
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقْرَأُ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ الْجُمْعَةِ: {الم تَنْزِيلُ} السَّجْدَةَ، و {هَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ}. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু‘আহর দিন ফাজরের সলাতে (আরবী) এবং (সূরা সাজদাহ)এবং (আরবী) (সূরা দাহর) দু‘টি সূরাহ তিলাওয়াত করতেন।” [৩২৭] [বুলুগুল মারাম : ২৯০]
[[৩২৭] বুখারী ৮৯১, ১০৬৮, মুসলিম ৮৮০, নাসায়ী ৯৫৫, ইবনু মাজাহ ৮২৩, আহমাদ ৯২৭৭, ৯৭৫২, দারেমী ১৫৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

وَلِلطَّبَرَانِيِّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ مَسْعُودٍ: يُدِيمُ ذَلِكَ
ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি ফাজরে এ সূরা দুটি সব সময়ই পাঠ করতেন। [৩২৮] [বুলুগুল মারাম : ২৯১]
[[৩২৮] তাবরানী সগীর ৯৮৬, (দুর্বল সূত্রে); মাজমাউয যাওয়ায়িদ (২/১৭১) ইবনু রজব তার ফাতহুল বারী (৫/৩৮৩) গ্রন্থে বলেন, এর সকল বর্ণনাকারী বিশ্বস্ত। তবে আবুল আহওয়াস থেকে মুরসাল রূপে বর্ণিত হয়েছে। অন্য একটি সূত্রে আবুল আহওয়াস আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ থেকে মুত্তসিলরূপে বর্ণনা করেছেন। সেখানে (আরবী) (সর্বদা) কথাটি উল্লেখ নেই। ইমাম হাইসামী তার মাজমাউয যাওয়ায়িদ (২/১৭১) গ্রন্থে বলেন, এর সকল রাবী বিশ্বস্ত। ইবনু হাজার আসকালানী তার ফাতহুল বারী (২/৪৩৯) গ্রন্থে বলেন, এর সকল রাবী বিশ্বস্ত, কিন্তু সঠিক কথা হচ্ছে আবু হাতিম এটিকে মুরসাল বলেছেন। ইবনু হাজার তাঁর নাতায়িজুল আফকার (১/৪৭১) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন, আর এর সকল বর্ণনাকারীকে বিশ্বস্ত বলেছেন। বিন বায তাঁর মাসায়িলুল ইমাম (২৮০) গ্রন্থে হাদীসটি উত্তম বলেছেন।]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস