(৪৯৮) সলাত [হাদিসের সীমা (১৫১-৫৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪০০টি]

পরিচ্ছেদ ৮৬. [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৭৭টি]


বাণীর মাধ্যমে সলাতের বিবরণ




38502 OK

(২৬৭)

সহিহ হাদিস

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلَاةِ فَأَسْبِغِ الْوُضُوءَ، ثُمَّ اسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ، فَكَبِّرْ، ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ، ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا، ثُمَّ افْعَلْ ذَلِكَ فِي صَلَاتِكَ كُلِّهَا» أَخْرَجَهُ السَّبْعَةُ، وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ (1). وَلِابْنِ مَاجَهْ بِإِسْنَادِ مُسْلِمٍ: «حَتَّى تَطْمَئِنَّ قَائِمًا»


আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি সলাতে দাড়ানোর ইচ্ছে করবে, তখন প্রথমে তুমি যথানিয়মে অযু করবে। তারপর কিলামুখী দাঁড়িয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন থেকে যে অংশ তোমার পক্ষে সহজ হবে, তা তিলাওয়াত করবে। তারপর তুমি রুকূ’ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর মাথা তুলে ঠিক সোজা হয়ে দাঁড়াবে। তারপর সাজদাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর আবার মাথা তুলে বসবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর ঠিক এভাবেই তোমার সলাতের যাবতীয় কাজ সমাধা করবে। শব্দ বিন্যাস বুখারীর এবং ইবনু মাজাহতে মুসলিমের সানাদে রয়েছে (তা‘তাদিলা কায়িমান এর বদলে তাতময়িন্না কায়িমান) শব্দ রয়েছে যার অর্থও হচ্ছে ধীর-স্থির হয়ে দাড়াবে।' [১] আর আহমদে রয়েছে, তুমি তোমার পিঠকে এমনভাবে সোজা করবে যেন সকল হাড় যার যার স্থানে পৌছে যায়। [২] [বুলুগুল মারাম : ২৬৭]


[[১] ৭ জন ইমাম বর্ণনা করেছেন, শব্দ বিন্যাস বুখারির [২] আবু দাউদ ৮৫৬, সহিহ]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



38503 OK

(২৬৮)

সহিহ হাদিস

وَمِثْلُهُ فِي حَدِيثِ رِفَاعَةَ عِنْدَ أَحْمَدَ وَابْنِ حِبَّانَ (1)، وَفِي لَفْظٍ لِأَحْمَدَ: «فَأَقِمْ صُلْبَكَ حَتَّى تَرْجِعَ (2) الْعِظَامُ» (3)، وَلِلنَّسَائِيِّ وَأَبِي دَاوُدَ مِنْ حَدِيثِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ: «إِنَّهَا لَنْ تَتِمَّ صَلَاةُ أَحَدِكُمْ حَتَّى يُسْبِغَ الْوُضُوءَ كَمَا أَمَرَهُ اللَّهُ، ثُمَّ يُكَبِّرَ اللَّهَ، وَيَحْمَدَهُ، وَيُثْنِيَ عَلَيْهِ» (4)، وَفِيهَا: «فَإِنْ كَانَ مَعَكَ قُرْآنٌ فَاقْرَأْ، وَإِلَّا فَاحْمَدِ اللَّهَ، وَكَبِّرْهُ، وهلِّلْهُ» (1)، وَلِأَبِي دَاوُدَ: «ثُمَّ اقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَبِمَا شَاءَ اللَّهُ» (2)، وَلِابْنِ حِبَّانَ: «ثُمَّ بِمَا شِئْتَ»


আহমদে ও ইবনু হিব্বানেও রিফাআ বিন রফি (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নাসায়ী ও আবু দাউদে উক্ত সহাবী রিফা'আহ থেকে আছে- ‘তোমাদের কারও সলাত অবশ্য ততক্ষণ পূর্ণভাবে সমাধান হবে না যতক্ষণ না সে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী ঠিকভাবে উযু করে, তারপর ‘আল্লাহু আকবার বলে আল্লাহর হামদ ও সানা পাঠ করে। এতে আরো আছে- ‘যদি তোমার কুরআন জানা থাকে তবে তা পড়বে অন্যথায় `আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলবে।
আবু দাউদে আছে- তারপর উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করবে, তারপর আল্লাহ যা পড়ার তাওফিক দেন তা পড়বে। (হাদিসের মান - হাসান)
ইবনু হিব্বানে আছে- ‘ফাতিহার পর ‘তুমি যা পড়ার ইচ্ছা (কুরআন থেকে পড়বে)।(হাদিসের মান - সহিহ) [বুলুগুল মারাম : ২৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস