
(۹۵۵۹) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، قَالَ : شَہِدْتُ الْمَدِینَۃَ فِی ہِلاَلِ صَوْمٍ ، أَوْ إفْطَارٍ ، فَلَمْ یَشْہَدْ عَلَی الْہِلاَلِ إِلاَّ رَجُلٌ ، فَأَمَرَہُمُ ابْنُ عُمَرَ فَقَبِلُوا شَہَادَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৫৯ ) হজরত আবদুল মুলক ইবনে মায়সারা বলেন , আমি রমজান মাসের চাঁদ দেখিনি বা আশওয়ালের মাঝখানে আমিই একমাত্র সাক্ষী হজরত ইবনে উমর ( রা . ) তার সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۰) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : جَائَ أَعْرَابِیٌّ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنِّی رَأَیْتُ الْہِلاَلَ اللَّیْلَۃَ ، قَالَ : تَشْہَدُ أَنْ لاَ إلَہَ إِلاَّ اللَّہُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عبْدُہُ وَرَسُولُہُ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، قَالَ : یَا بِلاَلُ ، نَادِ فِی النَّاسِ ، فَلیَصُومُوا غَدًا۔ (ترمذی ۶۹۱۔ ابوداؤد ۲۳۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৬০) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , একদা তাঁর হাত মহানবী ( সা . ) - এর কাছে এসে বললেন , আমি গতকাল চাঁদ দেখেছি । তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন , তিনি কি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল ? সে হ্যাঁ বলেছে . নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন , হে বিলাল , লোকদেরকে ঘোষণা কর যে, তারা যেন আগামীকাল রোজা রাখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : قَدِمَ عَلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجُلاَن وَافِدَان أَعْرَابِیَّان ، فَقَالَ لَہُمَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَمُسْلِمَانِ أَنْتُمَا ؟ قَالاَ : نَعَمْ ، فَقَالَ لَہُمَا : أَہْلَلْتُمَا ؟ قَالاَ : نَعَمْ ، فَأَمَرَ النَّاسَ فَفطِرُوا ، أَوْ صَامُوا۔ (دارقطنی ۱۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৬১ ) হজরত আবু উসমান বলেন , একবার দুইজন মহিলা একত্রিত হয়ে মহানবী ( সা . ) - এর খেদমতে আসেন । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন , তোমরা উভয়েই কি মুসলমান? সে হ্যাঁ বলেছে . নবী (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন , তোমরা কি চাঁদ খেয়েছ ? সে হ্যাঁ বলেছে . মহানবী ( সা . ) মানুষকে রোজা রাখার বা ঈদ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۲) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ فِی الْہِلاَلِ قَالَ : إذَا شَہِدَ رَجُلاَنِ ذَوَا عَدْلٍ عَلَی رُؤْیَۃِ الْہِلاَلِ فَأَفْطِرُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৬২ ) হজরত আলী অর্ধচন্দ্র দেখা সম্পর্কে বলেন , যদি দুইজন নেককার লোক চাঁদ দেখা যায় তাহলে ঈদ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۳) حَدَّثَنَا الضَّحَّاکُ بْنُ مَخلَدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، قَالَ : أَبَی عُثْمَانُ أَنْ یُجِیزَ شَہَادَۃَ ہَاشِمِ بْنِ عُتبۃَ ، أَوْ غَیْرِہِ ، عَلَی رُؤْیَۃِ الْہِلاَلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৬৩) হজরত আমর ইবনে দীনার বলেন , অর্ধচন্দ্র দেখার বিষয়ে হজরত উসমান ( রা . ) হাশিম ইবনে উতবার সাক্ষ্য গ্রহণ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی الرَّجُلِ یَرَی الْہِلاَلَ وَحْدَہُ قَبْلَ النَّاسِ ، قَالَ : لاَ یَصُومُ إِلاَّ مَعَ النَّاسِ ، وَلاَ یُفْطِرُ إِلاَّ مَعَ النَّاسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৬৪) যে ব্যক্তি একটি চাঁদ খেয়েছে তার সম্পর্কে হজরত হাসান বলেন , সে যেন মানুষের সঙ্গে রোজা রাখে এবং মানুষের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۵) حَدَّثَنَا الضَّحَّاکُ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الْحَسَنِ؛ فِی رَجُلٍ شَہِدَ عَلَی رُؤْیَۃِ الْہِلاَلِ وَحْدَہُ، قَالَ: لاَ یُلْتَفَتُ إلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৬৫ ) যে ব্যক্তি একা চাঁদ খায় সে সম্পর্কে হজরত হাসান বলেন , তার চেহারার প্রতি তার নজর পড়বে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، قَالَ : کُنَّا بِخَانِقِینَ ، فَأَہْلَلْنَا ہِلاَلَ رَمَضَانَ ، فَمِنَّا مَنْ صَامَ وَمِنَّا مَنْ أَفْطَرَ ، فَأَتَانَا کِتَابُ عُمَرَ : أَنَّ الأَہِلَّۃَ بَعْضُہَا أَکْبَرُ مِنْ بَعْضٍ ، فَإِذَا رَأَیْتُمُ الْہِلاَلَ نَہَارًا فَلاَ تُفْطِرُوا ، إِلاَّ أَنْ یَشْہَدَ رَجُلاَنِ مُسْلِمَانِ أَنَّہُمَا أَہَلاَّہُ بِالأَمْسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৬৬) হজরত আবু ওয়াইল বলেন , আমরা খানাকীন নামক স্থানে ছিলাম তখন হজরত ওমর (রা.)- এর কাছ থেকে আমাদের কাছে একটি চিঠি এলো যাতে লেখা ছিল যে, কিছু চাঁদ অন্যের চেয়ে বড় । যখন আপনি দিনের বেলায় চাঁদ খাবেন , তখন রোজা ভঙ্গ করবেন না যতক্ষণ না দুই মুসলিম সাক্ষ্য দেয় যে তারা আগের দিন চাঁদ খেয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۷) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُہَاجِرٍ ؛ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ سُوَیْد الْفِہْرِیَّ أَفْطَرَ ، أَوْ ضَحَّی قَبْلَ النَّاسِ بِیَوْمٍ ، فَکَتَبَ إلَیْہِ عُمَرُ بْنُ عَبْدِالْعَزِیزِ: مَا حَمَلَک عَلَی أَنْ أَفْطَرْت قَبْلَ النَّاسِ؟ فَکَتَبَ إلَیْہِ مُحَمَّدٌ: إِنَّہُ شَہِدَ عِنْدِی حِزَامُ بْنُ حَکِیمٍ الْقُرَشِیُّ أَنَّہُ رَأَی الْہِلاَلَ ، فَکَتَبَ إلَیْہِ عُمَرُ: أَوْ أَحَدُ النَّاسِ، أَوْ ذُو الْیَدَیْنِ: ہُوَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৬৭ ) হজরত আমর ইবনে মাহাজির বলেন , মুহাম্মাদ ইবনে সুওয়াইদ ফাহরি মানুষের একদিন আগে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছিলেন । হজরত উমর বিন আবদ আল আজিজ তাকে একটি চিঠি লিখে এর কারণ জানতে চাইলে মুহাম্মদ তাকে একটি চিঠি লিখে বলেছিলেন যে হিজাম বিন হাকিম কোরেশি আমার সামনে চাঁদ দেখেছেন বলে সাক্ষ্য দিয়েছেন । ডি হজরত উমর বিন আবদুল আযীয তাকে একটি চিঠি লিখেছিলেন যে , একজন ব্যক্তির সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ? তারা কি দুজন মানুষের সমান হতে পারে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ ؛ أَنَّ قَوْمًا شَہِدُوا عَلَی ہِلاَلِ رَمَضَانَ بَعْدَ مَا أَصْبَحَ النَّاسُ ، فَقَالَ : مَنْ لَمْ یَأْکُلْ فَلْیُتِمَّ صَوْمَہُ ، وَمَنْ أَکَلَ فَلْیَصُمْ بَقِیَّۃَ یَوْمِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৬৮ ) হজরত আবদুল লাকারিম বলেন , হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজের আমলে লোকেরা দিনের বেলা চাঁদ দেখেছিল , আমরা গত রাতে চাঁদ দেখেছিলাম হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ বলেন , যে খায়নি সে যেন রোজা পূর্ণ করে এবং যে খায় সে যেন থাকে । তারা দিনের বেলা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۶۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَطَائٍ : أَرَأَیْتَ إِنْ أَصْبَحَ أَہْلُ مَکَّۃَ مُفْطِرِینَ ، أَوْ رَجُلٌ ، أَوْ رَجُلاَنِ ، ثُمَّ جَائَہُمْ أَنْ قَدْ رُئِیَ الْہِلاَلُ ، فَجَائَہُمُ الْخَبَرُ بِذَلِکَ مِنْ أَوَّلِ النَّہَارِ ، أَوْ مِنْ آخِرِ النَّہَارِ، کَانُوا یَصُومُونَ بَقِیَّۃَ یَوْمِہِمْ ، أَوْ یَقْضُونَہُ بَعْدُ ؟ قَالَ : یَأْکُلُونَ وَیَشْرَبُونَ إِنْ شَاؤُوا ، وَلَمْ یُوجِبْ عَلَیْہِمْ أَنْ یَصُومُوا بَقِیَّتہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9569) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হজরত আতাকে বললাম , যদি মক্কার কিছু লোক সকালে রোজা না রাখে , হ্যা অথবা দুজন লোক রোজা না রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে , তারপর কিছুক্ষণ পর একজন লোক এসে বলে যে , কাল রাতে চাঁদ দেখা গেছে । যদি চরম অংশ এসে যায় , তাহলে বাকি দিন রোজা রাখতে হবে । বা পরে আমি এই দ্রুত বিচার করব . তিনি বলেন , তারা চাইলে খাওয়া - দাওয়া চালিয়ে যেতে পারে এবং বাকি দিন রোজা রাখা তাদের জন্য জরুরী নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا أَمْنَی الصَّائِمُ فَقَدْ أَفْطَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৭০) হযরত আতা বলেন , রোজাদারের বীর্য বের হলে রোজা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا أَمْنَی الصَّائِمُ أَفْطَرَ ، قُلْتُ : یُکَفِّرُ کَفَّارَۃَ الْمَنِیِّ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৭১ ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , রোজাদারের বীর্য বের হলে রোজা ভেঙ্গে যায় । আমি বললাম , সে কি বীর্যপাতের প্রায়শ্চিত্ত করবে ? সে হ্যাঁ বলেছে.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۲) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا قَبَّلَ ، أَوْ لَمَسَ وَہُوَ صَائِمٌ فَأَمْنَی ، فَہُوَ بِمَنْزِلَۃِ الْمُجَامِعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৭২ ) হজরত হাসান বলেন , কেউ রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করলে যদি আপনি তাকে স্পর্শ করেন এবং তার বীর্য বেরিয়ে আসে , তবে এটি যৌন মিলন বলে গণ্য হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ ہَرِمٍ ، قَالَ : سُئِلَ جَابِرُ بْنُ زَیْدٍ عَنْ رَجُلٍ نَظَرَ إلَی امْرَأَتِہِ فِی رَمَضَانَ ، فَأَمْنَی مِنْ شَہْوَتِہَا ، ہَلْ یُفْطِرُ ؟ قَالَ : لاَ ، وَیُتِمُّ صَوْمَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৭৩ ) হজরত জাবির ইবনে যায়েদকে জিজ্ঞেস করা হলো , রমজানে কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এবং কাম- বাসনার কারণে তার বীর্য বের হয় তাহলে কি তার রোজা ভেঙ্গে যাবে ? তিনি বলেননি , তার রোজা পূর্ণ করুক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ؛ فِی الصَّائِمِ یُلاَعِبُ امْرَأَتَہُ حَتَّی یُمْذِیَ ، أَوْ یُودِیَ ، قَالَ : لاَ یُوجِبُ عَلَیْہِ الْقَضَائَ إِلاَّ مَا أَوْجَبَ عَلَیْہِ الْغُسْلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9574 ) হজরত আমীর বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি রোজা অবস্থায় তার স্ত্রীর সাথে শ্লীলতাহানি করে এবং তার অযু বের হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া পর্যন্ত তা ওয়াজিব হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۵) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إِنْ أَمْنَی الصَّائِمُ أَفْطَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৭৫) হযরত আতা বলেন , রোজাদারের বীর্য বের হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ مَرَّۃً : عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ (ح) وَعَنْ حُرَیْثٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ، قَالاَ : إِنْ کَانَ لِغَیْرِ الصَّلاَۃِ قَضَی ، وَإِنْ کَانَ لِلصَّلاَۃِ فَلاَ قَضَائَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৭৬) হজরত ইবনে আব্বাস ও হজরত শাবি বলেন , তিনি যদি নামায ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে অজু করে থাকেন , তাহলে সে রোযার কাযা হবে । যদি সে নামাযের জন্য অযু করে থাকে তাহলে তার উপর কাযা আবশ্যক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إذَا مَضْمَضَ وَہُوَ صَائِمٌ ، فَدَخَلَ حَلْقَہُ شَیْئٌ لَمْ یَتَعَمَّدْہُ فَلَیْسَ عَلَیْہِ شَیْئٌ ، یُتِمُّ صَوْمَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৭৭) হযরত হাসান ( রাঃ ) বলতেন যে, রোযা থাকা অবস্থায় যদি কেউ প্রস্রাব করে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে তার গলা দিয়ে পানি চলে যায় তবে তার উপর কোন কিছু ওয়াজিব নয় তিনি রোজা পূরণ করবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الخَالِق ، عَنْ حَمَّادٍ ؛ فِی الصَّائِمِ یُمَضْمِضَ ، فَدَخَلَ الْمَائُ حَلْقَہُ ، قَالَ : إِنْ کَانَ وُضُوء اً وَاجِبًا فَلَیْسَ عَلَیْہِ شَیْئٌ ، وَإِنْ کَانَ مَضْمَضَ عَنْ غَیْرِہِ فَإِنَّہُ یُعِیدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৭৮) হজরত হাম্মাদ (রা) বলেন , কুলি করার সময় রোজাদারের গলা দিয়ে পানি প্রবাহিত হলে যদি ওযু ওয়াজিব হয়ে থাকে , তাহলে তার ওপর কিছুই আবশ্যক নয় । অন্য কোনো কারণে রোজা রাখলে আবার রোজা রাখবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۷۹) حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ إنْسَانٌ لِعَطَائٍ : اسْتَنْثرتُ فَدَخَلَ الْمَائُ حَلْقِی ، فَلاَ بَأْسَ ؟ قَالَ : لاَ بَأْسَ ، لَمْ تَمْلِکْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9579 ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত আতা (রা.)- কে জিজ্ঞেস করলেন যে, তিনি নাক পরিষ্কার করছেন এবং গলা দিয়ে পানি পড়ছিল । এতে আমার কোনো দোষ নেই । তিনি বললেন , এতে দোষের কিছু নেই , এতে আপনার কোনো কর্তৃত্ব নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی حَنِیفَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الصَّائِمِ یَتَوَضَّأُ فَیَدْخُلُ حَلْقَہُ مِنْ وَضُوئِہِ ، قَالَ : إِنْ کَانَ ذَاکِرًا لِصَوْمِہِ فَعَلَیْہِ الْقَضَائُ ، وَإِنْ کَانَ نَاسِیًا فَلاَ شَیْئَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9580) হজরত ইব্রাহিম (আ.) রোজাদার সম্পর্কে বলেন , যার গলা ওযুর পানিতে ভরে যায় , যদি রোজা রাখার কথা মনে পড়ে , তাহলে সে কাযা আদায় করে নেবে এবং যদি রোজা মনে না থাকে, তাহলে কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ ہَرِمٍ ، قَالَ : سُئِلَ جَابِرُ بْنُ زَیْدٍ عَنْ رَجُلٍ کَانَ صَائِمًا فَتَوَضَّأَ ، فَسَبَقَہُ الْمَائُ إلَی حَلْقِہِ ، یُفْطِرُ ؟ قَالَ : لاَ ، وَلْیُتِمَّ صِیَامَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৮১) হজরত আমর ইবনে হারাম বলেন , হজরত জাবির ইবনে যায়েদ (রা.) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, যদি কোনো ব্যক্তি রোজা রাখে এবং অযু করার সময় তার গলায় পানি প্রবেশ করে তাহলে কি তার রোজা ভেঙ্গে যাবে ? তিনি বলেননি , রোজা পূর্ণ করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ مُجَالِدٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ ، وَعُمَرُ یَنْہَیَانِ عَنْ صَوْمِ الیَوْمٍ الَّذِی یُشَکُّ فِیہِ مِنْ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৫৮২) হজরত আলী ও হজরত ওমর ( রা .) এমন কোনো দিনে রোজা রাখতে নিষেধ করতেন যে দিনটি রমজানের দিন কিনা সন্দেহ রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی الضَّرِیسِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : لأَنْ أُفْطِرَ یَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ ، ثُمَّ أَقْضِیَہُ ، أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَزِیدَ فِیہِ مَا لَیْسَ مِنہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9583 ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , আমি রমজানের যে কোনো রোজা বাদ দিতাম এবং পরে তা পূরণ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ حَکِیمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ یَقُول : لَوْ صُمْت السَّنَۃَ کُلَّہَا لأَفْطَرْتُ الْیَوْمَ الَّذِی یُشَکُّ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৮৪ ) হযরত ইবনে উমর ( রাঃ ) বলতেন যে , আমি সারা বছর রোজা রাখলেও সেই দিন রোজা রাখব না যেটা রমজানের রোজা আছে কি না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، وَعَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : قَالَ الضَّحَّاکُ بْنُ قَیْسٍ : لَوْ صُمْتُ السَّنَۃَ کُلَّہَا ، مَا صُمْتُ الْیَوْمَ الَّذِی یُشَکُّ فِیہِ مِنْ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৮৫ ) হযরত দাহহাক বিন কায়স বলেন , আমি সারা বছর রোজা রাখলেও যে দিনে আমার সন্দেহ আছে যে , তা রমজানের রোজা নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ مَوْلاَۃٍ لِسَلَمَۃَ بِنْتِ حُذَیْفَۃَ ، عَنْ بِنْتِ حُذَیْفَۃَ قَالَتْ : کَانَ حُذَیْفَۃُ یَنْہَی عَنْ صَوْمِ الیَوْمِ الَّذِی یُشَکُّ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৫৮৬ ) হযরত বিনতে হুজাইফাহ বলেন , হযরত হুজাইফা রা সন্দেহের বশে তারা রোজা রাখতে নিষেধ করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَہْدِیِّ بْنِ مَیْمُونٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : أَصْبَحْنَا یَوْمًا بِالْبَصْرَۃِ ، وَلَسْنَا نَدْرِی عَلَی مَا نَحْنُ فِیہِ مِنْ صَوْمِنَا فِی الْیَوْمِ الَّذِی یُشَکُّ فِیہِ ، فَأَتَیْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ ، فَإِذَا ہُوَ قَدْ أَخَذَ خزیرۃ کَانَ یَأْخُذُہَا قَبْلَ أَنْ یَغْدُوَ ، ثُمَّ غَدَوْا ، ثُمَّ أَتَیْتُ أَبَا السَّوَّارِ الْعَتَکِیَّ فَدَعَا بِغَدَائِہِ ، ثُمَّ تَغَدَّی ، ثُمَّ أَتَیْتُ مُسْلِمَ بْنَ یَسَارٍ فَوَجَدْتُہُ مُفْطِرًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9587 ) হজরত মুহাম্মদ বিন সিরীন বলেন , আমরা মাদী ছিলাম না এবং শাবানের 30 তারিখে একই সন্দেহের সম্মুখীন হয়েছিলাম । সেদিন রোজা আছে কি নেই তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না । তাই আমরা হজরত আনাস বিন মালিকের কাছে এলাম, তিনি খুজাইরা রা.- এর খাবার খাচ্ছিলেন , যিনি রাতের খাবার খাওয়ার আগে খেতেন । এরপর সেখানে উপস্থিত সকলে আহার করেন । অতঃপর আমি আবু সাওয়ার আদভীর কাছে এলাম এবং তিনিও তার খাবারের আদেশ দিলেন । অতঃপর আমি হযরত মুসলিম বনী সার - এর কাছে এলাম এবং দেখলাম তিনিও রোজা রাখছেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۵۸۸) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، وَالشَّعْبِیِّ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : لاَ تَصُمْ إِلاَّ مَعَ جَمَاعَۃِ النَّاسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9588) হজরত ইব্রাহিম ও হজরত শাবি বলেন , একদল লোকের সঙ্গে রোজা রাখা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৫৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস