
وَعَنْ سَمُرَةَ بنِ جُنْدُبٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَسْتَغْفِرُ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ كُلَّ جُمُعَةٍ. رَوَاهُ الْبَزَّارُ بِإِسْنَادٍ لَيِّنٍ
সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’মিন ও মু’মিনাহ সকলের জন্য প্রতি জুমু‘আহতে ক্ষমা চাইতেন। -বাযযার দুর্বল সানাদে। [৫০৬] [বুলুগুল মারাম : ৪৬৮]
[[৫০৬] ইমাম হায়সামী তাঁর মাজুমুয়াতুয যাওয়ায়েদ (২/১৯৩) গ্রন্থে বলেন, বাযযারের সনদে ইউসুফ বিন খালেদ আস সামতী নামক বর্ণনাকারী রয়েছে সে দুর্বল। ইমাম সনয়ানী তাঁর সুবুলুস সালাম (২/৯০) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে ইউসুফ বিন খালিদ আল বাসতী রয়েছেন, তিনি দুর্বল। ইমাম হাইসামী তাঁর মাজমাউয যাওয়ায়িদ (২/১৯৩) গ্রন্থেও অনুরূপ বলেছেন। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (২/৩৬৫) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। শাইখ সুমাইর আয যুহাইরী উক্ত হাদীসের সনদ উল্লেখ করেছেন এভাবেঃ (আরবী) মীযানুল ই’তিদাল গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, খালিদ বিন ইউসুফ দুর্বল, আর তার পিতা ইউসুফ বিন খালিদ আস সামতীকেও মুহাদ্দীসগন বর্জন করেছেন। আর ইবনু মুঈন তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। এর সনদের অপর বর্ণনাকারী জা’ফর বিন সাদ বিন সামুরাহ শক্তিশালী বর্ণনাকারী নন। খুবাইব বিন সুলাইমান হচ্ছেন মাজহুল বর্ণনাকারী। সনদের প্রতিটি বর্ণনাকারীর অবস্থা দেখে এ কথা বলা ছাড়া আর কোন উপায় নেই যে, ইবনু হাজার যে হাদীসটিকে ‘লীন’ বলেছেন, সে কথাটিও লীন।]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস