
وَعَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُعَلِّمُهُمْ إِذَا خَرَجُوا إِلَى المقَابِرِ: «السَّلَامُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ، وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَلَاحِقُونَ، أَسْأَلُ اللَّهَ لَنَا وَلَكُمُ الْعَافِيَةَ» رَوَاهُ مُسْلِمٌ
সুলাইমানের পিতা বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবীদের কবরস্থানে যাবার সময় এ দু’আটি শিক্ষা দিতেন। উচ্চারণ : আসসালামু আলাইকুম আহলিদ-দিয়ারী, মিনাল মু’মিনীনা ওয়াল মুসলিমীনা, ওয়া ইন্না ইন্শা আল্লাহু বিকুম লাহিকূনা, আস্আলুল্লাহা লানা ওয়া লাকুমুল আফিয়াহ। অর্থ : ইমানদার ও মুসলিম কবরবাসীর উপর শান্তি বর্ষিত হোক এবং আমি আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের সঙ্গে মিলিত হব। আল্লাহর কাছে আমাদের এবং তোমাদের জন্য প্রশান্তি চাচ্ছি। [৬৩১] [বুলুগুল মারাম : ৫৯৫]
[[৬৩১] মুসলিম ৯৭৫, নাসায়ী ২০৪০, ইবনু মাজাহ ১৫৪৭, আহমাদ ২২৪৭৬, ২২৫৩০।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - بِقُبُورِ الْمَدِينَةِ، فَأَقْبَلَ عَلَيْهِمْ بِوَجْهِهِ فَقَالَ: «السَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْقُبُورِ، يَغْفِرُ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ، أَنْتُمْ سَلَفُنَا وَنَحْنُ بِالْأَثَرِ» رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، وَقَالَ: حَسَنٌ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ্র কবরস্থান হয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় তাদের দিকে মুখ করে এই দুয়া বললেন-‘আসসালামু ‘আলাইকুম ইয়া আহ্লাল কবূরি, ইয়াগফিরুল্লাহু লানা অলাকুম আনতুম্ সালাফুনা অ-নাহনু বিল্ আসারি।’ অর্থ : হে কবরবাসী, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ্ আমাদের ও তোমাদের গুনাহ ক্ষমাহ করে দিন, (পরকালের যাত্রায়) তোমরা আমাদের অগ্রগামী আর আমরা তোমাদের পশ্চাতে গমনকারী। -তিরমিযী একে হাসানরূপে রিওয়ায়াত করেছেন। [৬৩২] [বুলুগুল মারাম : ৫৯৬]
[[৬৩২] তিরমিযী ১০৫৩ ইবনু হাজার আসকালানী তার আল ফুতুহাতে আররব্বানিয়্যাহ (৪/২২০) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান আখ্যায়িত করে বলেন, কাবূস ব্যতিত এ হাদীসের সকল রাবী বিশুদ্ধ, কেননা সে বিতর্কিত। বিন বায তার বুলূগুল মারামের হাশিয়ায় (৩৭০) বলেন, এর সনদের রাবী কাবূস বিন আবূ যাবীনার মাঝে দুর্বলতা রয়েছে, অবশিষ্ট সকল রাবী বিশ্বস্ত। শাইখ আলবানী তাহক্বীক রিয়াযুস স্বালিহীন (৫৮৯), তাখরীজ মিশকাত (১৭০৯) গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তিনি তার আহকামুল জানায়িয (২৪৯) গ্রন্থে উক্ত রাবী সম্পর্কে বলেন, তার থেকে দলীল গ্রহণ করা যায় না, সম্ভবত ইমাম তিরমিযী এ হাদীসের অনেক শাহেদ থাকার কারণে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন, কেননা সহীহ হাদীসসমূহ দ্বারা এর অর্থ সুসাব্যস্ত।]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস