(৫) হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৫৩০-১৩০৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১১৯টি]



1190 OK

(১১৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:৮০৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنْ طَارِقِ بْنِ زِيَادٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ عَلِيٍّ إِلَى الْخَوَارِجِ فَقَتَلَهُمْ ثُمَّ قَالَ انْظُرُوا فَإِنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهُ سَيَخْرُجُ قَوْمٌ يَتَكَلَّمُونَ بِالْحَقِّ لَا يُجَاوِزُ حَلْقَهُمْ يَخْرُجُونَ مِنْ الْحَقِّ كَمَا يَخْرُجُ السَّهْمُ مِنْ الرَّمِيَّةِ سِيمَاهُمْ أَنَّ مِنْهُمْ رَجُلًا أَسْوَدَ مُخْدَجَ الْيَدِ فِي يَدِهِ شَعَرَاتٌ سُودٌ إِنْ كَانَ هُوَ فَقَدْ قَتَلْتُمْ شَرَّ النَّاسِ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ هُوَ فَقَدْ قَتَلْتُمْ خَيْرَ النَّاسِ فَبَكَيْنَا ثُمَّ قَالَ اطْلُبُوا فَطَلَبْنَا فَوَجَدْنَا الْمُخْدَجَ فَخَرَرْنَا سُجُودًا وَخَرَّ عَلِيٌّ مَعَنَا سَاجِدًا غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ يَتَكَلَّمُونَ بِكَلِمَةِ الْحَقِّ


তারেক বিন যিয়াদ থেকে বর্ণিতঃ

আমরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে খারিজীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হয়েছিলাম। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এই অভিযানে তাদেরকে হত্যা করলেন। তারপর বললেনঃ তোমরা খোঁজ নাও। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একটা দল আবির্ভূত হবে। যারা সত্য কথা বলবে কিন্তু সে সত্য কথা তাদের মুখেই থাকবে, কণ্ঠ অতিক্রম করবে না। (অর্থাৎ অন্তর থেকে বলবে না) তীর যেভাবে ধনুক থেকে বের হয়, তারা সেই ভাবেই সত্য থেকে বের হবে। তাদের আলামত হলো, তাদের মধ্যে এক ব্যক্তির বর্ণ কালো ও হাত আংশিক পঙ্গু থাকবে। তার হাতে কালো পশম থাকবে। নিহতদের মধ্যে যদি এই ব্যক্তি থাকে, তাহলে তোমরা নিকৃষ্টতম লোককে হত্যা করেছ। সে যদি না থেকে থাকে তাহলে তোমরা সর্বোত্তম ব্যক্তিকে হত্যা করেছ।

আমরা এ কথা শুনে কেঁদে ফেললাম। তারপর তিনি বললেনঃ অনুসন্ধান কর। আমরা অনুসন্ধান করলাম এবং আংশিক পঙ্গু হাত ওয়ালাকে নিহতদের মধ্যে পেলাম। ফলে আমরা শোকর আদায়ের লক্ষে সিজদায় উপুড় হলাম। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুও সিজদায় উপুড় হলেন। তবে তখনো তিনি বললেন, তারা মুখে যা বলতো সত্যই বলতো। (খারিজীদের শ্লোগান ছিলঃ “আল্লাহর হুকুম ছাড়া আর কিছু মানি না।” আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর জবাবে বলতেনঃ ওদের কথাটা সত্য কিন্তু উদ্দেশ্য অসৎ। অর্থাৎ এই ধুয়া তুলে তারা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ও খিলাফাতে রাশেদার শাসন উচ্ছেদের চেষ্টায় লিপ্ত ছিল।) [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1191 OK

(১১৯১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُفْيَانَ قَالَ خَطَبَ رَجُلٌ يَوْمَ الْبَصْرَةِ حِينَ ظَهَرَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ عَلِيٌّ هَذَا الْخَطِيبُ الشَّحْشَحُ سَبَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَصَلَّى أَبُو بَكْرٍ وَثَلَّثَ عُمَرُ ثُمَّ خَبَطَتْنَا فِتْنَةٌ بَعْدَهُمْ يَصْنَعُ اللَّهُ فِيهَا مَا شَاءَ


আমর ইবনে সুফিয়ান থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু জয় লাভের পর বসরায় এক ব্যক্তি ভাষণ দিলেন। আলীরাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ইনি সাহসী বক্তা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, আবু বাকর জানাযার নামায পড়লেন এবং উমার (খিলাফাতের বিতর্কে) মধ্যস্থতা করলেন। তারপর গোলযোগ আমাদের বিপর্যস্ত করলো। গোলযোগে আল্লাহ যা চান তাই করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1192 OK

(১১৯২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ عَنْ أَبِي عَوْنٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ الْحَنَفِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ قِيلَ لِعَلِيٍّ وَلِأَبِي بَكْرٍ يَوْمَ بَدْرٍ مَعَ أَحَدِكُمَا جِبْرِيلُ وَمَعَ الْآخَرِ مِيكَائِيلُ وَإِسْرَافِيلُ مَلَكٌ عَظِيمٌ يَشْهَدُ الْقِتَالَ أَوْ قَالَ يَشْهَدُ الصَّفَّ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

বদরের যুদ্ধের দিন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলা হলো, তোমাদের একজনের সাথে জিবরীল ও অপরজনের সাথে মিকাইল রয়েছে। আর ইসরাফীল একজন ভয়ংকর ফেরেশতা, যিনি যুদ্ধের ময়দানে উপস্থিত থাকেন। অথবা বলেছেন, মুজাহিদের কাতারে উপস্থিত থাকেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1193 OK

(১১৯৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) যোহরের আগে চার রাকাত সালাত আদায় করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1194 OK

(১১৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৭১] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي هَاشِمٍ الْقَاسِمِ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ قَيْسٍ الْخَارِفِيِّ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ سَبَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَصَلَّى أَبُو بَكْرٍ وَثَلَّثَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ثُمَّ خَبَطَتْنَا أَوْ أَصَابَتْنَا فِتْنَةٌ فَمَا شَاءَ اللَّهُ جَلَّ جَلَالُهُ قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ قَالَ أَبِي قَوْلُهُ ثُمَّ خَبَطَتْنَا فِتْنَةٌ أَرَادَ أَنْ يَتَوَاضَعَ بِذَلِكَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন। তারপর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর জানাযার নামায পড়লেন, আর উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু পড়লেন তৃতীয় জানাযা। এরপরই আমরা সেই অরাজকতায় পতিত হলাম, যা আল্লাহ চেয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1195 OK

(১১৯৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوتِرُ فِي أَوَّلِ اللَّيْلِ وَفِي وَسَطِهِ وَفِي آخِرِهِ ثُمَّ ثَبَتَ لَهُ الْوَتْرُ فِي آخِرِهِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমাংশে, মধ্যরাতে ও শেষ রাতে বিতর পড়তেন। তারপর শেষ রাতের বিতরই তাঁর জন্য স্থায়ী হলো। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1196 OK

(১১৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬১৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَإِسْرَائِيلُ وَأَبِي عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ قَالَ سَأَلْنَا عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ تَطَوُّعِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّهَارِ فَقَالَ إِنَّكُمْ لَا تُطِيقُونَهُ قَالَ قُلْنَا أَخْبِرْنَا بِهِ نَأْخُذْ مِنْهُ مَا أَطَقْنَا قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَلَّى الْفَجْرَ أَمْهَلَ حَتَّى إِذَا كَانَتْ الشَّمْسُ مِنْ هَا هُنَا يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ مِقْدَارُهَا مِنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ مِنْ هَاهُنَا مِنْ قِبَلِ الْمَغْرِبِ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ يُمْهِلُ حَتَّى إِذَا كَانَتْ الشَّمْسُ مِنْ هَاهُنَا يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ مِقْدَارُهَا مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ مِنْ هَاهُنَا يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَغْرِبِ قَامَ فَصَلَّى أَرْبَعًا وَأَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ إِذَا زَالَتْ الشَّمْسُ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَأَرْبَعًا قَبْلَ الْعَصْرِ يَفْصِلُ بَيْنَ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ بِالتَّسْلِيمِ عَلَى الْمَلَائِكَةِ الْمُقَرَّبِينَ وَالنَّبِيِّينَ وَمَنْ تَبِعَهُمْ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ تِلْكَ سِتَّ عَشْرَةَ رَكْعَةً تَطَوُّعُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّهَارِ وَقَلَّ مَنْ يُدَاوِمُ عَلَيْهَا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ لَأَبِي إِسْحَاقَ حِينَ حَدَّثَهُ يَا أَبَا إِسْحَاقَ يَسْوَى حَدِيثُكَ هَذَا مِلْءَ مَسْجِدِكَ ذَهَبًا


আসিম বিন যামরা থেকে বর্ণিতঃ

আমরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনের বেলায় কেমন নফল ইবাদাত করতেন? আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তোমরা তা পারবে না। আমরা বললামঃ আমাদেরকে বলুন না, যতদূর পারি অনুকরণ করবো। তিনি বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়ার পর কিছুটা বিরতি দিতেন। তারপর সূর্য যখন পূর্ব প্রান্তে এতটা ওপরে উঠতো, যতটা আছরের সময় পশ্চিম প্রান্তে থাকে, তখন উঠে দু’রাকাআত পড়তেন। তারপর আবার কিছুক্ষণ বিরতি দিতেন। তারপর যোহরের সময় সূর্য পশ্চিম প্রান্তে যতটা ওপরে থাকে, ততটা যখন পূর্ব প্রান্তে থাকতো, তখন উঠে চার রাকাআত পড়তেন। তারপর সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার পর যোহরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন এবং দুরাকাআত যোহরের পরে পড়তেন। আর আছরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন। এই চার রাকাআতের দুই দুই রাকাআত শেষে আল্লাহর ঘনিষ্ঠতম ফেরেশতাদের ওপর, নবীদের ওপর ও তাদের অনুসারী মুমিন ও মুসলিম নরনারীর ওপর সালাম পাঠাতেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এই ষোল রাকাআত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিনের নফল নামায। তবে এই নামাযগুলো নিয়মিতভাবে খুব কম সংখ্যক লোকই পড়ে থাকে। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1197 OK

(১১৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬১৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ الْوَتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ مِثْلَ الصَّلَاةِ وَلَكِنَّهُ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

বিতর ফরয নামাযের মত বাধ্যতামূলক নয়। তবে এটা সুন্নাত- যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চালু করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1198 OK

(১১৯৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا فِطْرٌ عَنْ كَثِيرِ بْنِ نَافِعٍ النَّوَّاءِ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُلَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ قَبْلِي نَبِيٌّ إِلَّا قَدْ أُعْطِيَ سَبْعَةَ رُفَقَاءَ نُجَبَاءَ وُزَرَاءَ وَإِنِّي أُعْطِيتُ أَرْبَعَةَ عَشَرَ حَمْزَةُ وَجَعْفَرٌ وَعَلِيٌّ وَحَسَنٌ وَحُسَيْنٌ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَالْمِقْدَادُ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ وَأَبُو ذَرٍّ وَحُذَيْفَةُ وَسَلْمَانُ وَعَمَّارٌ وَبِلَالٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পূর্বে এমন কোন নবী আসেননি, যাকে সাতজন বহু গুণসম্পন্ন বন্ধু ও উপদেষ্টা দেয়া হয়নি। আর আমাকে দেয়া হয়েছে চৌদ্দজন বহু গুণসম্পন্ন বন্ধু ও উপদেষ্টা। তারা হচ্ছে হামযা, জাফর, আলী, হাসান, হুসাইন, আবু বাকর, উমার, মিকদাদ, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ্দ, আবু যার, হুযাইফা, সালমান, আম্মার ও বিলাল। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1199 OK

(১১৯৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৯৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنْتُ أَرَى أَنَّ بَاطِنَ الْقَدَمَيْنِ أَحَقُّ بِالْمَسْحِ مِنْ ظَاهِرِهِمَا حَتَّى رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْسَحُ ظَاهِرَهُمَا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি মনে করতাম, পায়ের পিঠের চেয়ে পায়ের তলা মাসেহ করা বেশি যুক্তিসংগত। কিন্তু পরে দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’পায়ের পিঠে মাসেহ করছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1200 OK

(১২০০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَيْسَ فِي مَالٍ زَكَاةٌ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

কোন সম্পদের উপর এক বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত যাকাত ফারয হয় না। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1201 OK

(১২০১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ قَالَ قُلْتُ لِلْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ إِنَّ الشِّيعَةَ يَزْعُمُونَ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَرْجِعُ قَالَ كَذَبَ أُولَئِكَ الْكَذَّابُونَ لَوْ عَلِمْنَا ذَاكَ مَا تَزَوَّجَ نِسَاؤُهُ وَلَا قَسَمْنَا مِيرَاثَهُ


আসেম বিন যামরা থেকে বর্ণিতঃ

আমি আলীর ছেলে হাসানকে বললাম, শীয়ারা দাবী করে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আবার ফিরে আসবেন। হাসান বললেন, ঐ সব মিথ্যুক মিথ্যা বলেছে। আমরা যদি এটা জানতাম তবে তার স্ত্রীরা বিয়ে করতো না এবং আমরা তার উত্তরাধিকার বণ্টন করতাম না। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1202 OK

(১২০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ عَفَوْتُ لَكُمْ عَنْ الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ فَهَاتُوا صَدَقَةَ الرِّقَّةِ مِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ دِرْهَمًا دِرْهَمًا وَلَيْسَ فِي تِسْعِينَ وَمِائَةٍ شَيْءٌ فَإِذَا بَلَغَتْ مِائَتَيْنِ فَفِيهَا خَمْسَةُ دَرَاهِمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘোড়া ও দাসদাসীর যাকাত থেকে আমি তোমাদেরকে অব্যাহতি দিয়েছি। তবে তোমরা রৌপ্য মুদ্রার যাকাত দাও। প্রত্যেক চল্লিশ দিরহাম থেকে এক দিরহাম। একশো নব্বই দিরহামে কিছু নয়। দুইশো হলে তাতে পাঁচ দিরহাম যাকাত। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1203 OK

(১২০৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ النَّاقِدُ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ الرَّقِّيُّ حَدَّثَنَا حَفْصٌ أَبُو عُمَرَ عَنْ كَثِيرِ بْنِ زَاذَانَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَاسْتَظْهَرَهُ شُفِّعَ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ قَدْ وَجَبَتْ لَهُمْ النَّارُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন অধ্যয়ন করে এবং তাকে বাস্তবায়িত করে, তাকে তার পরিবারের এমন দশজনের জন্য সুপারিশ করার ক্ষমতা দেয়া হবে, যাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছিল। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০৩]


[ইবনু মাজা-২১৬, তিরমিযী-২৯০৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1204 OK

(১২০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১২০২] view_link


হাসান হাদিস


হাদিস নং ৬৭৩ দেখুন


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1205 OK

(১২০৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১১৮৩] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ أَبُو مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ ذَكْوَانَ عَنْ عَمْرِو بْنِ خَالِدٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَتَانِي جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام فَلَمْ يَدْخُلْ عَلَيَّ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مَنَعَكَ أَنْ تَدْخُلَ قَالَ إِنَّا لَا نَدْخُلُ بَيْتًا فِيهِ صُورَةٌ وَلَا بَوْلٌ و حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ و حَدَّثَنَاه شَيْبَانُ مَرَّةً أُخْرَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ حُسَيْنِ بْنِ ذَكْوَانَ عَنْ عَمْرِو بْنِ خَالِدٍ عَنْ حَبَّةَ بْنِ أَبِي حَبَّةَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَتَانِي جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام يُسَلِّمُ عَلَيَّ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ مِثْلَهُ نَحْوَهُ قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ وَكَانَ أَبِي لَا يُحَدِّثُ عَنْ عَمْرِو بْنِ خَالِدٍ يَعْنِي كَانَ حَدِيثُهُ لَا يَسْوَى عِنْدَهُ شَيْئًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার কাছে জিবরীল এসেছিল। কিন্তু ঘরে ঢোকেনি। আমি জিবরীলকে বললাম, ঘরে ঢুকতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছিল? জিবরীল (আঃ) বললেন, যে ঘরে কোনো ছবি বা প্রস্রাব আছে, সেখানে আমরা ঢুকিনা। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1206 OK

(১২০৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১১৪৪] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ قَيْسِ بْنِ عُبَادٍ قَالَ كُنَّا مَعَ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَكَانَ إِذَا شَهِدَ مَشْهَدًا أَوْ أَشْرَفَ عَلَى أَكَمَةٍ أَوْ هَبَطَ وَادِيًا قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ صَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ فَقُلْتُ لِرَجُلٍ مِنْ بَنِي يَشْكُرَ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ حَتَّى نَسْأَلَهُ عَنْ قَوْلِهِ صَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ قَالَ فَانْطَلَقْنَا إِلَيْهِ فَقُلْنَا يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ رَأَيْنَاكَ إِذَا شَهِدْتَ مَشْهَدًا أَوْ هَبَطْتَ وَادِيًا أَوْ أَشْرَفْتَ عَلَى أَكَمَةٍ قُلْتَ صَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ فَهَلْ عَهِدَ رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكَ شَيْئًا فِي ذَلِكَ قَالَ فَأَعْرَضَ عَنَّا وَأَلْحَحْنَا عَلَيْهِ فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ قَالَ وَاللَّهِ مَا عَهِدَ إِلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَهْدًا إِلَّا شَيْئًا عَهِدَهُ إِلَى النَّاسِ وَلَكِنَّ النَّاسَ وَقَعُوا عَلَى عُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَتَلُوهُ فَكَانَ غَيْرِي فِيهِ أَسْوَأَ حَالًا وَفِعْلًا مِنِّي ثُمَّ إِنِّي رَأَيْتُ أَنِّي أَحَقُّهُمْ بِهَذَا الْأَمْرِ فَوَثَبْتُ عَلَيْهِ فَاللَّهُ أَعْلَمُ أَصَبْنَا أَمْ أَخْطَأْنَا


কায়েস বিন উবাদ থেকে বর্ণিতঃ

আমরা আলীর রাদিয়াল্লাহু আনহু সাথে এক সফরে ছিলাম। এই সফরে তিনি যখনই কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এমন প্রান্তর দেখতেন, কোন পাহাড়ের উঁচু স্থানে উঠতেন বা সমতলে নামতেন, বলতেন, “সুবহানাল্লাহ, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য বলেছেন।” আমি বনু ইয়াশকার গোত্রের এক ব্যক্তিকে বললাম, চল, আমরা আমীরুল মুমিনীনের কাছে যাই এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করি। কেন তিনি “আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন” এ কথা বলেন। অতঃপর আমরা তার কাছে গেলাম এবং বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন, আমরা লক্ষ্য করলাম, আপনি যখনই কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এমন স্থানে উপস্থিত হন, কিংবা কোন পাহাড়ের উপরে উঠেন অথবা সমতল ভূমিতে নামেন, তখনই বলেন, “সুবহানাল্লাহ, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন।” এ ব্যাপারে কি আল্লাহর রাসূল আপনাকে কোন বিশেষ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন? কিন্তু আমীরুল মুমিনীন এর জবাব এড়িয়ে গেলেন। তথাপি আমরা অনেক পিড়াপিড়ি করলাম। অগত্যা তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাধারণ জনগণকে যা কিছু আদেশ দিয়েছেন তা ছাড়া আর কোনো আদেশ আমাকে দেননি। কিন্তু একদল লোক উসমানের উপর হামলা চালালো ও তাকে হত্যা করলো। সেদিন আমি ব্যতীত অন্য সবাই আমার চেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল। তারপর আমি উপলব্ধি করলাম যে, এ ব্যাপারে অন্য সবার চেয়ে আমি অধিকতর হকদার। তাই এই কাজে আমি ঝাঁপিয়ে পড়লাম। (অর্থাৎ উসমানের হত্যাকারীর অনুসন্ধানের কাজে) এখন আল্লাহই ভালো জানেন। আমরা সঠিক কাজ করেছি না ভুল করেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1207 OK

(১২০৭)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ لِلْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ رُمْحٌ فَكُنَّا إِذَا خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزَاةٍ خَرَجَ بِهِ مَعَهُ فَيَرْكُزُهُ فَيَمُرُّ النَّاسُ عَلَيْهِ فَيَحْمِلُونَهُ فَقُلْتُ لَئِنْ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَأُخْبِرَنَّهُ فَقَالَ إِنَّكَ إِنْ فَعَلْتَ لَمْ تَرْفَعْ ضَالَّةً


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

মুগীরার একটা বর্শা ছিল। আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কোন অভিযানে বের হতাম, তখন মুগীরা ঐ বর্শাটা নিয়ে বের হতো। যখন সে ঐ বর্শা মাটিতে গেড়ে রাখতো, তখন লোকেরা তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তা তুলে নিয়ে যেতো। তখন আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যদি যাই, তবে আমি এই অবস্থাটা তাকে জানাবো। তখন মুগীরা বললো, তুমি যদি এটা জানিয়ে দাও, তবে কোন হারানো জিনিস কেউ তুলবে না। (অর্থাৎ মালিকের অনুমতি ছাড়াই যারা বর্শাটা নিয়ে গেছে তাদের কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালে এরপর তিনি সবাইকে এ কাজ থেকে নিবৃত করবেন। ফলে মালিক বিহীন কোন জিনিস আর কেউ নেবে না।) [মুসনাদে আহমাদ : ১২০৭]


[ইবনু মাজা-২৮০৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1208 OK

(১২০৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৯২৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي حَيَّةَ بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ تَوَضَّأَ ثَلَاثًا ثَلَاثًا وَشَرِبَ فَضْلَ وَضُوئِهِ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1209 OK

(১২০৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২৯] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ قَالَ عَبْد اللَّهِ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا عَنْ كَثِيرٍ النَّوَّاءِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُلَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَيْسَ مِنْ نَبِيٍّ كَانَ قَبْلِي إِلَّا قَدْ أُعْطِيَ سَبْعَةَ نُقَبَاءَ وُزَرَاءَ نُجَبَاءَ وَإِنِّي أُعْطِيتُ أَرْبَعَةَ عَشَرَ وَزِيرًا نَقِيبًا نَجِيبًا سَبْعَةً مِنْ قُرَيْشٍ وَسَبْعَةً مِنْ الْمُهَاجِرِينَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ আমার পূর্ববতী প্রত্যেক নবী সাতজন এমন উপদেষ্ট পেতেন যারা হতেন তার উত্তরাধিকারীদের নেতা ও সর্বগুণে গুণান্বিত। আর আমি পেয়েছি চৌদ্দজন সর্বগুণে গুণান্বিত, উত্তরাধিকারীদের নেতা ও উপদেষ্টা। সাতজন কুরাইশ থেকে এবং সাতজন মুহাজিরদের মধ্য থেকে। [মুসনাদে আহমাদ : ১২০৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1210 OK

(১২১০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৭৫] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ شُرَيْحِ بْنِ النُّعْمَانِ الْهَمْدَانِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُضَحَّى بِالْمُقَابَلَةِ أَوْ بِمُدَابَرَةٍ أَوْ شَرْقَاءَ أَوْ خَرْقَاءَ أَوْ جَدْعَاءَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর পশুকে সামনে থেকে বা পেছনে থেকে যাবাই করতে, কান কাটা, নাক কাটা বা একেবারেই অকর্মন্য অঙ্গ বিশিষ্ট পশু যবাই করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1211 OK

(১২১১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَارِظٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَزْهَرَ قَالَ رَأَيْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَعُثْمَانَ يُصَلِّيَانِ يَوْمَ الْفِطْرِ وَالْأَضْحَى ثُمَّ يَنْصَرِفَانِ يُذَكِّرَانِ النَّاسَ قَالَ وَسَمِعْتُهُمَا يَقُولَانِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صِيَامِ هَذَيْنِ الْيَوْمَيْنِ


আবদুর রহমান বিন আযহারের মুক্ত গোলাম আবু উবাইদ থেকে বর্ণিতঃ

আমি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ও উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু কে দেখেছি, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামায পড়তেন, তারপর পেছনের দিকে ফিরে জনগণকে উপদেশ দিতেন। আবু উবাইদ আরো বলেন, আমি উক্ত দু’জনকেই বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু’দিন রোযা থাকতে নিষেধ করেছেন। আবু উবাইদ বলেন, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি যে, তিন দিন পরে তোমাদের কুরবানীর কিছু অবশিষ্ট রাখতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1212 OK

(১২১২)

হাদিস দেখুন [৩১:৭১০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ الْحَجَّاجِ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ عَنْ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا عَنْ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ فَقَالَتْ سَلْ عَلِيًّا فَإِنَّهُ أَعْلَمُ بِهَذَا مِنِّي كَانَ يُسَافِرُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَسَأَلْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْمُسَافِرِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ وَلِلْمُقِيمِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنِ الْحَجَّاجِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِهِ


শুরাইহ ইবনে হানী থেকে বর্ণিতঃ

আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে মোজার ওপর মাসিহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ আলীকে জিজ্ঞাসা কর। তিনি এ বিষয়ে আমার চেয়ে বেশী জানেন। (কারণ) তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে (প্রায়ই) সফর করতেন। অতঃপর আমি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসাফির তিন দিন তিন রাত এবং মুকীম এক দিন ও এক রাত মোজার ওপর মাসিহ করবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1213 OK

(১২১৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১২০৩] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ النَّاقِدُ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ الرَّقِّيُّ حَدَّثَنَا حَفْصٌ أَبُو عُمَرَ عَنْ كَثِيرِ بْنِ زَاذَانَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَاسْتَظْهَرَهُ شُفِّعَ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ قَدْ وَجَبَتْ لَهُمْ النَّارُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন অধ্যয়ন করে এবং তাকে বাস্তবায়িত করে, তাকে তার পরিবারের এমন দশজনের জন্য সুপারিশ করার ক্ষমতা দেয়া হবে, যাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছিল। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1214 OK

(১২১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৮০২] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَنْبَأَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي الْحَسْنَاءِ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أُضَحِّيَ عَنْهُ فَأَنَا أُضَحِّي عَنْهُ أَبَدًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তাঁর পক্ষ হতে কুরবানী করার আদেশ দিয়েছেন। তাই আমি সব সময় তাঁর পক্ষ হতে কুরবানী করে থাকি। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1215 OK

(১২১৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৫২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ لِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَقَدَّمَ إِلَيْكَ خَصْمَانِ فَلَا تَسْمَعْ كَلَامَ الْأَوَّلِ حَتَّى تَسْمَعَ كَلَامَ الْآخَرِ فَسَوْفَ تَرَى كَيْفَ تَقْضِي قَالَ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَمَا زِلْتُ بَعْدَ ذَلِكَ قَاضِيًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে ইয়েমেনে পাঠানোর ইচ্ছা করেছিলেন, তাই আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে এমন লোকের কাছে পাঠাচ্ছেন যারা আমার চেয়ে বড় এবং আমি একজন কিশোর, আমি হৃদয়কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারি না, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আলী! তোমার কাছে যখন দুই ব্যক্তি বাদী ও বিবাদী হয়ে আসবে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে অপরজনের বক্তব্য শুনো না। দু’জনেরই বক্তব্য শুনলে বুঝবে কিভাবে বিচার করতে হয়। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এরপর থেকে আমি বিচারক হিসাবে কাজ করতে লাগলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1216 OK

(১২১৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৫২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ لِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَقَدَّمَ إِلَيْكَ خَصْمَانِ فَلَا تَسْمَعْ كَلَامَ الْأَوَّلِ حَتَّى تَسْمَعَ كَلَامَ الْآخَرِ فَسَوْفَ تَرَى كَيْفَ تَقْضِي قَالَ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَمَا زِلْتُ بَعْدَ ذَلِكَ قَاضِيًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে ইয়েমেনে পাঠানোর ইচ্ছা করেছিলেন, তাই আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে এমন লোকের কাছে পাঠাচ্ছেন যারা আমার চেয়ে বড় এবং আমি একজন কিশোর, আমি হৃদয়কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারি না, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আলী! তোমার কাছে যখন দুই ব্যক্তি বাদী ও বিবাদী হয়ে আসবে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে অপরজনের বক্তব্য শুনো না। দু’জনেরই বক্তব্য শুনলে বুঝবে কিভাবে বিচার করতে হয়। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এরপর থেকে আমি বিচারক হিসাবে কাজ করতে লাগলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1217 OK

(১২১৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْهُذَلِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ فَقَالَ أَيُّكُمْ يَنْطَلِقُ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلَا يَدَعُ بِهَا وَثَنًا إِلَّا كَسَرَهُ وَلَا قَبْرًا إِلَّا سَوَّاهُ وَلَا صُورَةً إِلَّا لَطَّخَهَا فَقَالَ رَجُلٌ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَانْطَلَقَ فَهَابَ أَهْلَ الْمَدِينَةِ فَرَجَعَ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَا أَنْطَلِقُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ فَانْطَلِقْ فَانْطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمْ أَدَعْ بِهَا وَثَنًا إِلَّا كَسَرْتُهُ وَلَا قَبْرًا إِلَّا سَوَّيْتُهُ وَلَا صُورَةً إِلَّا لَطَّخْتُهَا ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ عَادَ لِصَنْعَةِ شَيْءٍ مِنْ هَذَا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لَا تَكُونَنَّ فَتَّانًا وَلَا مُخْتَالًا وَلَا تَاجِرًا إِلَّا تَاجِرَ الْخَيْرِ فَإِنَّ أُولَئِكَ هُمْ الْمَسْبُوقُونَ بِالْعَمَلِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ قَالَ وَيُكَنُّونَهُ أَهْلُ الْبَصْرَةِ أَبَا مُوَرِّعٍ قَالَ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ يُكَنُّونَهُ بِأَبِي مُحَمَّدٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ وَلَمْ يَقُلْ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَقَالَ وَلَا صُورَةً إِلَّا طَلَخَهَا فَقَالَ مَا أَتَيْتُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ حَتَّى لَمْ أَدَعْ صُورَةً إِلَّا طَلَخْتُهَا وَقَالَ لَا تَكُنْ فَتَّانًا وَلَا مُخْتَالًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় ছিলেন। তারপর বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, মদীনায় গিয়ে সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেবে, সকল কবর সমান করে দেবে এবং সকল ছবির ওপর কালো কালি মেখে দেবে? এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি পারবো। অতঃপর সে চলে গেল। কিন্তু মদীনাবাসীর ভয়ে ভীত হয়ে ফিরে এল। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বেশ, যাও। তিনি গেলেন, আবার ফিরে এলেন। এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি প্রতিটি মূর্তি ভেঙ্গে এসেছি, প্রতিটি কবর সমান করে এসেছি এবং প্রতিটি ছবিতে কালি মেখে এসেছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর একটিও যে ব্যক্তি পুনরায় করবে, সে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাযিলকৃত দীনকে অস্বীকার করবে। তারপর বললেনঃ কেউ নির্যাতনকারী হয়ো না, অহংকারী হয়ো না, ব্যবসায়ী হয়ো না, তবে সৎ ব্যবসায়ী হয়ো। কেননা এসকল (নির্যাতনকারী, অহংকারী ও অসৎ ব্যবসায়ী) লোক সৎকাজে পেছনে পড়ে যাবে। (সুতরাং কোন অজুহাতেই কোন প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা ও স্থাপন করা ইসলাম সম্মত নয়।) [মুসনাদে আহমাদ : ১২১৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1218 OK

(১২১৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৫২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ لِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَقَدَّمَ إِلَيْكَ خَصْمَانِ فَلَا تَسْمَعْ كَلَامَ الْأَوَّلِ حَتَّى تَسْمَعَ كَلَامَ الْآخَرِ فَسَوْفَ تَرَى كَيْفَ تَقْضِي قَالَ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَمَا زِلْتُ بَعْدَ ذَلِكَ قَاضِيًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে ইয়েমেনে পাঠানোর ইচ্ছা করেছিলেন, তাই আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে এমন লোকের কাছে পাঠাচ্ছেন যারা আমার চেয়ে বড় এবং আমি একজন কিশোর, আমি হৃদয়কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারি না, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আলী! তোমার কাছে যখন দুই ব্যক্তি বাদী ও বিবাদী হয়ে আসবে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে অপরজনের বক্তব্য শুনো না। দু’জনেরই বক্তব্য শুনলে বুঝবে কিভাবে বিচার করতে হয়। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এরপর থেকে আমি বিচারক হিসাবে কাজ করতে লাগলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1219 OK

(১২১৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৮০২] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَنْبَأَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي الْحَسْنَاءِ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أُضَحِّيَ عَنْهُ فَأَنَا أُضَحِّي عَنْهُ أَبَدًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তাঁর পক্ষ হতে কুরবানী করার আদেশ দিয়েছেন। তাই আমি সব সময় তাঁর পক্ষ হতে কুরবানী করে থাকি। [মুসনাদে আহমাদ : ১২১৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস