
(۹۲۸۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا تَقَیَّأَ الصَّائِمُ مُتَعَمِّدًا أَفْطَرَ ، وَإِذَا ذَرَعَہُ الْقَیْئُ فَلاَ شَیْئَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9289) হজরত আলী বলেন , রোজা অবস্থায় কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে তার ওপর কাযা ওয়াজিব এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে বমি করলে কাযা ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِیمِ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9290) এছাড়াও হযরত মুজাহিদ রহ এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۱) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ بْنُ سَوَّارٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی الْجَوْدِیِّ ، عَنْ بَلْجٍ الْمَہْرِیِّ ، عَنْ أَبِی شَیْبَۃَ الْمَہْرِیِّ ، قَالَ : قِیلَ لِثَوْبَانَ : حَدِّثْنَا عَنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَائَ فَأَفْطَرَ۔ (احمد ۲۸۳۔ طحاوی ۹۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯২৯১ ) হজরত আবু শিহ মাহরী বলেন , একবার কেউ হজরত সাওবান ( রা . ) - কে বললেন , আমরা যেন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর কিছু হাদিস শুনি তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে তিনি বমি করে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۲) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ یعیش بْنِ الْوَلِیدِ بْنِ ہِشَامٍ، أَنَّ مَعْدَانَ أَخْبَرَہُ ، أَنَّ أَبَا الدَّرْدَائِ أَخْبَرَہُ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَائَ فَأَفْطَرَ ، قَالَ : فَلَقِیتُ ثَوْبَانَ ، فَقَالَ : أَنَا صَبَبْت لِرَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَضُوئَہُ۔ (ترمذی ۸۷۔ ابوداؤد ۲۳۷۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২৯২) হজরত মদন বলেন যে, হজরত আবু আল দারদাই তাকে বলেছেন যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বমি করলে রোযা ভেঙ্গে দিয়েছেন । মদন বলেন , এরপর আমি হজরত সাওবান (রা.)-এর সঙ্গে দেখা করি এবং তিনি আমাকে বলেন যে , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে ওযু করার জন্য পানি দিয়েছিলাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : الإِفْطَارُ مِمَّا دَخَلَ ، وَلَیْسَ مِمَّا خَرَجَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২৯৩) হজরত ইকরামা বলেন, কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ করলে রোজা ভাঙে , বাইরে বের হলে নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، قَالَ : سُئِلَ عَامِرٌ عَنِ الصَّائِمِ یَقِیئُ ؟ قَالَ : إذَا فَجَأَہُ الْقَیْئُ فَلاَ یَقْضِی ، وَإِنْ کَانَ تَقَیَّأَ عَمْدًا فَقَدْ أَفْطَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9294) হজরত আমীরকে একজন রোজাদারের বমি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , যদি সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বমি করে তবে তার জন্য কাযা হবে না এবং যদি সে ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে তবে তার রোজা ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۵) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الْمُسَیَّبِ بْنِ رَافِعٍ ، قَالَ : قَالَ أَبُو ہُرَیْرَۃَ : إذَا أَفْطَرَ الصَّائِمُ فَتَمَضْمَضَ ، فَلاَ یَمُجَّہُ ، وَلَکِنْ یَستَرطُہ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9295) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , রোজাদার যখন ইফতারের সময় অজু করে তখন থুথু না ফেলে গিলে ফেলে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۶) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ إِبْرَاہِیمَ عَن ذَلِکَ ؟ فَقَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ أَنْ یَمُجَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯২৯৬ ) হজরত মুগীরাহ বলেন , আমি হজরত ইব্রাহীম (রা. ) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , থুথু ফেলতে কোনো অসুবিধা নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ رضی اللَّہُ عَنْہُ : لاَ تَزَالُ ہَذِہِ الأُمَّۃُ بِخَیْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ ، فَإِذَا کَانَ یَوْمُ صَوْمِ أَحَدِکُمْ فَمَضْمَضَ فَلاَ یَمُجَّہُ ، وَلَکِنْ لِیَشْرَبْہُ ، فَإِنَّ خَیْرَہُ أَوَّلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9297 ) হজরত উমর ( রা . ) বলেন , এই উম্মত ততদিন সমৃদ্ধশালী থাকবে যতক্ষণ না রোজা ভাঙতে থাকবে । কেউ রোজা রাখলে ইফতারের পর তা ফেলে না দিয়ে গিলে ফেললে এর প্রথম অংশ উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یُمَضْمضَ عِنْدَ الإِفْطَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯২৯৮) হজরত আতা বলতেন , রোজা ভাঙার সময় ওযু করা মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۲۹۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالْمَضْمَضَۃِ عِنْدَ الإِفْطَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9299 ) হজরত আমীর বলেন , রোজা ভাঙার সময় কুলি করতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یُمَضْمضَ الرَّجُلُ إذَا أَفْطَرَ ، إذَا أَرَادَ أَنْ یَشْرَبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩০০ ) হজরত হাসান বলতেন , রোজা ভাঙার সময় পনির খেয়ে থুথু ফেলা তার জন্য জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ الصَّائِمِ یُمَضْمِضَ ؟ فَکَرِہَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩০১) হজরত হাকামকে একজন রোজাদারের কিডনি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি একে জঘন্য বলে ঘোষণা করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۲) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ، عَنْ مَالِکِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنِ الشعبی؛ أَنَّہُ کَرِہَ لِلصَّائِمِ أَنْ یُمَضْمِضَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9302) হজরত শাবি রোজাদারের জন্য অজু করাকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ وَہُوَ صَائِمٌ یَبُلُّ الثَّوْبَ ، ثُمَّ یُلْقِیہِ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9303) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবি উসমান বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা . ) - কে দেখেছি যে , তিনি রোজা অবস্থায় একটি কাপড় ভিজিয়ে নিজের গায়ে লাগাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یُکْرَہُ لِلصَّائِمِ أَنْ یَنْضَحَ فِرَاشَہُ بِالْمَائِ ، ثُمَّ یَنَامَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9304) হজরত ইব্রাহীম বলতেন , রোজাদারের জন্য তার বিছানা পানি দিয়ে ভিজিয়ে তার উপর ঘুমানো জঘন্য কাজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۵) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ السَّمَّانُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ سِیرِینَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَبُلَّ الثَّوْبَ ، ثُمَّ یُلْقِیَہُ عَلَی وَجْہِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9305) হজরত ইবনে সীরীন ঘোষণা করেন যে , রোজাদারের জন্য কাপড় ভিজিয়ে নিজের গায়ে লাগানো বৈধ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِی الْعَاصِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَصُبُّ عَلَیْہِ الْمَائَ ، وَیُرَوِّحُ عَنْہُ وَہُوَ صَائِمٌ عَشِیَّۃَ عَرَفَۃَ ، أَوْ یَوْمَ عَرَفَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩০৬) হজরত উসমান ইবনে আবি আল -আস আরাফার দিনে নিজের গায়ে পানি ঢেলে স্বস্তি পেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَبْدَ الرَّحْمَن بْنَ الأَسْوَد یَنْقَعُ رِجْلَیْہِ فِی الْمَائِ وَہُوَ صَائِمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9307) হজরত হাসান ইবনে উবায়দ আল্লাহ বলেন , আমি হজরত আবদ আল - রহমান ইবনে আসওয়াদকে দেখেছি যে , তিনি রোজা অবস্থায় পা পানিতে রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ سُمَیٍّ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ رَجُلٍ رَأَی النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَصُبُّ عَلَی رَأْسِہِ الْمَائَ وَہُوَ صَائِمٌ ، فِی یَوْمٍ صَائِفٍ۔ (ابوداؤد ۲۳۵۷۔ احمد ۳/۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩০৮ ) হজরত আবু বকর ইবনে আবদ আল - রহমান ইবনে হারিস ( রা . ) তার সাহাবীদের থেকে বর্ণনা করেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) গরমের দিনে রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۰۹) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ یُکْرَہُ لِلصَّائِمِ أَنْ یَبُلَّ ثَوْبَہُ بِالْمَائِ ، ثُمَّ یَلْبَسَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9309) হজরত ইব্রাহিম বলেন , রোজা অবস্থায় কাপড় ভিজিয়ে নিজের গায়ে লাগানোকে জঘন্য মনে করা হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لَمْ یَصُمِ الْعَشْرَ قَطُّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 9310) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই যুল - হিজ্জার দশটি রোজা রাখেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَد ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : مَا رَأَیْت رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَامَ الْعَشْرَ قَطُّ۔ (مسلم ۱۰۔ ابوداؤد ۲۴۳۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩১১) হজরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে ১০ তারিখে রোজা রাখতে দেখিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۲) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ مُحَمَّدٌ یَصُومُ الْعَشْرَ ، عَشْرَ ذِی الْحِجَّۃِ کُلِّہِ ، فَإِذَا مَضَی الْعَشْرُ وَمَضَتْ أَیَّامُ التَّشْرِیقِ ، أَفْطَرَ تِسْعَۃَ أَیَّامٍ مِثْلَ مَا صَامَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩১২) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ (সা.) জুল-হিজ্জার দশ দিনের সব রোজা রাখতেন এবং উম্মে তিশরীকের দিন অতিবাহিত হলে তিনি আরও নয়টি রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۳) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، قَالَ : کَانَ مُجَاہِدٌ یَصُومُ الْعَشْرَ ، قَالَ : وَکَانَ عَطَائٌ یَتَکَلَّفُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩১৩) হজরত লেঃ বলেন , হজরত মুজাহিদ ১০ই জুলহিজ্জার রোজা রাখতেন এবং হজরত আতাও তাদের আয়োজন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : أَتَی عَلِیًّا رَجُلٌ ، فَقَالَ : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ ، أَخْبِرْنِی بِشَہْرٍ أَصُومُہُ بَعْدَ رَمَضَانَ ، فَقَالَ : لَقَدْ سَأَلْتنِی عَنْ شَیْئٍ مَا سَمِعْت أَحَدًا یَسْأَلُ عَنْہُ، بَعْدَ رَجُلٍ سَمِعْتُہُ یَسْأَلُ عَنْہُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ لَہُ : إِنْ کُنْت صَائِمًا شَہْرًا بَعْدَ رَمَضَانَ فَصُمِ الْمُحَرَّمَ ، فَإِنَّہُ شَہْرُ اللہِ ، وَفِیہِ یَوْمٌ تَابَ فِیہِ قَوْمٌ ، وَیُتَابُ فِیہِ عَلَی آخَرِینَ۔ (ترمذی ۷۴۱۔ دارمی ۱۷۵۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(9314) হজরত নুমান বিন সাদ বলেন , এক ব্যক্তি হযরত আলী ( রা . ) - এর কাছে এসে বলল , হে ঈমানদার সেনাপতি ! রমজানের পর কোন মাসে রোজা রাখা উচিত ? হযরত আলী (রাঃ ) বলেন , যেহেতু আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছি , তাই আপনি ছাড়া আর কেউ আমাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেননি । আমি জিজ্ঞেস করলে রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , রমজানের পর যে কোন মাসে রোজা রাখতে হবে , তা মুহাররম মাস হবে এটি আল্লাহর ইচ্ছা নয় , এটি এমন একটি দিন যেখানে একটি জাতি আল্লাহর কাছে তওবা করে এবং আল্লাহ তায়ালা অন্যদেরকে ক্ষমা করে দেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَصُومُ أَشْہُرَ الْحُرُمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৩১৫) হযরত হাসান আশহার হারামে রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَسَارٍ ، وَسَلِیطٍ أَخِیہِ قَالاَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ بِمَکَّۃَ یَصُومُ أَشْہُرَ الْحُرُمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩১৬ ) হযরত ইবনে উমর আশহার মক্কায় রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۷) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ ، عَنْ حُمَیْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْیَرِیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَیُّ الصِّیَامِ أَفْضَلُ بَعْدَ رَمَضَانَ ؟ فَقَالَ : شَہْرُ اللہِ الَّذِی تَدْعُونَہُ الْمُحَرَّمَ۔ (مسلم ۲۰۳۔ ابوداؤد ۲۴۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৩১৭) হজরত আবু হারি রাহ. বলেন , এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে এসে বলল , হে আল্লাহর রাসূল ! রমজানের পর সবচেয়ে ভালো রোজাগুলো কী কী ? আপনি বলেছেন , হে আল্লাহ, আপনি এই মাসে রোজা রাখেন যাকে আপনি মুহাররম বলেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۳۱۸) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَصُومُ الاِثْنَیْن وَالْخَمِیسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(9318) হযরত মুসাইব ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৩১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস