(৫) ( 9894 ) এটি ইবনে ফুযী দ্বারা বর্ণিত হয়েছে , মুগীর সূত্রে , ইবরাহীমের সূত্রে , তিনি বলেছেন : ইয়া উম্মা মাকানাহ এবং ইয়া স্তাগফির রাব্বাহ [হাদিসের সীমা (৮৯৫৯-৯৮৯৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৯৩৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬৬৬টি]



9229 OK

(৯২২৯)

সহিহ হাদিস

(۹۲۲۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : یُواتِر قَضَاء رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9229) হজরত আরওয়া বলেন , তিনি রমজানের রোজা নিয়মিত পালন করবেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9230 OK

(৯২৩০)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، أَنَّہُ قَالَ : لاَ یَقْطَعُہُ إذَا کَانَ صَحِیحًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9230) হযরত আরওয়া বলেন , সুস্থ থাকলে ঘন ঘন রোজা রাখবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9231 OK

(৯২৩১)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَقُولُونَ : قَضَاء رَمَضَانَ تِبَاعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৩১) হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলেন , বাপ - দাদারা বলতেন , রমজানের রোজা ঠিক রাখা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9232 OK

(৯২৩২)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : یَقْضِیہ کَہَیْئَتِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9232) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়্যিব বলেন , তিনি জি-এর সাথে মেকআপ করেছিলেন এবং তিনি তার সাথে মেকআপ করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9233 OK

(৯২৩৩)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۳) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ الْحَسَنُ یُحِبُّ أَنْ یُتَابَعَ بَیْنَ قَضَائِ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৩৩ ) হজরত হাসান রমজানের রোজাগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে রাখতে পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9234 OK

(৯২৩৪)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : أَحَبُّ إلَیَّ أَنْ یَقْضِیَہُ کَمَا أَفْطَرَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৩৪) হজরত শাবি বলেন , আমি পছন্দ করি যে , রোজাকে যেভাবে বিচার করা হয় সেভাবেই বিচার করা হোক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9235 OK

(৯২৩৫)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ فِی قَضَائِ رَمَضَانَ : أَحَبَّ إلَیَّ أَنْ یَصُومَہُ کَمَا أَفْطَرَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9235 ) হজরত মুহাম্মদ রমজানের রোজা সম্পর্কে বলেছেন যে তিনি যেন সেগুলি রেখেছিলেন সেভাবে রাখতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9236 OK

(৯২৩৬)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ الْحَکَمِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، عَنْ عُقْبَۃَ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : یُوَاتِرُہُ إِنْ شَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৩৬) হজরত আবু হারি (রা.) বলেন , যদি তিনি চান তবে ঘন ঘন রাখতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9237 OK

(৯২৩৭)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ عَنْ قَضَائِ رَمَضَانَ ؟ قَالَ : مُتَتَابِعٌ أَحَبَّ إلَیَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৩৭ ) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকামকে রমজানের ক্বাযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , এটা ঠিক রাখা আমার নিকটবর্তী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9238 OK

(৯২৩৮)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۸) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ أَفْلَحَ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، قَالَ : صُمْہُ مُتَتَابِعًا إِلاَّ أَنْ یُقْطَعَ بِکَ کَمَا قَطَعَ بِکَ فِیہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৩৮ ) হজরত কাসেম বলেন , রমজানের রোজা নিয়মিত রাখতে হবে , কিন্তু ওজর থাকলে ভিন্ন কথা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9239 OK

(৯২৩৯)

সহিহ হাদিস

(۹۲۳۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : یَقْضِیہ مُتَتَابِعًا أَحَبَّ إلَیَّ، وَإِنْ فَرَّقَ أَجْزَأَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৩৯) হযরত আতা (রাঃ) বলেন , আমি রমজানের রোজাগুলোকে নিয়মানুযায়ী কাযা করতে পছন্দ করি , যদিও এর উপাদানগুলোর মধ্যে পার্থক্য থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9240 OK

(৯২৪০)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۰) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِیعَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَسْتَاکُ وَہُوَ صَائِمٌ۔ (ابوداؤد ۲۳۵۶۔ دارقطنی ۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৪০ ) হজরত আমীর ইবনে রাবিয়াহ বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রোজা রাখতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9241 OK

(৯২৪১)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ لَمْ یَکُنْ یَرَی بَأْسًا بِالسِّوَاکِ لِلصَّائِمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৪১) হজরত ইবনে উমর রোজাদারের জন্য মিসওয়াক করাকে মাকরূহ মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9242 OK

(৯২৪২)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، وَسُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی نَہِیکٍ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ حُدَیْرٍ ، قَالَ : مَا رَأَیْت أَحَدًا أَدْوَمَ سِوَاکًا وَہُوَ صَائِمٌ مِنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৪২ ) হজরত জায়েদা ইবনে হুদাইর বলেন , আমি হজরত ওমর ( রা . ) - এর চেয়ে বেশি কাউকে রোজা অবস্থায় মিসওয়াক করতে দেখিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9243 OK

(৯২৪৩)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۳) حَدَّثَنَا عَبِیْدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَبِی نَہِیکٍ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِیَ اللَّہُ عَنْہُ ، بِنَحْوِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9243) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9244 OK

(৯২৪৪)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شَدَّادِ أَبِی طَلْحَۃَ ، عَنِ امْرَأَۃٍ مِنْہُمْ یُقَالُ لَہَا : کَبْشَۃُ قَالَتْ : جِئْت إلَی عَائِشَۃَ فَسَأَلْت عَنِ السِّوَاکِ لِلصَّائِمِ ؟ قَالَتْ : ہَذَا سِوَاکِی فِی یَدِی وَأَنَا صَائِمَۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৪৪ ) হজরত কাবশা বলেন , আমি হজরত আয়েশা ( রা . ) - এর কাছে এসে একজন রোজাদারকে মিসওয়াক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম , তিনি বললেন , আমি রোজাদার এবং এটা আমার হাতে মিসওয়াক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9245 OK

(৯২৪৫)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۵) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ عَبْدِ الْجَلِیلِ ، قَالَ : حدَّثَنِی شَہْرُ بْنُ حَوْشَبٍ ، قَالَ : سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ السِّوَاکِ لِلصَّائِمِ ؟ فَقَالَ : نِعْمَ الطَّہُورُ ، اسْتَکْ عَلَی کُلِّ حَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৪৫ ) হজরত শাহর ইবনে হাউসাব বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) - কে রোজা রাখার সময় মিসওয়াক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , মিসওয়াক পবিত্রতা বাড়ায় , এর একটি কারণ রয়েছে , সবসময় দাঁত মাজুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9246 OK

(৯২৪৬)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۶) حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَک ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَاکُ مَرَّتَیْنِ ، غَدْوَۃً وَعَشِیَّۃً وَہُوَ صَائِمٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9246) হযরত উরওয়া ( রাঃ) রোজা অবস্থায় সকালে ও সন্ধ্যায় দুবার দাঁত ব্রাশ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9247 OK

(৯২৪৭)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۷) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ خُصَیْفٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : اسْتَکْ أَوَّلَ النَّہَارِ ، وَلاَ تَسْتَکْ آخِرَہُ إذَا کُنْتَ صَائِمًا ، قُلْتُ : لِمَ لاَ أَسْتَاکُ فِی آخِرِ النَّہَارِ ؟ قَالَ : إنَّ خُلُوفَ الصَّائِمِ أَطْیَبُ عِنْدَ اللہِ مِنْ رِیحِ الْمِسْکِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9247) হজরত খাসিফ বলেন , হজরত আতা ( রা .) বলেছেন , রোজা রাখার সময় দিনের প্রথমভাগে দাঁত ব্রাশ করবেন , দিনের শেষভাগে দাঁত ব্রাশ করবেন না । আমি বললাম কেন আমি দিনের শেষ অংশে দাঁত ব্রাশ করব না ? তিনি বলেন , রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে কস্তুরীর গন্ধের চেয়েও বেশি পছন্দনীয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9248 OK

(৯২৪৮)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۸) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ مُحَمَّدٌ یَسْتَاکُ مِنْ أَوَّلِ النَّہَارِ ، وَیَکْرَہہُ مِنْ آخِرِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৪৮ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ রোজা রাখার সময় দিনের শুরুতে দাঁত ব্রাশ করতেন , কিন্তু দিনের শেষে একে জঘন্য বলে ঘোষণা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9249 OK

(৯২৪৯)

সহিহ হাদিস

(۹۲۴۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَاکُ إذَا أَرَادَ أَنْ یَدفع إلَی الظُّہْرِ وَہُوَ صَائِمٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৪৯) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা .) রোজা অবস্থায় যোহরের জন্য যাওয়ার আগে দাঁত মাজতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9250 OK

(৯২৫০)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسِّوَاکِ لِلصَّائِمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৫০ ) ইবরাহীম বলেন , রোজাদারের দাঁত মাজার কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9251 OK

(৯২৫১)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ سَالِمٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا بِالسِّوَاکِ لِلصَّائِمِ ، إِلاَّ عِنْدَ اصْفِرَارِ الشَّمْسِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৫১) হযরত সেলিম সূর্য হলুদ হওয়ার পূর্বে আসরের পর রোজাদারের জন্য মিসওয়াককে মাকরূহ ঘোষণা করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9252 OK

(৯২৫২)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ السِّوَاکَ لِلصَّائِمِ بَعْدَ الظُّہْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৫২) হজরত মুজাহিদ রোজাদারের জন্য জোহরের পর দাঁত ব্রাশ ব্যবহার করাকে মাকরুহ ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9253 OK

(৯২৫৩)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : یَسْتَاکُ الصَّائِمُ أَیَّ النَّہَارِ شَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৫৩) হজরত আমীর বলেন, রোজাদারের যখন খুশি দাঁত মাজতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9254 OK

(৯২৫৪)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ بَشِیرٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ السِّوَاکِ لِلصَّائِمِ ، فَقَالَ: أدْمَیْت فَمِی الْیَوْمَ مَرَّتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৯২৫৪) হজরত আবু হারি রাহ.- কে রোজাদারের দাঁত মাজার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , আমি দিনে দুবার ব্রাশ দিয়ে মুখ থেকে রক্ত বের করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9255 OK

(৯২৫৫)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۵) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا بِالسِّوَاکِ لِلصَّائِمِ مِنْ أَوَّلِ النَّہَارِ ، وَقَالَ : إنَّمَا کُرِہَ لَہُ آخِرَ النَّہَارِ ، بَعْدَ مَا یَخلف فُوہُ یستحب أَنْ یَرْجِعَ فِی جَوْفِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৫৫ ) হজরত হাকামের মতে, রোজাদারের জন্য দিনের প্রথমভাগে দাঁত ব্রাশ করা জায়েজ । তিনি বলেন , দিনের শেষ ভাগে ব্রাশ করা জঘন্য যাতে পেট খালি হওয়ার ফলে উৎপন্ন গন্ধ ফিরে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9256 OK

(৯২৫৬)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۶) حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : سُئِلَ سَعِیدُ بْنُ الْمُسَیَّبِ عَنِ السِّوَاکِ لِلصَّائِمِ؟ فَقَالَ: لاَ بَأْسَ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 9256 ) হজরত সাঈদ বিন মুসায়্যিবকে রোজা অবস্থায় দাঁত মাজার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , এতে কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9257 OK

(৯২৫৭)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، وَوَکِیعٍ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ، عَنْ أَبِیہِ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَاکُ بِالسِّوَاکِ الرَّطْبِ وَہُوَ صَائِمٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(9257) হজরত উরওয়া রোজা অবস্থায় একটি তাজা টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



9258 OK

(৯২৫৮)

সহিহ হাদিস

(۹۲۵۸) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسِّوَاکِ الرَّطْبِ لِلصَّائِمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৯২৫৮ ) হজরত মুজাহিদ বলেন , রোজা অবস্থায় তাজা টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজার কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯২৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস