(৫) হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৫৩০-১৩০৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৯৯টি]



1010 OK

(১০১০)

হাদিস দেখুন [৩১:৬০৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَاللَّهِ إِنَّهُ مِمَّا عَهِدَ إِلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ لَا يُبْغِضُنِي إِلَّا مُنَافِقٌ وَلَا يُحِبُّنِي إِلَّا مُؤْمِنٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যে কয়টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার মধ্যে একটি হলো, মুনাফিক ব্যতীত কেউ আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না এবং মু’মিন ছাড়া কেউ আমাকে ভালোবাসবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1011 OK

(১০১১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا سِمَاكٌ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَمَنِ فَانْتَهَيْنَا إِلَى قَوْمٍ قَدْ بَنَوْا زُبْيَةً لِلْأَسَدِ فَبَيْنَا هُمْ كَذَلِكَ يَتَدَافَعُونَ إِذْ سَقَطَ رَجُلٌ فَتَعَلَّقَ بِآخَرَ ثُمَّ تَعَلَّقَ رَجُلٌ بِآخَرَ حَتَّى صَارُوا فِيهَا أَرْبَعَةً فَجَرَحَهُمْ الْأَسَدُ فَانْتَدَبَ لَهُ رَجُلٌ بِحَرْبَةٍ فَقَتَلَهُ وَمَاتُوا مِنْ جِرَاحَتِهِمْ كُلُّهُمْ فَقَامُوا أَوْلِيَاءُ الْأَوَّلِ إِلَى أَوْلِيَاءِ الْآخِرِ فَأَخْرَجُوا السِّلَاحَ لِيَقْتَتِلُوا فَأَتَاهُمْ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى تَفِيئَةِ ذَلِكَ فَقَالَ تُرِيدُونَ أَنْ تَقَاتَلُوا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَيٌّ إِنِّي أَقْضِي بَيْنَكُمْ قَضَاءً إِنْ رَضِيتُمْ فَهُوَ الْقَضَاءُ وَإِلَّا حَجَزَ بَعْضُكُمْ عَنْ بَعْضٍ حَتَّى تَأْتُوا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَكُونَ هُوَ الَّذِي يَقْضِي بَيْنَكُمْ فَمَنْ عَدَا بَعْدَ ذَلِكَ فَلَا حَقَّ لَهُ اجْمَعُوا مِنْ قَبَائِلِ الَّذِينَ حَفَرُوا الْبِئْرَ رُبُعَ الدِّيَةِ وَثُلُثَ الدِّيَةِ وَنِصْفَ الدِّيَةِ وَالدِّيَةَ كَامِلَةً فَلِلْأَوَّلِ الرُّبُعُ لِأَنَّهُ هَلَكَ مَنْ فَوْقَهُ وَلِلثَّانِي ثُلُثُ الدِّيَةِ وَلِلثَّالِثِ نِصْفُ الدِّيَةِ فَأَبَوْا أَنْ يَرْضَوْا فَأَتَوْا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ عِنْدَ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ فَقَصُّوا عَلَيْهِ الْقِصَّةَ فَقَالَ أَنَا أَقْضِي بَيْنَكُمْ وَاحْتَبَى فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ إِنَّ عَلِيًّا قَضَى فِينَا فَقَصُّوا عَلَيْهِ الْقِصَّةَ فَأَجَازَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَا بَهْزٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَنْبَأَنَا سِمَاكٌ عَنْ حَنَشٍ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ وَلِلرَّابِعِ الدِّيَةُ كَامِلَةً


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম আমাকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন। আমরা এমন একটা গোষ্ঠীর কাছে যাত্রা বিরতি করলাম, যারা সিংহের জন্য একটা গর্ত তৈরী করেছিল। এলাকার লোকেরা গর্তের পাশে ধাক্কাধাক্কি করতে করতে একজন গর্তে পড়ে গেল। সে ওপরে থাকা অন্য একজনের সাথে যুক্ত ছিল। (সেও পড়ে গেল) সে আর একজনের সাথে যুক্ত ছিল। এভাবে গর্তের ভেতরে চারজন একত্রিত হলো। ভেতরে থাকা সিংহটি তাদেরকে আহত করলো। তৎক্ষণাত এক ব্যক্তি বর্শা নিয়ে সিংহের মুখোমুখী হলো এবং তাকে হত্যা করলো, সিংহের আঘাতে ৪ ব্যক্তিই মারা গেল। প্রথম ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা শেষ ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের কাছে গেল এবং উভয় পক্ষ অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যুদ্ধ করতে উদ্যত হলো।

তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু উত্তেজনা প্রশমিত করতে তাদের কাছে গেলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবিত থাকতেই তোমরা যুদ্ধ করতে চাও? আমি তোমাদের বিবাদ মিটিয়ে দিচ্ছি। আমার ফায়সালা যদি তোমাদের মনঃপূত হয় তবে তো ভালো কথা। নচেত তোমরা একে অপর থেকে নিরন্ত্র থাকবে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাবে। তিনি ফায়সালা করে দেবেন। তারপরও যে ব্যক্তি বাড়াবাড়ি করবে, সে কিছুই পাবে না।

যে সকল গোত্র এই কুয়োটা খুঁড়েছে, তাদের কাছ থেকে দিয়াতের এক চতুর্থাংশ, এক তৃতীয়াংশ, অর্ধাংশ এবং পূর্ণ দিয়াত আদায় কর। তারপর প্রথম জন পাবে এক চতুর্থাংশ। কেননা তার ওপরের জন মারা গেছে। আর দ্বিতীয়জন পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং তৃতীয়জন অর্ধেক। এ ফায়সালা তারা মানতে রাজী হলো না। অগত্যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গেল। তিনি তখন মাকামে ইবরাহীমে ছিলেন। তারা তার কাছে পুরো ঘটনা খুলে বললো। তিনি ’আমি তোমাদের বিবাদের মীমাংসা করে দিচ্ছি’ এই বলে ঠেস দিয়ে বসলেন। আগন্তুকদের একজন বললোঃ আলী আমাদের বিবাদের নিম্পত্তি করেছেন। অতপর সে আলীর বিচারের বিবরণ দিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীর বিচারকে যথার্থ বলে সম্মতি দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1012 OK

(১০১২)

হাদিস দেখুন [৩১:৭০৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حَبِيبٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ أَبِي الْهَيَّاجِ الْأَسَدِيِّ قَالَ قَالَ لِي عَلِيٌّ أَبْعَثُكَ عَلَى مَا بَعَثَنِي عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ لَا تَدَعَ تِمْثَالًا إِلَّا طَمَسْتَهُ وَلَا قَبْرًا مُشْرِفًا إِلَّا سَوَّيْتَهُ


আবুল হাইয়ায আসাদী থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যে কাজ করতে পাঠিয়েছিলেন, আমি তোমাকে সেই কাজ করতে পাঠাবো। প্রত্যেকটি মূর্তি তুমি বিকৃত করবে এবং প্রত্যেকটি উঁচু কবরকে সমান করে দেবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1013 OK

(১০১৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ زُبَيْدٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا طَاعَةَ لِبَشَرٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহর অবাধ্যতায় কোনো ব্যক্তির আনুগত্য করা জায়েজ নয়। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1014 OK

(১০১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯৯] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ هِشَامٍ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ جُرَيِّ بْنِ كُلَيْبٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُضَحَّى بِعَضْبَاءِ الْقَرْنِ وَالْأُذُنِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কানকাটা ও শিং ভাঙ্গা জন্তু দিয়ে কুরবানী দিতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1015 OK

(১০১৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ جَالِسًا وَفِي يَدِهِ عُودٌ يَنْكُتُ بِهِ قَالَ فَرَفَعَ رَأْسَهُ فَقَالَ مَا مِنْكُمْ مِنْ نَفْسٍ إِلَّا وَقَدْ عُلِمَ مَنْزِلُهَا مِنْ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ قَالَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَلِمَ نَعْمَلُ قَالَ اعْمَلُوا فَكُلٌّ مُيَسَّرٌ لِمَا خُلِقَ لَهُ أَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى وَأَمَّا مَنْ بَخِلَ وَاسْتَغْنَى وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন বসেছিলেন। তাঁর হাতে একটা কাঠি ছিল। তা দিয়ে তিনি মাটি খুদছিলেন। হঠাৎ তিনি মাথা তুললেন এবং বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেরই জান্নাতের ও জাহান্নামের বাসস্থান (অর্থাৎ কার বাসস্থান কোথায়) জানা হয়ে গেছে। উপস্থিত সাহাবীগণ বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, তাহলে আমরা আর আমল করবো কেন? তিনি বললেনঃ আমল করে যাও। কারণ প্রত্যেককে যে আমলের জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে, সে আমল তার জন্য সহজ সাধ্য করা হয়েছে। “যে ব্যক্তি দান করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং যা ভালো তা মেনে নেয়, তার জন্য আমি শান্তির পথ সহজ করে দেব”। [সূরা লায়লঃ ৫-১০] [মুসনাদে আহমাদ : ১০১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1016 OK

(১০১৬)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ جَابِرٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَصُومُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَيَأْمُرُ بِهِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিন রোযা রাখতেন ও রোযা রাখার আদেশ দিতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1017 OK

(১০১৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৬] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَرَفَعَهُ قَالَ مَنْ كَذَبَ فِي حُلْمِهِ كُلِّفَ عَقْدَ شَعِيرَةٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যে স্বপ্ন বানিয়ে বলবে, তাকে কিয়ামতের দিন একটা যবে গিরা দিতে বাধ্য করা হবে। (অথচ এ কাজটা সে কখনো করতে পারবে না।) [মুসনাদে আহমাদ : ১০১৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1018 OK

(১০১৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ هِشَامٍ أَخْبَرَنِي أَبِي أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لِلْمِقْدَادِ سَلْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرَّجُلِ يَدْنُو مِنْ الْمَرْأَةِ فَيُمْذِي فَإِنِّي أَسْتَحْيِي مِنْهُ لِأَنَّ ابْنَتَهُ عِنْدِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَغْسِلُ ذَكَرَهُ وَأُنْثَيَيْهِ وَيَتَوَضَّأُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু মিকদাদকে বললেন, যে পুরুষ নারীর কাছে ঘেঁষলেই তার মযি বের হয়, তার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা কর। আমার লজ্জা করছে কেননা, তাঁর মেয়ে আমার কাছে রয়েছে। অতঃপর যখন জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার পুরুষাংগ ও উভয় অণ্ডকোষ ধুয়ে ফেলবে ও ওযূ করবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1019 OK

(১০১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ عَنْ مُحَمَّدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِفْتَاحُ الصَّلَاةِ الْوُضُوءُ وَتَحْرِيمُهَا التَّكْبِيرُ وَتَحْلِيلُهَا التَّسْلِيمُ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নামাজের চাবিকাঠি হলো পবিত্রতা। [মুসনাদে আহমাদ : ১০১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1020 OK

(১০২০)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ وَشُعْبَةَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ هِلَالٍ عَنْ وَهْبِ بْنِ الْأَجْدَعِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لَا تُصَلُّوا بَعْدَ الْعَصْرِ إِلَّا أَنْ تُصَلُّوا وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আছরের পরে সূর্য কিরণ অত্যন্ত প্রখর ও সূর্য অনেক ওপরে থাকা ব্যতীত অন্য কোন নামায পড়া যাবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1021 OK

(১০২১)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৬৬] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ يَزِيدَ الْأَصَمُّ قَالَ سَمِعْتُ السُّدِّيَّ إِسْمَاعِيلَ يَذْكُرُهُ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَمَّا تُوُفِّيَ أَبُو طَالِبٍ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ إِنَّ عَمَّكَ الشَّيْخَ قَدْ مَاتَ قَالَ اذْهَبْ فَوَارِهِ ثُمَّ لَا تُحْدِثْ شَيْئًا حَتَّى تَأْتِيَنِي قَالَ فَوَارَيْتُهُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ قَالَ اذْهَبْ فَاغْتَسِلْ ثُمَّ لَا تُحْدِثْ شَيْئًا حَتَّى تَأْتِيَنِي قَالَ فَاغْتَسَلْتُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ قَالَ فَدَعَا لِي بِدَعَوَاتٍ مَا يَسُرُّنِي أَنَّ لِي بِهَا حُمْرَ النَّعَمِ وَسُودَهَا قَالَ وَكَانَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِذَا غَسَّلَ الْمَيِّتَ اغْتَسَلَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আবু তালিব যখন মারা গেলেন, তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে বললাম, আপনার বুড়ো চাচা মরে গেছেন। তিনি বললেনঃ যাও, তাকে কবর দিয়ে এস। এরপর নতুন কিছু করো না আমার কাছে আসা পর্যন্ত। এরপর আমি তাকে কবর দিলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি বললেনঃ যাও, গোসল কর। অতঃপর নতুন কিছু করো না আমার কাছে আসা পর্যন্ত। তারপর আমি গোসল করলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য এমন দু’আ করলেন, যার বিনিময়ে আমাকে কেউ এক পাল লাল উট বা কালো উট দিলেও তা আমার পছন্দ নয়। এরপর থেকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু যে কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করানোর পর গোসল করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1022 OK

(১০২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ حَبِيبٍ عَنْ ثَعْلَبَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করবে, সে জাহান্নামে তার ঠিকানা করে নিবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ১০২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1023 OK

(১০২৩)

সহিহ হাদিস

قَالَ حَدَّثَنَاه إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لَا تُصَلُّوا بَعْدَ الْعَصْرِ إِلَّا أَنْ تُصَلُّوا وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ قَالَ سُفْيَانُ فَمَا أَدْرِي بِمَكَّةَ يَعْنِي أَوْ بِغَيْرِهَا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আছরের পর কোন নামায পড়ো না। তবে যদি সূর্য অনেক ওপরে থাকতে আছর পড়ে থাক। তাহলে আছরের পর নফল পড়তে পার। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২৩]


[ইবনু খুযাইমা-১২৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1024 OK

(১০২৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَاه وَكِيعٌ حَدَّثَنَاهُ مِسْعَرٌ عَنْ أَبِي عَوْنٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ الْحَنَفِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ أُكَيْدِرَ دُومَةَ أَهْدَى لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حُلَّةً أَوْ ثَوْبَ حَرِيرٍ قَالَ فَأَعْطَانِيهِ وَقَالَ شَقِّقْهُ خُمُرًا بَيْنَ النِّسْوَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

সিরিয়া ও মদীনার মধ্যবর্তী অঞ্চলের বাদশাহ (দুমার শাসক উকাইদি) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটা রেশমী পোশাক উপহার দিল। তিনি সেটা আমাকে দিলেন এবং বললেন, এটি টুকরো করে মহিলাদেরকে ওড়না বানিয়ে দাও। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1025 OK

(১০২৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَبُعٍ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ لَتُخْضَبَنَّ هَذِهِ مِنْ هَذَا فَمَا يَنْتَظِرُ بِي الْأَشْقَى قَالُوا يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَأَخْبِرْنَا بِهِ نُبِيرُ عِتْرَتَهُ قَالَ إِذًا تَالَلَّهِ تَقْتُلُونَ بِي غَيْرَ قَاتِلِي قَالُوا فَاسْتَخْلِفْ عَلَيْنَا قَالَ لَا وَلَكِنْ أَتْرُكُكُمْ إِلَى مَا تَرَكَكُمْ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا فَمَا تَقُولُ لِرَبِّكَ إِذَا أَتَيْتَهُ وَقَالَ وَكِيعٌ مَرَّةً إِذَا لَقِيتَهُ قَالَ أَقُولُ اللَّهُمَّ تَرَكْتَنِي فِيهِمْ مَا بَدَا لَكَ ثُمَّ قَبَضْتَنِي إِلَيْكَ وَأَنْتَ فِيهِمْ فَإِنْ شِئْتَ أَصْلَحْتَهُمْ وَإِنْ شِئْتَ أَفْسَدْتَهُمْ


আবুদল্লাহ ইবনে সুবাই থেকে বর্ণিতঃ

আমি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, আমার এই দাড়ি অবশ্যই এই মাথার রক্তে রঞ্জিত হবে। সুতরাং সর্বপেক্ষা হতভাগা অপরাধী (হত্যাকারী) কিসের জন্য অপেক্ষা করবে? লোকেরা বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, সেই হত্যাকারীর পরিচয় আমাদের জানিয়ে দিন তাকে আমরা সবংশে নির্মূল করবো। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তাহলে আল্লাহর কসম, তোমরা বদলা নিতে আমার হত্যাকারীর পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিকে হত্যা করবে। লোকেরা বললো, তাহলে আমাদের জন্য আপনার পরবর্তী খলীফা নিযুক্ত করুন। তিনি বললেন, না, তাও করবো না। তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদেরকে যেভাবে রেখে গিয়েছেন, আমিও তোমাদেরকে সেভাবে রেখে যাবো। (অর্থাৎ তোমরা পরামর্শ ভিত্তিক সিদ্ধান্ত দ্বারা খলীফা নিয়োগ করবে।) লোকেরা বললো, তাহলে আপনি আপনার প্রতিপালকের কাছে গিয়ে কি বলবেন? আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি বলবো, হে আল্লাহ, আপনি যতদিন ভালো মনে করেছেন, ততদিন আমাকে মুসলিমদের দায়িত্বে নিয়োজিত রেখেছেন। তারপর আপনি আমাকে নিজের নিকট তুলে নিয়েছেন, যখন আপনি নিজে তাদের তত্ত্বাবধানে আছেন। এখন আপনি ইচ্ছা করলে তাদেরকে পরিশুদ্ধ করুন। নচেত তাদেরকে অরাজকতায় নিক্ষেপ করুন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1026 OK

(১০২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৪০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ هَانِئِ بْنِ هَانِئٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَاءَ عَمَّارٌ فَاسْتَأْذَنَ فَقَالَ ائْذَنُوا لَهُ مَرْحَبًا بِالطَّيِّبِ الْمُطَيَّبِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বসেছিলাম। সহসা আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন এবং ভেতরে আসার অনুমতি চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওকে আসতে দাও। পবিত্র ও পবিত্রকৃত মানুষটাকে স্বাগতম। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1027 OK

(১০২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِذَا حُدِّثْتُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا فَظُنُّوا بِهِ الَّذِي هُوَ أَهْدَى وَالَّذِي هُوَ أَهْيَا وَالَّذِي هُوَ أَتْقَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখন তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনবে, তখন এরূপ বিশ্বাস পোষণ করবে যে, তিনি সেই নির্দেশই দিয়েছেন, যা সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ, সবচেয়ে সৎপথ প্রদর্শক এবং সবচেয়ে তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1028 OK

(১০২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১০২৭] view_link


সহিহ হাদিস


হাদিস নং ৯৩৮ দেখুন


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1029 OK

(১০২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو قَالَ أَخْبَرَنِي حَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي رَافِعٍ وَقَالَ مَرَّةً إِنَّ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي رَافِعٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا وَالزُّبَيْرَ وَالْمِقْدَادَ فَقَالَ انْطَلِقُوا حَتَّى تَأْتُوا رَوْضَةَ خَاخٍ فَإِنَّ بِهَا ظَعِينَةً مَعَهَا كِتَابٌ فَخُذُوهُ مِنْهَا فَانْطَلَقْنَا تَعَادَى بِنَا خَيْلُنَا حَتَّى أَتَيْنَا الرَّوْضَةَ فَإِذَا نَحْنُ بِالظَّعِينَةِ فَقُلْنَا أَخْرِجِي الْكِتَابَ قَالَتْ مَا مَعِي مِنْ كِتَابٍ قُلْنَا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنَقْلِبَنَّ الثِّيَابَ قَالَ فَأَخْرَجَتْ الْكِتَابَ مِنْ عِقَاصِهَا فَأَخَذْنَا الْكِتَابَ فَأَتَيْنَا بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِذَا فِيهِ مِنْ حَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ إِلَى نَاسٍ مِنْ الْمُشْرِكِينَ بِمَكَّةَ يُخْبِرُهُمْ بِبَعْضِ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا حَاطِبُ مَا هَذَا قَالَ لَا تَعْجَلْ عَلَيَّ إِنِّي كُنْتُ امْرَأً مُلْصَقًا فِي قُرَيْشٍ وَلَمْ أَكُنْ مِنْ أَنْفُسِهَا وَكَانَ مَنْ كَانَ مَعَكَ مِنْ الْمُهَاجِرِينَ لَهُمْ قَرَابَاتٌ يَحْمُونَ أَهْلِيهِمْ بِمَكَّةَ فَأَحْبَبْتُ إِذْ فَاتَنِي ذَلِكَ مِنْ النَّسَبِ فِيهِمْ أَنْ أَتَّخِذَ فِيهِمْ يَدًا يَحْمُونَ بِهَا قَرَابَتِي وَمَا فَعَلْتُ ذَلِكَ كُفْرًا وَلَا ارْتِدَادًا عَنْ دِينِي وَلَا رِضًا بِالْكُفْرِ بَعْدَ الْإِسْلَامِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ قَدْ صَدَقَكُمْ فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ دَعْنِي أَضْرِبْ عُنُقَ هَذَا الْمُنَافِقِ فَقَالَ إِنَّهُ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ اللَّهَ قَدْ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ


আবদুল্লাহ ইবনে আবি রাফে থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে, যুবাইরকে ও মিকদাদকে (এক সফরে) পাঠালেন। তিনি বললেনঃ তোমরা খাখের বাগানে চলে যাও। সেখানে জনৈকা উষ্টারোহিণী রয়েছে, তার কাছে একটা চিঠি রয়েছে। সেই চিঠিটা তার কাছ থেকে নিয়ে এস। আমরা রওনা হয়ে গেলাম। ঐ উষ্টারোহিণীকেও পেয়ে গেলাম। বললাম, তোমার কাছে যে চিঠি রয়েছে, তা বের করা। সে বললোঃ আমার কাছে কোন চিঠি নেই। আমরা বললামঃ তুমি যদি চিঠি বের না কর তাহলে আমরা তোমার পোশাক খুলবো। তখন সে তার চুলের বেণীর মধ্য থেকে চিঠিটি বের করলো। দেখলাম, চিঠিটি হাতিব ইবনে আবি বালতায়া কর্তৃক মক্কার কিছু মুশরিককে উদ্দেশ্য করে লেখা। হাতিব তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে হাতিব, এটা কী? হাতিব বললেনঃ আমার ব্যাপারে তাড়াহুড়া করবেন না। আমি কুরাইশদের সাথে সংযুক্ত ছিলাম। অথচ তাদের কেউ ছিলাম না। আপনার সাথে যে সব মুহাজির রয়েছে, মক্কায় তাদের কিছু না কিছু আত্মীয়স্বজন রয়েছে, যারা তাদের পরিবার পরিজনকে রক্ষা করছে। যেহেতু মক্কাবাসীদের মধ্যে আমার বংশীয় কেউ নেই, তাই ইচ্ছা করলাম, তাদের মধ্যে কিছু লোককে প্রস্তুত রাখি আমার পরিবারকে রক্ষা করার জন্য। আমি এ কাজ কুফরের মনোভাব নিয়ে করিনি, ইসলাম থেকে মুরতাদ হয়েও করিনি, ইসলাম গ্রহণের পর এখন কুফরির প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছি এমনও নয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয়ই হাতিব সত্য বলেছে। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমাকে অনুমতি দিন, এই মুনাফিকটার গর্দান মেরে দিই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছে। তুমি কিভাবে জানবে, আল্লাহ হয়তো বদর যোদ্ধাদের জানিয়ে দিয়েছেনঃ তোমাদের যা খুশী করা। আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১০২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1030 OK

(১০৩০)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي حَصِينٍ عَنْ عُمَيْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ مَا مِنْ رَجُلٍ أَقَمْتُ عَلَيْهِ حَدًّا فَمَاتَ فَأَجِدُ فِي نَفْسِي إِلَّا الْخَمْرَ فَإِنَّهُ لَوْ مَاتَ لَوَدَيْتُهُ لِأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَسُنَّهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি কোন ব্যক্তির উপর শরিয়াত নির্ধারিত শাস্তি ’হদ’ কার্যকর করতে গিয়ে সে মারা গেলে কিছুই মনে করতাম না। কেবল মদখোর ব্যতীত। সে মারা গেলে আমি দিয়াত দিতে প্রস্তুত ছিলাম। কেননা মদখোরকে শাস্তি দিয়ে মেরে ফেলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রীতি ছিল না। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1031 OK

(১০৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৩২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَجُلًا يَسْتَغْفِرُ لِأَبَوَيْهِ وَهُمَا مُشْرِكَانِ فَقُلْتُ أَيَسْتَغْفِرُ الرَّجُلُ لِأَبَوَيْهِ وَهُمَا مُشْرِكَانِ فَقَالَ أَوَلَمْ يَسْتَغْفِرْ إِبْرَاهِيمُ لِأَبِيهِ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَتْ مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ آمَنُوا أَنْ يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ إِلَى قَوْلِهِ تَبَرَّأَ مِنْهُ قَالَ لَمَّا مَاتَ فَلَا أَدْرِي قَالَهُ سُفْيَانُ أَوْ قَالَهُ إِسْرَائِيلُ أَوْ هُوَ فِي الْحَدِيثِ لَمَّا مَاتَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি এক ব্যক্তিকে তার মুশরিক মা বাবার জন্য ক্ষমা চাইতে শুনলাম। আমি বললামঃ কোন ব্যক্তি কি তার মুশরিক মা বাবার জন্য ক্ষমা চাইতে পারে? সে বললোঃ ইবরাহীম (আঃ) কি তাঁর বাবার জন্য ক্ষমা চাননি? ব্যাপারটা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উল্লেখ করলাম। তখন সূরা আত-তাওবার এ আয়াত নাযিল হলোঃ “নবী ও মুমিনদের জন্য শোভনীয় নয় যে, তারা মুশরিকদের জন্য গুনাহ মাফ চাইবে। চাই সে তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ই হোকনা কেন। তাদের জাহান্নামবাসী হওয়া সুনিশ্চিত জেনেও এ কাজ তারা কিছুতেই করতে পারে না। ইবরাহীম (আঃ) যে তার পিতার জন্য গুনাহ মাফ চেয়েছিল সেটা এ জন্য যে, ইতিপূর্বে সে তাকে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারপর যখন ইবরাহীম নিশ্চিত হলো যে, সে আল্লাহর শত্রু, তখন তার দায়ভার থেকে মুক্ত হয়ে গেল।” [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1032 OK

(১০৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ خَيْثَمَةَ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِذَا حَدَّثْتُكُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا فَلَأَنْ أَخِرَّ مِنْ السَّمَاءِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَكْذِبَ عَلَيْهِ وَإِذَا حَدَّثْتُكُمْ عَنْ غَيْرِهِ فَإِنَّمَا أَنَا رَجُلٌ مُحَارِبٌ وَالْحَرْبُ خَدْعَةٌ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَخْرُجُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ أَقْوَامٌ أَحْدَاثُ الْأَسْنَانِ سُفَهَاءُ الْأَحْلَامِ يَقُولُونَ مِنْ قَوْلِ خَيْرِ الْبَرِيَّةِ لَا يُجَاوِزُ إِيمَانُهُمْ حَنَاجِرَهُمْ فَأَيْنَمَا لَقِيتُمُوهُمْ فَاقْتُلُوهُمْ فَإِنَّ قَتْلَهُمْ أَجْرٌ لِمَنْ قَتَلَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি যখন তোমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কোন কথা বলি, তখন কখনো মিথ্যা বলি না। তাঁর পক্ষ থেকে কোন মনগড়া কথা বলার চেয়ে আকাশ থেকে মাটিতে পড়া আমার নিকট অধিক প্রিয়। আর যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যতীত অন্য কারো পক্ষ থেকে কিছু বলি, তখন জেনে রেখ, আমি একজন যোদ্ধা। আর যুদ্ধ তো ধোকাবাজি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ শেষ যামানায় এমন কিছু গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটবে যারা হবে বয়সে নবীন, কল্পনাবিলাসী নির্বোধ, তারা কথা বলবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষের মত, অথচ তাদের ঈমান তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না, (অর্থাৎ মুখেই উচ্চারিত হবে, হৃদয়ে স্থান পাবে না) তাদেরকে যেখানে পাও হত্যা কর। কেননা তাদেরকে হত্যা করার জন্য কিয়ামতের দিন পুরস্কার দেয়া হবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1033 OK

(১০৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৯] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ قَالَ شِرْكُكُمْ مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا بِنَجْمِ كَذَا وَكَذَا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম “আর তোমরা তোমাদের জীবিকাকে মিথ্যা বলার উপলক্ষ বানিয়ে থাকো” (সূরা আল ওয়াকিয়াঃ ৮২) এই আয়াতটি পাঠ করে বললেন, তোমাদের শিরক হলো এই মিথ্যা কথন যে, অমুক গ্রহ ও অমুক নক্ষত্রের উসিলায় আমরা বৃষ্টি পেলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1034 OK

(১০৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৬] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَرَفَعَهُ قَالَ مَنْ كَذَبَ فِي حُلْمِهِ كُلِّفَ عَقْدَ شَعِيرَةٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যে স্বপ্ন বানিয়ে বলবে, তাকে কিয়ামতের দিন একটা যবে গিরা দিতে বাধ্য করা হবে। (অথচ এ কাজটা সে কখনো করতে পারবে না।) [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1035 OK

(১০৩৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ الْمُقْرِئُ الْبَاهِلِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ كَذَبَ فِي الرُّؤْيَا مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি মিথ্যা স্বপ্ন ব্যাখ্যা করে, সে জাহান্নামে তার ঠিকানা করে নিবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1036 OK

(১০৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو قَالَ أَخْبَرَنِي حَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي رَافِعٍ وَقَالَ مَرَّةً إِنَّ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي رَافِعٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا وَالزُّبَيْرَ وَالْمِقْدَادَ فَقَالَ انْطَلِقُوا حَتَّى تَأْتُوا رَوْضَةَ خَاخٍ فَإِنَّ بِهَا ظَعِينَةً مَعَهَا كِتَابٌ فَخُذُوهُ مِنْهَا فَانْطَلَقْنَا تَعَادَى بِنَا خَيْلُنَا حَتَّى أَتَيْنَا الرَّوْضَةَ فَإِذَا نَحْنُ بِالظَّعِينَةِ فَقُلْنَا أَخْرِجِي الْكِتَابَ قَالَتْ مَا مَعِي مِنْ كِتَابٍ قُلْنَا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنَقْلِبَنَّ الثِّيَابَ قَالَ فَأَخْرَجَتْ الْكِتَابَ مِنْ عِقَاصِهَا فَأَخَذْنَا الْكِتَابَ فَأَتَيْنَا بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِذَا فِيهِ مِنْ حَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ إِلَى نَاسٍ مِنْ الْمُشْرِكِينَ بِمَكَّةَ يُخْبِرُهُمْ بِبَعْضِ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا حَاطِبُ مَا هَذَا قَالَ لَا تَعْجَلْ عَلَيَّ إِنِّي كُنْتُ امْرَأً مُلْصَقًا فِي قُرَيْشٍ وَلَمْ أَكُنْ مِنْ أَنْفُسِهَا وَكَانَ مَنْ كَانَ مَعَكَ مِنْ الْمُهَاجِرِينَ لَهُمْ قَرَابَاتٌ يَحْمُونَ أَهْلِيهِمْ بِمَكَّةَ فَأَحْبَبْتُ إِذْ فَاتَنِي ذَلِكَ مِنْ النَّسَبِ فِيهِمْ أَنْ أَتَّخِذَ فِيهِمْ يَدًا يَحْمُونَ بِهَا قَرَابَتِي وَمَا فَعَلْتُ ذَلِكَ كُفْرًا وَلَا ارْتِدَادًا عَنْ دِينِي وَلَا رِضًا بِالْكُفْرِ بَعْدَ الْإِسْلَامِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ قَدْ صَدَقَكُمْ فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ دَعْنِي أَضْرِبْ عُنُقَ هَذَا الْمُنَافِقِ فَقَالَ إِنَّهُ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ اللَّهَ قَدْ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ


আবদুল্লাহ ইবনে আবি রাফে থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে, যুবাইরকে ও মিকদাদকে (এক সফরে) পাঠালেন। তিনি বললেনঃ তোমরা খাখের বাগানে চলে যাও। সেখানে জনৈকা উষ্টারোহিণী রয়েছে, তার কাছে একটা চিঠি রয়েছে। সেই চিঠিটা তার কাছ থেকে নিয়ে এস। আমরা রওনা হয়ে গেলাম। ঐ উষ্টারোহিণীকেও পেয়ে গেলাম। বললাম, তোমার কাছে যে চিঠি রয়েছে, তা বের করা। সে বললোঃ আমার কাছে কোন চিঠি নেই। আমরা বললামঃ তুমি যদি চিঠি বের না কর তাহলে আমরা তোমার পোশাক খুলবো। তখন সে তার চুলের বেণীর মধ্য থেকে চিঠিটি বের করলো। দেখলাম, চিঠিটি হাতিব ইবনে আবি বালতায়া কর্তৃক মক্কার কিছু মুশরিককে উদ্দেশ্য করে লেখা। হাতিব তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে হাতিব, এটা কী? হাতিব বললেনঃ আমার ব্যাপারে তাড়াহুড়া করবেন না। আমি কুরাইশদের সাথে সংযুক্ত ছিলাম। অথচ তাদের কেউ ছিলাম না। আপনার সাথে যে সব মুহাজির রয়েছে, মক্কায় তাদের কিছু না কিছু আত্মীয়স্বজন রয়েছে, যারা তাদের পরিবার পরিজনকে রক্ষা করছে। যেহেতু মক্কাবাসীদের মধ্যে আমার বংশীয় কেউ নেই, তাই ইচ্ছা করলাম, তাদের মধ্যে কিছু লোককে প্রস্তুত রাখি আমার পরিবারকে রক্ষা করার জন্য। আমি এ কাজ কুফরের মনোভাব নিয়ে করিনি, ইসলাম থেকে মুরতাদ হয়েও করিনি, ইসলাম গ্রহণের পর এখন কুফরির প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছি এমনও নয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয়ই হাতিব সত্য বলেছে। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমাকে অনুমতি দিন, এই মুনাফিকটার গর্দান মেরে দিই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছে। তুমি কিভাবে জানবে, আল্লাহ হয়তো বদর যোদ্ধাদের জানিয়ে দিয়েছেনঃ তোমাদের যা খুশী করা। আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1037 OK

(১০৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَضَى مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ الدَّيْنَ قَبْلَ الْوَصِيَّةِ وَأَنْتُمْ تَقْرَءُونَ الْوَصِيَّةَ قَبْلَ الدَّيْنِ وَأَنَّ أَعْيَانَ بَنِي الْأُمِّ يَتَوَارَثُونَ دُونَ بَنِي الْعَلَّاتِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা করে দিয়েছেন, ওয়াসিয়াত পালনের আগে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অথচ তোমরা ঋণ পরিশোধের আগে ওয়াসিয়াত পাঠ করে থাক। মায়ের আপন (গর্ভজাত) সন্তানরাই তার (সম্পদে) উত্তরাধিকারী হয়ে থাকে, একই পিতার ঔরষজাত বিভিন্ন মায়ের সন্তানরা নয়। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1038 OK

(১০৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِذَا حُدِّثْتُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا فَظُنُّوا بِهِ الَّذِي هُوَ أَهْدَى وَالَّذِي هُوَ أَهْيَا وَالَّذِي هُوَ أَتْقَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখন তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনবে, তখন এরূপ বিশ্বাস পোষণ করবে যে, তিনি সেই নির্দেশই দিয়েছেন, যা সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ, সবচেয়ে সৎপথ প্রদর্শক এবং সবচেয়ে তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1039 OK

(১০৩৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ نَاجِيَةَ بْنِ كَعْبٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لَمَّا مَاتَ أَبُو طَالِبٍ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ إِنَّ عَمَّكَ الشَّيْخَ الضَّالَّ قَدْ مَاتَ فَقَالَ انْطَلِقْ فَوَارِهِ وَلَا تُحْدِثْ شَيْئًا حَتَّى تَأْتِيَنِي قَالَ فَانْطَلَقْتُ فَوَارَيْتُهُ فَأَمَرَنِي فَاغْتَسَلْتُ ثُمَّ دَعَا لِي بِدَعَوَاتٍ مَا أُحِبُّ أَنَّ لِي بِهِنَّ مَا عَرُضَ مِنْ شَيْءٍ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, আবু তালিব মারা গেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ যাও, তাকে দাফন করে এস। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ উনি তো মুশরিক অবস্থায় মারা গেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (তা হোক) তুমি যাও, তাকে কবর দিয়ে এস। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এরপর যখন তাকে কবর দিলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ফিরে এলাম, তখন তিনি আমাকে বললেনঃ গোসল কর। [মুসনাদে আহমাদ : ১০৩৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস