
(۹۱۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَبَلَۃَ بْنِ سُحَیْمٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ حَنْظَلَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عُمَرَ ، نَحْوِہِ ، إِلاَّ أَنَّ سُفْیَانَ قَالَ : إنَّا لَمْ نَبْعَثکَ رَاعِیًا ، إنَّمَا بَعَثْنَاکَ دَاعِیًا ، وَقَدِ اجْتَہَدْنَا وَقَضَائُ یَوْمٍ یَسِیرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৩৯) এ ঘটনাটি আইক ও সুন্দ থেকে বর্ণিত হয়েছে । যাইহোক, এই আমি এটি যোগ করা হয়েছে যে আমরা আপনাকে প্রহরী করিনি , আমরা আপনাকে আমন্ত্রণকারী বানিয়েছি আমরা চেষ্টা করেছি . যাইহোক, এটি একটি দিন করা সহজ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ عِلاَقَۃَ ، عَمَّنْ سَمِعَ بِشْرَ بْنَ قَیْسٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ رحمہ اللہ أَمَرَہُمْ بِالْقَضَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৪০) হজরত বিশর ইবনে কায়স বলেন , হজরত ওমর (রা.) লোকদের সূর্যাস্তের আগে রোজা ভাঙলে কাযা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ فَاطِمَۃَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ ، عَنْ أَسْمَائَ ؛ أَنَّہُمْ أَفْطَرُوا عَلَی عَہْدِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی یَوْمِ غَیْمٍ ، ثُمَّ طَلَعَتِ الشَّمْسُ۔ قَالَ أَبُو أُسَامَۃَ: فَقُلْتُ لِہِشَامٍ : فَأُمِرُوا بِالْقَضَائِ ؟ قَالَ : وَمِنْ ذَلِکَ بُدٌّ ؟ (ابوداؤد ۲۳۵۱۔ احمد ۶/۳۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৪১ ) হযরত আসমাঈ ( রাঃ ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সময় একদা মেঘলা দিনে সূর্যাস্তের পূর্বে লোকেরা রোজা ভঙ্গ করেছিল । আবু ওসামা বলেন , আমি হজরত হিশামকে জিজ্ঞেস করলাম , তাকে সংশোধনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে কি না ? তিনি বলেছেন যে তিনি খাবারের জন্য ভিক্ষা করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْن أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : یَقْضِی ، لأَنَّ اللَّہَ تَعَالَی یَقُولُ : {أَتِمُّوا الصِّیَامَ إلَی اللَّیْلِ}۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9142 ) হজরত মুজাহিদ বলেন , যে ব্যক্তি সময়ের আগে ইফতার করবে তার রোজার কাযা হবে কারণ মহান আল্লাহ বলেন :
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۳) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ أَبِی الأَسْوَد ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ عُمَرَ ، بِنَحْوٍ مِنْ حَدِیثِ أَبِی مُعَاوِیَۃَ الَّذِی یَأْتِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৪৩) হযরত ওমরের আসন্ন হাদীসটি সাঈদ ও সুনাদ থেকে বর্ণিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۴) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، قَالَ : کَانَ الْحَسَنُ یَقُولُ فِیمَنْ أَفْطَرَ وَہُوَ یَرَی أَنَّ الشَّمْسَ قَدْ غَابَتْ ، ثُمَّ اسْتَبَانَ لَہُ أَنَّہَا لَمْ تَغِبْ ، قَالَ : کَانَ یَقُولُ : أَجْزَأَ عَنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৪৪) হজরত হাসান বলেন , কেউ যদি সূর্য ডুবে গেছে ভেবে রোজা ভঙ্গ করে, কিন্তু বুঝতে পারে সূর্য অস্ত যায় নি , তাহলে তার রোজা পূর্ণ হয়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، قَالَ : أُخْرِجَتْ عِسَاسٌ مِنْ بَیْتِ حَفْصَۃَ وَعَلَی السَّمَائِ سَحَابٌ ، فَظَنُّوا أَنَّ الشَّمْسَ قَدْ غَابَتْ فَأَفْطَرُوا ، فَلَمْ یَلْبَثُوا أَنْ تَجَلَّی السَّحَابُ فَإِذَا الشَّمْسُ طَالِعَۃٌ ، فَقَالَ عُمَرُ : مَا تَجَانَفْنَا مِنْ إِثْمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৪৫) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহিব বলেন , হযরত হাফসা (রা.) -এর বাড়ি থেকে খাবারের একটি বড় থালা আনা হয়েছিল , তখন লোকেরা মনে করেছিল সূর্য অস্ত গেছে । সেদিন মেঘ ছিল, মানুষ সেদিন রোজা ভেঙেছিল । কিছুক্ষণ পরে , মেঘগুলি অদৃশ্য হয়ে গেল এবং সূর্য জ্বলতে শুরু করল। এ বিষয়ে হজরত ওমর (রা.) বলেন , আমরা পাপ এড়াতে পারি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۶) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ قَطَنٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ عِنْدَ مُعَاوِیَۃَ فِی رَمَضَانَ فَأَفْطَرُوا ثُمَّ طَلَعَتِ الشَّمْسُ ، فَأَمَرَہُمْ أَنْ یَقْضُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৪৬) হজরত কাতান বলেন , হজরত মুয়াবিয়ার আমলে মানুষ সূর্যাস্তের আগে রমজানের রোজা ভেঙে ফেললে , হজরত মুয়াবিয়া তাদের মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ: قُلْتُ: أَفْطَرْتُ فِی یَوْمٍ مُغَیِّمٍ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ، وَأَنَا أَحْسِبُہُ اللَّیْلَ ، ثُمَّ بَدَتِ الشَّمْسُ ، أَفَأَقْضِی ذَلِکَ الْیَوْمَ قَطُّ ، وَلاَ أُکَفِّرُ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৪৭) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হজরত আতা (রা. ) - কে জিজ্ঞেস করলাম যে , আমি রমজানের রোজা ভেবে রোজা ভেঙ্গেছি এবং সূর্য অস্ত গেছে , তাহলে আমি কেন কাযা করব ? এই রোজা এবং কাফফারা দিতে হবে না ? তিনি বললেন , এটা করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، حَدَّثَنَا زَکَرِیَّا ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : غَزَوْت مَعَ زِیَادِ بْنِ النَّضْرِ أَرْضَ الرُّومِ ، قَالَ: فَأَہْلَلْنَا رَمَضَانَ فَصَامَ النَّاسُ وَفِیہِمْ أَصْحَابُ عَبْدِ اللہِ ؛ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ ، وَسُمَیْعٌ ، وَأَبُو عَبْدِ اللہِ ، وَأَبُو مَعْمَرٍ ، وَأَبُو مُسَافِعٍ فَأَفْطَرَ النَّاسُ یَوْمًا وَالسَّمَائُ مُتَغَیِّمَۃٌ ، وَنَحْنُ بَیْنَ جَبَلَیْنِ ؛ الْحَارِثِ وَالْحُوَیْرِثِ ، وَلَمْ أُفْطِرْ أَنَا حَتَّی تبدّی اللَّیْل ، ثُمَّ إنَّ الشَّمْسَ خَرَجَتْ فَأَبْصَرْنَاہَا عَلَی الْجَبَلِ ، فَقَالَ زِیَادٌ : أَمَّا ہَذَا الْیَوْمُ فَسَوْفَ نَقْضِیہِ ، وَلَمْ نَتَعَمَّدْ فِطْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৪৮) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমি রোমে হজরত জায়েদ বিন নাযরের সঙ্গে ছিলাম । আমরা যখন রমজানের চাঁদ দেখলাম , লোকেরা রোজা রাখল, তাদের মধ্যে হজরত আবদুল্লাহ , আমির ইবনে সাদ, সামি , আবু আবদুল্লাহ, আবু মুয়াম্মার ও আবু মুসাফা রা. মানুষ একদিন রোজা রেখেছিল , সেদিন আকাশে মেঘ ছিল । আমরা হারিস ও হাউই রাস নামের দুটি পাহাড়ের মাঝখানে ছিলাম । রাত না দেখা পর্যন্ত আমি রোজা ভাঙ্গিনি । অতঃপর সূর্য উদিত হল এবং আমরা তা পাহাড়ে দেখতে পেলাম । তাই জায়েদ বললেন আমরা সেদিন বিচার করব এবং আমরা এই রোজার কথা বিবেচনা করিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۴۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن أَخِیہِ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَفْطَرَ عُمَرُ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ فَقِیلَ لَہُ : قَدْ طَلَعَتِ الشَّمْسُ ، فَقَالَ : خَطْبٌ یَسِیرٌ ، قَدْ کُنَّا جَاہِدِینِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৪৯) হজরত আসলাম বলেন , হজরত উমর (রা . ) রমজানের প্রথম দিনে রোজা ভাঙলেন এবং তাঁকে বলা হলো যে , সূর্য উঠেছে ! হজরত উমর (রা.) বললেন , এটা একটা সাধারণ ভুল , আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছি , তাই আমাদের কোনো পাপ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی ابْنِ عَبَّاسٍ یَسْأَلُہُ عَنِ السُّحُورِ ؟ فَقَالَ لَہُ رَجُلٌ مِنْ جُلَسَائِہِ : کُلْ حَتَّی لاَ تَشُکَّ ، فَقَالَ لَہُ ابْنُ عَبَّاسٍ : إنَّ ہَذَا لاَ یَقُولُ شَیْئًا ، کُلْ مَا شَکَکْت حَتَّی لاَ تَشُکَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৫০ ) হজরত মুসলিম বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) -এর কাছে রোজা রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে আসেন । হজরত ইবনে আব্বাসের মজলিস তাঁকে বললেন , যখন সন্দেহ হবে তখন খাবেন না । হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , তিনি কিছু বলেননি , যতক্ষণ সন্দেহ না হয় ততক্ষণ খাও , হ্যাঁ যতক্ষণ সন্দেহ না হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْوَلِیدِ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَوْنُ بْنُ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : دَخَلَ رَجُلاَنِ عَلَی أَبِی بَکْرٍ وَہُوَ یَتَسَحَّرُ ، فَقَالَ أَحَدُہُمَا : قَدْ طَلَعَ الْفَجْرُ ، وَقَالَ الآخَرُ : لَمْ یَطْلُعْ بَعْدُ ، قَالَ أَبُو بَکْرٍ : کُلْ قَدِ اخْتَلَفَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৫১) হজরত আউন ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , হজরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে দুজন লোক এলেন যখন তিনি নাস্তা করছিলেন । আইক তাদের বললেন ফজর উঠেছে । অপরজন বললো , এখনো ফজর ওঠেনি । হজরত আবু বকর (রা) বললেন , খাও , তাদের উভয়ের মধ্যে মতভেদ আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْوَلِیدِ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی بَکْرٍ ، بِنَحْوِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৫২) হজরত আবু বকর ( রা.) থেকে এবং সুন্দ থেকেও অনুরূপ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ زَاذَانَ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ أَخَذَ دَلْوًا مِنْ زَمْزَمَ ، فَقَالَ لِرَجُلَیْنِ : أَطَلَعَ الْفَجْرُ ؟ فَقَالَ أَحَدُہُمَا : لاَ ، وَقَالَ الآخَرُ : نَعَمْ ، قَالَ : فَشَرِبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9153) হজরত মাখুল বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা .) যমযমের কূপ থেকে এক বালতি পানি বের করেন । তিনি দুজনকে বললেন , ভোর কি উঠেছে ? তাদের একজন বলল না , অন্যজন বলল হ্যাঁ । হজরত ইবনে উমর ( রা.) এতে পানি পান করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ الأَقْمَرِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کُلْ حَتَّی تَرَاہُ مُعْتَرِضًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৫৪ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যতক্ষণ না আলো প্রস্থের আকারে থাকে ততক্ষণ খাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۵) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : کُلْ حَتَّی تَرَاہُ مِثْلَ شِقِّ الطَّیْلَسَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৫৫) হজরত ইকরামা বলেন , দিগন্ত পর্যন্ত চাদর ফেটে যাওয়ার মতো খাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ طَلْحَۃَ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ لِغُلاَمَیْنِ لَہُ ، وَہُوَ فِی دَارِ أُمِّ ہَانِیئٍ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ وَہُوَ یَتَسَحَّرُ ، فَقَالَ أَحَدُہُمَا : قَدْ طَلَعَ الْفَجْرُ ، وَقَالَ الآخَرُ : لَمْ یَطْلُعْ ، قَالَ : اِسْقِیَانِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৫৬) হজরত আতা বলেন , রমজান মাসে হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) হজরত উম্মে হানির বাড়িতে নাস্তা করছিলেন । তোমার দুই গোলামের একজন বললো ভোর হয়েছে আর আরেকজন বললো এখনো ভোর হয়নি । বললো পানি দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَر ، قَالَ : کُلْ حَتَّی یَتَبَیَّنَ لَکَ الْفَجْرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৫৭) হজরত আবু জাফর বলেন , ভোর না হওয়া পর্যন্ত খাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۸) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْحَسَنَ وَقَالَ لَہُ رَجُلٌ : أَتَسَحَّرُ وَأَمْتَرِی فِی الصُّبْحِ ؟ فَقَالَ : کُلْ مَا امْتَرَیْت ، إِنَّہُ وَاللَّہِ لَیْسَ بِالصُّبْحِ خَفَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৫৮) হজরত ইয়াযিদ ইবনে যায়েদ বলেন , হজরত হাসানকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন , আমি যখন সকালের বেলায় সন্দিহান থাকি , তখন আমি কি সেহরি খেতে পারি ? হজরত হাসান বললেন , যতক্ষণ তোমার সন্দেহ থাকবে , ততক্ষণ তুমি খেতে থাকো, খোদার কসম ! সকালে কোন রহস্য নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ دَلْہَمٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : إذَا شَکَّ الرَّجُلاَنِ فِی الْفَجْرِ ، فَلْیَأْکُلاَ حَتَّی یَسْتَیْقِنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9159) হজরত ওমর (রা) বলেন , যখন দুই ব্যক্তি ফজরের ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করে , তখন উভয়েই নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত খাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ صُبَیْحٍ، قَالَ: جَائَ رَجُلٌ إلَی ابْنِ عَبَّاسٍ، فَقَالَ: مَتَی أَدَعُ السُّحُورَ ؟ فَقَالَ رَجُلٌ جَالِسٌ عِنْدَہُ : کُلْ حَتَّی إذَا شَکَکْت فَدَعْہُ ، فَقَالَ : کُلْ مَا شَکَکْت حَتَّی لاَ تَشُکَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৬০) হজরত মুসলিম ইবনে সাবিহ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলেন , আমি কখন সেহরী খাওয়া বন্ধ করব ? তাদের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি বললেন , যখন সন্দেহ হবে , তখন খাবেন না । হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, যখন সন্দেহ হয় তখন খাও এবং সন্দেহ না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাক।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: قَالَ مُحَمَّدٌ: وَضَعْتُ الإِنَائَ عَلَی یَدَیَّ، فَجَعَلْتُ أَنْظُرُ ہَلْ طَلَعَ الْفَجْرُ؟
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৬১ ) হজরত মুহাম্মদ বলেন , আমি পাত্রটি আমার সামনে রাখলাম , তারপর জিজ্ঞাসা করতে লাগলাম ভোর হয়েছে কি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۲) حَدَّثَنَا مُلاَزِمُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ النُّعْمَانِ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ طَلْقٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبِی طَلْقُ بْنُ عَلِیٍّ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : کُلُوا وَاشْرَبُوا ، وَلاَ یَہِیدَنَّکُمُ السَّاطِعُ الْمُصْعِدُ ، کُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّی یَعْتَرِضَ لَکُمُ الأَحْمَرُ ، وَقَالَ ہَکَذَا بِیَدِہِ۔ (ترمذی ۷۰۵۔ ابوداؤد ۲۳۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(9162) হজরত তালাক ইবনে আলী ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন, তোমরা খাও ও পান কর ততক্ষণ পর্যন্ত , যতক্ষণ না তোমার ওপরে আলো জ্বলে উঠবে । অহংকার করো না । এটা, লাল আলো একটি ত্রিভুজ আকারে প্রদর্শিত না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া এবং পান করতে থাকুন । তুমি হাতের ইশারায় বললে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أَبِی ہِلاَلٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَوَادَۃُ بْنُ حَنْظَلَۃَ الْہِلاَلِیُّ ، عَنْ سَمُرَۃََ بْنِ جُنْدُبٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَمْنَعَنَّکُمْ أَذَانُ بِلاَلٍ مِنَ السُّحُورِ ، وَلاَ الصُّبْحُ الْمُسْتَطِیلُ ، وَلَکِنِ الصُّبْحُ الْمُسْتَطِیرُ فِی الأُفُقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৬৩) হজরত সামুরা বিন জুনদাব (রা.) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , বিলালের নামাযের আযান যেন তোমাদের সেহরী খাওয়া থেকে বিরত না করে এবং সেক্ষেত্রে তা দীর্ঘায়িত না হয় । আমার মধ্যে যে প্রভাত ছড়িয়ে পড়ছে তা যেন তোমাদের রোজা ভঙ্গ করতে বাধা দেয় । তবে নামাযের ক্ষেত্রে ফজরের পর ফজরের সময় থেমে যাবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ خَالہ ، عَنْ ثَوْبَانَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْفَجْرُ فَجْرَانِ ؛ فَأَمَّا الَّذِی کَأَنَّہُ ذَنَبُ السِّرْحَانِ ، فَإِنَّہُ لاَ یُحِلُّ شَیْئًا ، وَلاَ یُحَرِّمُہُ ، وَلَکِنِ الْمُسْتَطِیرُ۔ (دار قطنی ۲۔ بیہقی ۲۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৬৪) হজরত সাওবান ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , ফজর দুই প্রকার , যারা সকালে ঘুম থেকে ওঠে , তবে তা হালাল বা হালাল করে না হারাম , তবে , এটি সকালে খাওয়া ও পান করা হারাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُمَارَۃَ ، عَنْ غُنَیْمِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : لَیْسَ الْفَجْرُ الَّذِی ہَکَذَا ، یَعْنِی الْمُسْتَطِیلَ ، وَلَکِنِ الْفَجْرُ الَّذِی ہَکَذَا ، یَعْنِی الْمُعْتَرِضَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৬৫ ) হজরত আবু মূসা ( রা . ) বলেন , দৈর্ঘ্যের আকারে যে আলো ছড়ায় তা সকাল নয় , প্রস্থ আকারে যে আলো ছড়ায় তা হলো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ ، عَنْ حَوْشَبِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ نَہَارٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْقَاسِمَ : أَہُوَ السَّاطِعُ ، أَمِ الْمُعْتَرِضُ ؟ قَالَ : الْمُعْتَرِضُ ، وَالسَّاطِعُ : الصُّبْحُ الْکَاذِبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৬৬ ) হজরত জাফর ইবনে নাহার বলেন , আমি হজরত কাসিমকে জিজ্ঞেস করলাম , ফজর দৈর্ঘ্যে নাকি প্রস্থে ? তিনি বলেন , ফজর প্রস্থের আকারে , দৈর্ঘ্যের আকারে ফজরের আকারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ عِمْرَانَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ : السَّاطِعُ ذَلِکَ الصُّبْحُ الْکَاذِبُ ، وَلَکِنْ إذَا انْفَضَحَ الصُّبْحُ فِی الأُفُقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯১৬৭ ) হজরত আবু মাজালজ বলেন , দীর্ঘ আলো সকাল নয় , দিগন্ত থেকে উদিত আলোই সকাল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۱۶۸) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، قَالَ : لَمْ یَکُونُوا یَعُدُّونَ الْفَجْرَ فَجْرَکُمْ ہَذَا ، إِنَّمَا کَانُوا یَعُدُّونَ الْفَجْرَ الَّذِی یَمْلأُ الْبُیُوتَ وَالطُّرُقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯১৬৮) হজরত মুসলিম বলেন , বাপ-দাদারা তোমার সকালকে ফজর বলে মনে করতেন না , বরং রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়িকে আলোকিত করে ফজর বলে মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস