحَرِّمُ الطَّعَامَ ، وَأَمَّا الْفَجْرُ الْمُعْتَرِضُ الأَحْمَر ، فَإِنَّہُ یُحِلُّ الصَّلاَۃَ وَیُحَرِّمُ الطَّعَامَ وَالشَّرَابَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৬৯) হযরত আদী ইবনে সাবিত (রা ) বলেন , ফজর সম্পর্কে আমাদের মতভেদ ছিল । আমরা হজরত ইব্রাহিমের কাছে এলাম এবং তিনি বললেন , ফজর দুই প্রকার । এই ফজর একটি উজ্জ্বল এবং দীর্ঘস্থায়ী ফজর এটি ফজরের নামাযকে হালাল এবং খাওয়াকে হারাম করে না আর এটাই হল ফজর , যা লাল , চওড়া চোখে ছড়িয়ে পড়ে , যা নামাজকে হালাল এবং খাওয়া - দাওয়াকে হারাম করে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ إسْرَائِیلَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ عَامِرٍ، وَعَطَائٍ قَالاَ: الْفَجْرُ الْمُعْتَرِضُ الَّذِی إلَی جَنْبِہِ حُمْرَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9170 ) হজরত আমীর ও হজরত আতা বলেন , ফজর প্রশস্ত হয় এবং এর সঙ্গে আলো থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۱) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الزُّہْرِیَّ وَمَیْمُونًا ، فَقُلْتُ : أُرِیدُ الصَّوْمَ ، فَأَرَی عَمُودَ الصُّبْحِ السَّاطِعِ ؟ فَقَالاَ جَمِیعًا : کُلْ وَاشْرَبْ حَتَّی تَرَاہُ فِی أُفُقِ السَّمَائِ مُعْتَرِضًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৭১ ) হজরত জাফর বিন বোরকান বলেন , আমি হজরত যুহরি ও হজরত মেমনকে জিজ্ঞেস করলাম যে , আমি রোজা রাখতে চাই , আমি কি আকৃতি খাই ? তিনি বললেন , যতক্ষণ আকাশের দিগন্ত বিস্তৃত থাকবে ততক্ষণ খাওয়া - দাওয়া করতে পারবেন । আলো দেখা গেল না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۲) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ حَاتِمٍ ، قَالَ : لَمَّا نَزَلَتْ : {حَتَّی یَتَبَیَّنَ لَکُمُ الْخَیْطُ الأَبْیَضُ مِنَ الْخَیْطِ الأَسْوَد} ، قَالَ : قَالَ عَدِیٌّ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنِّی أَجْعَلُ تَحْتَ وِسَادَتِی عِقَالَیْنِ؛ عِقَالاً أَسْوَدَ وَعِقَالاً أَبْیَضَ ، فَأَعْرِفُ اللَّیْلَ مِنَ النَّہَارِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ وِسَادَک لَطَوِیلٌ عَرِیضٌ ، إنَّمَا ہُوَ سَوَادُ اللَّیْلِ وَبَیَاضُ النَّہَارِ۔ (بخاری ۱۹۱۶۔ ابوداؤد ۲۳۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৭২ ) হজরত আদী ইবনে হাতেম বলেন , যখন কোরআন এই আয়াত নাযিল হয় আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ !আমি আমার বালিশের নীচে দুটি থ্রেড রাখলাম . একটি কালো সুতো এবং একটি সাদা সুতো . আমি দিন রাতের পার্থক্য বলার চেষ্টা করি । রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে , তোমার গদি অনেক লম্বা ও প্রশস্ত এই আয়াতে এর অর্থ হল তারাময় রাত এবং দিনের শুভ্রতা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۳) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : الصَّائِمُ بِالْخِیَارِ ، مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ نِصْفِ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9173) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , দিনের অর্ধেক পর্যন্ত রোজাদারের পছন্দ আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ الأَشْجَعِیِّ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : الصَّائِمُ بِالْخِیَارِ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ نِصْفِ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9174) হজরত ইবনে ওমর বলেন, রোজাদারের জন্য দিনের অর্ধেক পর্যন্ত পছন্দ রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۵) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : مَنْ حَدَّثَ نَفْسَہُ بِالصِّیَامِ فَہُوَ بِالْخِیَارِ ، مَا لَمْ یَتَکَلَّمْ حَتَّی یَمْتَدَّ النَّہَارُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9175) হজরত আনাস (রা) বলেন , যে ব্যক্তি মনে মনে রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে , সে কথা না বলা পর্যন্ত অপশন রয়েছে । দিনের বেশির ভাগ সময় পার না হওয়া পর্যন্ত এটি থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۶) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا أَصْبَحْت وَأَنْتَ تُرِیدُ الصَّوْمَ فَأَنْتَ بِالْخِیَارِ ، إِنْ شِئْتَ صُمْت وَإِنْ شِئْتَ أَفْطَرْت ، إِلاَّ أَنْ تَفْرِضَ عَلَی نَفْسِکَ الصَّوْمَ مِنَ اللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9176) হজরত আলী বলেন , আপনি যখন রোজার নিয়তে ঘুম থেকে উঠবেন , তখন আপনার একটি পছন্দ আছে । তবে রাতে রোজা ফরজ করে থাকলে এখন রোজা রাখা ফরজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : أَحَدُکُمْ بأَحَد النَّظَرَیْنِ مَا لَمْ یَأْکُلْ ، أَوْ یَشْرَبْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9177 ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, যতক্ষণ না খাওয়া - দাওয়া করা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি মুক্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : قُلْتُ لإبْرَاہِیمَ : الرَّجُلُ فِی صِیَامِ التَّطَوُّعِ بِالْخِیَارِ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ نِصْفِ النَّہَارِ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৭৮ ) হজরত মুগীরাহ বলেন , আমি হজরত ইব্রাহীম (আ. ) - কে জিজ্ঞেস করলাম , দিনের অর্ধেক পর্যন্ত রোজা রাখা ব্যক্তির পছন্দ আছে কি না ? সে হ্যাঁ বলেছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۷۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : الصَّائِمُ بِالْخِیَارِ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ نِصْفِ النَّہَارِ ، فَإِذَا جَاوَزَ ذَلِکَ فَإِنَّمَا لَہُ بِقَدْرِ مَا بَقِیَ مِنَ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9179) হজরত মুজাহিদ বলেন , রোজাদারের পছন্দ আছে দিনের অর্ধেক পর্যন্ত । যখন নাহারের অর্ধেক পেরিয়ে যায়, তখন তার জন্য বাকি দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۰) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، فِی الصَّوْمِ؛ یُتَخَیَّرُ مَا لَمْ یُصْبِحْ صَائِمًا، فَإِذَا أَصْبَحَ صَائِمًا صَامَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৮০) হজরত হাসান বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি রোজা রাখার নিয়ত না করে , তাহলে তার রোজা রাখার কোনো বিকল্প নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : الرَّجُلُ بِالْخِیَارِ مَا لَمْ یَطْعَمْ إلَی نِصْفِ النَّہَارِ ، فَإِنْ بَدَا لَہُ أَنْ یَطْعَمَ طَعِمَ ، وَإِنْ بَدَا لَہُ أَنْ یَجْعَلَہُ صَوْمًا کَانَ صَائِمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9181) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , যতক্ষণ না কোনো ব্যক্তি কিছু না খায় , ততক্ষণ রোজাদারের দিনের অর্ধেক রোজা রাখার অধিকার রয়েছে । যদি সে খেতে চায় , তাহলে সে রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ فِی الرَّجُلِ یُرِیدُ الصَّوْمَ ؟ قَالَ : ہُوَ بِالْخِیَارِ إلَی نِصْفِ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9182) হজরত শাবি বলেন , রোজাদারের অর্ধেক নাহার পর্যন্ত পছন্দ রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا تَسَحَّرَ الرَّجُلُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَیْہِ الصَّوْمُ ، فَإِنْ أَفْطَرَ فَعَلَیْہِ الْقَضَائُ ، وَإِنْ ہَمَّ بِالصَّوْمِ فَہُوَ بِالْخِیَارِ ، إِنْ شَائَ صَامَ ، وَإِنْ شَائَ أَفْطَرَ ، وَإِنْ سَأَلَہُ إنْسَانٌ ، فَقَالَ: أَنْتَ صَائِمٌ ؟ فَقَالَ : نَعَمْ ، فَقَدْ وَجَبَ عَلَیْہِ الصَّوْمُ إِلاَّ أَنْ یَقُولَ إِنْ شَائَ اللَّہُ ، فَإِنْ قَالَ فَہُوَ بِالْخِیَارِ ، إِنْ شَائَ صَامَ ، وَإِنْ شَائَ أَفْطَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9183) হজরত হাসান বলেন , যে ব্যক্তি সেহরি খায় , তার ওপর রোজা ফরজ হয়ে যায় । রোজা ভেঙ্গে গেলে তার কাযা আদায় করতে হবে। যদি সে শুধু রোজা রাখার নিয়ত করে তবে তা ঐচ্ছিক । সে চাইলে রোজা রাখবে আর চাইলে রোজা রাখবে না। কেউ যদি তাকে জিজ্ঞেস করে তুমি রোজা রাখো কিনা ? যদি তিনি হ্যাঁ উত্তর দেন, তাহলে তার উপর রোজা ফরজ হয়ে গেল । তবে ইনশাআল্লাহ বললে রোজা ফরজ হবে না । এমতাবস্থায় রোজা রাখবে কি না রাখবে তা তার হাতে রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ طَلْحَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ؛ أَنَّ حُذَیْفَۃَ بَدَا لَہُ فِی الصَّوْمِ بَعْدَ مَا زَالَتِ الشَّمْسُ فَصَامَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৮৪ ) হজরত আবু আবদ আল রহমান বলেন , হজরত হুজাইফা সূর্যাস্তের পর রোজা রাখার কথা ভাবলেন এবং তিনি রোজা রাখলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ خُصَیْفٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ أَنَّ عَائِشَۃَ وَحَفْصَۃَ أَصْبَحَتَا صَائِمَتَیْنِ فَأَفْطَرَتَا، فَأَمَرَہُمَا النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِقَضَائِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৮৫) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , হজরত আয়েশা ও হজরত হাফসা (রা.) রোজা রেখে তা ভঙ্গ করেছেন । মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদেরকে এই রোযার কাযা করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۶) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عُثْمَانَ البَتِّی ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِیرِینَ؛ أَنَّہُ صَامَ یَوْمَ عَرَفَۃَ فَعَطِشَ عَطَشًا شَدِیدًا فَأَفْطَرَ ، فَسَأَلَ عِدَّۃً مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ فَأَمَرُوہُ أَنْ یَقْضِیَ یَوْمًا مَکَانَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৮৬ ) হজরত উসমান বাতি বলেন , হজরত আনাস ইবনে সিরিন আরাফার দিনে রোজা রেখেছিলেন , কিন্তু তিনি অত্যন্ত বিষণ্ণ হয়ে পড়েন এবং রোজা ভেঙে দেন । অতঃপর , তিনি অনেক সাহাবীকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন , এবং তারা সকলেই তাকে একদিনের পরিবর্তে এক দিনের জন্য পূরন করার নির্দেশ দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : یَقْضِی یَوْمًا مَکَانَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9187) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , নফিল রোজা ভাঙার পরিবর্তে একদিন কাযা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ بن جَابِرٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ مَکْحُولاً عَنْ رَجُلٍ أَصْبَحَ صَائِمًا ، عَزَمَتْ عَلَیْہِ أُمُّہُ أَنْ یُفْطِرَ ؟ قَالَ : کَأَنَّہُ کَرِہَ ذَلِکَ ، وَقَالَ : یَقْضِی یَوْمًا مَکَانَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৮৮ ) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জাবের বলেন , আমি হজরত মাখুল (রা .)-কে ওই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে রোজা রাখে এবং ভঙ্গ করে । তিনি বলেন , তিনি একদিন কাজা করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۸۹) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا تَسَحَّرَ الرَّجُلُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَیْہِ الصَّوْمُ ، فَإِنْ أَفْطَرَ فَعَلَیْہِ الْقَضَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9189) হজরত হাসান বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি সেহরী খায় , তাহলে তার ওপর রোজা ফরজ হয়ে যায় , যদি সে রোজা ভেঙ্গে ফেলে, তবে তাকে অবশ্যই তার কাযা আদায় করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ عَطَائٍ وَمُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا إذَا زَارَا رَجُلاً وَ دُعِیَا إلَی طَعَامٍ ، وَہُمَا صَائِمَانِ ، إِنْ سَأَلَہُمَا أَنْ یُفْطِرَا أَفْطَرَا ، کَانَا یَقُولاَنِ : نَقْضِی یَوْمًا مَکَانَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9190) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম বলেন , হজরত আতা ও হযরত মুজাহিদ যদি কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান এবং তারা রোজা রাখতেন। এমতাবস্থায় তাদের খাওয়ার দাওয়াত দিলে তারা উপোস ভঙ্গ করবে এবং বলবে আমরা এর পরিবর্তে একদিন কাযা করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَن ابن أُمِّ ہَانِیئٍ ، عَن أُمِّ ہَانِیئٍ قَالَتْ : کُنْت قَاعِدَۃً عِنْدَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَأُتِیَ بِشَرَابٍ فَشَرِبَ مِنْہُ ، ثُمَّ نَاوَلَنِیہِ فَشَرِبْت قَالَتْ : فَقُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، قَدْ أَذْنَبْت فَاسْتَغْفِرْ لِی ، قَالَ : وَمَا ذَاکَ ؟ قَالَتْ : کُنْت صَائِمَۃً فَأَفْطَرْت ، قَالَ : أَمِنْ قَضَائٍ کُنْت تَقْضِینَہُ ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَالَ : لاَ یَضُرُّک۔ (ترمذی ۷۳۱۔ احمد ۶/۳۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৯১) হজরত উম্মে হানি ( রা . ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর পাশে বসা ছিলাম । আপনার কাছে কিছু পানীয় আনা হয়েছিল যা আপনি পান করেছিলেন তুমি আমাকে সেই জিনিস দিয়েছ আর আমিও তা থেকে পান করলাম তখন আমি বললাম , ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমি পাপ করে ফেলেছি , আমাকে ক্ষমা করে দিও তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে তুমি কি পাপ করেছ ? আমি দাখিল করি যে , রোজা রাখার কারণে আমি আমার রোজা ভেঙ্গেছি আপনি বলেছেন যে আপনি কোন রোজা পালন করছেন আমি বললাম না . রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , এতে তোমার কোনো ক্ষতি হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ، عَنْ سِمَاکٍ، عَنْ عِکْرِمَۃَ، قَالَ: کَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ یُفْطِرُ مِنْ صَوْمِ التَّطَوُّعِ، وَلاَ یُبَالِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৯২) হজরত ইকরামা বলেন, ইবনে আব্বাস প্রসব -পরবর্তী রোজা ভঙ্গ করতেন এবং এর কোনো পরোয়া করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ مَاہَکَ الْمَکِّیِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّہُ وَطِیئَ جَارِیَۃً لَہُ وَہُوَ صَائِمٌ ، قَالَ : فَقِیلَ لَہُ : وَطِئْتہَا وَأَنْتَ صَائِمٌ ؟ قَالَ : ہِیَ جَارِیَتِی أَعْجَبَتْنِی ، وَإِنَّمَا ہُوَ تَطَوُّعٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৯৩ ) হজরত ইউসুফ বিন মাহীক মক্কী বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রোজা অবস্থায় চোখ বন্ধ করে সহবাস করেছিলেন । কেউ একজন তাকে বললো যে, তুমি তার সাথে রোজা রেখে সহবাস করেছিলে । আপনি বলেছিলেন যে এটি মেরি বান্ধি , আমি এটি পছন্দ করেছি তার দ্বারা রোজাও করা হয়েছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِیِّ، قَالَ: کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یُصْبِحَ الرَّجُلُ صَائِمًا، ثُمَّ یُفْطِرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৯৪) হজরত শাবি মনে করতেন না যে কোনো ব্যক্তির প্রসব -পরবর্তী রোজা ভঙ্গ করায় কোনো দোষ আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : رُبَّمَا أُہْدِیَتْ لَنَا الطَّرْفَۃُ ، فَنَقُولُ : لَوْلاَ صَوْمُک قَرَّبْنَاہَا إلَیْکَ ، فَیَدْعُو بِہَا فَنُفْطِرُ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৯৫ ) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন , কখনও কখনও চমৎকার ও বিরল কিছু আমাদের দেওয়া হয় । আমরা মহানবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে প্রার্থনা করছি যে, আপনি যদি রোজা না রাখতেন , তাহলে আমরা আপনাকে এই জিনিসগুলো পেশ করতাম । আপনি এই জিনিসের আদেশ দেবেন এবং আমরা এর উপর রোজা ভঙ্গ করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۶) حَدَّثَنَا عَبِیْدَۃُ ، عَنْ أَبِی مِسْکِینٍ ، قَالَ : کَانَ إبْرَاہِیمُ وَسَعِیدُ بْنُ جُبَیْرٍ فِی دَعْوَۃٍ ، فَقَالَ سَعِیدٌ : إنِّی کُنْت حَدَّثَتْنِی نَفْسِی بِالصَّوْمِ ، ثُمَّ أَکل ۔ وَقَالَ إبْرَاہِیمُ : مَا یُعْجِبُنِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৯৬ ) হজরত আবু মাসকায়িন বলেন , হজরত ইব্রাহিম ও হজরত সাঈদ ইবনে জাবিরাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল । হজরত সাঈদ বলেন , আমি রোজা রাখার কথা বলেছিলাম অতঃপর তারা খুলল এবং হযরত ইব্রাহীম ( আঃ ) বললেন , এটা আমার পছন্দ হয়নি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۷) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ بَیَانٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا أَصْبَحَ وَہُوَ صَائِمٌ فَلاَ یُفْطِرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৯৭ ) হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলেন , কেউ রোজা রাখার নিয়ত করলে রোজা ভাঙবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۹۸) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : رُبَّمَا دَعَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِغَدَائِہِ فَلاَ یَجِدُہُ ، فَیَفْرِضُ عَلَیْہِ صَوْمَ ذَلِکَ الْیَوْمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৯৮) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন , কখনো কখনো মহানবী ( সা . ) সকালে খাবারের অর্ডার দিতেন , অন্যথায় তিনি সেদিন রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস