
(۹۳۷۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَتَطَوَّعَ بِصِیَامٍ وَعَلَیْہِ قَضَائٌ مِنْ رَمَضَانَ، إِلاَّ الْعَشْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৭৯) হজরত হাসান এটাকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন যে, একজন ব্যক্তি রমজানের কাযা তার উপর ছেড়ে দেওয়া অবস্থায় জন্মের পর রোজা রাখে , তবে সে যুল হিজ্জার দশ দিন রোজা রাখতে পারে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : مَثَلُ الَّذِی یَتَطَوَّعُ وَعَلَیْہِ قَضَائٌ مِنْ رَمَضَانَ ، مَثَلُ الَّذِی یُسَبِّحُ وَہُوَ یَخَافُ أَنْ تَفُوتَہُ الْمَکْتُوبَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৮০) হজরত আরওয়া বলেন, রমজানের কাযা বাকি থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি রমজান শেষে রোজা রাখে তার উদাহরণ এমন একজন ব্যক্তির মতো যে নফল নামায পড়ায় ব্যস্ত থাকে এবং ফরজ নামায পড়ে যায় .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، قَالَ : سُئِلَ سُلَیْمَانُ بْنُ یَسَارٍ وَسَعِیدُ بْنُ الْمُسَیَّبِ عَنْ رَجُلٍ تَطَوَّعَ وَعَلَیْہِ قَضَائٌ مِنْ رَمَضَانَ ؟ فَکَرِہَا ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৮১ ) হজরত মালিক ইবনে আনাস বলেন , হজরত সুলাইমান ইবনে ইয়াসার ও হজরত সাঈদ ইবনে মুসায়্যিবকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল , যিনি রোজা রাখার পর রোজা রাখেন । যদি তা রাখা হয় এবং তার ওপর রমজানের কাযা ছেড়ে দেওয়া হয় , তাহলে এই দুই ভদ্রলোক ঘোষণা করলেন। এটা জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۲) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ عَلَی الرَّجُلِ قَضَائٌ مِنْ رَمَضَانَ فَتَطَوَّعَ ، فَہُوَ قَضَاؤُہُ ، وَإِنْ لَمْ یُرِدْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৮২) হজরত মুজাহিদ বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির রমজানের কাযা থাকে এবং সে নফিল রোজা রাখে, তবে নিয়ত না করলেও তা তার কাযা রোজা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : سَأَلَ مُغِیثٌ عَطَائٍ : أَیَسْتَدْخِلُ الرَّجُلُ الشَّیْئَ ؟ قَالَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৮৩ ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , হজরত মুগীস হযরত আতা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলেন রোজা অবস্থায় পেট থেকে ওষুধ দেওয়া সম্ভব কি না ? সে বলল না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ الْحُقْنَۃِ لِلصَّائِمِ ؟ فَقَالَ : إنِّی لأَکْرَہُہَا لِلْمُفْطِرِ ، فَکَیْفَ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9384 ) হজরত আমীরকে রোজা অবস্থায় সারিনে ওষুধ দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , আমি রোজা না রেখেই করব । আমি মনে করি এটা জঘন্য , রোজাদারের জন্য এটাকে জায়েজ করব কীভাবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ تَمْضُغَ الْمَرْأَۃُ لِصَبِیِّہَا وَہِیَ صَائِمَۃٌ ، مَا لَمْ یَدْخُلْ حَلْقَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৮৫ ) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) বলেন , রোজাদার নারী তার সন্তানের জন্য কিছু চিবিয়ে দিলে তাতে কোনো দোষ নেই , যদি তা তার গলায় না যায়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ شَرِیکٍ، عَنْ سُلَیْمَانَ، عَنْ عِکْرِمَۃَ، قَالَ: لاَ بَأْسَ أَنْ تَمْضُغَ الْمَرْأَۃُ لِصَبِیِّہَا وَہِیَ صَائِمَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৮৬ ) হজরত ইকরামা বলেন , একজন রোজাদার মহিলা তার সন্তানের জন্য কিছু চিবিয়ে খাওয়াতে দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَذُرَّ الصَّائِمُ عَیْنَہُ بِالذَّرُورِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9387) হজরত হাসান রোজাদারদের চোখে শুকনো ওষুধ দিলে দোষের কিছু আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالذَّرُورِ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৮৮ ) হজরত হাসান বলেন , রোজাদারের চোখে শুকনো ওষুধ দিলে তাতে দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۸۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، قَالَ : شَہِدَ عِنْدِی نَفَرٌ مِنْ أَہْلِ الْبَصْرَۃِ ، مِنْہُمُ الْحَسَنُ بْنُ أَبِی الْحَسَنِ الْبَصْرِیُّ ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ سِنَان الأَشْجَعِیِّ ، قَالَ : مَرَّ عَلَیَّ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَأَنَا أَحْتَجِمُ فِی ثَمَانِ عَشْرَۃَ مِنْ رَمَضَانَ ، فَقَالَ : أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔ (طحاوی ۹۸۔ احمد ۳/۴۷۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৮৯ ) হজরত মুআকাল ইবনে সিনান বলেন , আমি 18 রমজানের সালাত আদায় করতে যাচ্ছিলাম , তখন নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমার পাশ দিয়ে গেলেন যে অনুসরণকারী এবং অনুসরণকারী উভয়ের রোজা ভেঙ্গে গেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ زَیْدٍ وَہُوَ أَبُو قِلاَبَۃَ ، عَنْ أَبِی الأَشْعَثِ الصَّنْعَانِیِّ ، عَنْ أَبِی أَسْمَائَ الرَّحَبِیِّ ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ ، قَالَ : مَرَرْت مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی ثَمَانِ عَشْرَۃَ خَلَتْ مِنْ رَمَضَانَ ، فَأَبْصَرَ رَجُلاً احْتَجَمَ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔ (ابوداؤد ۲۳۶۱۔ احمد ۴/۱۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৯০ ) হজরত শাদ্দাদ বিন আওস বলেন , রমজানের ১৮ তারিখে আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ইরশাদ করেন যে , পিঠ পরা ও পরা উভয়ের রোযা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ أَبِی الأَشْعَثِ ، عَنْ أَبِی أَسْمَائَ الرَّحَبِیِّ ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، مِثْلَہُ۔ (احمد ۴/۱۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(9391 ) এটি এ.কে. থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَمَّنْ حَدَّثَہُ ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ ، قَالَ : أَتَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی رَجُلٍ یَحْتَجِمُ بِالْبَقِیعِ ، وَہُوَ آخِذٌ بِیَدَیَّ لِثَمَانِ عَشْرَۃَ خَلَتْ مِنْ رَمَضَانَ ، فَقَالَ: أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔ (ابوداؤد ۲۳۶۱۔ احمد ۴/۱۲۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৯২) হযরত শাদ্দাদ বিন আওস ( রাঃ ) বলেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের ১৮ তারিখে জান্নাতুল বাকিতে প্রবেশ করার সময় তাঁর হাত ধরে যে লোকটি তাঁর অনুসরণ করছিল তার পাশ দিয়ে চলে গেলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন যে , অনুসরণকারী এবং অনুসরণকারী উভয়ের রোযা ভেঙ্গে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی رَجُلٌ مِنَ الْحَیِّ مُصَدَّقٌ ، عَنْ ثَوْبَانَ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔ (ابوداؤد ۲۳۶۲۔ احمد ۵/۲۸۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৯৩) হযরত সাওবান ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , লাঠি মারে এবং লাঠি মারে উভয়ের রোজা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَیُّوبُ أَبُو الْعَلاَئِ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، عَنْ بِلاَلٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَفْطَر الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔ (احمد ۶/۱۲۔ طبرانی ۱۱۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৯৪) হজরত বিলাল (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , পেছনে থাকা ও অনুসরণকারী উভয়ের রোজা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ رَضِیَ اللَّہُ تَعَالَی عَنْہُ ، أَنَّ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔ (نسائی ۳۱۷۲۔ احمد ۶/۳۶۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৯৫) হজরত আবু হুরায়রা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , পিঠ পরা ও পরা উভয়ের রোজা ভেঙ্গে যায় । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : قَالَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ : إنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔ (نسائی ۳۱۸۲۔ ابویعلی ۶۳۶۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(9396) হজরত আবু হারি রাহ. - এর সূত্রে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি পিঠে পরবে এবং যে তা পরবে, উভয়ের রোজা । ভাঙ্গা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ، عَنْ مَطَرٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ عَلِیٌّ: أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৯৭) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , পিছনে থাকা এবং অনুসরণকারী উভয়ের রোজা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : یُکْرَہُ لِلْحَاجِمِ وَالْمَحْجُومِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৯৮ ) হজরত মুহাম্মদ বলেন , রোজা রাখা ও রোজা রাখা মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۹۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ بَکْرٍ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : دَخَلْتُ عَلَی أَبِی مُوسَی وَہُوَ أَمِیرُ الْبَصْرَۃِ مُمْسِیًا ، فَوَجَدْتُہُ یَأْکُلُ تَمْرًا وَکَامَخًا ، وَقَدِ احْتَجَمَ ، فَقُلْتُ لَہُ : أَلاَ تَحْتَجِمُ بِنَہَارٍ ؟ فَقَالَ : أَتَأْمُرُنِی أَنْ أُہْرِیقَ دَمِی وَأَنَا صَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৯৯ ) হজরত আবু আলিয়া বলেন , হজরত আবু মূসা যখন বসরার গভর্নর ছিলেন , আমি সন্ধ্যায় তার কাছে গিয়েছিলাম , তিনি খেজুর ও কিছু তরকারি খাচ্ছিলেন এবং তারা অনুসরণ করছিলেন । আমি তাদের বললাম , তোমরা সারাদিন হোমওয়ার্ক করে কাটালে না কেন ? তিনি বললেন , তোমরা কি আমাকে রোজা রেখে আমার রক্ত ঝরাতে আদেশ করছ ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۰) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِیبٍ ، قَالَ : أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৪০০) হজরত তালাক ইবনে হাবীব বলেন , পেছনে থাকা ও অনুসরণকারী উভয়ের রোজা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : لاَ یَحْتَجِمُ الصَّائِمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9401) হজরত মাসরূক বলেন, রোজাদারকে জিজ্ঞাসা করা উচিত নয়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۲) حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَی، عَنْ شَیْبَانَ، عَنْ لَیْثٍ، عَنْ عَطَائٍ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ: أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৪০২) হজরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, পিঠে পরা ও পরা উভয়ের রোজা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَعْلَی ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : لاَ یَحْتَجِمُ الصَّائِمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৪০৩) হজরত মাসরূক বলেন, রোজাদারকে জিজ্ঞাসা করা উচিত নয়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ بَیْنَ مَکَّۃَ إِلَی الْمَدِینَۃِ ، مُحْرِمًا صَائِمًا۔ (ترمذی ۷۷۷۔ ابوداؤد ۲۳۶۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৪০৪) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা থেকে মদীনায় সফরের সময় আমাকে রোজা ও ইহরামের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۵) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَہُوَ صَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৪০৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে রোযার অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ صَائِمًا۔ (نسائی ۳۲۲۴۔ احمد ۱/۲۸۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৪০৬) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে রোযার অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَہُوَ صَائِمٌ۔ (نسائی ۳۲۲۲۔ عبدالرزاق ۷۵۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৪০৭) হজরত ইকরামা (রাঃ ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রোযার অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۴۰۸) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ رَفَعَہُ ، قَالَ : ثَلاَثٌ لاَ یُفْطرن الصَّائِمَ ؛ الْحِجَامَۃُ ، وَالْقَیْئُ ، وَالاِحْتِلاَمُ۔ (عبدالرزاق ۷۵۳۹۔ ابن خزیمۃ ۱۹۷۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৪০৮) হজরত আতা ইবনে ইয়াসার ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , তিনটি জিনিস রোজা ভঙ্গ করে না : বমি বমি ভাব, বমি ও ডায়রিয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৪০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস