(৪৯৮) সলাত [হাদিসের সীমা (১৫১-৫৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪০০টি]

পরিচ্ছেদ ৯৪. [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৬৪টি]


সলাতে বিসমিল্লাহ্‌ জোরে বা প্রকাশ্যে পড়ার বিধান




38515 OK

(২৮০)

সহিহ হাদিস

وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ كَانُوا يَفْتَتِحُونَ الصَّلَاةَ بِـ {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ (1). زَادَ مُسْلِمٌ: لَا يَذْكُرُونَ {بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ} فِي أَوَّلِ قِرَاءَةٍ وَلَا فِي آخِرِهَا (2). وَفِي رِوَايَةٍ لِأَحْمَدَ وَالنَّسَائِيِّ وَابْنِ خُزَيْمَةَ: لَا يَجْهَرُونَ بِـ {بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم}


আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্‌র (রাঃ) এবং ‘উমার (রাঃ) (আরবী) দিয়ে সলাত শুরু করতেন। [৩১৭]
মুসলিমে (এ সম্বন্ধে) আরো আছে- কিরাআতের প্রথমেও ‘বিস্‌মিল্লাহির রহমানির রহীম’ (প্রকাশ্যে) বলতেন না, শেষেও না। আহমাদ, নাসায়ী ও ইবনু খুযাইমাহতে আছে- ‘তাঁরা বিস্‌মিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’ সশব্দে পাঠ করতেন না।’ ইবনু খুযাইমাহ এর অন্য বর্ণনায় আরো আছে, তাঁরা বিসমিল্লাহ চুপিসারে পড়তেন।
মুসলিমের বর্ণনা দ্বারা বিসমিল্লাহ উচ্চৈঃস্বরে না পড়ার প্রমাণ বহন করে, তবে যারা এ বর্ণনাকে দুর্বল বলেছেন তাদের বিরোধিতার কথা স্বতন্ত্র। [বুলুগুল মারাম : ২৮০]


[[৩১৭] বুখারী ৭৪৩, মুসলিম ৩৯৯, তিরমিযী ২৪৬, নাসায়ী ৯০২, ৯০৩, ৯০৬, ৯০৭, আবূ দাঊদ ৭৮২, ইবনু মাজাহ ৮১৩, আহমাদ ১১৫৮০, ১১৬৭৪, ১১৭২৫, ১২২৮৯, মালেক ১৬৪, দারেমী ১২৪০।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



38516 OK

(২৮১)

হাসান হাদিস

وَعَنْ نُعَيْمٍ الْمُجْمِرِ - رضي الله عنه - قَالَ: صَلَّيْتُ وَرَاءَ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَرَأَ: {بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ}، ثُمَّ قَرَأَ بِأُمِّ الْقُرْآنِ، حَتَّى إِذَا بَلَغَ: {وَلَا الضَّالِّينَ}، قَالَ: آمِينَ، وَيَقُولُ كُلَّمَا سَجَدَ، وَإِذَا قَامَ مِنَ الْجُلُوسِ: اللَّهُ أَكْبَرُ، ثُمَّ يَقُولُ إِذَا سَلَّمَ: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لَأَشْبَهُكُمْ صَلَاةً بِرَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -. رَوَاهُ النَّسَائِيُّ وَابْنُ خُزَيْمَةَ


নু’আইম আলমুজ্‌মির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরা (রাঃ) -এর পিছনে সলাত আদায় করেছি, তিনি ‘বিসমিল্লা-হি্‌র রহমা-নির রহীম’ পড়লেন তারপর সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন, তারপর ‘অলায্‌ যা-ল্লীন’ পর্যন্ত পড়ে ‘আমিন’ বললেন এবং প্রত্যেক সাজদাহ যাবার সময় ও সাজদাহ থেকে ওঠার সময় ‘আল্লাহ্‌ আকবার’ বলতেন। তারপর তিনি সালাম ফিরাবার পর বলতেন- ঐ সত্ত্বার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের মধ্যে সলাতের দিক দিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সর্বাধিক সাদৃশ্য রক্ষাকারী। [৩১৮] [বুলুগুল মারাম : ২৮১]


[[৩১৮] নাসায়ী ৯০৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস