(৪৯৮) সলাত [হাদিসের সীমা (১৫১-৫৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪০০টি]

পরিচ্ছেদঃ [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৭৩টি]


বিতর (সলাতের) বিধান




38606 OK

(৩৬৯)

সহিহ মাওকুফ

وَعَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «الْوِتْرُ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ، مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِخَمْسٍ فَلْيَفْعَلْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِثَلَاثٍ فَلْيَفْعَلْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِوَاحِدَةٍ فَلْيَفْعَلْ» رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ إِلَّا التِّرْمِذِيَّ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ، وَرَجَّحَ النَّسَائِيُّ وَقْفَهُ


আবূ আইঊব আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিতর সলাত আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জরুরী । যদি কেউ পাঁচ রাক’আত বিতর সলাত আদায় করা পছন্দ মনে করে, সে সেটাই করবে; আর যে তিন রাক’আত বিতর পড়া পছন্দ মনে করবে সেও সেটাই করবে; আর যে এক রাক’আত বিতর পড়া পছন্দ মনে করবে সেও সেটাই করবে । আর ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন, নাসায়ী এর মওকুফ হওয়াকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন । [৪১০] [বুলুগুল মারাম : ৩৬৯]


[[৪১০] আবূ দাঊদ ১৪২২, নাসায়ী ১৭১০, ১৭১১, ১৭১২, আহমাদ ২৩০৩৩, দারেমী ১৫৮২]


হাদিসের মান : সহিহ মাওকুফ



38607 OK

(৩৭০)

হাসান হাদিস

وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: لَيْسَ الْوِتْرُ بِحَتْمٍ كَهَيْئَةِ الْمَكْتُوبَةِ، وَلَكِنْ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -. رَوَاهُ النَّسَائِيُّ، وَالتِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ، وَالْحَاكِمُ وَصَحَّحَهُ


আলী বিন আবী তলিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন – বিতর সলাত ফরয সলাতের ন্যায় জরুরী নয়, বরং এটা একটি সুন্নাত, যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চালু করেছেন । তিরমিযী একে হাসান বলেছেন আর হাকিম একে সহীহ বলেছেন । [৪১১] [বুলুগুল মারাম : ৩৭০]


[[৪১১] তিরমিযী ৪৫৩, ৪৫৪, নাসায়ী ১৬০৫, ১৬০৬, আবূ দাঊদ ১৪১৬, ইবনু মাজাহ ১১৬৯, আহমাদ ৬৫৪, ৭৬৩, দারেমী ১৫৭৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



38608 OK

(৩৭১)

সহিহ হাদিস

وَعَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَامَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ، ثُمَّ انْتَظَرُوهُ مِنَ الْقَابِلَةِ فَلَمْ يَخْرُجْ، وَقَالَ: «إِنِّي خَشِيتُ أَنْ يُكْتَبَ عَلَيْكُمُ الْوِتْرُ» رَوَاهُ ابْنُ حِبَّانَ


জাবির বিন ‘আব্দিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানে কিয়াম বা রাতের সলাতে জামা’য়াত করে (তিন দিন পর পর) সম্পাদন করলেন । তারপর পরবর্তী রাতে লোকেরা তাঁর অপেক্ষায় থাকলেন; তিনি আর মাসজিদে এলেন না । তিনি বললেন - আমি রাতের এ (তারাবীহ সহ) বিতর সলাত তোমাদের উপর ফরজ হয়ে যাবার আশংকা করছি । [৪১২] [বুলুগুল মারাম : ৩৭১]


[[৪১২] এ শব্দে হাদিসটি যঈফ । ইবনু হিব্বান ২৪০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস