(৫) ( 9894 ) এটি ইবনে ফুযী দ্বারা বর্ণিত হয়েছে , মুগীর সূত্রে , ইবরাহীমের সূত্রে , তিনি বলেছেন : ইয়া উম্মা মাকানাহ এবং ইয়া স্তাগফির রাব্বাহ [হাদিসের সীমা (৮৯৫৯-৯৮৯৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৯৩৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৪৫৬টি]



9439 OK

(৯৪৩৯)

সহিহ হাদিস

(۹۴۳۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ لِرَجُلٍ وَقَعَ عَلَی أَہْلِہِ فِی رَمَضَانَ : إِنْ کَانَ فَجَرَ ظَہْرُک ، فَلاَ یَفْجُرْ بَطْنُک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৩৯ ) হজরত কাতাদা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে স্ত্রীর সাথে সহবাসকারীকে বলেছেন , যদি তোমার কোমর গুনাহ হয়ে থাকে , তাহলে তোমার পেট যেন গুনাহ না করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9440 OK

(৯৪৪০)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الَّذِی یُصِیبُ أَہْلَہُ ، یَعْنِی فِی شَہْرِ رَمَضَانَ ، قَالَ : إِنْ شَائَ أَکَلَ وَشَرِبَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৪০) রমজান মাসে যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে সে সম্পর্কে হজরত আতা বলেন , সে চাইলে খেতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9441 OK

(৯৪৪১)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَمْرِو بْنِ دِینَارٍ : أَلَیْسَ کَذَا یُقَالُ فِی الَّذِی یُصِیبُ أَہْلَہُ فِی رَمَضَانَ ، لِیُتِمَّ ذَلِکَ الْیَوْمَ وَیَقْضِیہ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৪১ ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি আমর ইবনে দীনারকে বললাম যে , রমজানে স্ত্রী সহবাস করলে নাকি এ দিন পূর্ণ করে কাযা আদায় করতে হবে ? এটা কি সঠিক ? সে হ্যাঁ বলেছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9442 OK

(৯৪৪২)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۲) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: کَانَ یَقُولُ: إذَا غَشِیَ لاَ یُبَالِی أَکَلَ، أَوْ لَمْ یَأْکُلْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৪২ ) হযরত হাসান ( রাঃ ) বলতেন , কোন পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে সে খায় কি না খায় তার পরোয়া করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9443 OK

(৯৪৪৩)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَیْفِیٍّ ، قَالَ : قَالَ لَنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ عَاشُورَائَ : مِنْکُمْ أَحَدٌ طَعِمَ الْیَوْمَ ؟ فَقُلْنَا : مِنَّا مَنْ طَعِمَ ، وَمِنَّا مَنْ لَمْ یَطْعَمْ ، قَالَ : فَقَالَ : أَتِمُّوا بَقِیَّۃَ یَوْمِکُمْ ، مَنْ کَانَ طَعِمَ ، وَمَنْ لَمْ یَطْعَمْ ، وَأَرْسِلُوا إلَی أَہْلِ الْعَرُوضِ فَلْیُتِمُّوا بَقِیَّۃَ یَوْمِہِمْ ، یَعْنِی أَہْلَ الْعَرُوضِ مِنْ حَوْلِ الْمَدِینَۃِ۔ (نسائی ۲۶۲۹)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৪৩) হজরত মুহাম্মাদ বিন সাইফী ( রা ) বলেন যে , আশুরার দিনে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদের বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে এমন হবে যে আজ কিছু খায়নি ? আমরা দাখিল করলাম যে , আমাদের মধ্যে কেউ কেউ যারা কিছু খেয়েছে এবং কেউ কেউ তাদের মধ্য থেকে যারা কিছু খায়নি । রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যারা খেয়েছে এবং যারা খায়নি উভয়েই তোমাদের বাকি দিনগুলো সম্পূর্ণ কর । যারা মদিনার উপকণ্ঠে থাকেন তাদের কাছেও এই বার্তাটি পাঠান বাকি দিনগুলো পূরণ করার জন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9444 OK

(৯৪৪৪)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ: یَوْمُ عَاشُورَائَ یَوْمٌ تُعَظِّمُہُ الْیَہُودُ تَتَّخِذُہُ عِیدًا ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صُومُوہُ أََنْتُم۔ (بخاری ۲۰۰۵۔ مسلم ۱۳۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৪৪ ) হজরত আবু মূসা বলেন : তারা আশুরাকে সম্মান করতো , ঈদের দিন হিসেবে ঘোষণা করতো । এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , তোমরা এ দিনে রোযা রাখ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9445 OK

(৯৪৪৫)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ الزُّبَیْرِ الأَسَدِیُّ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ مجزأۃ بْنِ زاہر، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : أَمَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِصَوْمِ یَوْمِ عَاشُورَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৪৫) হজরত জাহির বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিনে রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9446 OK

(৯৪৪৬)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۶) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الْہَجَرِیِّ ، عَنْ أَبِی عِیَاضٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَوْمُ عَاشُورَائَ یَوْمٌ کَانَتْ تَصُومُہُ الأَنْبِیَائُ ، فَصُومُوہُ أَنْتُمْ۔ (بزار ۱۰۴۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৪৬ ) আবু হুরায়রা ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , নবীগণ আশুরার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9447 OK

(৯৪৪৭)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ أَہْلَ الْجَاہِلِیَّۃِ کَانُوا یَصُومُونَ یَوْمَ عَاشُورَائَ ، وَأَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَامَہُ وَالْمُسْلِمُونَ قَبْلَ أَنْ یُفْتَرَضَ رَمَضَانُ ، فَلَمَّا افْتُرِضَ رَمَضَانُ ، قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّ عَاشُورَائَ یَوْم مِنْ أَیَّامِ اللہِ ، فَمَنْ شَائَ صَامَہُ ، وَمَنْ شَائَ تَرَکَہُ۔ (بخاری ۴۵۰۱۔ مسلم ۷۹۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৪৭) হজরত ইবনে উমর বলেন, জাহিলিয়াতের লোকেরা আশুরার দিনে রোজা রাখত । রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আল্লাহর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এবং মুসলমানগণ আশুরার দিনে রোজা রাখতেন । যখন রমজানের রোজা ফরজ হয়ে গেল, তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আশুরার দিনটি আল্লাহর একটি দিন , যে রোজা রাখতে চায় আর যে রোজা রাখতে চায় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9448 OK

(৯৪৪৮)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۸) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : کَانَ عَاشُورَائُ یَوْمًا تَصُومُہُ قُرَیْشٌ فِی الْجَاہِلِیَّۃِ ، فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْمَدِینَۃَ صَامَہُ ، وَأَمَرَ بِصِیَامِہِ ، فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ کَانَ رَمَضَانُ ہُوَ الْفَرِیضَۃَ ، وَتَرَکَ عَاشُورَائَ ، فَمَنْ شَائَ صَامَہُ وَمَنْ شَائَ تَرَکَہُ۔ (مسلم ۷۹۲۔ ابوداؤد ۲۴۳۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৪৮) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , জাহিলিয়াতের কুরাইশ যুগে তারা আশুরার দিন রোজা রাখত । রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন মাদী না তিশরীফে আসেন , তখন তিনি আশুরার রোজা রাখেন এবং মুসলমানদেরকেও সেই দিনে রোজা রাখার নির্দেশ দেন । রমজানের রোজা ফরজ হলে তিনি বলেন , রমজানের রোজা ফরজ এবং আশুরার রোজা ফরজ শেষ হয়েছে । কেউ চাইলে রোজা রাখবে, আর চাইলে রোজা রাখবে না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9449 OK

(৯৪৪৯)

সহিহ হাদিস

(۹۴۴۹) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شَیْبَانُ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِی ثَوْرٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَۃَ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَأْمُرُنَا بِصِیَامِ عَاشُورَائَ وَیَحُثُّنَا عَلَیْہِ ، أَوْ یَتَعَاہَدُنَا عِنْدَہُ ، فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ لَمْ یَأْمُرْنَا ، وَلَمْ یَنْہَنَا عَنْہُ ، وَلَمْ یَتَعَاہَدْنَا عِنْدَہُ۔ (مسلم ۱۲۵۔ احمد ۵/۱۰۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৪৯) হজরত জাবির ইবনে সামরা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন , উৎসাহ দিতেন এবং ভাড়া দিতেন । রমজানের রোজা ফরজ হয়ে গেলে তিনি এর আদেশও করেননি , নিষেধও করেননি এবং এর ব্যবস্থাও করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9450 OK

(৯৪৫০)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۰) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْمَدِینَۃَ وَالْیَہُودُ یَصُومُونَ یَوْمَ عَاشُورَائَ فَسَأَلَہُمْ عَنْ ذَلِکَ ؟ فَقَالُوا : ہُوَ الْیَوْمُ الَّذِی ظْہَرَ فِیہِ مُوسَی عَلَی فِرْعَوْنَ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لأَنْتُمْ أَوْلَی بِمُوسَی مِنْہُمْ ، فَصُومُوہُ۔ (بخاری ۴۷۳۷۔ مسلم ۷۹۶)


থেকে বর্ণিতঃ

(9450) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , যখন মহানবী ( সা . ) আশ্রয় প্রার্থনা করেননি , তখন তিনি তারা আশুরার রোজা রাখতেন । মুসলমানরা ইহুদিদের কাছে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলে যে , সেদিন মূসা ফেরাউনের ওপর বিজয়ী হয়েছিলেন । এ বিষয়ে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন , মূসা আ আপনি উদযাপনের বেশি অধিকারী , তাই এই দিনে দ্রুত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9451 OK

(৯৪৫১)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَیْسٍ عَلَی عَبْدِ اللہِ وَہُوَ یَتَغَدَّی ، فَقَالَ : یَا أَبَا مُحَمَّدٍ ، اُدْنُ إلَی الْغَدَاء ، فَقَالَ : أَوَلَیْسَ الْیَوْمُ یَوْمَ عَاشُورَائَ ؟ فَقَالَ : وَہَلْ تَدْرِی مَا یَوْمُ عَاشُورَائَ ؟ قَالَ : وَمَا ہوَُ ؟ قَالَ : إنَّمَا ہُوَ یَوْمٌ کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَصُومُہُ قَبْلَ أَنْ یُنَزَّلَ شَہْرُ رَمَضَانَ ، فَلَمَّا نَزَلَ شَہْرُ رَمَضَانَ تُرِکَ۔ (مسلم ۱۲۲۔ احمد ۱/۴۲۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৫১) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে ইয়াজিদ বলেন , একবার হজরত আশআত ইবনে কায়েস হজরত আবদুল্লাহর কাছে এলেন । হজরত আবদুল্লাহ খাবার খাচ্ছিলেন , তিনি আশআস বিন কায়েসকেও খেতে দাওয়াত করলেন । তিনি বলেন , আজ আশুরার দিন নয় । হজরত আবদুল্লাহ জিজ্ঞেস করলেন , তুমি কি জানো আশুরার দিন কী ? জিজ্ঞেস করলেন এটা কি ? হজরত আবদুল্লাহ ( রা . ) বলেন , এটি সেই দিন যেদিন রমজান ফরজ হওয়ার আগে রাসূলুল্লাহ ( সা . ) রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9452 OK

(৯৪৫২)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الأَسْوَد ، قَالَ : مَا رَأَیْتُ أَحَدًا کَانَ آمَرَ بِصِیَامِ یَوْمِ عَاشُورَائَ مِنْ عَلِیِّ بْنِ أَبِی طَالِبٍ ، وَأَبِی مُوسَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৫২ ) হজরত আসওয়াদ বলেন , আমি হজরত আলী ইবনে আবি তালিব বা হজরত আবু মুসা ( রা .) - কে আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিতে দেখিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9453 OK

(৯৪৫৩)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، وَعَلِیِّ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الأَسْوَد ، قَالَ : مَا رَأَیْتُ أَحَدًا آمَرَ بِصَوْمِ یَوْمِ عَاشُورَائَ مِنْ عَلِیِّ بْنِ أَبِی طَالِبٍ ، وَأَبِی مُوسَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৫৩ ) হজরত আসওয়াদ বলেন , আমি হজরত আলী ইবনে আবি তালিব বা হজরত আবু মুসা ( রা .) - কে আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিতে দেখিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9454 OK

(৯৪৫৪)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَأْمُرُ بِصَوْمِ یَوْمِ عَاشُورَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৫৪) হজরত হারিছ বলেন , হযরত আলী আশুরার দিনে রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9455 OK

(৯৪৫৫)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عَبْدُ الْمَلِکِ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ ؛ أَنَّ عُمَرَ أَرْسَلَ إلَی عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ مَسَائَ لَیْلَۃِ عَاشُورَائَ : أَنْ تَسَحَّروا ، وَأَصبحَ صَائِمًا ، وَأَصْبَحَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ صَائِمًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৫৫) হজরত আবু বকর ইবনে আবদ আল-রহমান ইবনে হারিছ বলেন যে, হজরত উমর ( রা.) আশুরার রাতে আবদ আল-রহমান ইবনে হারিসের কাছে বার্তা পাঠালেন এবং তাকে সকালের নাস্তা খেতে বললেন । অতঃপর পরদিন হজরত ওমরও রোজা রাখলেন এবং হজরত আবদুল রহমানও রোজা রাখলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9456 OK

(৯৪৫৬)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَصُومُ عَاشُورَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৫৬) হযরত কাসিম আশুরার দিনে রোজা রাখতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9457 OK

(৯৪৫৭)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَیْمِرَۃَ ، عَنْ أَبِی عَمَّارٍ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : أَمَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِصِیَامِ یَوْمِ عَاشُورَائَ۔ (احمد ۴۲۱۔ نسائی ۳/۲۸۴۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৫৭) হজরত কায়েস ইবনে সাদ ( রা. ) বলেন , মহানবী ( সা . ) আমাদেরকে আশুরার দিন রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9458 OK

(৯৪৫৮)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الْقَاسِمِ ؛ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ لَمْ یَأْمُرْنَا ، وَلَمْ یَنْہَنَا ، وَنَحْنُ نَفْعَلُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৫৮) হজরত কাসিম বলেন , যখন রমজানের রোজা ফরজ হয়ে গেল, তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদেরকে আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দেননি বা নিষেধও করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9459 OK

(৯৪৫৯)

সহিহ হাদিস

(۹۴۵۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَمَرَ رَجُلاً مِنْ أَسْلَمَ یَوْمَ عَاشُورَائَ ، فَقَالَ : ائْتِ قَوْمَک فَمُرْہُمْ فَلْیَصُومُوا ہَذَا الْیَوْمَ ، فَقَالَ : مَا أَرَانِی آتِیہِمْ حَتَّی یَصْطَبِحُوا ، فَقَالَ : مُرْ مَنِ اصْطَبَحَ منْہُمْ أَنْ یَصُومَ بَقِیَّۃَ یَوْمِہِ ، وَمَنْ لَمْ یَصْطَبِحْ مِنْہُمْ أَنْ یَصُومَ۔ (عبدالرزاق ۷۸۳۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৫৯) হজরত মুহাম্মদ বলেন , মহানবী ( সা . ) আশুরার দিন ইসলামের গোত্রের এক ব্যক্তিকে বলেছিলেন যে , সে যেন তার সম্প্রদায়ের কাছে যায় এবং তাদের আজকে রোজা রাখার নির্দেশ দেয় । এই লোকটি বলেছে মীরাখিল অর্থাৎ , আমি যখন তাদের কাছে পৌঁছব , তারা তাদের সকালের নাস্তা শেষ করবে । রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে নাস্তা করেছে তাকে বল যে সারাদিন কিছু না খায় , আর যে নাস্তা করেনি তাকে বলে দাও রোজা রাখতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9460 OK

(৯৪৬০)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَمَرَہُمْ بِصَوْمِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৬০) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদেরকে আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9461 OK

(৯৪৬১)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُعْجِبُہُ صَوْمُ یَوْم عَاشُورَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৬১) হযরত হাসান আশুরার রোজা রাখা পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9462 OK

(৯৪৬২)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ زُبَیْدٍ، عَنْ عُمَارَۃَ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَکَنٍ؛ أَنَّ الأَشْعَثَ دَخَلَ عَلَی عَبْدِاللہِ یَوْمَ عَاشُورَائَ وَہُوَ یَطْعَمُ، فَقَالَ: اُدْنُ فَکُلْ، فَقَالَ: إنِّی صَائِمٌ، فَقَالَ: إنَّمَا کَانَ ہَذَا قَبْلَ أَنْ یُنَزَّلَ رَمَضَانُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৬২) হজরত কায়েস বিন সাকিন বলেন যে, আশুরার দিন হজরত আবদুল্লাহর খেদমতে উপস্থিত হন । হজরত আবদুল্লাহ ছিলেন পেটুক। আপনি হযরত আশআসকে খাওয়ার দাওয়াত দিলেন , তিনি বললেন , আমি রোজা রাখছি । হজরত আবদুল্লাহ বলেন , এই রোজা রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে করা হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9463 OK

(৯৪৬৩)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۳) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ؛ أَنَّ عُمَرَ کَانَ لاَ یَصُومُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9463) হজরত আবদ আল-রহমান বিন কাসিম বলেন, হজরত উমর আশুরার রোজা রাখেননি।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9464 OK

(৯৪৬৪)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زُبَیْدٍ ، عَنْ عُمَارَۃَ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَکَنٍ الأَسَدِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، مِثْلَہُ ، إِلاَّ أَنَّہُ قَالَ : اُدْنُ فَکُلْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৬৪) হযরত আবদুল্লাহর উপরোক্ত রেওয়ায়েতটিও তাইক ও সনদ থেকে বর্ণিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9465 OK

(৯৪৬৫)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی یَحْیَی بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ صَیْفِیٍّ ، أَنَّ عَمْرو بْنَ أَبِی یُوسُفَ ، أَخَا بَنِی نوفل ، أَخْبَرَہُ ، أَنَّہُ سَمِعَ مُعَاوِیَۃَ یَقُولُ عَلَی الْمِنْبَرِ: إنَّ یَوْمَ عَاشُورَائَ یَوْمُ عِیدٍ، فَمَنْ شَائَ صَامَ، وَقَدْ کَانَ یُصَامُ ، وَمَنْ شَائَ تَرَکَہُ ، وَلاَ حَرَجَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৬৫) হজরত মুয়াবিয়া মিম্বরে খুতবা দিতে গিয়ে বলেন , আশুরার দিনটি ঈদের দিন , যে ওই দিনে রোজা রাখতে চায় , কারণ ওই দিনে রোজা রাখা হয়েছিল । যার ইচ্ছা তাকে ছেড়ে দিতে কোন সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9466 OK

(৯৪৬৬)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۶) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْوَلِیدِ ، قَالَ : سُئِلَ عِکْرِمَۃُ عَنْ صِیَامِ یَوْمِ عَاشُورَائَ وَیَوْمِ عَرَفَۃَ ؟ فَقَالَ : لاَ یَصْلُحُ لِرَجُلٍ یَصُومُ یَوْمًا یَرَی أَنَّہُ عَلَیْہِ وَاجِبٌ إِلاَّ رَمَضَانُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৪৬৬ ) হজরত ইকরামাকে আশুরা ও আরাফার দিনে রোজা রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , রমজান ছাড়া অন্য কোনো দিনে রোজা রাখা ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9467 OK

(৯৪৬৭)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۷) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَلِیًّا یَأْمُرُ بِصَوْمِ عَاشُورَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৬৭) হযরত আলী আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9468 OK

(৯৪৬৮)

সহিহ হাদিস

(۹۴۶۸) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَبُو ماویَّۃ ، قَالَ : سَمِعْتُ علیًّا یَقُولُ فِی صَوْمِ عَاشُورَاء : فَمَنْ کَانَ بَدَأَ فَلْیُتِمَّ ، وَمَنْ کَانَ أَکَلَ فَلْیَصُم۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৪৬৮) হযরত আলী আশুরার দিন বলেছিলেন , যে ব্যক্তি আহার করেছে সে যেন কিছু না খায় এবং যে খায়নি সে যেন রোজা রাখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস