(৫) ( 9894 ) এটি ইবনে ফুযী দ্বারা বর্ণিত হয়েছে , মুগীর সূত্রে , ইবরাহীমের সূত্রে , তিনি বলেছেন : ইয়া উম্মা মাকানাহ এবং ইয়া স্তাগফির রাব্বাহ [হাদিসের সীমা (৮৯৫৯-৯৮৯৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৯৩৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৭৬টি]



9319 OK

(৯৩১৯)

সহিহ হাদিস

(۹۳۱۹) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ حَفْصَۃَ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْن وَالْخَمِیس۔ (ابوداؤد ۲۴۴۳۔ احمد ۶/۲۸۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(9319) হজরত হাফসা (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9320 OK

(৯৩২০)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ الْعَبْسِیِّ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْن وَالْخَمِیسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩২০) হজরত মুজাহিদ বলেন , রাসূলুল্লাহ (সা . ) সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9321 OK

(৯৩২১)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۱) حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مَطَر ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِیِّ ، عَنْ أَبِی عُقْبَۃَ ، قَالَ: کَانَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ یَصُومُ الاِثْنَیْن وَالْخَمِیسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩২১) হজরত আবু উকবা বলেন , হজরত আবু হারি সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9322 OK

(৯৩২২)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۲) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْن وَالْخَمِیسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩২২) হযরত মাখুল সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9323 OK

(৯৩২৩)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ عَنْ صَوْمِ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسِ ؟ فَقَالَ : لاَ أَعْلَمُ بِہِ بَأْسًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩২৩) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , আমি তাদের মধ্যে একজন নই , আমি সমস্যাটি বুঝতে পারছি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9324 OK

(৯৩২৪)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩২৪) হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ বৃহস্পতি ও শুক্রবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9325 OK

(৯৩২৫)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عََنِ الحَکَمِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ، ثُمَّ کَرِہَ ذَلِکَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩২৫) হযরত মুজাহিদ সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন । তখন তারা এটাকে জঘন্য বলে অভিহিত করেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9326 OK

(৯৩২৬)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ہِشَامٌ الدَّسْتَوَائِیُّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَکَمِ بْنِ ثَوْبَانَ ، أَنَّ مَوْلَی قُدَامَۃَ حَدَّثَہُ : أَنَّ مَوْلَی أُسَامَۃَ حَدَّثَہُ : أَنَّ أُسَامَۃَ کَانَ یَخْرُجُ إلَی مَالٍ لَہُ بِوَادِی الْقُرَی ، فَیَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ ، فَقُلْتُ لَہُ : لِمَ تَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ وَأَنْتَ شَیْخٌ کَبِیرٌ ؟ فَقَالَ : رَأَیْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَصُومُہُمَا ، فَقُلْتُ لَہُ : لِمَ تَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ ؟ فَقَالَ : إنَّہُمَا یَوْمَانِ تُعْرَضُ فِیہِمَا الأَعْمَالُ۔ (ابوداؤد ۲۴۲۸۔ احمد ۵/۲۰۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( 9326) হজরত মৌলি ওসামা বলেন , হজরত উসামা তাঁর সম্পদ ও গবাদি পশুর জন্য মক্কায় যেতেন । সেখানে তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন । আমি তাদের বলেছিলাম যে আপনি বৃদ্ধ হওয়ায় সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখেন । তিনি বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে ঐ দুই দিনে রোজা রাখতে দেখেছি , তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম , আপনি সোম ও বৃহস্পতিবার কেন রোজা রাখেন ? তিনি বলেন , এ দিনে আল্লাহর দরবারে আমল পেশ করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9327 OK

(৯৩২৭)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۷) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ قَالَ : کَانَ أُسَامَۃُ بْنُ زَیْدٍ یَصُومُ أَیَّامًا مِنَ الْجُمُعَۃِ ، یُتَابِعُ بَیْنَہُنَّ ، فَقِیلَ لَہُ : أَیْنَ أَنْتَ مِنَ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسِ ؟ قَالَ : فَکَانَ یَصُومُہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9327) হজরত মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম বলেন , হজরত ওসামা ইবনে যায়েদ সপ্তাহের অনেক দিন রোজা রাখতেন এবং একটানা রোজা রাখতেন । কেউ তাকে জিজ্ঞেস করল , আপনি কেন সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখেন না ? তারপর থেকে তিনিও এই দুই দিন রোজা রাখা শুরু করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9328 OK

(৯৩২৮)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۸) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ، عَنْ قَیْسٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِاللہِ؛ أَنَّہُ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9328) হজরত আবদুল্লাহ সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9329 OK

(৯৩২৯)

সহিহ হাদিস

(۹۳۲۹) حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، وَیَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ صَوْمِ یَوْمِ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسِ ؟ فَقَالَ : یُکْرَہُ أَنْ یُوَقِّتَ یَوْمًا یَصُومُہُ ۔ إِلاَّ أَنَّ یَزیدَ قَالَ : یَنْصِبُ یَوْمًا إذَا جَائَ ذَلِکَ الْیَوْمُ صَامَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9329) হজরত ইবনে আব্বাসকে সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন যে কোনো দিন রোজা রাখা মাকরূহ । হজরত ইয়াজিদের একটি রেওয়ায়েত আছে যে , তিনি একটি দিন নির্ধারণ করবেন এবং যখন সেই দিন আসবে তখন তিনি রোজা রাখবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9330 OK

(৯৩৩০)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ خِلاَسٍ ؛ أَنَّ عَلِیًّا کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৩০) হযরত আলী পীর ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9331 OK

(৯৩৩১)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ الْعَبْسِیِّ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْنِ وَالْخَمِیسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৩৩১) হজরত মুজাহিদ বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9332 OK

(৯৩৩২)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یَصُم أَحَدُکُمْ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ إِلاَّ أَنْ یَصُومَ قَبْلَہُ ، أَوْ یَصُومَ بَعْدَہُ۔ (مسلم ۱۴۸۔ ابوداؤد ۲۴۱۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৩২) হজরত আবু হুরায়রা (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি শুক্রবারের রোজা রাখবে , যদি সে আমার একদিন আগে বা একদিন পরে । এছাড়াও দ্রুত .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9333 OK

(৯৩৩৩)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : دَخَلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی جُوَیْرِیَۃَ بِنْتِ الْحَارِثِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَہِیَ صَائِمَۃٌ ، قَالَ : فَقَالَ : صُمْت أَمْسِ ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَالَ : تُرِیدِینَ أَنْ تَصُومِی غَدًا ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَالَ : فَأَفْطِرِی إذًا۔ (احمد ۲/۱۸۹۔ ابن حبان ۳۶۱۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৩৩) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন , একদা মহানবী ( সা . ) শুক্রবার জুরায়্যা বিনতে হারিস ( রা . ) - এর কাছে গেলেন । তিনি রোজা রেখেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন , তুমি কি গতকাল রোজা রেখেছ ? তিনি বলেন , না . তিনি জিজ্ঞাসা করলেন আগামীকাল রোজা রাখার নিয়ত আছে কি না । তিনি বললেন না, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন, আবার ইফতার কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9334 OK

(৯৩৩৪)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی حَبِیبٍ ، عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْیَزَنِیِّ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ الأَزْدِیِّ ، عَنْ جُنَادَۃَ الأَزْدِیِّ ؛ دَخَلْتُ عَلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی سَبْعَۃِ نَفَرٍ مِنَ الأَزْدِ ، أَنَا ثَامِنُہُمْ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَنَحْنُ صِیَامٌ ، فَدَعَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَی طَعَامٍ بَیْنَ یَدَیْہِ فَقُلْنَا : إنَّا صِیَامٌ ، قَالَ : ہَلْ صُمْتُمْ أَمْسِ ؟ قُلْنَا : لاَ ، قَالَ : فَہَلْ تَصُومُونَ غَدًا ؟ قُلْنَا : لاَ ، قَالَ : فَأَفْطِرُوا ، ثُمَّ خَرَجَ إلَی الْجُمُعَۃِ ، فَلَمَّا جَلَسَ عَلَی الْمِنْبَرِ دَعَا بِإِنَائٍ مِنْ مَائٍ فَشَرِبَہُ ، وَالنَّاسُ یَنْظُرُونَ إلَیْہِ ، لِیُعَلِّمَہُمْ أَنَّہُ لاَ یَصُومُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔ (نسائی ۲۷۷۴۔ حاکم ۶۰۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৩৪) হজরত জানাদা আজদী বলেন , আমরা আল্লাহ আজদ গোত্রের আটজন জুমার দিন নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর খেদমতে হাজির হলাম । আমরা সবাই রোজা রেখেছিলাম। নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) খাবারের আদেশ দিলেন এবং আমাদের সামনে রাখলেন, তখন আমরা বললাম যে আমরা রোজা রাখছি। তুমি বললে , গতকাল রোজা রেখেছ ? আমরা জমা দিইনি . তুমি বলেছিলে কাল রোজা রাখবে ? আমরা জমা দিইনি . তারপর বললেন , রোজা ভেঙে দাও । তারপর আপনি শুক্রবারের জন্য তিশরীফ নিয়ে গেলেন । মিম্বরে বসে তিনি পানি চাইলেন । মানুষ তোমাকে মিস করছিল । আসলে, আপনি তাদের বলতে চেয়েছিলেন যে আপনি ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) শুক্রবারে রোজা রাখেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9335 OK

(৯৩৩৫)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَینَۃَ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ ظَبْیَانَ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ أَبِی طَالِبٍ رَحْمَۃُ اللہِ عَلَیْہِ، قَالَ: مَنْ کَانَ مِنْکُمْ مُتَطَوِّعًا مِنَ الشَّہْرِ أَیَّامًا فَلْیَکُنْ فِی صَوْمِہِ یَوْم الْخَمِیسِ، وَلاَ یَصُومُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ، فَإِنَّہُ یَوْمُ طَعَامٍ وَشَرَابٍ وَذِکْرٍ ، فَیَجْمَعُ للہِ یَوْمَیْنِ صَالِحَیْنِ ، یَوْمَ صِیَامِہِ وَیَوْمَ نُسُکِہِ مَعَ الْمُسْلِمِینَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9335) হযরত আলী বিন আবি তালিব বলেন , তোমাদের কেউ যদি প্রসবের পর রোজা রাখতে চায় , তবে সে যেন বৃহস্পতিবার রোজা রাখে এবং শুক্রবারে রোজা না রাখে কারণ শুক্রবার হল খাওয়া-দাওয়া ও স্মরণের দিন । শুক্রবার রোজা রাখার মাধ্যমে, একজন ব্যক্তি দুটি সৎ দিন সঞ্চয় করে , একটি রোজার দিনে এবং অন্যটি মুসলমানদের সাথে খাওয়া -দাওয়ার দিনে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9336 OK

(৯৩৩৬)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ رُفَیْعٍ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَکَنٍ ، قَالَ : مَرَّ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللہِ عَلَی أَبِی ذَرٍّ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَہُمْ صِیَامٌ ، فَقَالَ : أَقْسَمْت عَلَیْکُمْ لَتَفْطُرُنَّ ، فَإِنَّہُ یَوْمُ عِیدٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৩৬) হজরত কায়স বিন সাকিন বলেন , শুক্রবার হজরত আবদুল্লাহর কিছু শিষ্য হজরত আবু যর (রা.) -এর খেদমতে হাজির হন , তারা সবাই রোজাদার ছিলেন । হজরত আবু যার ( রা) তাদের বললেন , আমি তোমাদের সকলের কাছে শপথ করছি যে, তোমরা রোজা ভেঙ্গে দাও । এই শুক্রবার আসলে ঈদের দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9337 OK

(৯৩৩৭)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِیٍّ، قَالَ: لاَ تَصَومُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ مُتَعَمِّدًا لَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9337) হযরত আলী বলেন , বিশেষ সংকল্প করে শুক্রবারে রোজা রাখবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9338 OK

(৯৩৩৮)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : لاَ تَصَومُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ إِلاَّ أَنْ تَصُومَ یَوْمًا قَبْلَہُ ، أَوْ بَعْدَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৩৩৮ ) হজরত আবু হারি বলেন , তোমাদের মধ্যে যে কেউ শুক্রবারের রোজা রাখবে যদি সে একদিন আগে বা একদিন পরে রোজা রাখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9339 OK

(৯৩৩৯)

সহিহ হাদিস

(۹۳۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَصُومَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، یَتَعَمَّدُہ وَحْدَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৩৯) হযরত শাবি শুধুমাত্র শুক্রবারের রোজা রাখাকে মাকরূহ ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9340 OK

(৯৩৪০)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُمْ کَرِہُوا صَوْمَ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ لِیَتَقَوَّوْا بِہِ عَلَی الصَّلاَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৪০) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , পূর্বসূরিরা জুমার দিন রোজা রাখাকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন যাতে জুমার নামাজ পূর্ণ শক্তির সঙ্গে আদায় করা যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9341 OK

(৯৩৪১)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۱) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ بْنُ سَوَّارٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی أَیُّوبَ الْعَتَکِیِّ ، عَنْ جُوَیْرِیَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَیْہَا وَہِیَ صَائِمَۃٌ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَقَالَ : أَصُمْتِ أَمْسِ ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَالَ : فَتَصُومِینَ غَدًا ؟ قَالَتْ : لاَ ، قَالَ : فَأَفْطِرِی۔ (بخاری ۱۹۸۶۔ احمد ۶/۴۳۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৩৪১ ) হজরত আবু আই ওয়াব আতকি বলেন , একবার হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুক্রবারে হজরত জুরায়াহ বিনতে হারিস ( রা . ) - এর কাছে গেলেন । তিনি রোজা রেখেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন , তুমি কি গতকাল রোজা রেখেছ ? তিনি বলেন , না . আপনি জিজ্ঞাসা করলেন আগামীকাল রোজা রাখার নিয়ত আছে কি না । তিনি বললেন না , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আবার ইফতার কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9342 OK

(৯৩৪২)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۲) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ زِیَادٍ الْحَارِثِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ لَہُ رَجُلٌ : أَنْتَ الَّذِی تَنْہَی عَنْ صَوْمِ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ ؟ قَالَ : لاَ ، وَرَبِّ ہَذِہِ الْحُرْمَۃِ ، أَوْ ہَذِہِ الْبُنْیَۃِ ، مَا أَنَا نَہَیْت عَنْہُ ، مُحَمَّدٌ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَہُ۔ (نسائی ۲۷۴۴۔ احمد ۲/۵۲۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৩৪২ ) হজরত জায়েদ হারিথি বলেন , একবার এক ব্যক্তি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলেন , আপনি কি সেই ব্যক্তি যিনি শুক্রবারে রোজা রাখতে নিষেধ করেন ? ? হজরত আবু হারি রহ . বলেন , এই পবিত্রতার প্রভুর কসম নাকি এই ভবন বা কাবা ঘরের প্রভু ! আমি এটা নিষেধ করিনি , কিন্তু মুহাম্মাদ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9343 OK

(৯৩৪৩)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۳) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ حُصَیْنِ بْنِ أَبِی الْحُرِّ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَیْنِ ؟ قَالَ : لاَ تَصُمْ یَوْمًا تَجْعَلُ صَوْمَہُ عَلَیْک حَتْمًا ، لَیْسَ مِنْ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৪৩) হজরত ইমরান বিন হুসাইন বলেন , রমজান ছাড়া অন্য কোনো দিন ঠিক করবেন না যেদিন রোজা রাখা জরুরি মনে করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9344 OK

(৯৩৪৪)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ، عَنْ عَطَائٍ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ یَنْہَی عَنِ افْتِرَادِ الْیَوْمِ کُلَّ مَا مَرَّ بِالإِنْسَان ، وَعَنْ صِیَامِ الأَیَّامِ الْمَعْلُومَۃِ ، وَکَانَ یَنْہَی عَنْ صِیَامِ الأَشْہُرِ لاَ یُخْطَأْنَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৩৪৪ ) হজরত ইবনে আব্বাস রা নির্দিষ্ট দিনে রোজা রাখা বা নির্দিষ্ট মাসে রোজা রাখাকে এমনভাবে জঘন্য বলে গণ্য করা হয়েছিল যে তা কখনই বাদ দেওয়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9345 OK

(৯৩৪৫)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ أَنْ یَفْرِضُوا عَلَی أَنْفُسِہِمْ شَیْئًا لَمْ یُفْتَرَضْ عَلَیْہِمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৪৫) হজরত ইব্রাহীম বলেন , পূর্বসূরিরা বলতেন এটা একটা জঘন্য কাজ যে , এ জিনিস নিজের ওপর ফরজ করা হলে কোনো যুবকের ওপর আল্লাহ তা বাধ্যতামূলক করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9346 OK

(৯৩৪৬)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؟ قَالَ : لاَ تَخُصُّوا یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِصَوْمٍ بَیْنَ الأَیَّامِ ، وَلاَ لَیْلَۃَ الْجُمُعَۃِ بِقِیَامٍ بَیْنَ اللَّیَالِیِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৪৬) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , শুক্রবারের দিন রোজা রাখার জন্য এবং জুমার রাতকে ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9347 OK

(৯৩৪৭)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۷) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ زَمْعَۃَ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس، عَنْ أَبِیہِ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَتَحَرَّی شَہْرًا، أَوْ یَوْمًا یَصُومُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯৩৪৭ ) হজরত তাওয়াস বলেন , রোজা রাখার জন্য কোনো দিন বা রাতের কথা চিন্তা করা জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9348 OK

(৯৩৪৮)

সহিহ হাদিস

(۹۳۴۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ أَنْ یَخُصُّوا یَوْمَ الْجُمُعَۃِ وَاللَّیْلَۃَ کَذَلِکَ بِالصَّلاَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯৩৪৮) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পূর্বসূরিরা বলতেন , শুক্রবার রোজা রাখার জন্য এবং রাতকে ইবাদতের জন্য রাখা জঘন্য কাজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস