(৪৯৮) সলাত [হাদিসের সীমা (১৫১-৫৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪০০টি]

পরিচ্ছেদঃ [মোট হাদিসঃ ১টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৯৭টি]


তিলাওয়াতের সাজদাহর জন্য তাকবীর দেয়ার বিধান




38582 OK

(৩৪৬)

যঈফ হাদিস

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا كَانَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - يَقْرَأُ عَلَيْنَا الْقُرْآنَ، فَإِذَا مَرَّ بِالسَّجْدَةِ، كَبَّرَ وَسَجَدَ، وَسَجَدْنَا مَعَهُ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ بِسَنَدٍ فِيهِ لِينٌ


ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কুরআন মাজীদ পড়ে শুনাতেন, যখন তিনি সাজদাহর আয়াত অতিক্রম করতেন তখন আল্লাহ আকবার বলতেন ও সাজদাহ করতেন, আর আমরাও তাঁর সঙ্গে সাজদাহ করতাম। আবূ দাঊদ এর সানাদে দুর্বলতা আছে। [৩৮৭] [বুলুগুল মারাম : ৩৪৬]


[[৩৮৭] আহমাদ ৪৬৫৫, ৬২৪৯। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/৩৩২) গ্রন্থে বলেন, আবদুল্লাহ আল উমরী হচ্ছে দুর্বল বর্ণনাকারী। ইমাম হাকিম এ হাদীসটি উবাইদুল্লাহ আল মুসাগগার থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি বর্ণনাকারী হিসেবে বিশ্বস্ত। শাইখ আলবানী তাঁর ইরওয়াউল গালীল (৪৭২) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তিনি যঈফ আবূ দাউদ (৪১৩) গ্রন্থে বলেন, তাকবীরের বর্ণনার সাথে যেটি সেটি হচ্ছে মুনকার, আর এতদ্বতীত মাহফূয (সংরক্ষিত)। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম গ্রন্থেও হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওহম ওয়া ঈহাম (৪/১৯৭) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। ইবনুল মুলকীন তাঁর আল বাদরুল মুনীর (৪/২৬১) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আব্দুল্লাহ বিন উমার বিন হাফস রয়েছেন যার ভাই উবাইদুল্লাহ তার সমর্থনে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি উক্ত গ্রন্থের (১/১৬৮) পৃষ্ঠায় বলেন, উক্ত রাবীর বিরুদ্ধে বিতর্কের অভিযোগ করেছেন। ইবনু হাজার তাঁর আত তালখীসুল হাবীর (২/৪৮৫) গ্রন্থে উক্ত রাবীকে দুর্বল বলেছেন। তবে এ হাদীসটির মূল ইবনু উমার থেকে অন্য শব্দে বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস