
(۹۳۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ (ح) وعَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُمَا کَرِہَا أَنْ یَصُومَا یَومًا یُُوَقِّتَانِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৪৯) হজরত আমীর ও হজরত ইবরাহীম বলতেন , কোনো দিন নির্দিষ্ট করে রোজা রাখা জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۰) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَد ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؟ قَالَ : لاَ تَصُومُوا شَہْرًا کُلَّہُ تُضَاہُونَ بِہِ شَہْرَ رَمَضَانَ ، وَلاَ تَصُومُوا یَوْمًا وَاحِدًا مِنَ الْجُمُعَۃِ فَتَتَّخِذُونَہُ عِیدًا ، إِلاَّ أَنْ تَصُومُوا قَبْلَہُ ، أَوْ بَعْدَہُ یَوْمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৫০ ) হজরত মুজাহিদ বলেন , যদি কোনো মাসকে রমজানের সঙ্গে তুলনা করা হয় , তাহলে সারা মাস রোজা রাখবেন না , তবে শুক্রবারে রোজা রাখতে চাইলে একদিন আগে বা একদিন পর রোজা রাখবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : مَا رَأَیْتُہُ مُفْطِرًا یَوْمَ جُمُعَۃٍ قَطُّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৫১ ) হজরত তাওয়াস বলেন , আমি হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) -কে জুমার দিনে রোজা ছাড়া কখনো দেখিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ أَبِی عُمَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : مَا رَأَیْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُفْطِرًا یَوْمَ الْجُمُعَۃِ قَطُّ۔ (ابویعلی ۵۷۰۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( 9352 ) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনো রোজা ছাড়া শুক্রবারে খেতে দেখিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۳) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ شَیْبَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : مَا کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُفْطِرُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔ (ترمذی ۷۴۲۔ ابوداؤد ۲۴۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৫৩) হজরত আবদুল্লাহ (রা ) বলেন , হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার রোজা বাদ দিতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ الْقَعْقَاعِ ، قَالَ : سَأَلْتُ إبْرَاہِیمَ عَنِ السَّعُوطِ بِالصَّبِرِ لِلصَّائِمِ ؟ فَلَمْ یَرَ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৫৪ ) হজরত কাকাআ বলেন , আমি হজরত ইবরাহীম ( আ . ) - কে রোজা অবস্থায় নাকে ওষুধ দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , আমার কোনো সমস্যা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسَّعُوطِ لِلصَّائِمِ ، وَکَرِہَ الصَّبَّ فِی الأُذنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৫৫ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , রোজা অবস্থায় নাকে ওষুধ দেওয়া জায়েজ , কিন্তু কানে ওষুধ দেওয়া মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ لِلصَّائِمِ أَنْ یَسْتَسْعِطَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৫৬ ) হজরত হাসান রোজা অবস্থায় নাকে ওষুধ দেওয়াকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۷) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حُرَیْثٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ السَّعُوطَ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৫৭ ) হজরত শাবি রোজা অবস্থায় নাকে ওষুধ দেওয়াকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ، قَالَ: قُلْتُ لِعَطَائٍ: الصَّبِرُ یَکْتَحِلُ بِہِ الصَّائِمُ؟ قَالَ: نَعَمْ، إِنْ شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9358) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হজরত আতা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , রোজাদার ব্যক্তি তার চোখে সীসা লাগাতে পারবে কি না ? তিনি বলেন, হ্যাঁ , যদি তিনি চান.
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۵۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالْکُحْلِ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৫৯ ) হজরত আতা বলেন , রোজা রেখে রৌপ্য লাগানোর কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالْکُحْلِ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9360 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , রোজা রেখে রৌপ্য লাগাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالْکُحْلِ لِلصَّائِمِ مَا لَمْ یَجِدْ طَعْمَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৬১ ) হজরত হাসান বলেন , রোজা অবস্থায় হলুদ লাগাতে কোনো ক্ষতি নেই , যদি এর স্বাদ অনুভূত না হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَلِیٍّ ، وَعَطَائٍ ؛ أَنَّہُمْ کَانُوا یَکْتَحِلُونَ بِالإِثْمدِ وَہُمْ صِیَامٌ ، لاَ یَرَوْنَ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৬২) হজরত জাবির বলেন , হজরত আমীর, হজরত মুহাম্মদ বিন আলী ও হজরত আতা রোজা অবস্থায় আস্তমাদ সুরমা লাগাতেন এবং এতে কোনো ক্ষতি আছে বলে মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنِ الْحَسَنِ (ح) وَعَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالْکُحْلِ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৬৩ ) হজরত আতা বলেন , রোজাদারের জন্য সরমা প্রয়োগে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ أَبِی مُعَاذٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، عَنْ أَنَسٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْتَحِلُ وَہُوَ صَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৬৪ ) হজরত আনাস রোজা রেখে রৌপ্য লাগাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۵) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، وَأَبِی ہِلاَلٍ ، وَقَتَادَۃَ ؛ أَنَّہُمْ کَرِہُوا الْکُحْلَ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9365) হজরত হামাদ বিন সালামা, হজরত আবু হিলাল এবং হজরত কাতাদাহ রোজা অবস্থায় রৌপ্য লাগানোকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَکْتَحِلَ الرَّجُلُ وَہُوَ صَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৬৬ ) হজরত হাসান বলেন , রোজা রেখে রৌপ্য লাগাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالْکُحْلِ لِلصَّائِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৬৭ ) হজরত জাহরি বলেন , রোজা রেখে রৌপ্য লাগানোর কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، أَوْ عَطَائٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَتَطَعَّمَ الصَّائِمُ مِنَ الْقِدْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৬৮) হজরত মুজাহিদিয়া ও হযরত আতা বলেন , রোজাদার ব্যক্তি হান্ডি - গোশত থেকে কিছু আস্বাদন করলে তাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۶۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَذُوقَ الْخَلَّ ، أَوِ الشَّیْئَ مَا لَمْ یَدْخُلْ حَلْقَہُ وَہُوَ صَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৬৯) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা ) বলেন , রোজা অবস্থায় ভিনেগার চেখে দেখতে কোনো ক্ষতি নেই , তবে তা গলায় না যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۰) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَتَطَاعَمَ الصَّائِمُ مِنَ الْقِدْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9370) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রোজাদার ব্যক্তি হান্ডি - গোশত থেকে কিছু আস্বাদন করলে তাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَتَطَاعَمَ الصَّائِمُ الْعَسَلَ وَالسَّمْنَ وَنَحْوَہُ ، ثُمَّ یَمُجَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৭১ ) হজরত হাসান বলেন , রোজাদারের কোনো দোষ নেই অথবা মধুর স্বাদ নিন এবং আপনার মুখ থেকে থুতু ফেলুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۲) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ الْحَنَفِیُّ ، عَنِ الضَّحَّاکِ بْنِ عُثْمَانَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عُرْوَۃَ بْنَ الزُّبَیْرِ صَائِمًا أَیَّامَ مِنًی ، وَہُوَ یَذُوقُ عَسَلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৭২ ) হজরত দাহহাক ইবনে উসমান বলেন , আমি হজরত উরওয়া ইবনে যুবাইর ( রা .) - কে ঋতুবতী অবস্থায় দেখেছি যে, তিনি রোজা রেখে মধু পান করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۳) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ عَنِ الصَّائِمِ یَلْحَسُ الأَنْقَاسَ ؟ قَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৭৩) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকামকে জিজ্ঞেস করলাম , রোজাদার কালি চাটতে পারে কি না ? তিনি বলেন , এতে কোনো সমস্যা নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : أَتَیْتُ عَائِشَۃَ أَنَا وَرَجُلٌ مَعِی، وَذَلِکَ یَوْمُ عَرَفَۃَ فَدَعَتْ لَنَا بِشَرَابٍ ، ثُمَّ قَالَتْ : لَوْلاَ أَنِّی صَائِمَۃٌ لَذُقْتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৭৪) হজরত মাসরুক বলেন , আরাফার দিন আমি এক ব্যক্তিকে নিয়ে হজরত আয়েশা ( রা . ) - এর খেদমতে উপস্থিত হলাম , তিনি আমাদের জন্য কিছু পনির অর্ডার করলেন এবং বললেন , আমি যদি রোজা না রাখতাম , তাহলে আমি তা খেয়ে নিতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ مُبَارَکٍ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یُدَاوِیَ الصَّائِمُ لِثَتَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9375 ) হজরত উজাই বলেন , রোজাদারের মাড়িতে ওষুধ লাগাতে দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الرَّجُلِ یَکُونُ بِفِیہِ الْجُرْحُ وَالْعِلَّۃُ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَضَعَ عَلَیْہِ الْحُضُضَ وَأَشْبَاہَہُ مِنَ الدَّوَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৭৬ ) যে ব্যক্তির মুখে ক্ষত বা রোগ আছে সে সম্পর্কে হজরত হাসান বলেন , সে তার ওপর হাজ্জা বা অন্য কোনো ওষুধ লাগাতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ عَتِیقٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؛ فِی رَجُلٍ أَصَابَہُ سُلاَقٌ فِی شَفَتَیْہِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالْحُضُضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩৭৭ ) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , কোনো ব্যক্তির ঠোঁটে ফোস্কা পড়লে সে হাজ্জা নামক ওষুধ প্রয়োগ করতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۷۸) حَدَّثَنَا أَبُوبَکْرٍ الْحَنَفِیُّ، عَنْ قَتَادَۃَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، قَالَ: لاَ یَتَطَوَّعُ الرَّجُلُ بِصَوْمٍ وَعَلَیْہِ شَیْئٌ مِنْ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩৭৮) হজরত ইব্রাহীম ঘোষণা করেছেন যে , রমজানের কাযা থাকা অবস্থায় কোনো ব্যক্তি জন্মের পর রোজা রাখা জঘন্য কাজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস