(৫) ( 9894 ) এটি ইবনে ফুযী দ্বারা বর্ণিত হয়েছে , মুগীর সূত্রে , ইবরাহীমের সূত্রে , তিনি বলেছেন : ইয়া উম্মা মাকানাহ এবং ইয়া স্তাগফির রাব্বাহ [হাদিসের সীমা (৮৯৫৯-৯৮৯৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৯৩৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭৮৬টি]



9109 OK

(৯১০৯)

সহিহ হাদিস

(۹۱۰۹) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الزُّہْرِیَّ : فِی کَمْ تُقْصَرُ الصَّلاَۃُ ؟ قَالَ : فِی السَّفَرِ الْمُمْعِنِ ، قَالَ : قُلْتُ : وَمَا الإِمْعَانُ فِی نَفْسِکَ ؟ قَالَ : یَوْمَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9109) হজরত জাফর ইবনে বুরকান বলেন , আমি হজরত জাহরি (রা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম , আমার সালাত কয়টি সফরে সংক্ষিপ্ত করা যাবে ? এক ক্লান্তিকর যাত্রায় তিনি বলেছিলেন । আমি বললাম ক্লান্তিকর যাত্রা কি ? দুদিনের যাত্রা করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9110 OK

(৯১১০)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ حُذَیْفَۃَ بِالْمَدَائِنِ ، قَالَ: فَاسْتَأْذَنْتُہُ بِالرُّجُوعِ إلَی أَہْلِی ، فَقَالَ : لاَ آذَنُ لَکَ إِلاَّ عَلَی أَنْ تَعْزِمَ أَلاَّ تُفْطِرَ حَتَّی تَدْخُلَ ، قَالَ : وَذَلِکَ فِی رَمَضَانَ ، قُلْتُ : وَأَنَا أَعْزِمُ عَلَی نَفْسِی أَنْ لاَ أُفْطِرَ ، وَلاَ أَقْصُرَ حَتَّی آتِیَ أَہْلِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9110) হযরত ইব্রাহিম মুতামী (রাঃ ) বলেন যে আমি হযরত হুজাইফার সাথে মাদাইনে ছিলাম এবং তাঁর কাছে তাঁর বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি চাইলাম তিনি বললেন যে আমি আপনাকে অনুমতি দেব এই শর্তে যে আপনি রোজা ভঙ্গ করবেন না রমজান মাস যতক্ষণ না আপনি ঘরে পৌঁছান । আমি বললাম যে আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে আমি রমজানের রোজা ভাঙব না বা নামায সংক্ষিপ্ত করব না যতক্ষণ না আমি বাড়ি পৌঁছাব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9111 OK

(৯১১১)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ مَرْثَدٍ ؛ أَنَّ أَبَا مَیْسَرَۃَ سَافَرَ فِی رَمَضَانَ ، فَأَفْطَرَ عِنْدَ بَابِ الْجِسْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9111) হজরত মুরশাদ বলেন , হজরত আবু মিসরা রমজানে সফর করেন এবং ব্রিজ গেটের কাছে রোজা ভঙ্গ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9112 OK

(৯১১২)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَصُومُوا قَبْلَ رَمَضَانَ ، صُومُوا لِرُؤْیَتِہِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْیَتِہِ ، فَإِنْ حَالَتْ دُونَہُ غَیَایَۃٌ فَکَمِّلُوا ثَلاَثِینَ۔ (ترمذی ۶۸۸۔ ابویعلی ۲۳۵۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(9112) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ রমজানের পূর্বে রোযা রাখো না । রমজানের চাঁদ দেখে রোজা রাখা এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখে ঈদ উদযাপন করা । চন্দ্রদিনে মেঘের কোনো বাধা থাকলে তেত্রিশ দিন পূর্ণ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9113 OK

(৯১১৩)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۳) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ رِبْعِیٍّ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَقَدَّمُوا الشَّہْرَ إِلاَّ أَنْ تَرَوُا الْہِلاَلَ ، أَوْ تُکْمِلُوا الْعِدَّۃَ ، وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّی تَرَوُا الْہِلاَلَ ، أَوْ تُکْمِلُوا الْعِدَّۃَ۔ (ابوداؤد ۲۳۲۰۔ نسائی ۲۴۳۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯১১৩) সাহাবায়ে কেরাম বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ রমযান আসার পূর্বে তোমরা আশবান মাসের ত্রিশ তারিখ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত রোযা রাখো না । চাঁদ দেখা না যাওয়া পর্যন্ত ঈদ করবেন না এবং রোজা পূর্ণ করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9114 OK

(৯১১৪)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : صُومُوا لِرُؤْیَتِہِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْیَتِہِ ، فَإِنْ غُمَّ عَلَیْکُمْ فَأَتموا ثَلاَثِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯১১৪ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , চাঁদ দেখে রোজা রাখ এবং চাঁদ দেখে ঈদ উদযাপন কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9115 OK

(৯১১৫)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لاَ تَصِلُوا رَمَضَانَ بِشَیْئٍ ، وَلاَ تَقَدَّمُوا قَبْلَہُ بِیَوْمٍ ، وَلاَ بِیَوْمَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯১১৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , রমজানের সঙ্গে কোনো কিছু মেশাবেন না , তা রমজান থেকে ভিন্ন । দুই দিন আগে রোজা রাখবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9116 OK

(৯১১৬)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ذَکَرَ رَمَضَانَ ، فَقَالَ : صُومُوا لِرُؤْیَتِہِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْیَتِہِ ، فَإِنْ أُغْمِی عَلَیْکُمْ فَاقْدُرُوا لَہُ۔ (مسلم ۵۔ احمد ۲/۱۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯১১৬) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : চাঁদ দেখে রোজা রাখ এবং চাঁদ না দেখা গেলে ঈদ উদযাপন কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9117 OK

(৯১১৭)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ أَبِی الزِّنَادِ ، عَنِ الأَعْرَجِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : ذَکَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْہِلاَلَ ، فَقَالَ : إذَا رَأَیْتُمُوہُ فَصُومُوا ، وَإِذَا رَأَیْتُمُوہُ فَأَفْطِرُوا ، فَإِنْ أُغْمِی عَلَیْکُمْ فَعُدُّوا ثَلاَثِینَ۔ (مسلم ۲۰۔ ابویعلی ۶۲۵۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( 9117 ) আবু হুরায়রা ( রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ চাঁদ দেখার পর রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখার পর ঈদ উদযাপন কর , যদি চাঁদ না দেখা যায় । সমস্ত রোজা পূর্ণ করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9118 OK

(৯১১৮)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : نُہِیَ أَنْ یُتَعَجَّلَ قَبْلَ رَمَضَانَ بِیَوْمٍ ، أَوْ یَوْمَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9118) হজরত আবু হারি বলেন , রমজান থেকে A.K দুই দিন আগে রোজা রাখা হারাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9119 OK

(৯১১৯)

সহিহ হাদিস

(۹۱۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَعْقُوبَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا کَانَ النِّصْفُ مِنْ شَعْبَانَ ، فَأَمْسِکُوا حَتَّی یَکُونَ رَمَضَانُ۔ (ترمذی ۷۳۸۔ ابوداؤد ۲۳۳۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(9119) হজরত আবু হারি রাহ. -এর সূত্রে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , তোমরা রমজানের অর্ধ শাবান পর্যন্ত রোজা থেকে বিরত থাক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9120 OK

(৯১২০)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، قَالَ : خَرَجْنَا لِلْعُمْرَۃِ ، فَلَمَّا نَزَلْنَا بِبَطْنِ نَخْلَۃَ ، قَالَ : تَرَائَیْنَا الْہِلاَلَ ، قَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ : ہُوَ ابْنُ ثَلاَثٍ ، وَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ : ہُوَ ابْنُ لَیْلَتَیْنِ، فَلَقِینَا ابْنَ عَبَّاسٍ فَقُلْنَا : إنَّا رَأَیْنَا الْہِلاَلَ ، فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ : ہُوَ ابْنُ ثَلاَثٍ ، وَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ : ہُوَ ابْنُ لَیْلَتَیْنِ ، فَقَالَ : أَیُّ لَیْلَۃٍ رَأَیْتُمُوہُ ؟ قَالَ : فَقُلْنَا : لَیْلَۃَ کَذَا وَکَذَا ، فَقَالَ : إنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إنَّ اللَّہَ مَدَّہُ لِلرُّؤْیَۃِ ، فَہُوَ لِلَیْلَۃٍ رَأَیْتُمُوہُ۔ (مسلم ۲۹۔ طبرانی ۱۲۶۸۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(9120) হজরত আবু বাখতারি বলেন , আমরা ওমরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম , বাতিন নাখলা নামক স্থানে পৌঁছে আমরা বললাম যে, আমরা এখানে চাঁদ দেখেছি , কেউ কেউ বলল এটা প্রথম রাতের চাঁদ । এটা দ্বিতীয় রাতের চাঁদ । এ নিয়ে আমরা হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর সাথে সাক্ষাত করে বললাম যে, আমরা চাঁদ দেখেছি , কেউ বলেন এটি তৃতীয় রাতের চাঁদ এবং কেউ বলেন এটি দ্বিতীয় রাতের চাঁদ । তিনি বললেন, এই চাঁদ তুমি কখন খেয়েছ ? আমরা অমুক রাতে বলেছিলাম । হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , যে রাতে তুমি তাকে হারিয়েছিলে আল্লাহ তায়ালা চাঁদের চেহারা দীর্ঘ করে দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9121 OK

(৯১২১)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا الْبَخْتَرِیِّ ، قَالَ : أَہْلَلْنَا رَمَضَانَ وَنَحْنُ بِذَاتِ عِرْقٍ ، فَأَرْسَلْنَا رَجُلاً إلَی ابْنِ عَبَّاسٍ یَسْأَلُہُ ؟ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: إنَّ اللَّہَ قَدْ أَمَدَّہُ لِرُؤْیَتِہِ ، فَإِنْ أُغْمِیَ عَلَیْکُمْ فَأَکْمِلُوا الْعِدَّۃَ۔ (مسلم ۳۰ احمد ۱/۳۲۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯১২১) হজরত আবু বখতারি বলেন , আমরা রমজান মাস দেখেছি , আমরা হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) - এর কাছে একজন লোক পাঠালাম , তিনি তাকে প্রশ্ন করলেন । হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ (সা . ) বলেছেন , আল্লাহ তায়ালা চাঁদের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছেন , যদি তোমরা চাঁদ দেখতে না পাও তাহলে এই দিনটি পূর্ণ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9122 OK

(৯১২২)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ أَخْبَرَنَا مُجَالِدٌ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَخْطُبُ إذَا حَضَرَ رَمَضَانُ فَیَقُولُ : أَلاَ لاَ تَقَدَّمُوا الشَّہْرَ ، إذَا رَأَیْتُمُ الْہِلاَلَ فَصُومُوا ، وَإِذَا رَأَیْتُمُ الْہِلاَلَ فَأَفْطِرُوا ، فَإِنْ أُغْمِیَ عَلَیْکُمْ فَأَتِمُّوا الْعِدَّۃَ ، قَالَ : کَانَ یَقُولُ ذَلِکَ بَعْدَ صَلاَۃِ الْعَصْرِ ، وَبَعْدَ صَلاَۃِ الْفَجْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9122) হজরত শাবি বলেন , যখন রমজান মাস আসত না , তখন হযরত আলী একটি খুতবা দিতেন যাতে তিনি বলতেন : সাবধান ! চাঁদের ওপারে যেও না , চাঁদ হারালে দ্রুত রেখো । চাঁদ হারিয়ে গেলে ঈদ উদযাপন করুন , যখন চাঁদ দেখা যাবে না, ত্রিশ - তৃতীয় দিন পূর্ণ করুন । হযরত আলী রা তিনি আসরের পর ও ফজরের পর একথা বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9123 OK

(৯১২৩)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، أَخْبَرَنَا مُجَالِدٌ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنْ عُمَرَ ، مِثْلَ ذَلِکَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9123) হযরত ওমর থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9124 OK

(৯১২৪)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَمُحَمَّدٍ قَالاَ : نُہِیَ أَنْ یُتَقَدَّمَ بَیْنَ یَدَیْ رَمَضَانَ بِصَوْمٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9124 ) হজরত হাসান ও হজরত মুহাম্মদ বলেন , রমজানের আগে রোজা রাখা হারাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9125 OK

(৯১২৫)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۵) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، وَعَطَائٍ ؛ أَنَّہُمَا کَرِہَا التَّعْجِیلَ قَبْلَ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯১২৫) হযরত আবু জাফর ও হযরত আতা রামাযানের পূর্বে রোযা রাখাকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9126 OK

(৯১২৬)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَصُومُ فَیَحْضُرُ رَمَضَانُ ، قَالَ : یَفْصِلُ بَیْنَہُ وَبَیْنَ رَمَضَانَ بِأَیَّامٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9126) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির রোজা রাখার অভ্যাস থাকে , রমজান আসে, তাহলে সে যেন রমজানের কয়েকদিন আগে থেকে রোজা রাখা বন্ধ করে দেয়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9127 OK

(৯১২৭)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۷) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : کَانُوا یَنْظُرُونَ إلَی الْہِلاَلِ فَإنْ رَأَوْہُ صَامُوا، وَإِنْ لَمْ یَرَوْہُ نَظَرُوا مَا یَقُولُ إمَامُہُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9127) হজরত আবু কালাবা বলেন , পূর্বপুরুষরা চাঁদ দেখতেন , চাঁদ দেখলে রোজা রাখতেন , না দেখলে তাদের ইমামের কথার জন্য অপেক্ষা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9128 OK

(৯১২৮)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۸) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَصِلُ شَعْبَانَ بِرَمَضَانَ۔ (ترمذی ۷۳۶۔ احمد ۶/۳۰۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(9128) হজরত উম্মে সালামা (রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) শাবানকে রমজানের সঙ্গে একত্রিত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9129 OK

(৯১২৯)

সহিহ হাদিস

(۹۱۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ مُبَارَکٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ یَوْمٍ ، وَلاَ یَوْمَیْنِ إِلاَّ رَجُلٌ کَانَ یَصُومُ صَوْمًا فَلْیَصُمْہُ۔ (مسلم ۲۱۔ ترمذی ۶۸۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(9129 ) আবু হুরায়রা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি রোজা রাখতে অভ্যস্ত তাকেই দুদিন আগে রোজা রাখতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9130 OK

(৯১৩০)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ رَجُلٌ یُدِیمُ الصَّوْمَ فَلاَ بَأْسَ أَنْ یَصِلَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9130) হজরত মুজাহিদ বলেন, যে ব্যক্তি একই সময়ে রোজা রাখে , যদি সে শাবান ও রমজানকে একত্রিত করে তবে তাতে কোনো সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9131 OK

(৯১৩১)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۱) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ؛ أَنَّ مُحَمَّدًا تَسَحَّرَ وَہُوَ یَرَی أَنَّ عَلَیْہِ لَیْلاً ، ثُمَّ اسْتَبَانَ لَہُ أَنَّہُ تَسَحَّرَ بَعْدَ مَا أَصْبَحَ ، فَقَالَ : أَمَّا أَنَا الْیَوْمَ فَمُفْطِرٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯১৩১ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , একবার হজরত মুহাম্মদ ফজরের পর সেহরি খেয়েছিলেন , রাত হয়ে গেছে ভেবে বললেন , আমি আজ রোজা রাখিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9132 OK

(৯১৩২)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ فِیمَنْ تَسَحَّرَ وَہُوَ یَرَی أَنَّ عَلَیْہِ لَیْلاً ، فَبَانَ أَنَّہُ تَسَحَّرَ وَقَدْ طَلَعَ الْفَجْرُ ؟ فَلْیُتِمَّ صِیَامَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯১৩২) হজরত মুজাহিদ বলেন , যে ব্যক্তি ফজরের পর রাতে সেহরি খায় , সে যেন রোজা পূর্ণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9133 OK

(৯১৩৩)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۳) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ عَنِ الرَّجُلِ یَتَسَحَّرُ وَہُوَ یَرَی أَنَّ عَلَیْہِ لَیْلاً ؟ قَالَ : یُتِمُّ صوَمَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯১৩৩ ) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকামকে জিজ্ঞেস করলাম , কোনো ব্যক্তি ফজরের পর সেহরী খেলে কী করবে ? বললেন , রোজা পূর্ণ করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9134 OK

(৯১৩৪)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : إذَا أَکَلَ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ مَضَی عَلَی صِیَامِہِ ، وَقَضَی یَوْمًا مَکَانَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯১৩৪) হজরত সাঈদ বিন জুবের বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি ফজরের পর সাহুর খায় , তাহলে সে রোজা পূর্ণ করবে এবং একদিনের জন্য কাযা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9135 OK

(৯১৩৫)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۵) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ الْحَسَنِ؛ فِی رَجُلٍ تَسَحَّرَ وَہُوَ یَرَی أَنَّ عَلَیْہِ لَیْلاً، قَالَ: یُتِمُّ صَوْمَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9135) হজরত হাসান বলেন , যে ব্যক্তি মধ্যরাতে ফজরের পর সেহরি খায় , সে যেন রোজা পূর্ণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9136 OK

(৯১৩৬)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۶) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ ہَرِمٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : یُتِمُّ صَوْمَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯১৩৬) হজরত জাবির ইবনে যায়েদ (রা. ) বলেন , যে ব্যক্তি মধ্যরাতে ফজরের পর সেহরি খায় , সে যেন রোজা পূর্ণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9137 OK

(৯১৩৭)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : مَنْ أَکَلَ أَوَّلَ النَّہَارِ فَلْیَأْکُلْ آخِرَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯১৩৭) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , কেউ যদি দিনের প্রথমভাগে আহার করে থাকে , তবে তার উচিত দিনের দ্বিতীয় অংশেও খাওয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9138 OK

(৯১৩৮)

সহিহ হাদিস

(۹۱۳۸) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ جَبَلَۃَ بْنِ سُحَیْمٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ حَنْظَلَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : شَہِدْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فِی رَمَضَانَ ، وَقُرِّبَ إلَیْہِ شَرَابٌ ، فَشَرِبَ بَعْضُ الْقَوْمِ وَہُمْ یَرَوْنَ أَنَّ الشَّمْسَ قَدْ غَرَبَتْ ، ثُمَّ ارْتَقَی الْمُؤَذِّنُ ، فَقَالَ : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ ، وَاللَّہِ لَلشَّمْسُ طَالِعَۃٌ لَمْ تَغْرُبْ ، فَقَالَ عُمَرُ : مَنَعَنَا اللَّہُ مِنْ شَرِّکَ مَرَّتَیْنِ ، أَوْ ثَلاَثَۃً ، یَا ہَؤُلاَئِ ، مَنْ کَانَ أَفْطَرَ فَلْیَصُمْ یَوْمًا مَکَانَ یَوْمٍ ، وَمَنْ لَمْ یَکُنْ أَفْطَرَ فَلْیُتِمَّ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9138) হজরত হানযালাহ বলেন , তিনি একবার রমজান মাসে হজরত ওমর (রা.) - এর সঙ্গে ছিলেন । এলপি তাদের জন্য কিছু জিনিস প্রস্তাব করেছে কেউ কেউ সূর্য ডুবে গেছে ভেবে পান করত অতঃপর মুয়াজ্জিন উঠে গিয়ে ঘোষণা করলেন হে আমীরুল মুমিনীন ! আল্লাহর কসম , সূর্য এখনো অস্ত যায় নি । হযরত ওমর (রাঃ) বললেন , আল্লাহ আমাদেরকে তোমার অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন । এই কথাটা তিনি দুইবার বললেন ... অতঃপর তিনি লোকদের উদ্দেশে বললেন, যে ব্যক্তি আজ আগে রোজা ভঙ্গ করেছে সে যেন ওই দিনের পরিবর্তে একদিন রোজা রাখে এবং যে রোজা ভঙ্গ করেনি সে যেন সূর্যাস্তের জন্য অপেক্ষা করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯১৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস