
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: إِنِّي لَا أَسْتَطِيعُ أَنْ آخُذَ مِنَ الْقُرْآنِ شَيْئًا، فَعَلِّمْنِي مَا يُجْزِئُنِي، قَالَ: «سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ ...» الْحَدِيثَ. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ وَالدَّارَقُطْنِيُّ وَالْحَاكِمُ
আবদুল্লাহ্ বিন আবূ ‘আউফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ কোন এক ব্যক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট এসে বলল- ‘আমি কুরআনের কোন অংশ গ্রহণে (মুখস্ত করতে) সক্ষম নই, তাই আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দেন যা আমার জন্য যথেষ্ঠ হয়। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বলবে, ‘সুব্হানাল্লাহ্’ ‘আল্হামদুলিল্লাহ্’ অলা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, অলা হাওলা অলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম্। (সংক্ষিপ্ত) ইবনু হিব্বান, দারাকুৎনী ও হাকিম এটিকে সহীহ্ বলেছেন। [৩২২] [বুলুগুল মারাম : ২৮৫]
[[৩২২] হাসান। আবূ দাঊদ ৮৩২, আহমাদ ১৮৬৩১, নাসায়ী ৯২৪, ইবনু হিব্বান ১৮০৮, দারাকুতনী (৩/৩০ হাঃ ১), হাকিম (১/২৪১), নাসায়ী ও ইবনু হিব্বান ব্যতীত সকলেই এ কথা বৃদ্ধি করেছেন- “হে আল্লাহর রাসূল! এটাতো আল্লাহর জন্য। আমার জন্য কী? তিনি বলেন, তুমি বল, হে আল্লাহ! আমার প্রতি রহম কর, আমাকে রিযিক দান কর। আমাকে ক্ষমা কর, আমাকে হেদায়েত কর। অতঃপর সে দাঁড়িয়ে বলল, এটাও তো তাঁরই হাতে রইল। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এতটুকুই তার হাতকে কল্যাণে পরিপূর্ণ করে দিবে।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُصَلِّي بِنَا، فَيَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ -فِي الرَّكْعَتَيْنِ الْأُولَيَيْنِ- بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَتَيْنِ، وَيُسْمِعُنَا الْآيَةَ أَحْيَانًا، وَيُطَوِّلُ الرَّكْعَةَ الْأُولَى، وَيَقْرَأُ فِي الْأُخْرَيَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে সলাত পড়তেন, তাতে তিনি যুহর ও ‘আসরের প্রথম দু’ রাক’আতে সূরাহ্ ফাতিহার সঙ্গে আরও দু’টি সূরাহ্ পাঠ করতেন। কখনো কোন আয়াত শুনিয়ে পড়তেন। প্রথম রাক’আত দীর্ঘ করতেন। আর শেষের দু’রাক’য়াতে তিনি (কেবল) সূরাহ্ ফাতিহা পড়তেন। [৩২৩] [বুলুগুল মারাম : ২৮৬]
[[৩২৩] বুখারী ৭৫৯, ৭৬২, ৭৭৬, ৭৭৮, ৭৭৯, মুসলিম ৪৪১, ৯৭৪, ৯৭৫, ৯৭৬, ৯৭৭, ৯৭৮, আবূ দাঊদ ৭৯৮, মাজাহ ৮২৯, আহমাদ ২২১০৪, ২২০৩৩, ২২০৫৭, দারেমী ১২৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস