(৫) ( 9894 ) এটি ইবনে ফুযী দ্বারা বর্ণিত হয়েছে , মুগীর সূত্রে , ইবরাহীমের সূত্রে , তিনি বলেছেন : ইয়া উম্মা মাকানাহ এবং ইয়া স্তাগফির রাব্বাহ [হাদিসের সীমা (৮৯৫৯-৯৮৯৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৯৩৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৯৬টি]



9799 OK

(৯৭৯৯)

সহিহ হাদিস

(۹۷۹۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ ، وَحَمَّادًا عَنِ الرَّجُلِ یَصُومُ تَطَوُّعًا فَنَہَتْہُ أُمُّہُ ؟ قَالاَ : یُطِیعُہَا ، وَیَصُومُ أَحْیَانًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9799) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকাম ও হজরত হামাদকে জিজ্ঞেস করলাম যে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রসব -পরবর্তী রোজা রাখে এবং তার মা তাকে ইফতার করতে বলেন , তাহলে তার কী করা উচিত ? দু’জনেই বললেন , মায়ের কথা মেনে চলতে হবে এবং সময়ে সময়ে রোজা রাখতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৭৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9800 OK

(৯৮০০)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : إنَّ أُمِّی تُقْسِمُ عَلَیَّ أَنْ لاَ أُصَلِّیَ بَعْدَ الْمَکْتُوبَۃِ شَیْئًا ، وَلاَ أَصُوم إِلاَّ فَرِیضَۃً ، شَفَقَۃً عَلَیَّ ؟ قَالَ : أَبْرِرْ قَسَمَہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9800) হজরত লাইছ বলেন , আমি হযরত আতা (রা.)- কে জিজ্ঞেস করলাম যে , মা মরিয়ম আমার প্রতি সদয় হয়ে আমাকে শপথ করেছেন যে, আমি ফরজ নামাযের পর আর কোনো নামায পড়ব না এবং কর্তব্য ছাড়া কোনো রোজা রাখব না , এখন কী হল? আমার জন্য আদেশ ? বললেন , তোমার মায়ের শপথ পূরণ করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9801 OK

(৯৮০১)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : سَأَلْتُ مَکْحُولاً عَنْ رَجُلٍ أَصْبَحَ صَائِمًا ، ثُمَّ عَزَمَتْ عَلَیْہِ أُمُّہُ أَنْ یُفْطِرَ ؟ کَأَنَّہُ کَرِہَ ذَلِکَ ، وَقَالَ : یَصُومُ یَوْمًا مَکَانَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9801) হজরত আবদ আল-রহমান বিন ইয়াজিদ বলেন , আমি হজরত মাখুলকে জিজ্ঞেস করলাম , যদি কোনো ব্যক্তি সন্তান প্রসবের পর রোজা রাখে এবং তার মা তাকে রোজা ভাঙতে বলে , তাহলে সে কী করবে ? হজরত মাখুল বললেন, তিনি যেন এই রোজা ভাঙেন এবং এর জায়গায় একদিন কাযা আদায় করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9802 OK

(৯৮০২)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : أَتَتِ امْرَأَۃٌ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : یَا نَبِیَّ اللہِ ، مَا حَقُّ الزَّوْجِ عَلَی زَوْجَتِہِ ؟ قَالَ : لاَ تَصُومُ إِلاَّ بِإِذْنِہِ إِلاَّ الْفَرِیضَۃَ ، فَإِنْ فَعَلَتْ أَثَمَتْ ، وَلَمْ یُقْبَلْ مِنْہَا۔ (ابوداؤد ۱۹۵۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮০২) হজরত ইবনে উমর (রা . ) বলেন , একদা এক মহিলা রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর খেদমতে এসে বললেন , হে আল্লাহর রাসূল ! স্ত্রীর উপর স্বামীর কি অধিকার আছে ? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন , স্বামীর অনুমতি ব্যতীত সে যেন প্রসব পরবর্তী সিয়াম পালন না করে , যদি সে তা করে তবে সে অপরাধী হবে এবং তার এ কর্ম কবুল হবে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9803 OK

(৯৮০৩)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، قَالَ : کَتَبَ إلَیْنَا عُمَرُ أَنَّ الْمَرْأَۃَ لاَ تَصُومُ تَطَوُّعًا ، إِلاَّ بِإِذْنِ زَوْجِہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9803) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহিব বলেন , হজরত উমর (রা.) আমাদের কাছে চিঠি লিখেছিলেন যে , একজন মহিলা তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া প্রসব -পরবর্তী রোজা রাখতে পারবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9804 OK

(৯৮০৪)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لاَ تَصُومُ تَطَوُّعًا وَہُوَ شَاہِدٌ إِلاَّ بِإِذْنِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9804) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , যখন তার স্বামী উপস্থিত থাকে, তখন একজন মহিলা তার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত প্রসব - পরবর্তী রোজা রাখতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9805 OK

(৯৮০৫)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیانَ ، عَنْ أَبِی الزِّنَادِ ، عَنْ مُوسَی بْنِ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّہُ قَالَ : لاَ تَصُومُ الْمَرْأَۃُ إِلاَّ بِإِذْنِ زَوْجِہَا۔ (بخاری ۵۱۹۵۔ مسلم ۸۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(9805) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , কোনো নারী তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া প্রসব - পরবর্তী রোজা রাখতে পারবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9806 OK

(৯৮০৬)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی الْخَلِیلِ ، عَنْ أَبِی قَتَادَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَوْمُ عَرَفَۃَ کَفَّارَۃُ سَنَتَیْنِ : سَنَۃٍ مَاضِیَۃٍ ، وَسَنَۃٍ مُسْتَقْبَلَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9806) হজরত আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আরাফার দিনে রোজা রাখলে তা দুই বছরের গুনাহ অর্থাৎ বিগত বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায় । এবং এটি আসন্ন বছরের পাপ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9807 OK

(৯৮০৭)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَہْدِیِّ بْنِ مَیْمُونٍ ، عَنْ غَیْلاَنَ بْنِ جَرِیرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَعْبَدٍ الزِّمَّانِیِّ ، عَنْ أَبِی قَتَادَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ صِیَامِ عَرَفَۃَ ؟ فَقَالَ : أحْتَسِبُ عَلَی اللہِ کَفَّارَۃَ سَنَتَیْنِ : سَنَۃً مَاضِیَۃً ، وَسَنَۃً مُسْتَقْبَلَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9807) হজরত আবু কাতাদা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আরাফার রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , আর আরাফার রোজাকে দুই বছরের গুনাহের কাফফারা মনে কর । আগের বছরের পাপের জন্য এবং একটি আগামী বছরের পাপের জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9808 OK

(৯৮০৮)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ شُعْبَۃَ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ، عَنْ ہُزَیْلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَۃَ؛ أَنَّہَا کَانَتْ تَصُومُ عَرَفَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮০৮ ) হযরত আয়েশা ও আরাফা রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9809 OK

(৯৮০৯)

সহিহ হাদিস

(۹۸۰۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ ، عَنْ ہُزَیْلٍ ، عَنْ مَسْرُوق ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : مَا مِنَ السَّنَۃِ یَوْمٌ أَحَبُّ إلَیَّ أَنْ أَصُومَہُ مِنْ یَوْمِ عَرَفَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮০৯) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , সারা বছর রোজা রাখার জন্য আমার কাছে সবচেয়ে পছন্দের দিন হল আরাফার দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9810 OK

(৯৮১০)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۰) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِی حَفْصٍ الطَّائِفِیِّ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ سَہْلِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَوْمُ عَرَفَۃَ کَفَّارَۃُ سَنَتَیْنِ۔ (ابویعلی ۷۵۴۸۔ طبرانی ۵۹۲۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(9810) হজরত সাহল ইবনে সাদ ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা. ) বলেছেন , আরাফার রোজা দুই বছরের গুনাহের কাফফারা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9811 OK

(৯৮১১)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّہُ کَانَ یَصُومُ عَرَفَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9811) হযরত কাসিম আরাফায় রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9812 OK

(৯৮১২)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۲) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ ، عَنْ أَبِی الْعَلاَئِ ، عَنْ أَبِی ہَاشِمٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ فِی صَوْمِ عَرَفَۃَ فِی الْحَضَرِ: إذَا کَانَ فِیہِ اخْتِلاَفٌ فَلاَ یَصُومَنَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9812 ) হজরত ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে আমি আরাফার রোজা সম্পর্কে বলি যে , তাদের মধ্যে পার্থক্য থাকলে রোজা রাখা একেবারেই উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9813 OK

(৯৮১৩)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا لاَ یَرَوْنَ بِصَوْمِ عَرَفَۃَ بَأْسًا ، إِلاَّ أَنْ یَتَخَوَّفُوا أَنْ یَکُونَ یَوْمَ الذَّبْحِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৮১৩) হজরত ইব্রাহিম বলেন, সালাফীরা আরাফার রোজা রাখলে কোনো দোষ ছিল বলে মনে করতেন না , তবে যদি তারা এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হন । যদি ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে , তাহলে ওই দিন রোজা রাখা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9814 OK

(৯৮১৪)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، أَنَّ عَائِشَۃَ قَالَتْ : إنَّ صَوْمَ عَرَفَۃَ کَفَّارَۃُ نِصْفِ سَنَۃٍ ، قَالَ : وَقَالَ مُجَاہِدٌ ، قَالَ فُلاَنٌ : کَفَّارَۃُ سَنَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9814) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন , আরাফার রোজা অর্ধ বছরের গুনাহের কাফফারা । হযরত মুজাহিদ বলেন , এটি এক বছরের গুনাহের প্রায়শ্চিত্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9815 OK

(৯৮১৫)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ الطَّوِیلُ ، قَالَ : ذُکِرَ عِنْدَ الْحَسَنِ أَنَّ صِیَامَ عَرَفَۃَ یَعْدِلُ صِیَامَ سَنَۃٍ ، فَقَالَ الْحَسَنُ : مَا أَعْلَمُ لِیَوْمٍ فَضْلاً عَلَی یَوْمٍ ، وَلاَ لِلَیْلَۃٍ عَلَی لَیْلَۃٍ ، إِلاَّ لَیْلَۃَ الْقَدْرِ فَإِنَّہَا خَیْرٌ مِنْ أَلْفِ شَہْرٍ ، وَلَقَدْ رَأَیْتُ عُثْمَانَ بْنَ أَبِی الْعَاصِ صَامَ یَوْمَ عَرَفَۃَ ، یَرُشُّ عَلَیْہِ الْمَائَ مِنْ إدَاوَۃٍ مَعَہُ ، یَتَبَرَّدُ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮১৫) হজরত হামিদ আল - তাওয়ায়েল বলেন , একবার হজরত হাসানের কাছে উল্লেখ করা হয়েছিল যে , আরাফার রোজা রাখার সওয়াব এক বছরের রোজার সমান । একথা শুনে হজরত হাসান বললেন , আমি মনে করি না যে , একদিনের ওপর অন্য দিনের কোনো ফজিলত আছে । আর লাইলাতুল কদর ব্যতীত দু’টি রাতের কোনোটিতেই কেউ কোনো অনুগ্রহ পায় না ।কদরের রাত হাজার রাতের চেয়ে উত্তম । আমি হজরত উসমান ইবনে আবি আল -আস (রা.)- কে দেখেছি যে, তিনি আরাফার দিনে রোজা রাখতেন এবং প্রচণ্ড গরমে তাকে ঠান্ডা করার জন্য তার ওপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9816 OK

(৯৮১৬)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ ثَابِتٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا أَیُّوبَ الأَنْصَارِیَّ یَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ، ثُمَّ أَتْبَعَہُ بِسِتَّۃِ أَیامٍ مِنْ شَوَّالٍ فَقَدْ صَامَ الدَّہْرَ ، أَوْ فَکَأَنَّمَا صَامَ الدَّہْرَ۔ (ترمذی ۷۵۹۔ ابوداؤد ۲۴۲۵)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮১৬) হজরত আবু আইয়ুব আনসারী ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল , সে শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল , সে যেন একটি রোজা রাখল সারা বছর .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9817 OK

(৯৮১৭)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۷) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا ذُکِرَ عِنْدَہُ السِّتَّۃُ الأَیَّامُ الَّتِی یَصُومُہَا بَعْضُ النَّاسِ بَعْدَ رَمَضَانَ تَطَوُّعًا ، قَالَ : یَقُولُ : لَقَدْ رَضِیَ اللَّہُ عَزَّ وَجَلَّ بِہَذَا الشَّہْرِ لِلسَّنَۃِ کُلِّہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৮১৭) হজরত আবু মুসা (রা.) বলেন , হজরত হাসানের সামনে রমজানের পর ছয়টি নফল রোজা রাখার কথা বলা হলে তিনি বলতেন , এ মাসের রোজা রাখার জন্য আল্লাহ তায়ালা সারা বছরের রোজাদের সওয়াব দেবেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9818 OK

(৯৮১৮)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : قَالَتْ عَائِشَۃُ : إِنْ کَانَ لَیَکُونُ عَلَیَّ الصَّوْمُ مِنْ شَہْرِ رَمَضَانَ ، فَمَا أَقْضِیہ حَتَّی یَأْتِیَ شَعْبَانُ۔ (بخاری ۱۹۵۰۔ مسلم ۱۵۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৮১৮) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রমজানের রোজা আমার ওপর ফয়সালা করতে হবে । তিনি শাবান মাসে এই রোজা রাখতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9819 OK

(৯৮১৯)

সহিহ হাদিস

(۹۸۱۹) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنِ السُّدِّیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ الْبَہِیِّ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : مَا کُنْت أَقْضِی مَا یَبْقَی عَلَیَّ مِنْ رَمَضَانَ فِی حَیَاۃِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إِلاَّ فِی شَعْبَانَ۔ (ترمذی ۷۸۳۔ احمد ۶/۱۷۹)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮১৯ ) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর জীবদ্দশায় তিনি শা’বান মাসে রমজানের রোজা কাযা করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9820 OK

(৯৮২০)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِیزِ بْنُ عُمَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی مَنْ لاَ أَتَّہِمُ ، عَنْ عُبَادَۃَ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا رَأَی الْہِلاَلَ ، قَالَ : اللَّہُ أَکْبَرُ اللَّہُ أَکْبَرُ ، الْحَمْدُ لِلَّہِ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّۃَ إِلاَّ بِاللَّہِ ، اللَّہُمَّ إنِّی أَسْأَلُک خَیْرَ ہَذَا الشَّہْرِ ، وَأَعُوذُ بِکَ مِنْ شَرِّ الْقَدَرِ ، وَمِنْ شَرِّ یَوْمِ الْحَشْرِ۔ (دارمی ۱۶۸۷۔ ابن حبان ۸۸۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮২০ ) হজরত উবাদা ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) চাঁদ দেখতে পেলে এই দোয়াটি পড়তেন (অনুবাদ) : আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। . পাপ থেকে বাঁচার শক্তি এবং নেক আমল করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর । হে আল্লাহ! আমি তোমার সাথে এটা করেছি আমি মঙ্গল কামনা করছি , আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই ভাগ্যের অনিষ্ট থেকে এবং সৎ জাতির দিনের বিপর্যয় থেকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9821 OK

(৯৮২১)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۱) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَۃَ ، قَالَ : انْصَرَفْتُ مَعَ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ مِنَ الْمَسْجِدِ فَقُلْنَا : ہَذَا الْہِلاَلُ ، یَا أَبَا مُحَمَّدٍ ، فَلَمَّا أَبْصَرَہُ ، قَالَ : آمَنْتُ بِالَّذِی خَلَقَک فَسَوَّاک فَعَدَلَک ، ثُمَّ الْتَفَتَ إلَیَّ ، فَقَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا رَأَی الْہِلاَلَ قَالَ ہَکَذَا۔ (عبدالرزاق ۷۳۵۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮২১ ) হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে হারমালা বলেন , আমি হজরত সাঈ ইবনে মুসায়েবের সঙ্গে মসজিদ থেকে বের হলাম , তখন আমরা বললাম, হে আবু মুহাম্মাদ! সে চাঁদ দেখেছে ! যখন তিনি চাঁদ খেয়েছিলেন , তখন তিনি বলেছিলেন ( অনুবাদ ) আমি সেই প্রভুতে বিশ্বাস করি যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন , তোমাকে সমান করেছেন এবং তোমার আকার সমান করেছেন অতঃপর তিনি মারইয়ামের দিকে ফিরে বললেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাঁদ দেখে এ কথাগুলো বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9822 OK

(৯৮২২)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا رَأَی أَحَدُکُمُ الْہِلاَلَ فَلاَ یَرْفَعْ بِہِ رَأْسَہ ، إنَّمَا یَکْفِی مِنْ أَحَدِکُمْ أَنْ یَقُولَ : رَبِّی وَرَبُّک اللَّہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9822) হজরত আলী বলেন , যখন তোমাকে আমার পক্ষ থেকে চাঁদ দেওয়া হবে , তখন মাথা তুলবেন না , তোমার জন্য এটাই যথেষ্ট যে আল্লাহ আমার এবং তোমার প্রভু ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9823 OK

(৯৮২৩)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۳) حَدَّثَنَا فُضَیْلُ بْنُ عِیَاضٍ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا رَأَیْت الْہِلاَلَ فَقُلْ : رَبِّی وَرَبُّک اللَّہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৮২৩) হজরত ইবরাহীম বলেন , যখন তুমি চাঁদ দেখবে , তখন বলবে, আমার ও তোমার প্রভু আল্লাহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9824 OK

(৯৮২৪)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، أَنَّ عَلِیًّا کَانَ یَقُولُ إذَا رَأَی الْہِلاَلَ : اللَّہُمَّ ارْزُقْنَا نَصْرَہُ وَخَیْرَہُ وَبَرَکَتَہُ وَفَتْحَہُ وَنُورَہُ ، نَعُوذُ بِکَ مِنْ شَرِّہِ وَشَرِّ مَا بَعْدَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৮২৪) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত আলী যখন চাঁদ দেখতেন , তখন তিনি এই কথাগুলো বলতেন (অনুবাদ) : হে আল্লাহ ! আমাদের সাহায্য, কল্যাণ , আশীর্বাদ , বিজয় এবং আলো দান করুন । আমরা আপনার আশ্রয় চাই এই চাঁদের অনিষ্ট থেকে এবং এর পরের অনিষ্ট থেকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9825 OK

(৯৮২৫)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ رَجُلٍ مِنَ النَّخَعِ ، عَنْ أَبِی مَسْعُودٍ الْبَدْرِیِّ ، قَالَ : لأَنْ أَخِرَّ مِنْ ہَذَا الْقَصْرِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَفْعَلَ کَمَا یَفْعَلُونَ ، إذَا رَأَی أَحَدُکُمُ الْہِلاَلَ کَأَنَّمَا یَرَی رَبَّہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৮২৫ ) হজরত আবু মাসউদ বদরী বলেন , আমি বরং এই প্রাসাদ থেকে মুখের ওপর পড়ে যাবো যে , আমি তাদের বিশ্বাস রাখব , যারা বলে যে , তোমাদের কেউ যখন চাঁদ দেখবে , সে যেন মনে করে যে সে তার রবকে দেখছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9826 OK

(৯৮২৬)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۶) حَدَّثَنَا حُسَین بْنُ عَلِیٍّ ، قَالَ : سَأَلْتُ ہِشَامَ بْنَ حَسَّانَ : أَیُّ شَیْئٍ کَانَ الْحَسَنُ یَقُولُ إذَا رَأَی الْہِلاَلَ ؟ قَالَ : کَانَ یَقُولُ : اللَّہُمَّ اجْعَلْہُ شَہْرَ بَرَکَۃٍ وَنُورٍ وَأَجْرٍ وَمُعَافَاۃٍ ، اللَّہُمَّ إنَّک قَاسِمٌ بَیْنَ عِبَادِکَ فِیہِ خَیْرًا ، فَاقْسِمْ لَنَا فِیہِ مِنْ خَیْرِ مَا تُقْسِمُ فِیہِ بَیْنَ عِبَادِکَ الصَّالِحِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৮২৬) হজরত হুসাইন ইবনে আলী বলেন , আমি হজরত হিশাম ইবনে হাসানকে জিজ্ঞেস করলাম , হজরত হাসান চাঁদের দিকে তাকিয়ে কোন দোয়া পড়তেন ? তিনি বলেন , তিনি বলতেন ( অনুবাদ ) হে আল্লাহ! এ মাসকে বরকত , আলো , সওয়াব ও মাগফেরাতের উৎস করে নাও । হে আল্লাহ! তাই তিনি তার বান্দাদের মধ্যে ভালো জিনিস বণ্টন করেন সুতরাং আমাদের মধ্যে ভালোকে এভাবে বণ্টন করুন , যেভাবে তিনি তা তাঁর নেক বান্দাদের মধ্যে বণ্টন করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9827 OK

(৯৮২৭)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۷) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ جُرَیْجٍ فَذَکَرَ ، عَنْ عَطَائٍ : أَنَّ رَجُلاً أَہَلَّ ہِلاَلاً بِفَلاَۃٍ مِنَ الأَرْضِ ، قَالَ : فَسَمِعَ قَائِلاً یَقُولُ : اللَّہُمَّ أَہِلَّہُ عَلَیْنَا بِالأَمْنِ وَالإِیمَانِ ، وَالسَّلاَمَۃِ وَالإِسْلاَمِ ، وَالْہُدَی وَالْمَغْفِرَۃِ ، وَالتَّوْفِیقِ لِمَا تَرْضَی ، وَالْحِفْظِ مِمَّا تَسْخَطُ ، رَبِّی وَرَبُّک اللَّہُ ، قَالَ : فَلَمْ یَزَلْ یُلْقیہنَّ حَتَّی حَفِظْتُہُنَّ ، وَمَا أرََی أَحَدًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9827 ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , হজরত আতা (রা.) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে , তিনি মরুভূমিতে চাঁদ দেখে এই কথাগুলো বলেছেন । অনুবাদ ) হে আল্লাহ ! এই চাঁদকে আমাদের উপর শান্তি ও বিশ্বাস , নিরাপত্তা ও শান্তি , হেদায়েত ও ক্ষমা এবং যা আপনাকে খুশি করে তা দিয়ে আমাদেরকে রক্ষা করুন এবং আপনি যা অসন্তুষ্ট করেন তার কারণ আমি । মীরা ও তেরে প্রভু আল্লাহ । হজরত আতা বলেন , তিনি এ কথাগুলো বলতে থাকলেন যতক্ষণ না আমি সেগুলো উচ্চারণ করলাম করা হয়েছে . এই কথাগুলো কাউকে বলিনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9828 OK

(৯৮২৮)

সহিহ হাদিস

(۹۸۲۸) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ یُعْجِبُہُمْ إذَا رَأَی الرَّجُلُ الْہِلاَلَ أَنْ یَقُولَ : رَبِّی وَرَبُّک اللَّہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9828 ) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) এক ব্যক্তিকে দেখে খুব পছন্দ করলেন এবং এক ব্যক্তিকে এই কথাগুলো বললেন , আমার প্রভু আমার এবং আপনার ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৮২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস