(৪৯৯) জানাযা [হাদিসের সীমা (৫৩৪-৫৯৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৬৫টি]

পরিচ্ছেদ ২৮. [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৭টি]


জানাযার সলাতে তাকবীরের সংখ্যা




38807 OK

(৫৬২)

সহিহ হাদিস

وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ: كَانَ زَيْدُ بْنُ أَرْقَمَ يُكَبِّرُ عَلَى جَنَائِزِنَا أَرْبَعًا، وَإِنَّهُ كَبَّرَ عَلَى جَنَازَةٍ خَمْسًا، فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُكَبِّرُهَا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَالْأَرْبَعَةُ


আবদুর রহমান বিন আবূ লাইলা (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) আমাদের জানাযার সলাতে চার তাকবীর বলতেন। তিনি এক জানাযার সলাতে পাঁচ তাকবীর বলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচ তাকবীরও বলেছেন। [৫৯৯] [বুলুগুল মারাম : ৫৬২]


[[৫৯৯] মুসলিম ৯৫৭, তিরমিযী ১০২৩, ১৯৮২, নাসায়ী ১৯৮২, আবূ দাঊদ ৩১৯৭, ইবনু মাজাহ ১৫০৫, আহমাদ ১৮৭৮৬, ১৮৮১৩, ১৮৮২৫।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



38808 OK

(৫৬৩)

সহিহ হাদিস

وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه -: أَنَّهُ كَبَّرَ عَلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ سِتًّا، وَقَالَ: إِنَّهُ بَدْرِيٌّ. رَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ وَأَصْلُهُ فِي «الْبُخَارِيِّ


‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আলী (রাঃ) সাহল ইবনু হুনায়ফের (জানাযার সলাতে) ছয় তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহল ইব্‌নু হুনায়ফ) ছিলেন একজন বাদ্‌রী সাহাবী। সা‘ঈদ বিন মানসুর এটি বর্ণনা করেছেন আর এর মূল বক্তব্য বুখারীতে রয়েছে। [৬০০] [বুলুগুল মারাম : ৫৬৩]


[[৬০০] বুখারী ৪০০৪। বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, ইব্‌নু মা‘কিল (রাঃ) হতে বর্ণিত যে (তিনি বলেছেন), ‘আলী (রাঃ) সাহল ইব্‌নু হুনায়ফের (জানাযার সলাতে) তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহ ইব্‌নু হুনায়ফ) বাদ্‌র যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



38809 OK

(৫৬৪)

জাল হাদিস

وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُكَبِّرُ عَلَى جَنَائِزِنَا أَرْبَعًا وَيَقْرَأُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِي التَّكْبِيرَةِ الْأُولَى. رَوَاهُ الشَّافِعِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ


জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের জানাযায় চার তকবীর বলতেন এবং প্রথম তাকবীরের (পর) ফাতিহাতিল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করতেন। শাফি‘ঈ দুর্বল সানাদে এটি বর্ণনা করেছেন। [৬০১] [বুলুগুল মারাম : ৫৬৪]


[[৬০১] ইবনু হাজার আস কলানী বুলুগুল মারামে (১৫৭) এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। বিন বায বুলুগুল মারামের হাশিয়ায় (৩৫৫) বলেন, এর সানাদে রয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উকাইল যিনি দুর্বল। আর তদাপেক্ষাও দুর্বল রাবী হচ্ছেন ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ যিনি ইমাম শাফেযীর উসতাদ। আর তিনি অধিকাংশের নিকট দুর্বল। ইবনু উসাইমীন বুলুগুল মারামের শারাহ (২/৫৬৪) গ্রন্থে বলেন, এটি দুর্বল তবে কিয়াস ও অর্থ একে শক্তিশালী করে। আলবানী ইরওয়াউল গালীল (৭৩৪) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম (২/১৬৫) গ্রন্থে বলেন, এটি দুর্বল তবে এর শাহেদ হাদীস রয়েছে। শাওকানী তুহফাতুয যাকিরীন (৩৭১) গ্রন্থে মুতাররফ রয়েছে তিনি যয়ীফ। কিন্তু বাইহাকী শক্তিশালী বলেছেন। রুবায়ী ফাতহুল গাফ্‌ফার (৭৩২/২) গ্রন্থে বলেন তার সানাদ দুর্বল। আলবানী আহকামুল জানায়িয (১৫৫) গ্রন্থে বলেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ। বাইহাকী সুনানুল কুবরা (৪/৩৯) গ্রন্থে বলেন, এ বর্ণনাটি শক্তিশালী। মুসলিম সহীহ মুসলিম (৪৫১) গ্রন্থে সহীহ বলেছেন।]


হাদিসের মান : জাল হাদিস